ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলাদেশে শিক্ষা মেলায় অংশ নেবে মালয়েশিয়ার ১২ বিশ্ববিদ্যালয়

মোস্তফা ইমরান রাজু, মালয়েশিয়া প্রতিনিধি:

প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২১, ০৯:২৪ পিএম
কুয়ালালামপুরে এনএসএস সল্যুশন এসডিএন বিএইচডি কর্তৃক আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন

করোনা মহামারি কাটিয়ে আবারো স্বাভাবিক ভর্তি কার্যক্রম শুরু করেছে মালয়েশিয়ার সরকারি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য কম খরচে মালয়েশিয়ার সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রয়েছে উচ্চ শিক্ষার দারুণ সুযোগ। ভর্তি কার্যক্রমের অংশ হিসাবে ঢাকা ও রাজশাহীতে এ মাসেই শিক্ষা মেলা করতে যাচ্ছে দেশটির ১২ টি বিশ্ববিদ্যালয়। মেলায় থাকছে আইএলটিএস ছাড়া তাৎক্ষণিক ভর্তির সুযোগ। রয়েছে স্কলারশিপও।

ঢাকা ও রাজশাহীতে ৪ দিনের শিক্ষা মেলা উপলক্ষে কুয়ালালামপুরে এনএসএস সল্যুশন এসডিএন বিএইচডি কর্তৃক আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা এসব তথ্য জানান।

করোনার প্রাদুর্ভাবে দীর্ঘ প্রায় এক বছর স্থবির ছিলো মালয়েশিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কার্যক্রম। নতুন শিক্ষার্থী তো নয়-ই এমনকি পুরাতনদেরও পড়তে হয়েছে নানাবিধ সমস্যায়। দেরিতে হলেও স্থবিরতা কাটিয়ে প্রাণ ফিরতে শুরু করেছে এ কার্যক্রমে। সুযোগ মিলছে নতুন শিক্ষার্থীদের মালয়েশিয়ায় আসার।

শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে এশিয়া প্যাসিফিক, ইউনিভার্সিটি টেকনোলজি, ইউনিভার্সিটি তেনেগা ন্যাশনাল, ইউনিভার্সিটি টেকনিকাল মালাক্কা, মাল্টিমিডিয়া ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অফ সাইবারজায়াসহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষা মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান এনএসএস এর হেড অব মার্কেটিং সবুজ হোসেন বলেন, দেশের খরচে মালয়েশিয়ায় মানসম্মত পড়াশোনার সুযোগ তৈরি হবে এ শিক্ষা মেলার মাধ্যমে। এছাড়া শিক্ষার্থীরা তাদের অবস্থান সম্পর্কেও একটা ধারনা পাবে।

১২ ও ১৩ ই মার্চ ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল ও ১৯, ২০ মার্চ রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শিক্ষা মেলায় অংশ নিতে ইতোমধ্যে নিবন্ধন করেছে ৩ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী। আগ্রহীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ মেলায় অংশ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজক প্রতিষ্ঠান এনএসএস সল্যুশন এসডিএন বিএইচডি কর্তৃপক্ষ। তবে করোনা পরিস্থিতির কারনে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি সরাসরি যেতে পারবেনা তারা ভার্চুয়ালি মেলায় অংশ নেবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

কেএফ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শিক্ষার্থীদের ১৫ জানুয়ারির মধ্যে টিকা নিবন্ধনের নির্দেশ
করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের ১৫ জানুয়ারির মধ্যে সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধনের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।  শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) মাউশি এ সংক্রান্ত নোটিশ দিয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্মনিবন্ধনের তথ্যের ভিত্তিতে সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনার লক্ষ্যে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যেসব ছাত্র-ছাত্রীর জন্মনিবন্ধন নেই, আগামী ৬ জানুয়ারির মধ্যে তাদের নিবন্ধন সম্পন্ন করার বিষয়টি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা নিশ্চিত করবেন। ৭ জানুয়ারির মধ্যে ভ্যাকসিন নিতে পারবে, এমন ছাত্র-ছাত্রীর প্রতিষ্ঠানভিত্তিক তালিকা সিভিল সার্জনের অফিসে পাঠাতে বলা হয়েছে জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের। ৮ থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে টিকা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত দিনে ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার বিষয়টি প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা নিশ্চিত করবেন। সব জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। এফএ
শিক্ষার্থীদের ১৫ জানুয়ারির মধ্যে টিকা নিবন্ধনের নির্দেশ
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি রক্ষায় সুপারিশ ইউজিসির
দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন কোর্স চালু থাকায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই নেতিবাচক প্রভাব দূরীকরণে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন কোর্স বন্ধের সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন কোর্স বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে চালানো হচ্ছে। সেজন্য ইউজিসির সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে সান্ধ্যকালীন কোর্স বন্ধের সুপারিশ করেছে। একইসঙ্গে উচ্চ শিক্ষায় বাজেট বরাদ্দ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ইউজিসির একটি প্রতিনিধি দল সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের কাছে জমা দেন এবং সেখানে বেশকিছু সুপারিশ করা হয়েছে। সুপারিশে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ফি, টিউশন ফি, শিক্ষকদের বেতন-ভাতা অসামঞ্জস্যতা রয়েছে। যদিও দেশের সব অঞ্চলের আর্থসামাজিক অবস্থা সমান নয়। তাই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে নির্দেশনা দিতে পারে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে সান্ধ্যকালীন, উইকেন্ড ও এক্সিকিউটিভ প্রভৃতি কোর্স চালু রাখা হয়েছে। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ ধরনের কোর্সগুলো বন্ধ হওয়া জরুরি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ইউজিসি থেকে অনুমোদন নিয়ে নির্দিষ্ট নীতি অনুসরণ করে ডিপ্লোমা, সংক্ষিপ্ত কোর্স এবং বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ওপর কোর্স চালাতে পারে। ইউজিসি চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, দেশের কোনো কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন, উইকেন্ড এবং এক্সিকিউটিভ কোর্স বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে করছে এবং সেগুলো নিয়ন্ত্রিত নয়। এফএ/টিআই
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি রক্ষায় সুপারিশ ইউজিসির
নতুন শিক্ষাবর্ষে ক্লাসের সময়সূচি প্রকাশ
করোনাভাইরাস সংক্রমণের দিকে নজর রেখে নতুন বছরে নতুন শিক্ষাবর্ষের সময়সূচি সাজানো হয়েছে। এতে সপ্তাহে প্রতিদিন চারটি বিষয়ে ক্লাস নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি)।   দশম শ্রেণিতে সপ্তাহে প্রতিদিন তিনটি বিষয়ে ক্লাস, অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে দুই দিন ক্লাস। এই দুই দিনের প্রতিদিন তিনটি করে বিষয়ের ওপর ক্লাস নিতে হবে। ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে এক দিন তিনটি বিষয়ে ক্লাস নেওয়া হবে। মাউশির আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রতিদিন শ্রেণিভেদে এসব ক্লাস হবে। বৃহস্পতিবার ক্লাসের সময়সূচি ঘোষণা করা হয়। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুসারে প্রাথমিকের শ্রেণিগুলোর শ্রেণি কার্যক্রম চলবে বলে জানা গেছে। এর আগে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছিলেন, করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতি মার্চ পর্যন্ত দেখা হবে। এর মধ্যে সংক্রমণ না বাড়লে তারপর শিক্ষা কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে পারে।  করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের পর গত সেপ্টেম্বরে খুললেও স্বল্পপরিসরে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। এফএ/টিআই
নতুন শিক্ষাবর্ষে ক্লাসের সময়সূচি প্রকাশ
একাদশে ভর্তির তারিখ ঘোষণা
আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি শুরু হবে। ২ মার্চ থেকে শুরু হবে ক্লাস।   বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। ভর্তি নীতিমালায় বলা হয়েছে, এবার শুধু অনলাইনের (www.xiclassadmission.gov.bd) মাধ্যমে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করা যাবে। ৮ জানুয়ারি থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন নেওয়া হবে। যারা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করবে তাদেরও এ সময়ের মধ্যে ভর্তির আবেদন করতে হবে। পুনঃনিরীক্ষণের ফল পরিবর্তিত শিক্ষার্থীদের আবেদন নেওয়া হবে ২২ জানুয়ারি ও ২৩ জানুয়ারি। ২৪ জানুয়ারি পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ দেওয়া হবে। ৩০ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে। সিলেকশন নিশ্চয়ন না করলে তাকে পুনরায় ফিসহ আবেদন করতে হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদন নেওয়া হবে ৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারি। পছন্দক্রম অনুযায়ী প্রথম মাইগ্রেশনের ফল এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে ১০ ফেব্রুয়ারি। ১১-১২ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে।  এই সময়ের মধ্যে সিলেকশন নিশ্চয়ন না করলে আবেদন বাতিল হবে। ১৩ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন নিয়ে পছন্দক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল এবং তৃতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৫ ফেব্রুয়ারি। ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে সিলেকশন নিশ্চয়ন না করলে আবেদন বাতিল হবে। ১৯ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হবে। আর ২ মার্চ থেকে কলেজগুলোতে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে। এসএস
একাদশে ভর্তির তারিখ ঘোষণা
ঢাবির শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে নীল দলের জয়
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে ১৫টি পদের ১৪টিতে জয়লাভ করেছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নীল দলের প্রার্থীরা। এতে সভাপতি হয়েছেন আইন বিভাগের ডিন অধ্যাপক ড. মো রহমত উল্লাহ এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন পুষ্টি ও খাদ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী এ ফলাফল ঘোষণা করেন। সভাপতি পদে অধ্যাপক ড. রহমত উল্লাহ ৯৪৫ ভোট, সাধারণ সম্পাদক পদে অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়া ৯৭০ ভোট পান। নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষ পদে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আকরাম হোসেন ৮৫০ ভোট, সহসভাপতি পদে অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাবিতা রিজওয়ানা রহমান ৮২৬ ভোট, যুগ্ম-সম্পাদক পদে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রহিম ৮২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এছাড়া সাধারণ সদস্য পদে টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া ৯০৭ ভোট, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ইসতিয়াক এম সৈয়দ ৯০৪ ভোট, রোবটিক্স অ্যান্ড মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. লাফিফা জামাল ৮৫২ ভোট, অধ্যাপক চন্দ্রনাথ পোদ্দার ৮৩৫ ভোট, বিজনেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুল মঈন ৭৯১ ভোট, তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নাসিরুদ্দিন মুন্সি ৭৯১ ভোট, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম ৭৮৬ ভোট, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা ৭৮৩ ভোট এবং ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ ৭৫৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। সাদা দলের একমাত্র বিজয়ী প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান। তিনি ৮০৬ ভোট পেয়েছেন। এফএ/টিআই
ঢাবির শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে নীল দলের জয়