ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

যে সুবিধা পেলেন বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ১৭৮ ব্যবসায়ী

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২০ ডিসেম্বর ২০১৮, ১১:৩০ এএম

পণ্য রপ্তানিতে অবদান রাখায় ১৩৭ ব্যবসায়ীকে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) হিসেবে কার্ড দিয়েছে সরকার। এছাড়া ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের ৪১ পরিচালককেও দেয়া হয়েছে এই মর্যাদা।

দুই ধরনের সিআইপি মিলিয়ে ২০১৬ সালের জন্য মোট ১৭৮ জনের হাতে সিআইপি কার্ড তুলে দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) যৌথভাবে এই সিআইপি কার্ড দিয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের টিসিবি ভবন মিলনায়তনে সিআইপি কার্ড প্রদান অনুষ্ঠানটি হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

কারা পেলেন সিআইপি কার্ড?

কাঁচা পাট রপ্তানিতে হাসান আহমেদ, নুরুল ইসলাম ও সেলিম রেজা; পাটপণ্য রপ্তানিতে নাজমুল হক, জাহিদ মিয়া, মুশতাক হোসেন, মাহমুদুল হক, আবুল বাসার খাঁন, ফজলুর রহমান ও শেখ ফারুক হোসেন সিআইপি কার্ড পেয়েছেন।

চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে মোহাম্মদ সায়ফুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন মজুমদার, শেখ মোমিন উদ্দিন ও মোহাম্মদ নাজমুল হাসান; হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিতে মেহেদী হাসান, মো. মুছা মিয়া, সৈয়দ আবু আসফার, এস এম আবুল হোসেন, গাজী দেলোয়ার, মাসুদ পারভেজ, দোদুল কুমার দত্ত, তৌহিদুর রহমান ও হাবিব উল্ল্যাহ খান এবং চা রপ্তানিতে আহমেদ কামরুল ইসলাম সিআইপি কার্ড পেয়েছেন। ওভেন পোশাক রপ্তানিতে আহসান কবির খান, সৈয়দা শারমিন হোসেন, মুজিবুর রহমান, আরশাদ জামাল, মিরান আলী, আজিজুল ইসলাম, মুস্তাজিরুল শোভন ইসলাম, আক্কাচ উদ্দিন মোল্লা, ওয়াসিম রহমান, আবদুর রাজ্জাক সাত্তার, মোহাম্মদ সোহেল সাদাত, হুমায়ুন রশীদ, শরীফ জহীর, মোতালেব হোসেন, ইতেমাদ উদ দৌলাহ, সৈয়দ নুরুল ইসলাম ও ইনামুল হক খান সিআইপি কার্ড পেয়েছেন।

কৃষিজাত পণ্য রপ্তানিতে গোবিন্দ চন্দ্র সাহা, ফারুক আহমেদ, এ এস এম রওশন হাবিব, গকুল চন্দ্র সাহা, মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন ও মোহাম্মদ মনসুর এবং কৃষি প্রক্রিয়াকরণ পণ্য রপ্তানিতে ওমর ফারুক, অঞ্জন চৌধুরী ও ইলিয়াস মৃধা সিআইপি কার্ড পেয়েছেন। হালকা প্রকৌশল পণ্য রপ্তানিতে মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ভুঁইয়া; ওষুধ রপ্তানিতে স্যামুয়েল এস চৌধুরী, আব্দুল মুক্তাদির, নাজমুল হাসান; হস্তশিল্প রপ্তানিতে সফিকুল আলম সেলিম, তৌহিদ বিন আবদুস সালাম, বেলাল হোসেন ও আবু আলম চৌধুরী সিআইপি কার্ড পেয়েছেন।

