ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

‘পর্যায়ক্রমে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লটারিতে ভর্তি’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:৩০ পিএম
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।। ফাইল ছবি

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে পর্যায়ক্রমে লটারির মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে আসার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। রোববার (১৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর নায়েম মিলনায়তনে ২০২২ শিক্ষাবর্ষে বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির ডিজিটাল লটারির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা জানান।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফাওজিয়া করিম, নায়েমের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. নিজামুল করিম ও টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো. সাহাব উদ্দিন প্রমুখ।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, স্কুলে ভর্তির জন্য অসুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হয়। এরমধ্যে অনৈতিক বিষয়ও জড়িয়ে যায়। অনেক তদবির আসে। এজন্য আমরা লটারির ব্যবস্থার কথা চিন্তা করি। অধিকাংশই এ ব্যবস্থায় খুশি। এর ফলে কোচিং বাণিজ্য বন্ধ হয়েছে। এ ব্যবস্থা প্রতিবছর চালু থাকবে। এটিকে আরও কীভাবে ভালো করা যায় সেটাও ভাবছি। দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে পর্যায়ক্রমে এর আওতায় নিয়ে আসা হবে।

সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, আমাদের শিক্ষা পরিবারের অনন্য দিন। দীর্ঘদিনে ধরে অস্বস্তি ছিল ভর্তি কার্যক্রম নিয়ে। ভর্তি নিয়ে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। গত বছর সরকারি স্কুলে লটারির মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করি। এ বছর প্রথম বারের মতো বেসরকারি স্কুলে শুরু হলো। এর মাধ্যমে ভর্তি নিয়ে অভিযোগ ও অস্বচ্ছতা ৯৯ ভাগ মুক্ত করতে পেরেছি। কোথাও কোনো অস্বচ্ছতা নেই। শিক্ষর্থীদের যে অস্বস্তিকর প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হতে হতো সেটি থেকে মুক্ত হলো।

অতিরিক্ত সচিব ফাওজিয়া করিম বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহারে নিরপেক্ষভাবে ভর্তি করা যাচ্ছে। ঘরে বসে ফরম ফিলাপের মাধ্যমে কোন স্কুলে ভর্তি হবে, তা জেনে যাচ্ছে। আমাদের সময়ে স্কুলে স্কুলে দৌড়াতে হতো ভর্তির জন্য। প্রযুক্তির ব্যবহারে লটারির মাধ্যমে ভর্তি আমাদের বড় অর্জন।

অধ্যাপক ড. নিজামুল করিম বলেন, এই লটারির মাধ্যমে আমরা শিক্ষাক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতি প্রয়োগ করে এ উদ্ভাবন সম্পন্ন করায় সময় ও ব্যয় সাশ্রয় হয়েছে। অভিভাবক ওশিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য উপস্থিতি কমে গিয়েছে। করোনার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তি ব্যাপক সুবিধা দিয়েছে।

