ঢাকা শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

এক বছরে বেড়েছে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২১ এএম
বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধিতে বড় অবদান রাখছে তৈরি পোশাক খাত। ছবি: সংগৃহীত

তৈরি পোশাক খাতের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রভাবে এক বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বেড়েছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের তুলনায় চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ বেড়ে ৩৯৩ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় যা ছিল, চলতি বছরের একই মাসে তা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে মাসভিত্তিক হিসাবে আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় কমেছে। আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বর মাসে রপ্তানি আয় কমেছে ১১ দশমিক ১১ শতাংশ।

তবে মাসভিত্তিক আয় কমলেও বিশ্ববাজারে পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশ এখনো প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রেখেছে বলে জানিয়েছেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর কর্মকর্তারা। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে ভালো প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য বলছে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে তৈরি পোশাক খাত থেকে রপ্তানি আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেড়ে ১০ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

এক বছরের ব্যবধানে শুধু সেপ্টেম্বর মাসে তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি আয় ৮ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ৩ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসে বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেড়েছে। এ সময়ে মোট রপ্তানি আয় হয়েছে ১৩ দশমিক ০৯ বিলিয়ন ডলার।

অর্থাৎ, তৈরি পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকেও দেশের সামগ্রিক পণ্য রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে।

সূত্র: ডয়চে ভেলে বাংলা

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
টানা তিন দফা দাম কমার পর দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে সোনার দাম। এবার ভ্যাটসহ প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা। বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে। ফলে শনিবার (৩ অক্টোবর) দেশের বাজারে নতুন নির্ধারিত দামেই বিক্রি হচ্ছে সোনা। বাজুসের মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা থেকে বেড়ে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা হয়েছে। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬০৬ টাকা। এদিকে সোনার দাম বাড়লেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৩১৬ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা। সোনা ও রুপার এসব দাম বাজুসের নির্ধারিত মূল্যতালিকা অনুযায়ী প্রযোজ্য। আরটিভি/এসকে
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
কোরিয়ার সঙ্গে সুদৃঢ় অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক স্থাপনের আশা হুমায়ুনের
সিউলে মন্ত্রী পর্যায়ের পৃথক বৈঠকে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।
কোরিয়ার সঙ্গে সুদৃঢ় অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক স্থাপনের আশা হুমায়ুনের
সিঙ্গাপুর থেকে এলো এলএনজির নতুন আরও এক কার্গো
মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনালে ‘ওয়েন চেং’ নামের ওই জাহাজ থেকে ইতোমধ্যে এলএনজি খালাস শুরু হয়েছে।
সিঙ্গাপুর থেকে এলো এলএনজির নতুন আরও এক কার্গো
জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস আজ
আজ ২ অক্টোবর জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস।
জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস আজ
চড়ামূল্যের বাজারে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে কৃত্রিম সংকট
রাজধানীর কাঁচামালের বাজারে শীতের আগাম সবজি হিসেবে দাপট দেখাচ্ছে শিম। ইতোমধ্যে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে এই সবজি। সেই সঙ্গে ক্রেতা সাধারণের ভোগান্তি বাড়িয়েছে এলপিজি গ্যাস, সয়াবিন তেল ও চিনির সরবরাহ সংকট। নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের (এমআরপি) চেয়ে বেশি দামে এসব পণ্য বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর রায়ের বাজার, রামপুরা, হাজীপাড়া, মালিবাগ, সেগুনবাগিচা ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এখন বেশিরভাগ দোকানে প্যাকেটজাত এক কেজি চিনির খুচরা মূল্য ১১০ টাকা হলেও তা ১২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। আবার এক লিটার সয়াবিন তেল ২০৪ টাকার পরিবর্তে ২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কোথাও প্যাকেট চিনি ও বোতলের তেল মিলছে না। খোলা তেল-চিনি বিক্রি হচ্ছে প্যাকেটজাত পণ্যের দামে। এদিকে সবজির বাজারে দেখা যায়, বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলসহ বেশির ভাগ সাধারণ সবজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। শসা তুলনামূলক কিছুটা কম দামে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।  দাম সবচেয়ে বেশি এমন সবজির মধ্যে লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা ও টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বরবটি, ঝিঙে ও করলার কেজি ৮০ টাকা। লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৭০ টাকা, কচুরমুখি বিক্রি করা হচ্ছে ৮০ টাকায়। তবে দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আর শীতের আগাম সবজি শিম বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজিতে। ৩০ টাকা কেজিতে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে। সবজির উচ্চমূল্যের মধ্যে একমাত্র স্বস্তি এসেছে কাঁচা মরিচের বাজারে। কয়েক সপ্তাহ আগে যে কাঁচা মরিচ কেজিপ্রতি ২০০ টাকায় ঠেকেছিল, সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় তা এখন মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবজি ক্রেতা ইদ্রিস মিয়া বলেন, আজ বেগুন কিনেছি ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ছোট লাউ ৫০ টাকা ও এক পোয়া মরিচ কিনেছি ৪০ টাকায়। সব কিছুর দাম বেশি। এদিকে মুরগি বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই। রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিমের দামও আগের উচ্চমূল্যেই রয়েছে। প্রতি ডজন ১৫৫ টাকা ও চারটি ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  মাছের বাজারেরও একই চিত্র। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে।  মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে। তবে মাছের সাইজ এবং মাছ জীবিত বা মৃত হওয়ার উপরও দাম নির্ভর করে। প্রতিটি বাজারে ১০ থেকে ২০ টাকা কেজিপ্রতি কম বেশি হতে পারে। মাছ বিক্রেতা নাজিম বলেন, মাছের দাম আগের মতোই আছে। আজকে তেলাপিয়া ২৫০ টাকা আর পাঙাশ ২২০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। মাছের দাম সরবরাহের উপর নির্ভর করে। এখন এক দাম, বিকেলে আরেক দাম। আবার মাছ বেশি আসলেও দাম কমে যায়। আবার ক্রেতা বেশি আসলেও দাম বেড়ে যায়।  বাজারের কড়া উত্তাপের মধ্যে ক্রেতাদের নতুন করে বিপাকে ফেলেছে এলপিজি গ্যাসের অতিরিক্ত দাম বৃষ্টি ও কৃত্তিম সংকট। প্রতি মাসেই সরকারের পক্ষ থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও, সেই দামের চেয়ে বেশিতে ভোক্তাদের কাছে তা বিক্রি আসছেন খুচরা পর্যায়ের বিক্রেতারা। জানতে চাইলেই তারা বলেন, ডিলারদের কাছ থেকে বেশি দামে কিনতে হয় বলে সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে বিক্রি করা সম্ভব হয় না তাদের পক্ষে। সম্প্রতি আরও খারাপ হয়েছে পরিস্থিতি। সবশেষ যেখানে প্রতিটি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা বেঁধে দিয়েছে সরকার, সেখানে সংকটের কথা বলে একেকটি এলপিজির সিলিন্ডারের জন্য ভোক্তাদের কাছ থেকে ২২০০ থেকে ২৬০০ টাকা নিয়ে নিচ্ছেন খুচরা বিক্রেতারা। অর্থাৎ, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়েও ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা বেশি দিয়ে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতারা। আরটিভি নিউজ/এসআর
চড়ামূল্যের বাজারে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে কৃত্রিম সংকট
আরও পড়ুন
শেওলা স্থলবন্দর দিয়ে ফের শুরু হচ্ছে আমদানি-রপ্তানি
ঘুরে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি
এবার ডিজেল রপ্তানি বন্ধে যে সিদ্ধান্ত জানালেন ট্রাম্প
পোশাক রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড