ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

ভিয়েতনামকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার বিশ্বসেরা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:৩১ পিএম
আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:৫২ পিএম
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ

ভিয়েতনামকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার বিশ্বসেরা পুঁজিবাজারের খেতাব পেয়েছে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গেলো আগস্টে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে ১৫ দশমিক ৮০ শতাংশ উত্থান হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভিয়েতনামের শেয়ারবাজারে উত্থান হয়েছে ১০ দশমিক ৪০ শতাংশ। ৭ দশমিক ৪০ শতাংশ উত্থানের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে রোমানিয়া।

তৈরি পোশাক খাতে রফতানি আদেশ বাড়ায় এবং রেমিট্যান্সের গতি অব্যাহত থাকায় অর্থনীতিতে এখন স্বাভাবিকতা দেখা যাচ্ছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রেকর্ড ৩৯ বিলিয়ন ডলার হয়েছে।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আগস্ট মাসে এশিয়ার শেয়ারবাজার উত্থান হয়েছে। এরমধ্যে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে সবচেয়ে বেশি ১৫ দশমিক ৮০ শতাংশ উত্থান হয়েছে। যা বিশ্বের শেয়ারবাজারেও সেরা পারফর্ম।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগস্ট মাসে বাংলাদেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্রড ইনডেক্স বেড়েছে ১৫ দশমিক ৮০ শতাংশ। যা এশিয়ারসহ বিশ্বের সেরা পারফরম্যান্স। বাংলাদেশের পরে এশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উত্থান হয়েছে ভিয়েতনামের ভিএন সূচকে। আগস্টে এ সূচকটি বেড়েছে ১০ দশমিক ৪০ শতাংশ। এশিয়ার মধ্যে তৃতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তান। দেশটির কেএসই-১০০ সূচক বেড়েছে ৪ দশমিক ৭০ শতাংশ।

এই উত্থানের পর বাংলাদেশসহ এশিয়ার শেয়ারবাজার বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় বলে উল্লেখ করেছে ব্লুমবার্গ। মূল্য-আয় অনুপাত (পিই) বিবেচনায় তারা এ কথা বলেছে।

এসজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আইপিও’র জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার
নতুন বছরের নতুন নিয়ম অনুযায়ী কোনো কোম্পানির শেয়ার পেতে আর লটারির দরকার হবে না। প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার। তবে সেক্ষেত্রে আইপিও আবেদনের আগে প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর বাজারমূল্যে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে তথা সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ থাকতে হবে।  আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আগামী ১ এপ্রিল থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএসইসি জানিয়েছে, আইপিওতে বিদ্যমান লটারির পরিবর্তে আনুপাতিক হারে শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে আইপিও আবেদনের ক্ষেত্রে একজন বিনিয়োগকারীকে ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বা তার গুণিতক পরিমাণ অর্থ জমা দিতে হবে। ধরা যাক, একজন বিনিয়োগকারী কোনো একটি কোম্পানির আইপিও শেয়ারের জন্য আবেদন করবেন। প্রথমত, ওই বিনিয়োগকারীর শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে অর্থাৎ সেকেন্ডারি বাজারে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, আইপিও আবেদনের জন্য একজন বিনিয়োগকারীকে ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বা তার গুণিতক ২০, ৩০, ৪০ হাজার টাকা করে চাঁদা জমা দিতে হবে। যেহেতু লটারি পদ্ধতি উঠে যাচ্ছে সেহেতু সব আবেদনকারী তার আবেদনের ভিত্তিতে শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। এমকে
আইপিও’র জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার
‘পুঁজিবাজারের বড় দুর্বলতা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী কম’
প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেছেন, বর্তমানে পুঁজিবাজারে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর চেয়ে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী কম। ৮০-৮৫ শতাংশই ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা লেনদেন করে। এটা বড় দুর্বলতা। আর মিউচুয়াল ফান্ডের অংশ ৩ শতাংশ বলা হলেও লেনদেন আরও কম। আইসিবি ছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী নেই বললেই চলে। কিন্তু একটি বাজারতো একমাত্র আইসিবি দিয়ে চলতে পারে না। শেয়ারবাজার নিয়ে শনিবার ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরাম (সিএমজেএফ) এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) যৌথভাবে ওয়েবিনারে এসব কথা বলেন সালমান এফ রহমান। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্সের (ডিসিসিআই) সভাপতি শামস মাহমুদ।  মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান।  স্বাগত বক্তব্য দেন বিএমবিএ সভাপতি মো. ছায়েদুর রহমান ও সিএমজেএফের সভাপতি হাসান ইমাম রুবেল। সালমান এফ রহমান বলেন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনেই উৎপাদনহীন ও কারখানা বন্ধ থাকা কোম্পানির শেয়ারে কারসাজি হচ্ছে। কিন্তু ডিএসই কিছুই করছে না। সবাই দেখছে একটি কোম্পানির ১০ বছর ধরে কারখানা ও উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। প্রতিনিয়তই এই রকম কোম্পানির শেয়ার নিয়ে ডিএসইর ব্রোকাররা কারসাজি করছে। ডিএসইর সামনেই বন্ধ থাকা কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়াচ্ছে। তারা তো লুকিয়ে করছে না। তারপর ডিএসই এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ডিএসইকে এই অবস্থা থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে। পুঁজিবাজারে যদি কোনো দুই নম্বরি হয়ে থাকে, সেটা পুরো পৃথিবীতেই সবার আগে স্টক এক্সচেঞ্জ ধরে। বিএসইসিতো অনেক পরের বিষয়। প্রথমেই ধরবে স্টক এক্সচেঞ্জ। তাদের ওখানেইতো প্রতিদিন লেনদেন হয়। কোনো ধরনের অনিয়মের লেনদেন দেখলে বুঝতে পারা যায়। কিন্তু এখনও আমাদের পুঁজিবাজারে যে কোম্পানি বন্ধ এবং সবাই সেটা জানি, তারপরেও সেই কোম্পানির দর বাড়ে। কারা এসব কোম্পানির শেয়ার কিনে এবং কারা বিক্রি করে- তা স্টক এক্সচেঞ্জ জানে। এখানে যে ম্যানিপুলেশন হচ্ছে এবং ওপেনলি হচ্ছে, লুকিয়ে কেউ করছে না। কিন্তু বাজার পড়ে গিয়ে কোনো কিছু হলেই রাস্তায় লোকজন নেমে সরকারকে দোষারোপ করে। তিনি বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের খুবই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। পুঁজিবাজারের দায়িত্ব শুধু সরকার, অর্থ মন্ত্রণালয় ও বিএসইসির, আর স্টক এক্সচেঞ্জ শুধু বসে থাকবেন, তা না। তাদেরকে শক্তিশালী হতে হবে। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদেরকে নিরাপত্তা দেয়ার দায়িত্ব সরকারের এই মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা থেকে বেড়িয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। উপদেষ্টা বলেন, বিনিয়োগকারীদেরই জেনে-বুঝে বিনিয়োগ করতে হবে। লাভ-লোকসান আপনার। দেশের পুঁজিবাজারকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে বেনিফিশিয়ারি অ্যাকাউন্ট (বিও) ডিজিটাল হওয়া উচিত উল্লে­খ করে সালমান এফ রহমান বলেন, এটা ডিজিটাল হলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য যেমন সুবিধা হবে, তেমনি অনেক বিনিয়োগকারী বাসায় বসেই অ্যাকাউন্ট খুলে বিনিয়োগ করতে পারবেন।  এখন অনেক ব্যাংক অ্যাকাউন্টও বাসায় বসেই ডিজিটালি করা যাচ্ছে। এফএ/পি  
‘পুঁজিবাজারের বড় দুর্বলতা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী কম’
শুরুতেই বড় দরপতন শেয়ারবাজারে
হঠাৎ করেই উড়তে থাকা শেয়ারবাজারে দরপতন দেখা দিয়েছে। আজ মঙ্গলবার লেনদেনের শুরুতেই প্রধান শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জ (সিএসই) সবকটি মূল্য সূচকের বড় দরপতন হয়েছে। এর আগে টানা দিন দিন কার্যদিবস দরপতন হয়। মূল্য সূচকের পতনের সঙ্গে দেখা দিয়েছে লেনদেনে ধীরগতি। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রথম আধাঘণ্টায় দেড়শ কোটির কম লেনদেন হয়েছে।  এরসঙ্গে লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। এদিকে শেয়ারবাজারে লেনদেন চালু হতেই লেনদেনে অংশ নেয়া প্রায় সবকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমে। এতে লেনদেন সময় আধাঘণ্টা পার হওয়ার আগেই ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ৪০ পয়েন্ট পড়ে যায়। অবশ্য এরপর কিছু প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়ে। এতে কমে সূচক পতনের মাত্রা। সকাল ১০টা ৪৪ মিনিটে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ২৪ পয়েন্ট কমেছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক ১০ পয়েন্ট কমেছে। আর ডিএসই শরিয়াহ কমেছে ছয় পয়েন্ট। এ সময় পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ১১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৬৮টির। আর ৬২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১৫৮ কোটি চার লাখ টাকা। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪৯ পয়েন্টে কমেছে। লেনদেন হয়েছে দুই কোটি ২৬ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেয়া ১৩২ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৪১টির, কমেছে ৬৮টির অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩টির। জেবি/ এমকে 
শুরুতেই বড় দরপতন শেয়ারবাজারে
বিএসইসির ১৭ পরিচালকের পদ শূন্য ঘোষণা 
দুই শতাংশ শেয়ার না থাকায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৯ কোম্পানির ১৭ পরিচালকের পদ শূন্য ঘোষণা করে আদেশ জারি করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।   বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও কমিশন মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, আজ  রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করে সন্ধ্যার পর ৯ কোম্পানির ১৭ জন পরিচালকের নামে চিঠি ইস্যু করা হয়েছে। কমিশন সূত্র জানায়, ২২টি কোম্পানির ৬১ জন পরিচালককে ২ শতাংশ শেয়ার ধারণ করার জন্য চিঠি দেয় কমিশন। এর মধ্যে ২৫ জন পরিচালক ২ শতাংশ শেয়ার ক্রয় করে। বাকিদের মধ্যে ১৮ জন পরিচালক নিজেরাই কোম্পানি পর্ষদ থেকে চলে গেছে। আর ৯ কোম্পানির ১৭ পরিচালক এখনও পর্ষদে আছেন। তাদের পদ শূন্য করেছে বিএসইসি। এর আগে গত ২ জুলাই ২ শতাংশ শেয়ার ধারণের বাধ্যবাধকতা নিয়ে সার্ক্যুলার জারি করে কমিশন। এতে সময় দেওয়া হয় ৪৫ দিন। এই সময় শেষ হয় গত রোববার। ইতোমধ্যে অনেক পরিচালক আইনটি পরিপালন করেছে। যারা করেনি তাদের পরিচালক পদ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয় বিএসইসি। তবে এই নির্দেশনা থেকে স্বতন্ত্র পরিচালকরা বাদ থাকছেন। পি  
বিএসইসির ১৭ পরিচালকের পদ শূন্য ঘোষণা 
পুঁজিবাজারে নতুন বিনিয়োগকারী এসেছে ৪২ হাজার
দীর্ঘ মন্দা কাটিয়ে ঊর্ধ্বমুখী ধারায় ফিরেছে শেয়ারবাজার। গেলো দেড় মাসে পুঁজিবাজারে নতুন বিনিয়োগকারী এসেছেন প্রায় ৪২ হাজার। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) এসব তথ্য প্রকাশ করেছে। ওই প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, গেলো ৩ আগস্ট বিও হিসাব ছিল ২২ লাখ ৯৯ হাজার ১৪০টি। যা বর্তমানে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ লাখ ৪১ হাজার ১৫৯টিতে। দেড় মাসে বেড়েছে ৪১ হাজার ৯০৮টি। শুধু সেপ্টেম্বর মাসেই বেড়েছে ২৪ হাজার ১৬৩টি হিসেব। বর্তমানে ব্যক্তি বিও হিসাব আছে ২৩ লাখ ২৭ হাজার ৭৫৭টি। এর মধ্যে একক বিও হিসাব ১৫ লাখ পাঁচ হাজার ৮৪১টি এবং যৌথ হিসাব আট লাখ ২১ হাজার ৯১৬টি। গত ৩ আগস্ট ব্যক্তি বিও হিসাব ছিল ২২ লাখ ৮৫ হাজার ৯৬৮টি। যার মধ্যে একক বিও হিসাব ১৪ লাখ ৮০ হাজার ৩০৯টি এবং যৌথ হিসাব আট লাখ পাঁচ হাজার ৬৫৯টি। সিডিবিএলের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে যে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীর বিও হিসাব আছে তার মধ্যে ১৭ লাখ ১৮ হাজার ৭০০টি পুরুষ। বিপরীতে নারীদের বিও হিসাব ছয় লাখ ৯ হাজার ৫৭টি। গেলো ৩ আগস্ট পুরুষ বিও হিসাব ছিল ১৬ লাখ ৮৪ হাজার ৬৫৬টি এবং নারী বিও হিসাব ছিল ছয় লাখ এক হাজার ৩১২টি। এ হিসাবে পুরুষ বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বেড়েছে ৩৪ হাজার ৪৪ জন এবং নারী বিনিয়োগকারী বেড়েছে সাত হাজার ৭৪৫ জন। এসজে
পুঁজিবাজারে নতুন বিনিয়োগকারী এসেছে ৪২ হাজার
আরও পড়ুন
ব্র্যাক ইপিএলের ভারপ্রাপ্ত সিইও হলেন আহসানুর রহমান