বিশেষায়িত টেক্সটাইল বা হোম টেক্সটাইল রপ্তানিতে মোহাম্মদ মোহসিন, এম শাহাদাত হোসেন ও আব্দুছ ছামাদ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, নিট পোশাক রপ্তানিতে গোলাম মুস্তফা, ফকির আখতারুজ্জামান, গাওহার সিরাজ জামিল, মাসুদুজ্জামান, অহিদুল হক আসলাম সানী, অমল পোদ্দার, মহিউদ্দিন ফারুকী, নাবিল উদ দৌলাহ, নাজীম উদ্দিন আহমেদ, আসাদুল ইসলাম, আসিফ আশরাফ, কামাল উদ্দিন, আব্দুস সোবাহান, রিয়াজ উদ্দিন আল মামুন, প্রীতি পোদ্দার, মোহাম্মদ আলী তালুকদার, আব্দুল কাদির মোল্লা, মোখলেছুর রহমান, নাজিব মালেক চৌধুরী, রবিন রাজন সাখাওয়াত, এ এস এম কামরুল আহসান, আমির হামজা সরকার, কানিজ ফাতিমা, শফিকুল ইসলাম সরকার, বোরহান উদ্দিন, মোহাম্মদ সালমান, সাফিনা রহমান, রাকিবুল কবির, নুরুল আলম চৌধুরী, ফায়জুর রহমান ভূঞা, ইস্তেখাবুল হামিদ, অঞ্জন শেখর দাশ, শেখ এস এম মোস্তাফিজ, মোহাম্মদ আব্দুর রহিম, খলিলুর রহমান, শাহরিয়ার আহমেদ, এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, এ বি এম সামসুদ্দিন, শামীম রেজা, মহিম হাসান ও সুলতানা জাহান সিআইপি কার্ড পেয়েছেন।

সিরামিক পণ্য রপ্তানিতে এস এম ফারুকী হাসান, প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানিতে বেঙ্গল প্লাস্টিকের জসিম উদ্দীন ও প্রাণ গ্রুপের রথীন্দ্রনাথ পাল, কাপড় রপ্তানিতে সাখাওয়াত হোসেন, আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, আবদুর রাজ্জাক সাত্তার, শফিকুল ইসলাম সরকার, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জাবের, আব্দুর রাজ্জাক খাঁন এবং তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য রপ্তানিতে এ এস এম মহিউদ্দিন মোনেম সিআইপি কার্ড পেয়েছেন।

এ ছাড়া আব্দুল মমিন মণ্ডল, মোহাম্মদ হাসান ইমাম, কানিজ ফাতেমা জেরিন, শামীম ইসলাম, রানা শফিউল্ল্যহ, আব্দুল আউয়াল, সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ জুবায়ের, মনির হোসেন, নিয়াজ রহিম, আসিফ এ চৌধুরী, বজলুর রহমান, গাজী আবুল হাসেম, মহুয়া দাশ গুপ্তা, আহমেদ কামরুল ইসলাম চৌধুরী, হেলাল মিয়া, আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তালহা, নুর-ই ইয়াছমিন ফাতেমা, সালাউদ্দীন আলমগীর, তানভীর খান, কামাল উদ্দিন আহমেদ, মোহাম্মদ আনিসুর রাজ্জাক, সাজ্জাদুর রহমান মৃধা, এম মহিউদ্দিন চৌধুরী সিআইপি কার্ড পেয়েছেন।

দেশে একজন সিআইপিধারী কী কী সুবিধা পান?

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সিআইপি (রপ্তানি) কার্ডধারীরা বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য পাস ও গাড়ির স্টিকার পান।

বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠান ও মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ পাবেন।

ব্যবসা সংক্রান্ত ভ্রমণে বিমান, রেল, সড়ক ও জলপথে সরকারি যানবাহনে আসন সংরক্ষণ অগ্রাধিকার পান।

একজন সিআইপি ব্যবসা সংক্রান্ত কাজে বিদেশে ভ্রমণের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভিসা প্রাপ্তির জন্য সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে উদ্দেশ করে লেটার অব ইন্ট্রোডাকশন ইস্যু করতে পারেন।

সিআইপিরা তাদের স্ত্রী, পুত্র, কন্যা ও নিজের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালের কেবিন সুবিধা প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার পাবেন

বিমান বন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ-২ ব্যবহার সুবিধা পান

সিআইপি কার্ডের মেয়াদ কত দিন থাকে?

সিআইপি (রপ্তানি) এর মেয়াদ এক বছর। এক বছর পার হওয়ার পরে পরবর্তী বছরে সিআইপি ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত সিআইপি এর মেয়াদ বলবৎ থাকে।

তবে সিআইপিদের (ট্রেড) মেয়াদ তাদের সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠনের পদে বহাল থাকা বা পরবর্তী সিআইপি ঘোষণা যেটি হয়, সে পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

সিআইপি কার্ডের মেয়াদকাল উত্তীর্ণ হওয়ার পর এক সপ্তাহের মধ্যে তা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে।

সরকার যেকোনও সময় সিআইপি প্রত্যাহারের ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।

আরও পড়ুন :

এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইউএনডিপি-ওয়ালটন চুক্তি: পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ তৈরি করছে ওয়ালটন
ফ্রিজে বিশ্ব জলবায়ু উষ্ণায়নের জন্য দায়ী এইচএফসি গ্যাসের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে ওয়ালটন। সেই লক্ষ্যে ফ্রিজ ও কম্প্রেসারে এইচএফসি ফেজ আউট প্রজেক্ট চালু করেছে তারা। এর আওতায় ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ খ্যাত ফ্রিজ ও এর কম্প্রেসারে বিশ্ব স্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ব্যবহার করবে দেশীয় প্রতিষ্ঠানটি। ওয়ালটনের এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে জাতিসংঘের উন্নয়ন সংস্থা ইউএনডিপি। এ বিষয়ে শনিবার রাজধানীতে ওয়ালটনের করপোরেট অফিসের সম্মেলন কক্ষে ইউএনডিপি ও ওয়ালটনের মধ্যে ‘এইচএফসি ফেজ আউট প্রজেক্ট’ নামে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ওয়ালটনের এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ এক বছর। বিশ্বে এইচএফসি গ্যাস ফেজ আউটে এই প্রকল্পেই প্রথম সহায়তা প্রদান করছে ইউএনডিপি। চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম আশরাফুল আলম এবং ইউএনডিপি, বাংলাদেশ এর আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম, ইউএনডিপি, বাংলাদেশ এর সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি খুরশিদ আলম ও শায়লা খান, জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ মামুনুর রশীদ ও সংস্থাটির প্রাকিউরমেন্ট বিভাগের প্রধান মরিয়ম আকতার রিকতা, ওয়ালটন গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক এস এম জাহিদ হাসান, মো. হুমায়ুন কবীর, প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর আশরাফুল আম্বিয়া ও অন্যান্য কর্মকর্তা। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এস এম আশরাফুল আলম বলেন, পরিবেশ সুরক্ষার প্রতি আমরা সব সময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আর তাই পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক এক গ্রাম কেমিক্যালও ওয়ালটন ব্যবহার করে না। আমাদের টার্গেট বাংলাদেশি ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ালটনকে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ব্র্যান্ডের মর্যাদায় নিয়ে যাওয়া। সেই লক্ষ্যে পরিবশেবান্ধব ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্রিজ, এসিসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করছি আমরা। প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক আশরাফুল আম্বিয়া জানান, কয়েক বছর আগেই ইউএনডিপির সহায়তায় অত্যন্ত সফলভাবে ফ্রিজে বায়ুমন্ডল তথা ওজোনস্তর ক্ষয়কারী এইচসিএফসি গ্যাসের ব্যবহার রোধ করেছে ওয়ালটন। পাশাপাশি, এইচএফসির ব্যবহার রোধের উদ্দেশ্যে পরীক্ষামূলকভাবে পরিচালিত প্রকল্প বাস্তবায়নে সফল হয়েছে ওয়ালটন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এবার ফ্রিজে এইচএফসির ব্যবহার সম্পূর্ণ রোধ করার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে সম্পূর্ণভাবে এইচএফসিমুক্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী কম্প্রেসার উৎপাদনও শুরু করলো ওয়ালটন। সূত্রমতে, প্রকল্পটি চালুর ফলে বায়ুমন্ডলে বাৎসরিক প্রায় ২ দশমিক ৫৩ লাখ টন কার্বনডাই অক্সাইডের সমপরিমাণ ১৮৯ টন এইচএফসি গ্যাসের নিঃসরণ রোধ করবে ওয়ালটন। এর মধ্য দিয়ে ‘গ্লোবাল ওয়ার্মিং’ কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে ওয়ালটন তথা বাংলাদেশ। এসআর
