ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

নিটিং ব্যবসায়ীদের প্রতি মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৮:১৩ পিএম
ছবি: সংগ্রহীত

সময়মতো বায়াররা ক্রয়কৃত নিটিং পণ্যের মূল্য পরিশোধ না করায় নারায়ণগঞ্জে নিটিং ব্যবসায় মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান গুনছেন ব্যবসায়ীরা। এতে এই ব্যবসা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী।

সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে ফতুল্লার বিসিক শিল্পনগরীতে অবস্থিত বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভবনে বার্ষিক প্রতিবেদন সভায় ব্যবসায়ীদের বক্তব্যে এ তথ্য উঠে এসেছে।

এ সময় বক্তারা বলেন, ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য না থাকায় কোনও কোনও ব্যবসায়ী কম মজুরিতে ওয়ার্ক অর্ডার নিচ্ছেন। যে মজুরিতে তারা অর্ডার নিচ্ছেন ওই মজুরিতে তাদের লাভ তো দূরের কথা প্রায় ৩ থেকে ৪ টাকা লোকসান গুনতে হয়। ফলে গত ছয় মাসে নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় অর্ধশত নিটিং কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সেলিম সারোয়ার বলেন, নিটিং ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য নেই। ফলে কেউ কেউ গোপনে কম মজুরিতে কাজের অর্ডার নিচ্ছেন। ফলে মাসে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা নিটিং ব্যবসায়ীদের লোকসান গুনতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, নিটিং ব্যবসায়ীদের মন্দা কাটিয়ে উঠতে নিটিং মূল্য নির্ধারণে ৭৮ সদস্য উপকমিটি গঠন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল বাশার ও রকিবুল হাসান রাকিব, পরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক, নিজাম মুন্সি, নির্মল চন্দ্র রায়সহ আরও অনেকে।

এজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দেশের উন্নয়নের সঙ্গে ইনস্যুরেন্স সেক্টরও এগিয়ে যাচ্ছে: মোরশেদ আলম (ভিডিও)
ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান আলহাজ মোরশেদ আলম এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সব দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে, সেই সঙ্গে ইনসুরেন্স সেক্টরও তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামের ফয়স লেকে ন্যাশনাল লাইফ ইনসুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বৃহত্তর চট্টগ্রামের কর্মী সম্মেলন ও আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।   এ সময় আলহাজ মোরশেদ আলম বলেন, ইনসুরেন্স ব্যবসার ভবিষ্যৎ আছে। সরকার বীমা খাত নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ন্যাশনাল লাইফ সরকারকে বিরাট অংকের ট্যাক্স দিয়ে থাকে। ন্যাশনাল লাইফে ২০ হাজারের মতো লোক কাজ করে। অনুষ্ঠানে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জামাল এম. এ. নাসের বলেন,  ন্যাশনাল লাইফ ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। সাড়ে সাতশ কোটি টাকার বীমা দাবীর টাকা পরিশোধ করেছে। এ সময় ন্যাশনাল লাইফের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।   অনুষ্ঠানে আলহাজ মোরশেদ আলমের সহধর্মিণী বিলকিস নাহার উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও কোম্পানির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক খসরু চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পরিচালক নাদের খান, ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমদসহ কোম্পানির উধ্বর্তন কর্মকর্তারা। এজে/ এমকে
দেশের উন্নয়নের সঙ্গে ইনস্যুরেন্স সেক্টরও এগিয়ে যাচ্ছে: মোরশেদ আলম (ভিডিও)
কাল শুরু হচ্ছে বাণিজ্য মেলা, টিকিটের দাম বেড়েছে ১০ টাকা
ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় (ডিআইটিএফ) প্রবেশে টিকিটের দাম গত বছরের  চেয়ে এ বছর ১০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। গত বছর মেলায় প্রবেশের জন্য প্রাপ্তবয়স্কদের টিকিটের দাম ছিল ৩০ টাকা। এবার সেই টিকিটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ টাকা। এছাড়া  অপ্রাপ্তবয়স্কদের টিকিটের দাম আগের মতোই ২০ টাকা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাণিজ্য মেলার মাঠে এক সংবাদ সম্মেলনে টিকিটের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। এবিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আগে এক কাপ চা খেতেন তিন টাকায়, এখন পাঁচ টাকা লাগে। মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। এছাড়া মেলায় এবার স্টলের সংখ্যা কমেছে। সব বিষয় মাথায় রেখে এবার টিকিটের নতুন এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আগামীকাল বুধবার (১ জানুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া মাসব্যাপী এ মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবারের মেলায় বাংলাদেশসহ ২১টি দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৪৮৩টি প্যাভিলিয়ন ও স্টল থাকবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। এবারের মেলায় প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন রাখা হয়েছে ৬৪টি। এছাড়া সাধারণ প্যাভিলিয়ন ১৩টি, সাধারণ মিনি প্যাভিলিয়ন ৫৯টি ও প্রিমিয়াম মিনি প্যাভিলিয়ন ৪২টি। এমকে
কাল শুরু হচ্ছে বাণিজ্য মেলা, টিকিটের দাম বেড়েছে ১০ টাকা
বছরজুড়েই বেসামাল নিত্যপণ্যের বাজার (ভিডিও)
বছরজুড়েই বেসামাল নিত্যপণ্যের বাজার। এর মধ্যে ভোক্তাদের সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছে পেঁয়াজ ও চালের দাম। সরকারি হিসেবে বছরের ব্যবধানে চালের দাম বেড়েছে ১৫ শতাংশ। আর ২৭০ শতাংশ বেড়েছে পেঁয়াজে।  বেড়েছে ভোজ্যতেল, মাংস ও রসুনের দামও। এ অবস্থায় বিশ্লেষকদের পরামর্শ, আসছে বছর নিত্যপণ্য ভোক্তার নাগালে রাখতে ব্যবস্থা নিতে হবে বছরের শুরু থেকেই।  বছরের মাঝামাঝির পর এসে হঠাৎই পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত। এতে বাংলাদেশের বাজারে, ঝাঁজ বেড়ে যায়, পণ্যটির। ৩০ টাকার পেঁয়াজ ভোক্তাদের কিনতে হয় ২৫০ বা তারও বেশি টাকায়। সরকারি তৎপরতায় দাম কিছুটা কমানো গেলেও নতুন দেশি পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করায় কমছে দাম। তারপরও কিনতে হচ্ছে গত বছরের চেয়ে আড়াই গুণের বেশি দামে ৯০ থেকে ১০০ টাকা। পেঁয়াজের পাশাপাশি বেসামাল হয়ে পড়ে, লবনের বাজারও। দাম বাড়তে পারে, এমন গুজবে ভোক্তারা দেদারসে কিনতে থাকে, লবন। দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৩৫ টাকার লবন বিক্রি হয় দেড়শ টাকা পর্যন্ত। যদিও বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে শাস্তি আওতায় এনে, দ্রুত বাজার শান্ত করে, ‘জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর’। চাল বাজারে অস্থিরতার শুরু বছরের প্রথম থেকে, যা বছর শেষেও চলছে।  কৃষক বেশি দামে চাল বিক্রি করছে, এমন অজুহাতে গেল মাসেও প্রায় সব ধরণের চালের দাম কেজিতে বেড়েছে, চার থেকে ছয় টাকা। সারা বছর স্থিতিশীল থাকলেও শেষে এসে বেড়েছে সয়াবিন তেলের দাম।  বোতল ও খোলা সয়াবিনের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৪ টাকা। সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান টিসিবি’র তথ্যেই, (জিএফএক্স) গেল বছরের ৩৫ টাকা রসুন ১৭৮ শতাংশ বেড়ে এ বছর বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়।  এছাড়া ময়দার দাম বেড়েছে নয় শতাংশ, মশুর ডাল ২০ শতাংশ, আলু ১০ শতাংশ, আদা ২৮ শতাংশ, গরুর মাংস ১১ শতাংশ এবং প্রায় সব ধরনের মসলার দাম বেড়েছে, ৩০ শতাংশ। অর্থনীতিবিদ নাজনীন আহমেদ বলছেন, পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে, সরকার ও ব্যবসায়ীদের প্রস্তুতি নিতে হবে, বছরের শুরু থেকে। এসজে
