ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

হ্যাপি নিউ ইয়ার : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬, ০২:১৬ পিএম

নতুন বছরের আগমন উপলক্ষে সবাইকে হ্যাপি নিউ ইয়ার। ইংরেজি বছর তো, তাই ইংরেজিতে বললাম। এভাবে সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার সকালে গণভবনের ব্যাংকুয়েট হলে সাধারণ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ২০১৭ শিক্ষাবর্ষের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।

শিক্ষা দারিদ্রমুক্তির মূল ভিত্তি এজন্য এর ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে এবং দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে শিক্ষা নেয়ার আহবান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার এ লক্ষ্য অর্জনে বদ্ধপরিকর। একদিনে সবকিছু হয়ে যায় না। শিক্ষার মান নিয়ে গৎবাঁধা সমালোচনা না করে সবার উচিত সরকারকে সহযোগিতা করা।

বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কর্মসূচি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে ‘বিশেষ উত্তরীয়’ পরিয়ে দেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম ও মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি ইহসানুল করিম ছিলেন।

কে/ডিএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
না ফেরার দেশে ‘সবচেয়ে বেশি বয়সী’ টেস্ট ক্রিকেটার
সবচেয়ে বেশি বয়সী টেস্ট ক্রিকেটার ইমতিয়াজ আহমেদ আর নেই। লাহোরে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে এ মেধাবী ক্রিকেটার বক্ষব্যাধিতে ভুগছিলেন। ইমতিয়াজ ১৯৫২-১৯৬২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের হয়ে ৪২টি টেস্ট খেলেন। নামের পাশে যোগ করেন ২ হাজার ৭৯ রান। অভিষেকের পর প্রথম ৩টি টেস্ট ব্যাটসম্যান হিসেবে খেললেও চতুর্থ টেস্ট থেকে তিনি বনে যান উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। উইকেটকিপার হিসেবে তার নামের পাশে আছে ৭৭টি ক্যাচ ও ১৬টি স্ট্যাম্পিং। ১৯৫৫ সালের ২৬ অক্টোবর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠ লাহোরে ২০৯ রানের ইনিংস খেলেন ইমতিয়াজ আহমেদ। ঢাকার মাঠে  তিনি খেলেন ৫টি টেস্ট। কে/ডিএইচ
না ফেরার দেশে ‘সবচেয়ে বেশি বয়সী’ টেস্ট ক্রিকেটার
একটা বই কেনারও টাকা ছিল না শাহরুখের
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ১০ অভিনেতার একজন শাহরুখ খান। এ তারকার মোট সম্পদমূল্য ৬০০ মিলিয়ন ডলার। এখন তার অনেক যশ, প্রভাব-প্রতিপত্তি। কিন্তু আপনি কি জানেন, ছেলেবেলায় একটি কমিকস বই কেনারও টাকা ছিল না বলিউড কিং’র। সম্প্রতি একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে বেশ নস্ট্যালজিক হয়ে পড়েন শাহরুখ খান। এতে শিশু-কিশোরদের ইভেন্টে নিজের শৈশব নিয়ে বলতে গিয়ে সবার সামনেই এ কথা বলেন তিনি। জীবনের শুরুটা আজকের মতো এতো জৌলুসে ভরা ছিল না বলিউড বাদশাহর। অতিকষ্টে এ জায়গায় এসেছেন বলিউড কিং।  'চেন্নাই এক্সপ্রেস' তারকা বলেন, ছোটবেলায় কমিকস পড়তে খুব ভালোবাসতাম। কিন্তু নতুন কমিকস বই কেনার পর্যাপ্ত টাকা থাকতো না। তাইতো মাঝে-মধ্যেই আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবদের থেকে টাকা ধার করে কমিকস বই কিনতাম। শিশুবেলা অতি দারিদ্রের মধ্যে কাটাতে হয়েছে শাহরুখ খানকে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমার বাবা একজন উচ্চশিক্ষিত মানুষ ছিলেন। কিন্তু তার টাকাপয়সা ছিল না। কখনো চাকরিও পাননি। শিক্ষিত হওয়া সত্ত্বেও কোনো ব্যবসা দাঁড় করাতে পারেননি। তবে একটা কথা সত্য, আমাকে অনেক আদর-ভালোবাসা দিয়েছেন। আবেগপ্রবণ হয়ে এ তারকা আরো বলেন, এমনকি জন্মদিনে কিছু কিনে দেয়ার মতো টাকা থাকতো না বাবার কাছে। তিনি প্রতিবার তার নিজের এমন কোনো জিনিস আমাকে উপহার হিসেবে দিতেন যার মাধ্যমে আমি কিছু শিখতে পারতাম। এইচএম/ডিএইচ
একটা বই কেনারও টাকা ছিল না শাহরুখের