ইউএনডিপি-ওয়ালটন চুক্তি: পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ তৈরি করছে ওয়ালটন
আজও ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন না গ্রাহকরা
নির্বাচনের কারণে ৩০ ডিসেম্বর সাধারণ ছুটি শেষ হয়েছে। আজ সোমবার থেকে পুরোদমে শুরু হয়েছে অফিস আদালত। তবে ব্যাংক হলিডে থাকায় এদিন ব্যাংক খোলা থাকলেও কোনও ধরনের লেনদেন হচ্ছে না। ফলে সাধারণ গ্রাহকরা ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন না। তবে প্রয়োজন হলে কার্ডের মাধ্যমে এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও গুরুত্বপূর্ণ শাখা খোলা থাকবে। সংশ্লিষ্টরা জানায়, ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংকগুলোর বিভিন্ন শাখা থেকে পাঠানো হিসাব একত্রিত করে অর্ধ বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। যে কারণে এ দিনটিকে ‘ব্যাংক হলিডে’ হিসেবে ধরা হয়। এদিন বাংলাদেশ ব্যাংক বা অন্যান্য ব্যাংক গ্রাহকদের সঙ্গে কোনও ধরনের লেনদেন বা দাপ্তরিক কার্যক্রম করে না। এদিন বন্ধ থাকবে শেয়ারবাজারের লেনদেনও। এসআর
আজও ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন না গ্রাহকরা
বিকাশ-রকেটে টাকা তোলায় নিষেধাজ্ঞা উঠছে বিকেল ৫টায়
বিকাশ, রকেট, ইউক্যাশ, এমক্যাশ, শিওর ক্যাশের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বা মুঠোফোনে আর্থিক সেবায় লেনদেনের ক্ষেত্রে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে। আজ রোববার বিকেল ৫টার পর গ্রাহকরা আবারও আগের মতো টাকা লেনদেন, ক্যাশ আউট, মোবাইল ফোনে রিচার্জ করতে পারবেন।   বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।   তবে শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে আজ বিকেল ৫টা পযর্ন্ত ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পাঠানোর বিষয়ে শিথিলতা আনা হয়। সে অনুযায়ী গ্রাহকরা আজ বিকেল ৫টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা শুধু পাঠাতে পারছেন। কোনও ক্যাশ আউট ও রিচার্জের সুযোগ নেই।   নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতা ও ভোটার আকৃষ্ট করতে টাকা ছড়ানো বন্ধের জন্য মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়। কারণ নগদ টাকার পাশাপাশি অনেক সময় মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেন হয়। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুপারিশ ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বন্ধ রাখার সিন্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এসআর
বিকাশ-রকেটে টাকা তোলায় নিষেধাজ্ঞা উঠছে বিকেল ৫টায়
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৫ হাজার টাকার বেশি লেনদেন নয়
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রয়েছে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা। তবে শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে রোববার তথা নির্বাচনের দিন বিকেল ৫টা পযর্ন্ত এই ২৪ ঘণ্টা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পাঠানো যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনার আলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক গত ২৭ ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। ফলে শুক্রবার (২৮ ডিসেম্বর) থেকে বিকাশ, রকেট, ইউক্যাশ, এমক্যাশ, শিওর ক্যাশের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বা মুঠোফোনে আর্থিক সেবা বন্ধ রয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতা ও ভোটার আকৃষ্ট করতে টাকা ছড়ানো বন্ধের জন্য এ নির্দেশনা দেয়া হয়। নগদ টাকার পাশাপাশি অনেক সময় মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেন হয়। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুপারিশ ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বন্ধ রাখার সিন্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মতে, সব মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে ২৮ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা থেকে ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত সব ধরনের লেনদেন বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হলো। তবে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট হতে ২৯ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা থেকে ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা লেনদেনের সুযোগ রেখে সীমিত আকারে এ সেবা চালু রাখা যেতে পারে বলে জানানো হয়। আরও পড়ুন : ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ বিকাশ-রকেট থেকে হচ্ছে না মোবাইল ফোনের রিচার্জও এসআর
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৫ হাজার টাকার বেশি লেনদেন নয়
ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বের ২৬তম অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার মাধ্যমে বৈশ্বিক গড় অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) ক্ষেত্রে বৃহত্তম দেশ হিসাবে উত্তরণ ঘটতে পারে। ‘দ্য ওয়ার্ল্ড ইন ২০৩০’ শীর্ষক এইচএসবিসি গ্লোবাল রিপোর্টে একথা বলা হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশের (আইসিসিবি) নিউজ বুলেটিনের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৮) সম্পাদকীয় শাখায় এই তথ্য প্রকাশ করেছে। তাদের বুলেটিনে বলা হয়, ‘ফিলিপাইন, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে দেশটি (বাংলাদেশ) বিশ্বের ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে।’ এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে এবং আর্থ-সামাজিক গতিশীলতার কারণে ‘গ্লোবাল ব্র্যান্ড ভ্যালু ইনডেক্স’-এ বাংলাদেশের অবস্থান ৩৯তম। লন্ডন ভিত্তিক ‘ব্র্যান্ড ফাইন্যান্স’-এর ‘ন্যাশনাল ব্র্যান্ডস ২০১৮’ প্রতিবেদন অনুসারে বর্তমানে বাংলাদেশের ‘ব্র্যান্ড ভ্যালু’ ২৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আইসিসিবি নিউজ বুলেটিনে বলা হয়, বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি চমৎকারভাবে ৬ শতাংশের অধিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরে রেখেছে এবং গত দু’বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বুলেটিন অনুসারে, টেকসই জিডিপি প্রবৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই), সরকারের বিনিয়োগ বান্ধব কার্যক্রম, ‘ওয়ান-স্টপ-সার্ভিস’ অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সাবলীল করেছে। পাশাপাশি, বেসরকারি ও সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগের সুবিধার্থে সরকার অনেকগুলো ‘বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’ (এসইজেড) প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে। বাণিজ্য ও শিল্পকারখানা স্থাপনের জন্য জমির সংকট দূর করার জন্য সরকার ২০৩০ সাল নাগাদ ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। ইতিমধ্যে ১০০টির মধ্যে ৭৬টির জন্য জমি নির্ধারণ করেছে। আরও পড়ুন : বিকাশ-রকেট থেকে হচ্ছে না মোবাইল ফোনের রিচার্জও বাংলাদেশের পুঁজিবাজার হবে এশিয়ায় নেতৃস্থানীয়: ডিএসই এমডি এসআর
ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ
আরও পড়ুন
সিআইপি কার্ড পাচ্ছেন ১৩৭ ব্যবসায়ী
‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১২ মামলার আসামি মাদক ব্যবসায়ী নিহত
ফিলিপাইনে তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে ৪০ বছর পর্যন্ত সাজা
ময়মনসিংহে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী নিহত