ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

১৬ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০১৮, ০৩:০৬ পিএম

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ১৬টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ছাড়া পাঁচটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। এর আগে শনিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে কলাপাড়ার ধানখালী ইউনিয়নের লোন্দাগ্রামে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি অবতরণ করে।

প্রধানমন্ত্রী যে প্রকল্পগুলো উদ্বোধন করেছেন তার মধ্যে রয়েছে- পটুয়াখালী সরকারি কলেজে নবনির্মিত ১৩২ আসন বিশিষ্ট ৫-তলা ছাত্রীনিবাস নির্মাণ, পটুয়াখালী সরকারি কলেজে নবনির্মিত একাডেমিক কাম-এক্সামিনেশন হল নির্মাণ, হাজী আক্কেল আলী হাওলাদার কলেজে ৪-তলা বিশিষ্ট নবনির্মিত একাডেমিক ভবন নির্মাণ, ইসহাক মডেল ডিগ্রি কলেজে ৪-তলা বিশিষ্ট নবনির্মিত একাডেমিক ভবন নির্মাণ, কুয়াকাটা খানাবাদ কলেজে ৪-তলা বিশিষ্ট নবনির্মিত একাডেমিক ভবন নির্মাণ, মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল কলেজে ৪-তলা বিশিষ্ট নবনির্মিত একাডেমিক ভবন নির্মাণ, আলহাজ জালাল উদ্দিন কলেজে ৪-তলা বিশিষ্ট নবনির্মিত একাডেমিক ভবন নির্মাণ, সুবিদখালী ডিগ্রি কলেজে ৪-তলা বিশিষ্ট নবনির্মিত একাডেমিক ভবন নির্মাণ, দুমকি জনতা ডিগ্রি কলেজে ৪-তলা বিশিষ্ট নবনির্মিত একাডেমিক ভবন নির্মাণ, দুমকি উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়ন, মির্জাগঞ্জ ৩৩/১১ কেভি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র, পায়রা সমুদ্র বন্দরের শেখ হাসিনা সড়ক, পায়রা সমুদ্র বন্দরের সার্ভিস জেটি, পায়রা সমুদ্র বন্দরের মসজিদ, পায়রা সমুদ্র বন্দরের অফিসার্স গেস্ট হাউস, পায়রা সমুদ্র বন্দরের স্টাফ ডরমিটরি।

পাঁচটি প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্থরও স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ প্রকল্পগুলো হলো- পটুয়াখালী সরকারি কলেজে ৫ তলা বিজ্ঞান ভবন, পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলাধীন কাঁঠালতলী জিসি-পটুয়াখালী বেতাগী আর এইচডি (থানা ব্রীজ) সড়কের শ্রীমন্ত নদীর উপর ৯৬.০০ মি. ব্রিজ, উপজেলা পর্যায়ে প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (৩য় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, উপজেলা পর্যায়ে প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য কৃষক প্রশিক্ষণ (৩য় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলায় কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, পায়রা সমুদ্র বন্দরের ভূমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন এলাকা। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তেজগাঁও এয়ার মুভমেন্ট ফ্লাইটের নবনির্মিত ‘ভিভিআইপি কমপ্লেক্স’ উদ্বোধন করেন।

আরও পড়ুন :

এসজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বের ২৬তম অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার মাধ্যমে বৈশ্বিক গড় অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) ক্ষেত্রে বৃহত্তম দেশ হিসাবে উত্তরণ ঘটতে পারে। ‘দ্য ওয়ার্ল্ড ইন ২০৩০’ শীর্ষক এইচএসবিসি গ্লোবাল রিপোর্টে একথা বলা হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশের (আইসিসিবি) নিউজ বুলেটিনের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৮) সম্পাদকীয় শাখায় এই তথ্য প্রকাশ করেছে। তাদের বুলেটিনে বলা হয়, ‘ফিলিপাইন, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে দেশটি (বাংলাদেশ) বিশ্বের ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে।’ এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে এবং আর্থ-সামাজিক গতিশীলতার কারণে ‘গ্লোবাল ব্র্যান্ড ভ্যালু ইনডেক্স’-এ বাংলাদেশের অবস্থান ৩৯তম। লন্ডন ভিত্তিক ‘ব্র্যান্ড ফাইন্যান্স’-এর ‘ন্যাশনাল ব্র্যান্ডস ২০১৮’ প্রতিবেদন অনুসারে বর্তমানে বাংলাদেশের ‘ব্র্যান্ড ভ্যালু’ ২৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আইসিসিবি নিউজ বুলেটিনে বলা হয়, বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি চমৎকারভাবে ৬ শতাংশের অধিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরে রেখেছে এবং গত দু’বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বুলেটিন অনুসারে, টেকসই জিডিপি প্রবৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই), সরকারের বিনিয়োগ বান্ধব কার্যক্রম, ‘ওয়ান-স্টপ-সার্ভিস’ অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সাবলীল করেছে। পাশাপাশি, বেসরকারি ও সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগের সুবিধার্থে সরকার অনেকগুলো ‘বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’ (এসইজেড) প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে। বাণিজ্য ও শিল্পকারখানা স্থাপনের জন্য জমির সংকট দূর করার জন্য সরকার ২০৩০ সাল নাগাদ ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। ইতিমধ্যে ১০০টির মধ্যে ৭৬টির জন্য জমি নির্ধারণ করেছে। আরও পড়ুন : বিকাশ-রকেট থেকে হচ্ছে না মোবাইল ফোনের রিচার্জও বাংলাদেশের পুঁজিবাজার হবে এশিয়ায় নেতৃস্থানীয়: ডিএসই এমডি এসআর
ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট থেকে সম্প্রচার সেবা নিচ্ছে ১০ টিভি চ্যানেল
রাষ্ট্রীয় ৩টি টেলিভিশন চ্যানেলসহ অন্তত ১০টি টেলিভিশন চ্যানেল বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট থেকে সম্প্রচার সেবা নিচ্ছে। তবে চ্যানেলগুলো এখনও বাণিজ্যিকভাবে এই সেবা নেয়া শুরু করেনি। স্যাটেলাইট কোম্পানি বাংলাদেশ কমিউনিকেশন্স স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএসসিএল)সূত্রে জানা গেছে, এখন বিনামূল্য সম্প্রচার সেবা নিচ্ছে চ্যানেলগুলো। আগামী মার্চ থেকে এ সেবা বাণিজ্যিকভাবে শুরু হবে। বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট থেকে সেবা নেয়া রাষ্ট্রীয় তিন চ্যানেল হলো বিটিভি ওয়ার্ল্ড, সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশিন এবং বিটিভি চট্টগ্রাম। অন্যদিকে ৭ বেসরকারি চ্যানেল হচ্ছে সময় টিভি, ডিবিসি নিউজ, ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি, এনটিভি, একাত্তর টিভি, বিজয় বাংলা এবং বৈশাখী টিভি। টেলিভিশনের ট্রান্সমিশন বিষয়ে ডিটিএইচ কোম্পানি রিয়ালভিউ’ও সম্প্রতি বিসিএসসিএল-এর সঙ্গে চুক্তি করেছে। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই তারা দেশি-বিদেশি মিলিয়ে ৪৮টি টেলিভিশনের সম্প্রচার শুরু করবে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে। জানা গেছে, এর বাইরে দুটি স্থানীয় ভিস্যাট কোম্পানির সঙ্গেও দ্রুত যুক্তিতে যাবে বিসিএসসিএল। সেটি হলে দ্রুততার সঙ্গে আয় করতে শুরু করবে সরকারি দেশের প্রথম এই স্যাটেলাইট। বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মধ্যদিয়ে গত ১১ মে বিশ্বে স্যাটেলাইটের অধিকারী ৫৭তম দেশ হিসাবে নাম লেখায় বাংলাদেশ। এর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রথমে দেশে সেবা দেয়ার প্রস্তুতি নেয় বিসিএসসিএল। এরই মধ্যে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনসহ বেসরকারি কয়েকটি টেলিভিশন পরীক্ষামূলক বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের তরঙ্গ ব্যবহার করছে।  কর্তৃপক্ষ জানায়, দুই মাস পরীক্ষামূলক ব্যবহারের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের সেবা সম্পূর্ণ ক্রটিমুক্ত হবে। জানা গেছে, বর্তমানে বিদেশি স্যাটেলাইট সেবা নিয়ে প্রতি মেগাহার্জ ব্যান্ডউইথের জন্য গড়ে তিন লাখ ৩২ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে টেলিভিশনগুলোকে। তবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের ক্ষেত্রে এই মূল্য আরও কম হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এসআর
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট থেকে সম্প্রচার সেবা নিচ্ছে ১০ টিভি চ্যানেল
প্লাস্টিক রপ্তানি আয় বেড়েছে ৩০ শতাংশ
দেশে ক্রমেই বাড়ছে প্লাস্টিক পণ্যের বহুমুখী ব্যবহার। অভ্যন্তরীণ বিপুল চাহিদা মিটিয়ে বর্তমানে এই খাতের রপ্তানিও দ্রুত সম্প্রসারণ হচ্ছে। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) আন্তর্জাতিক বাজারে প্লাস্টিক পণ্য বিক্রয় থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪ কোটি ৮৭ লাখ মার্কিন ডলার। যা বিগত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের একইসময়ের তুলনায় ৩০ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরে প্লাস্টিক পণ্য থেকে দশ কোটি ডলারের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যমতে, প্লাস্টিক পণ্যের এক ট্রিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক বা বৈশ্বিক বাজার রয়েছে। এই বিশাল বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা রয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে রপ্তানি আয় দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্লাস্টিক পণ্য থেকে ৯ কোটি ৮৪ লাখ ডলারের রপ্তানি আয় হয়েছে। ওই বছরের প্রথম ৫ মাসে এই খাতের রপ্তানি আয় ছিল ৩ কোটি ৭৪ লাখ ডলার। প্লাস্টিক পণ্যের পাশাপাশি চলতি অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে এক কোটি ২১ লাখ ডলারের প্লাস্টিক বর্জ্য রপ্তানি হয়েছে। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ফ্রান্স, পোল্যান্ড, স্পেন, কানাডাসহ বিশ্বের ২৩ দেশে সরাসরি যাচ্ছে বাংলাদেশের প্লাস্টিক পণ্য।গৃহসজ্জা থেকে অটোমোবাইল, চিকিৎসার সরঞ্জাম কিংবা রপ্তানিমুখী শিল্পের আনুষঙ্গিক সব পণ্য প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হচ্ছে। নজর কাড়ছে প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি প্লাস্টিকের বাহারি খেলনাও। প্লাস্টিক খাতের সংগঠন বিপিজিএমইএ’র তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে ছোট-বড় মিলে ৫ হাজার কারখানায় প্রায় ১৫ ক্যাটাগরিতে পণ্য উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে পোশাক খাতের জন্য পলিব্যাগ, হ্যাঙ্গার, প্লাস্টিক ক্লিপ, বোতাম, খেলনা সামগ্রীর মধ্যে পুতুল, বল, গৃহে ব্যবহারের জন্য চেয়ার, টেবিল, ডাইনিং টেবিল, বিভিন্ন ধরনের রেক, ঝুড়ি, বাথটাব, জগ, মগ, ঝুড়ি; অফিসে ব্যবহারের জন্য পেপারওয়েট, স্কেল, টেবিল, বলপেন, ফাইল কভার অন্যতম। কৃষি খাতের জন্য পাইপ, সাইকেলের যন্ত্রাংশের মধ্যে বাম্পার, হাতলের কভার, ব্যাক লাইট, স্পোক লাইট, মাছ ও ডিম রাখার ঝুড়ি, ভিডিও ও অডিও ক্যাসেট, কম্পিউটারের উপকরণসহ বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক সামগ্রী তৈরি হচ্ছে। আরও পড়ুন : সোনার দাম বাড়ছে না এসআর
প্লাস্টিক রপ্তানি আয় বেড়েছে ৩০ শতাংশ
২০৩০ সালে মাথাপিছু আয় ৫ হাজার ৪৭৯ ডলার ছাড়াবে: প্রধানমন্ত্রী
২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের দেশ। ২০৩০ সালে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে ৫ হাজার ৪৭৯ মার্কিন ডলারের বেশি। বললেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে সকালে দলের ইশতেহার ঘোষণার সময় তিনি এ কথা বলেন। সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশ শ্লোগানে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণা করছেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ৫ বছরে দেশে দারিদ্র্যের হার শূন্যের কোঠায় নামবে।  শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ৭.৮৬ শতাংশ হারে, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। সাম্প্রতিক প্রবৃদ্ধির ঊর্ধ্বহার হতে ধারণা করা যায়, ২০২৫-৩০ সালে প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশে উন্নীত হতে পারে। দেশের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ক্রয়ক্ষমতার সমতার জিডিপির ভিত্তিতে বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশ আজ ৩৩তম স্থান অধিকার করেছে। ‘মাথাপিছু আয় বর্তমানে উন্নীত হয়েছে ১ হাজার ৭৫১ মার্কিন ডলারে, যা ২০০৬ সালে ছিল ৪২৭ ডলার।  ২০১৭-১৮ অর্থবছরে জিডিপি হয়েছে ২২ লাখ কোটি টাকা, যা ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ছিল ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা, অর্থাৎ ২০০৫-০৬ অর্থবছরের তুলনায় এখন প্রায় পাঁচ গুণ।’ তিনি আরও বলেন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাজেটের আকার ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ছিল ৬১ হাজার ৫৮ কোটি টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে উন্নয়ন বাজেট প্রাক্কলিত হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ছিল ২২ হাজার কোটি টাকা। নির্বাচনী ইশতেহারে তিনি বলেন, বাজেট ঘাটতি আশানুরূপভাবে জিডিপির ৫ শতাংশে সীমিত রাখা হয়েছে গত ১০ বছর। অতীতের তুলনায় বিনিয়োগ বেড়েছে, বর্তমানে প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা। এটা জিডিপির ৩১.০ শতাংশ, যা ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ছিল ২৫.৮ শতাংশ। সরকারি বিনিয়োগ বেড়ে হয়েছে জিডিপির ৭.৬ শতাংশ, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ছিল ৪.১৩ শতাংশ। এসআর
২০৩০ সালে মাথাপিছু আয় ৫ হাজার ৪৭৯ ডলার ছাড়াবে: প্রধানমন্ত্রী
আওয়ামী লীগের ইশতেহার ঘোষণা / ৫ বছরে জিডিপি ১০ শতাংশে উন্নীত হবে: প্রধানমন্ত্রী
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশে অভূতপূর্ব উন্নতি সাধিত হয়েছে। আগামী ৫ বছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশে উন্নীত হবে। সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশ শ্লোগানে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণা করছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ইশতেহার ঘোষণার সময় তিনি বলেন, জনবান্ধব আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী গড়ে তোলা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ, দক্ষ, সেবামুখী ও জবাবদিহিতামূলক প্রশাসন, মেগা প্রকল্প সমূহ দ্রুত বাস্তবায়ন, প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা সম্প্রসারণ, দারিদ্র্য বিমোচন ও বৈষ্যম্য হ্রাস করা হবে। এছাড়া মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি জোরদার অব্যাহত থাকবে। দারিদ্যের হার শূন্যের কোটায় কোটায় নামবে। শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ৭.৮৬ শতাংশ হারে, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। সাম্প্রতিক প্রবৃদ্ধির ঊর্ধ্বহার হতে ধারণা করা যায়, ২০২৫-৩০ সালে প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশে উন্নীত হতে পারে। দেশের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ক্রয়ক্ষমতার সমতার জিডিপির ভিত্তিতে বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশ আজ ৩৩তম স্থান অধিকার করেছে। ‘মাথাপিছু আয় বর্তমানে উন্নীত হয়েছে ১ হাজার ৭৫১ মার্কিন ডলারে, যা ২০০৬ সালে ছিল ৪২৭ ডলার।  ২০১৭-১৮ অর্থবছরে জিডিপি হয়েছে ২২ লাখ কোটি টাকা, যা ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ছিল ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা, অর্থাৎ ২০০৫-০৬ অর্থবছরের তুলনায় এখন প্রায় পাঁচ গুণ।’ তিনি আরও বলেন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাজেটের আকার ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ছিল ৬১ হাজার ৫৮ কোটি টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে উন্নয়ন বাজেট প্রাক্কলিত হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ছিল ২২ হাজার কোটি টাকা। নির্বাচনী ইশতেহারে তিনি বলেন, বাজেট ঘাটতি আশানুরূপভাবে জিডিপির ৫ শতাংশে সীমিত রাখা হয়েছে গত ১০ বছর। অতীতের তুলনায় বিনিয়োগ বেড়েছে, বর্তমানে প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা। এটা জিডিপির ৩১.০ শতাংশ, যা ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ছিল ২৫.৮ শতাংশ। সরকারি বিনিয়োগ বেড়ে হয়েছে জিডিপির ৭.৬ শতাংশ, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ছিল ৪.১৩ শতাংশ। এসআর
৫ বছরে জিডিপি ১০ শতাংশে উন্নীত হবে: প্রধানমন্ত্রী
আরও পড়ুন
সীতাকুণ্ডে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ধানের শীষ প্রার্থীকে মিষ্টি খাওয়ালেন নৌকার বিজয়ী প্রার্থী
নির্বাচনে ১৯ নারী প্রার্থী বিজয়ী
ঐক্যফ্রন্ট নিজেদের দোষে সাতটি আসন পেয়েছে: শেখ হাসিনা