কেএফ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শিক্ষার্থীদের ১৫ জানুয়ারির মধ্যে টিকা নিবন্ধনের নির্দেশ
করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের ১৫ জানুয়ারির মধ্যে সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধনের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।  শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) মাউশি এ সংক্রান্ত নোটিশ দিয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্মনিবন্ধনের তথ্যের ভিত্তিতে সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনার লক্ষ্যে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যেসব ছাত্র-ছাত্রীর জন্মনিবন্ধন নেই, আগামী ৬ জানুয়ারির মধ্যে তাদের নিবন্ধন সম্পন্ন করার বিষয়টি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা নিশ্চিত করবেন। ৭ জানুয়ারির মধ্যে ভ্যাকসিন নিতে পারবে, এমন ছাত্র-ছাত্রীর প্রতিষ্ঠানভিত্তিক তালিকা সিভিল সার্জনের অফিসে পাঠাতে বলা হয়েছে জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের। ৮ থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে টিকা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত দিনে ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার বিষয়টি প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা নিশ্চিত করবেন। সব জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। এফএ
শিক্ষার্থীদের ১৫ জানুয়ারির মধ্যে টিকা নিবন্ধনের নির্দেশ
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি রক্ষায় সুপারিশ ইউজিসির
দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন কোর্স চালু থাকায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই নেতিবাচক প্রভাব দূরীকরণে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন কোর্স বন্ধের সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন কোর্স বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে চালানো হচ্ছে। সেজন্য ইউজিসির সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে সান্ধ্যকালীন কোর্স বন্ধের সুপারিশ করেছে। একইসঙ্গে উচ্চ শিক্ষায় বাজেট বরাদ্দ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ইউজিসির একটি প্রতিনিধি দল সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের কাছে জমা দেন এবং সেখানে বেশকিছু সুপারিশ করা হয়েছে। সুপারিশে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ফি, টিউশন ফি, শিক্ষকদের বেতন-ভাতা অসামঞ্জস্যতা রয়েছে। যদিও দেশের সব অঞ্চলের আর্থসামাজিক অবস্থা সমান নয়। তাই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে নির্দেশনা দিতে পারে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে সান্ধ্যকালীন, উইকেন্ড ও এক্সিকিউটিভ প্রভৃতি কোর্স চালু রাখা হয়েছে। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ ধরনের কোর্সগুলো বন্ধ হওয়া জরুরি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ইউজিসি থেকে অনুমোদন নিয়ে নির্দিষ্ট নীতি অনুসরণ করে ডিপ্লোমা, সংক্ষিপ্ত কোর্স এবং বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ওপর কোর্স চালাতে পারে। ইউজিসি চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, দেশের কোনো কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন, উইকেন্ড এবং এক্সিকিউটিভ কোর্স বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে করছে এবং সেগুলো নিয়ন্ত্রিত নয়। এফএ/টিআই
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি রক্ষায় সুপারিশ ইউজিসির
নতুন শিক্ষাবর্ষে ক্লাসের সময়সূচি প্রকাশ
করোনাভাইরাস সংক্রমণের দিকে নজর রেখে নতুন বছরে নতুন শিক্ষাবর্ষের সময়সূচি সাজানো হয়েছে। এতে সপ্তাহে প্রতিদিন চারটি বিষয়ে ক্লাস নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি)।   দশম শ্রেণিতে সপ্তাহে প্রতিদিন তিনটি বিষয়ে ক্লাস, অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে দুই দিন ক্লাস। এই দুই দিনের প্রতিদিন তিনটি করে বিষয়ের ওপর ক্লাস নিতে হবে। ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে এক দিন তিনটি বিষয়ে ক্লাস নেওয়া হবে। মাউশির আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রতিদিন শ্রেণিভেদে এসব ক্লাস হবে। বৃহস্পতিবার ক্লাসের সময়সূচি ঘোষণা করা হয়। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুসারে প্রাথমিকের শ্রেণিগুলোর শ্রেণি কার্যক্রম চলবে বলে জানা গেছে। এর আগে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছিলেন, করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতি মার্চ পর্যন্ত দেখা হবে। এর মধ্যে সংক্রমণ না বাড়লে তারপর শিক্ষা কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে পারে।  করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের পর গত সেপ্টেম্বরে খুললেও স্বল্পপরিসরে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। এফএ/টিআই
নতুন শিক্ষাবর্ষে ক্লাসের সময়সূচি প্রকাশ
একাদশে ভর্তির তারিখ ঘোষণা
আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি শুরু হবে। ২ মার্চ থেকে শুরু হবে ক্লাস।   বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। ভর্তি নীতিমালায় বলা হয়েছে, এবার শুধু অনলাইনের (www.xiclassadmission.gov.bd) মাধ্যমে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করা যাবে। ৮ জানুয়ারি থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন নেওয়া হবে। যারা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করবে তাদেরও এ সময়ের মধ্যে ভর্তির আবেদন করতে হবে। পুনঃনিরীক্ষণের ফল পরিবর্তিত শিক্ষার্থীদের আবেদন নেওয়া হবে ২২ জানুয়ারি ও ২৩ জানুয়ারি। ২৪ জানুয়ারি পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ দেওয়া হবে। ৩০ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে। সিলেকশন নিশ্চয়ন না করলে তাকে পুনরায় ফিসহ আবেদন করতে হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদন নেওয়া হবে ৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারি। পছন্দক্রম অনুযায়ী প্রথম মাইগ্রেশনের ফল এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে ১০ ফেব্রুয়ারি। ১১-১২ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে।  এই সময়ের মধ্যে সিলেকশন নিশ্চয়ন না করলে আবেদন বাতিল হবে। ১৩ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন নিয়ে পছন্দক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল এবং তৃতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৫ ফেব্রুয়ারি। ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে সিলেকশন নিশ্চয়ন না করলে আবেদন বাতিল হবে। ১৯ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হবে। আর ২ মার্চ থেকে কলেজগুলোতে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে। এসএস
একাদশে ভর্তির তারিখ ঘোষণা
ঢাবির শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে নীল দলের জয়
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে ১৫টি পদের ১৪টিতে জয়লাভ করেছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নীল দলের প্রার্থীরা। এতে সভাপতি হয়েছেন আইন বিভাগের ডিন অধ্যাপক ড. মো রহমত উল্লাহ এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন পুষ্টি ও খাদ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী এ ফলাফল ঘোষণা করেন। সভাপতি পদে অধ্যাপক ড. রহমত উল্লাহ ৯৪৫ ভোট, সাধারণ সম্পাদক পদে অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়া ৯৭০ ভোট পান। নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষ পদে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আকরাম হোসেন ৮৫০ ভোট, সহসভাপতি পদে অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাবিতা রিজওয়ানা রহমান ৮২৬ ভোট, যুগ্ম-সম্পাদক পদে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রহিম ৮২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এছাড়া সাধারণ সদস্য পদে টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া ৯০৭ ভোট, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ইসতিয়াক এম সৈয়দ ৯০৪ ভোট, রোবটিক্স অ্যান্ড মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. লাফিফা জামাল ৮৫২ ভোট, অধ্যাপক চন্দ্রনাথ পোদ্দার ৮৩৫ ভোট, বিজনেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুল মঈন ৭৯১ ভোট, তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নাসিরুদ্দিন মুন্সি ৭৯১ ভোট, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম ৭৮৬ ভোট, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা ৭৮৩ ভোট এবং ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ ৭৫৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। সাদা দলের একমাত্র বিজয়ী প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান। তিনি ৮০৬ ভোট পেয়েছেন। এফএ/টিআই
ঢাবির শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে নীল দলের জয়
আরও পড়ুন
২০২২ সালের এসএসসি-এইচএসসি’র সময় জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
‘সব জায়গাতেই অপরাধীদের চিহ্নিত করা হয়েছে’
শ্রেণিকক্ষ নোংরা, পরিদর্শনে অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত করলেন শিক্ষামন্ত্রী
স্কুলের টিউশন ফি’র বিষয়ে নমনীয় হওয়ার নির্দেশ