বছরজুড়েই বেসামাল নিত্যপণ্যের বাজার (ভিডিও)
দাবি না মানায় আবারও অনশনে রাজশাহীর পাটকল শ্রমিকরা
জাতীয় মজুরি কমিশন বাস্তবায়নসহ ১১ দফা দাবি না মানায় আবারও আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেছেন রাজশাহী জুট মিলের শ্রমিকরা। রোববার দুপুর ২টা থেকে রাজশাহীর পবা উপজেলার কাটাখালী এলাকার রাষ্ট্রায়ত্ত এই পাটকলের সামনে কাঁথা-বালিশ নিয়ে এই আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেন তারা। এ বিষয়ে রাজশাহী জুট মিলসের সিবিএ সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি জিল্লুর রহমান বলেন, তাদের ১১ দফা দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দুই দফা বৈঠক হয়েছে। তবে তারা আমাদের দাবি মেনে নেয়নি। তাই আমরা আবারও আমরণ অনশন শুরু করেছি। তিনি আরও বলেন, সরকার যতক্ষণ পর্যন্ত দাবি মেনে না নিবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা আমরণ অনশন চালিয়ে যাব। এর আগে গত নভেম্বর থেকে শ্রমিক সমাবেশ, প্রতীকী সমাবেশ, অনশন কর্মসূচি এবং পরে ২৪ ঘণ্টা উৎপাদন বন্ধ রেখে ১১ দফা দাবি বাস্তবায়নে আন্দোলন করেছিল শ্রমিকরা। পরে গত ১০ ডিসেম্বর থেকে তারা আমরণ অনশন শুরু করেন। পরে সরকারের দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাসে আন্দোলনরত শ্রমিকরা গত ১৪ ডিসেম্বর অনশন কর্মসূচি স্থগিত করে কাজে যোগ দেন। এজে/পি
দাবি না মানায় আবারও অনশনে রাজশাহীর পাটকল শ্রমিকরা
বাণিজ্য মেলায় যান চলাচলে ট্র্যাফিক নির্দেশনা
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পশ্চিম পাশে খোলা জায়গায় আগামী ১ জানুয়ারি (বুধবার) থেকে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এ মেলার আয়োজন করে। মেলায় দেশি-বিদেশিসহ প্রচুর লোকের সমাগম হয়। মেলায় দর্শনার্থীদের সঠিক পথে ও সুষ্ঠুভাবে গমনাগমন, সুশৃঙ্খল যানবাহন পার্কিং/বাহিরসহ আশপাশের এলাকায় যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ডিএমপির ট্র্যাফিক বিভাগ নিম্নবর্ণিত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। মেলায় আগত যানবাহন পার্কিং স্থান ক. ১ নম্বর পার্কিং (ডিআইটিএফ-২০২০ এর ভিআইপি গেট থেকে প্রধান গেট পর্যন্ত খালি জায়গা)। খ. ২ নম্বর পার্কিং (ডিআইটিএফ-২০২০ এর ২ নম্বর গেট সংলগ্ন খালি জায়গা)। গ. ৩ নম্বর পার্কিং (র‌্যাব-২ অফিসের বিপরীত কলোনি মাঠ)। ঘ. ৪ নম্বর পার্কিং (র‌্যাব-২ অফিসের উত্তর পাশে সরকারি কলোনি মাঠ)। ঙ. ৫ নম্বর পার্কিং (জি টাইপ কলোনি মাঠ)। চ. মোটরসাইকেল পার্কিং (বিআইসিসির পশ্চিম পাশে ফাঁকা জায়গা, মেলা ‘ট্র্যাফিক কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার’র সামনে এবং পিডব্লিউডি অফিসের ভেতর ফাঁকা জায়গা)। মেলায় প্রবেশপথ ১. মেলায় যেসব দর্শনার্থী যানবাহন নিয়ে ধানমন্ডি-নিউমার্কেটের দিক থেকে মিরপুর রোড ব্যবহার করে মেলায় আসবেন, তারা রেসিডেন্সিয়াল কলেজের বিপরীতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে যাওয়ার রাস্তা/শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, নতুন সড়ক ব্যবহার করে গণভবন হাইস্কুল ক্রসিং হয়ে মেলায় প্রবেশ করবেন এবং ২ নম্বর পার্কিং ব্যবহার করবেন। ২. যেসব দর্শনার্থী যানবাহন নিয়ে গাবতলী, মোহাম্মদপুর ও আশপাশ এলাকা থেকে মেলায় আসবেন, তারা শিশুমেলা ক্রসিং হয়ে শ্যামলী-আগারগাঁও লিংক রোড ব্যবহার করে শেরেবাংলা আদর্শ মহিলা কলেজ গেট দিয়ে প্রবেশ করে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও র‌্যাব-২ অফিসের বিপরীতে সরকারি কলোনি মাঠে (৩ নম্বর পার্কিং) গাড়ি পার্ক করে মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন। ৩. যেসব দর্শনার্থী যানবাহন নিয়ে পল্লবী-কাজীপাড়া-শেওড়াপাড়া ও আশপাশ এলাকা থেকে মেলায় আসবেন, তারা আগারগাঁও লাইট ক্রসিং ডানে মোড় নিয়ে শ্যামলী-আগারগাঁও লিংক রোড ব্যবহার করে শেরেবাংলা আদর্শ মহিলা কলেজ গেট হয়ে র‌্যাব-২ অফিসের বিপরীত কলোনি মাঠের (৩ নম্বর পার্কিং) পাশের মাঠে ট্র্যাফিক পুলিশ নির্ধারিত স্থানে (৪ নম্বর পার্কিং) ও (৫ নম্বর পার্কিং) গাড়ি পার্ক করে মেলায় প্রবেশ করবেন। ৪. যেসব দর্শনার্থী যানবাহন নিয়ে উড়োজাহাজ ক্রসিং হয়ে মেলায় আসবেন, তারা বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র (বিআইসিসি) ও পরিকল্পনা কমিশনের মধ্যবর্তী রাস্তা দিয়ে মেলায় প্রবেশ করবেন এবং ১ নম্বর পার্কিং ব্যবহার করবেন। ৫. মোটরসাইকেল নিয়ে যারা মেলায় আসবেন, তারা বিআইসিসির পশ্চিম পাশে ফাঁকা জায়গা, ‘ট্র্যাফিক কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার’র সামনে এবং পিডব্লিউডি অফিসের ভেতর ফাঁকা জায়গায় পার্ক করে মেলায় প্রবেশ করবেন। হেলমেট নিজ হেফাজতে রাখবেন। ৬. মেলা প্রাঙ্গণে নির্দিষ্ট ‘ফি’র বিনিময়ে গাড়ি পার্কিংয়ের সুব্যবস্থা থাকবে এবং যানবাহন নিয়ে আগত সকলকে ট্র্যাফিক পুলিশ কর্তৃক নির্দেশিত স্থানে গাড়ি পার্কিং করার জন্য অনুরোধ করা হলো। পার্কিং এলাকায় গাড়িতে মালামাল নিজ দায়িত্বে রাখবেন। মেলা থেকে বহির্গমন ১. মেলার ১ নম্বর পার্কিং থেকে বের হওয়ার ক্ষেত্রে পিডব্লিউডি ক্রসিং হয়ে শেরেবাংলা নগর শিক্ষা প্রকৌশল ভবন ডানে মোড় নিয়ে বেগম রোকেয়া সরণিতে প্রবেশ করবেন। ২. মেলার ২ নম্বর পার্কিং থেকে বের হওয়ার সময় গণভবন স্কুল ক্রসিং থেকে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংযোগ সড়ক হয়ে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের দক্ষিণ পাশ দিয়ে মিরপুর রোডে প্রবেশ করবেন। ৩. মেলার ৩, ৪ ও ৫ নম্বর পার্কিং থেকে বের হওয়ার সময় শ্যামলী-আগারগাঁও লিংক রোড হয়ে মিরপুর রোড ও বেগম রোকেয়া সরণি উভয় রাস্তায় প্রবেশ করতে পারবেন। সরকারি ছুটিরদিন ১. মেলা চলাকালীন সরকারি ছুটিরদিনে খামারবাড়ি থেকে আগারগাঁও লাইট ক্রসিং পর্যন্ত রিকশা, ভ্যান ও ঠেলাগাড়িসহ অযান্ত্রিক যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। ২. যানবাহন নিয়ন্ত্রণের সুবিধার্থে শুক্র ও শনিবারসহ সরকারি ছুটির দিনে আগারগাঁও (নতুন সড়ক) ব্যবহার করে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র ক্রসিং হয়ে মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করা যাবে না। ওই সড়ক ব্যবহারকারীদের আগারগাঁও লাইট ক্রসিং হয়ে মেলায় প্রবেশ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। রোড ডাইভারশন মেলা চলাকালীন ওই এলাকায় বসবাসকারী, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে আগত গাড়ি ও শুধু মেলায় প্রবেশকারী গাড়ি ব্যতীত অন্য ব্যক্তিদের নিম্নলিখিত সড়ক ব্যবহার না করে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। ১. গণভবন স্কুল ক্রসিং থেকে শুধু মেলায় আগত গাড়ি বিআইসিসি ক্রসিং অভিমুখে চলতে পারবে। ২. শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নতুন সড়ক (পশ্চিম মাথা) ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল কলেজ গেট থেকে গণভবন স্কুল হয়ে পিডব্লিউডি ক্রসিং হয়ে বিআইসিসি পর্যন্ত। ৩. শেরেবাংলা আদর্শ মহিলা কলেজ গেট থেকে শিক্ষা প্রকৌশল ক্রসিং হয়ে প্যারেড স্কয়ার রোকেয়া সরণি ক্রসিং (শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গ্যাপ) পর্যন্ত। উল্লিখিত বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্র্যাফিক বিভাগ নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছে। পি
বাণিজ্য মেলায় যান চলাচলে ট্র্যাফিক নির্দেশনা
আরও পড়ুন
শুধু খামখেয়ালিতে ভাড়া করা বিমানে লোকসান বছরে ১২০ কোটি টাকা