ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১১ এএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বাজারে টানা চার দফায় কমেছে সোনার দাম। সব মিলিয়ে ভরিতে ১০ হাজার ৪৩৯ টাকা কমেছে মূল্যবান এই ধাতুর দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ গত ২৫ অক্টোবর সোনার দাম সমন্বয় করে। নতুন ঘোষণা না আসায় মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) আগের নির্ধারিত দামেই বিক্রি হবে সোনা।

বাজুসের সর্বশেষ নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ভ্যাটসহ ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা।

বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি সোনার দাম কমে যাওয়ায় দেশের বাজারে সোনার বিক্রয়মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। ঘোষিত নতুন দাম ২৫ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়।

এর আগে ২৩ অক্টোবর ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৫৮ টাকা পর্যন্ত সোনার দাম কমানো হয়। তার আগের দিন ২২ অক্টোবরও দাম কমিয়েছিল বাজুস। ওই দফায় ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৮০ টাকা।

এ ছাড়া গত ১৩ অক্টোবর ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ভ্যাটসহ ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি নির্ধারণ করা হবে। সোনা ও রুপার গহনা বিক্রির ক্ষেত্রে ঘোষিত মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকবে। তবে ক্রেতার কাছ থেকে ভ্যাট আলাদাভাবে আদায় করা যাবে না।

সংস্থাটির নির্দেশনা অনুযায়ী, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলংকারের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। অলংকার ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুসের নির্ধারিত বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘সরকারি উদ্যোগে’ বিশ্ববাজারে ডানা মেলতে প্রস্তুত ঢাকাই মসলিন
সরকারের দূরদর্শী উদ্যোগ, বিজ্ঞানীদের নিরলস জিনোম গবেষণা ও প্রান্তিক নারী কারিগরদের আঙুলের জাদুতে কিংবদন্তির ‘বোনা বাতাস’ বা ‘হাওয়াই কাপড়’ ঢাকাই মসলিন রূপকথার পাতা থেকে বাস্তবে ফিরে এসেছে।
‘সরকারি উদ্যোগে’ বিশ্ববাজারে ডানা মেলতে প্রস্তুত ঢাকাই মসলিন
বাংলাদেশে ৬৩৫ কোটি ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগের উদ্যোগ জাপানের
বাংলাদেশে আগামী পাঁচ বছরে ১ লাখ কোটি ইয়েন বা প্রায় ৬৩৫ কোটি মার্কিন ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নিয়েছে জাপান। দেশটির সংবাদমাধ্যম নিক্কেই এশিয়া গত ২২ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
বাংলাদেশে ৬৩৫ কোটি ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগের উদ্যোগ জাপানের
বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম
বিশ্ববাজারে টানা ঊর্ধ্বগতির পর কমেছে জ্বালানি তেলের দাম। 
বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম
৩১ হাজার কোটি টাকায় আধুনিক হচ্ছে ইস্টার্ন রিফাইনারি
নানা জটিলতা থাকলেও এগিয়ে চলছে চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প। প্রকল্পতির জন্য প্রায় ৩১ হাজার কোটি ৫৭ লাখ টাকার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১৮ হাজার ৫৬৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকা আর প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা বিপিসির নিজস্ব অর্থায়ন থাকবে ১২ হাজার ৪৩৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। অর্থায়নের ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশ সরকারি এবং ৪০ শতাংশ বিপিসির নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন হবে। প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত। প্রায় ৩১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়ন হতে যাওয়া ‘ইআরএল ইউনিট-টু’ প্রকল্পটি চালু হলে বছরে জ্বালানি তেল পরিশোধনের সক্ষমতা বর্তমানের তুলনায় তিন গুণ বাড়বে। একই সঙ্গে বাড়বে দেশীয়ভাবে পরিশোধিত পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের সরবরাহ, কমবে আমদানিনির্ভরতা ও জ্বালানি ব্যয়। রাষ্ট্রায়ত্ত ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তারই অংশ ইআরএল ইউনিট-টু প্রকল্প। দেশের জ্বালানি তেল পরিশোধন সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি পরিশোধিত জ্বালানির চাহিদার বড় অংশ দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে পূরণের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কার্যক্রম। প্রকল্পটির প্রাথমিক মৌলিক প্রকৌশল নকশা বা ফ্রন্ট-এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন (ফিড) ডকুমেন্ট তৈরির দায়িত্ব পেয়েছে ফ্রান্সের প্রতিষ্ঠান টেকনিপ। ১৯৬৮ সালে ইস্টার্ন রিফাইনারির প্রথম ইউনিট নির্মাণেও যুক্ত ছিল প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে প্রকল্পের কাজের মান নিয়ন্ত্রণ ও বাস্তবায়ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রকল্প ব্যবস্থাপনা পরামর্শক নিয়োগের পাশাপাশি কারিগরি নকশা, ক্রয় ও নির্মাণের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠান নিয়োগের প্রস্তুতি চলছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী বছরের মাঝামাঝি নির্মাণকাজ শুরু করে ২০৩০ সালের নভেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে কারিগরি জটিলতার বিষয়টি তুলে ধরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান ড. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পটিতে পাঁচটি বিদেশি লাইসেন্সদাতা প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এ কারণে এটি অত্যন্ত জটিল একটি প্রকল্প। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে নতুন করে আলোচনা ও দর-কষাকষি শুরু হয়েছে। পাশাপাশি প্রকল্প ব্যবস্থাপনা পরামর্শক নিয়োগের কাজ চলছে। পরবর্তী ধাপে প্রকৌশল, ক্রয় ও নির্মাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ঠিকাদার নিয়োগ করা হবে। আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে বর্তমান রিফাইনারির জ্বালানি পরিশোধনের মানও উন্নত করা হবে। বর্তমানে ইস্টার্ন রিফাইনারিতে ইউরো-৪ মানের জ্বালানি পরিশোধন করা হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে তা ইউরো-৬ মানে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে জ্বালানিতে সালফারের পরিমাণ কমে আসবে এবং পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব কমানোর সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে নতুন প্ল্যান্টে ভারী জ্বালানি পরিশোধনের ব্যবস্থাও থাকবে। ফলে বিদ্যমান সক্ষমতার বাইরে আরও বৈচিত্র্যময় পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব হবে। মডার্নাইজেশন অ্যান্ড এক্সপানশন অব ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড প্রকল্পের পরিচালক আছমা আরা বেগম বলেন, নতুন প্ল্যান্টে ইউরো-৬ মানের জ্বালানি উৎপাদনের ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি বর্তমানে চালু থাকা রিফাইনারিকেও ইউরো-৬ মানে উন্নীত করা হবে। এতে জ্বালানিতে সালফারের পরিমাণ কমে দুই পিপিএমে নেমে আসবে। এই পরিবর্তন পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উৎপাদনে সহায়ক হবে। বিদ্যমান প্ল্যান্টের মান উন্নয়নের ফলে কার্বন ট্রেডিংয়ের সুবিধা পাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন ইউনিট চালু হলে জ্বালানি তেল পরিশোধনের পাশাপাশি লুব অয়েল, সালফার, তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও জেট ফুয়েলের মতো পণ্য উৎপাদন করা যাবে। বর্তমানে এসব পণ্যের কিছু অংশ আমদানি করে দেশের বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহার করা হয়। নতুন প্ল্যান্টে উৎপাদন শুরু হলে আমদানিনির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ চাহিদার একটি বড় অংশ দেশীয় উৎপাদন থেকে পূরণ করা সম্ভব হবে। প্রকল্প পরিচালক আছমা আরা বেগম জানান, নতুন ইউনিট থেকে লুব অয়েল ও সালফার উৎপাদিত হবে, যেগুলো আগে আমদানি করতে হতো। পাশাপাশি উপজাত হিসেবে এলপিজি উৎপাদনেরও আশা করা হচ্ছে। দেশে জেট ফুয়েলের যে চাহিদা রয়েছে, নতুন প্ল্যান্ট থেকে উৎপাদনের মাধ্যমে তারও একটি বড় অংশ পূরণ করা সম্ভব হবে। বর্তমানে ইস্টার্ন রিফাইনারির বার্ষিক তেল পরিশোধন সক্ষমতা ১৫ লাখ টন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে তা বেড়ে দাঁড়াবে ৪৫ লাখ টনে। একই সঙ্গে পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের দেশীয় চাহিদা পূরণের সক্ষমতা ২০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫০ শতাংশে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে বিদেশ থেকে পরিশোধিত জ্বালানি ও সংশ্লিষ্ট পণ্য আমদানির চাপ কমবে। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট হিসাব অনুযায়ী, প্রতি ব্যারেল তেল পরিশোধনের মাধ্যমে ১৮ থেকে ১৯ ডলার সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। আরটিভি/টিআর
৩১ হাজার কোটি টাকায় আধুনিক হচ্ছে ইস্টার্ন রিফাইনারি
দেশের বাজারে আবারও কমলো সোনার দাম
দেশের বাজারে আবারও কমেছে সোনার দাম। সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা।
দেশের বাজারে আবারও কমলো সোনার দাম
আরও পড়ুন
দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
দেশে আজ যত টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনা
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা