ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

মাদরাসার আলিমে রেজিস্ট্রেশন করতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:২৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের (পরীক্ষা-২০২৭) আলিম শ্রেণির যেসব শিক্ষার্থী এখনো কোনো মাদ্রাসায় অনলাইনে ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন করতে পারেনি, তাদের জন্য বিশেষ বিবেচনায় রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বোর্ডের আওতাধীন আলিম পর্যায়ের মাদরাসাগুলোতে অধ্যয়নরত যেসব শিক্ষার্থী অনলাইনে ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে পারেনি, তাদের রেজিস্ট্রেশন বোর্ডের ইএসআইএফ পূরণের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।

নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, আজ ৭ জুলাই থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দেওয়া যাবে। আর ৩০ জুলাই পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য ইএসআইএফে এন্ট্রি করা যাবে।

ফি জমা দেওয়া ও তথ্য এন্ট্রির ক্ষেত্রে মাদরাসাগুলোকে বোর্ডের www.ebmeb.gov.bd পোর্টালে প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর পেমেন্ট অপশনে গিয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা এন্ট্রি করে সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত বোর্ড ফি জমা দিতে হবে। ফি সিস্টেমে জমা হওয়ার পরই নতুন শিক্ষার্থীর তথ্য আপলোডের জন্য এন্ট্রির সুযোগ চালু হবে এবং এরপর সতর্কতার সঙ্গে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ ব্যবস্থায় শুধুমাত্র বিলম্ব ফি দিয়ে নতুন শিক্ষার্থীর তথ্য এন্ট্রি করা যাবে। আগে এন্ট্রি করা কোনো শিক্ষার্থীর তথ্য মুছে ফেলার সুযোগ থাকবে না। তবে আগে রেজিস্ট্রেশন করা শিক্ষার্থীদের বিভাগ, বিষয় ও ছবি সংক্রান্ত ভুল সংশোধনের অনলাইন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

বোর্ড জানায়, আলিম শ্রেণির নিয়মিত শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনসহ অন্যান্য ফি ৬৮৫ টাকা। আর অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ১৫০ টাকা পাঠ বিরতি ফি সহ মোট ৮৩৫ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

আরও পড়ুন

এছাড়া রেজিস্ট্রেশন ফি জমা বা ইএসআইএফে তথ্য এন্ট্রি করতে কোনো সমস্যা হলে অফিস সময়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন ভিত্তিক সিম নম্বর থেকে ০১৭১৩-০৬৮৯০৯ অথবা ০১৭১৫-৬১১৯৩৬ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানায় বোর্ড।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঢাবিতে ছাত্রদলের আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন, চলবে রোববার পর্যন্ত
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) প্রাঙ্গণে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।  শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। প্রদর্শনীটি রোববার পর্যন্ত চলবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন এবং আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক আনিসুর রহমান খন্দকার অনিকসহ সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। অনুষ্ঠানে বক্তব্যে হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা অনেক স্বপ্ন নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। তারা এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, যেখানে জুলুম-অত্যাচার থাকবে না, দারিদ্র্য ও মানুষের কষ্ট কমবে এবং সবার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে। বিশ্বদরবারে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াবেএমন প্রত্যাশাও ছিল তাদের। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়নি। মানুষের কথা বলার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল এবং দেশে নানা ধরনের বৈষম্য ও সংকট তৈরি হয়েছিল। তৎকালীন নেতৃত্বের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দেশের মানুষের দুর্দশার মধ্যেও নেতাদের বিলাসী জীবনযাপনের চিত্র দেখা গেছে। বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে অন্য একটি দেশের ওপর নির্ভরশীল করে রাখার চেষ্টা হয়েছিল। তবে শহীদদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশের নিজস্ব শক্তি ও স্বকীয়তা রয়েছে। কোনো দেশের কাছে বাংলাদেশকে পরাধীন হতে দেওয়া হবে না এমন অবস্থান থেকেই ৭ নভেম্বরের ঘটনা ঘটেছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর বাংলাদেশকে অন্য একটি দেশের ওপর নির্ভরশীল করে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিপ্লব অনিবার্য হয়ে উঠেছিল। তিনি বলেন, এ সময় তারেক রহমান একজন নেতা হিসেবে সামনে এসেছেন। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হতে দেওয়া হবে না। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে এ দেশের জনগণ। অন্য কোনো দেশে বসে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের বিষয়টি দেশের মানুষ মেনে নেবে না। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক ঘটনাবলি ও স্মৃতিচিত্র তুলে ধরা হয়েছে। আরটিভি/এসকে
ঢাবিতে ছাত্রদলের আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন, চলবে রোববার পর্যন্ত
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দুই দিনব্যাপী জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করা হচ্ছে।
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন
মাভাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। 
মাভাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন
হাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি)।  
হাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
‘আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল; সমস্ত অবদান জিয়াউর রহমানের’
‘আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল, তার সমস্ত অবদান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।  তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর না ঘটলে বাংলাদেশ নামের দেশটির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব থাকত না। এমনকি বাংলাদেশ হয়ত অন্য কোনো দেশের প্রদেশ হিসেবে পরিচিত হতো।  শনিবার (৭ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ছাত্রদলের দুই দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। উপাচার্য বলেন, ৭ নভেম্বর না ঘটলে বাংলাদেশ নামক দেশটির স্বাধীনতা থাকত না। সার্বভৌমত্ব থাকত না এবং একই সাথে এটি অন্যের প্রদেশের অন্য দেশের দেশ হিসেবে হয়ত আমাদের পরিচিত হতে হতো। মাওলা রাব্বুল আলামীনের কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। সেই দিনটি আজকে ৭ নভেম্বর। আজকে সেই বিপ্লব এবং সংহতি দিবস। জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পরিবর্তন সূচিত হয়। ওই সময় দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। দেশি-বিদেশি আধিপত্যবাদ, পাল্টাপাল্টি অভ্যুত্থান এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে ৩ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত দেশ চরম দুর্বিষহ সময় পার করেছে। তিনি আরও বলেন, তৎকালীন সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বন্দি করা হয়েছিল। পরে সিপাহি ও জনতা একসঙ্গে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে এবং জাতির প্রয়োজনে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসায়। অনেকে ৭ নভেম্বরের ঘটনাকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি ছিল সিপাহী জনতার বিপ্লব এবং সবাই সংহতি প্রকাশ করে সবাই মিলে এক কাজে কাঁধ মিলে তাকে নিয়ে আসে। সেটি ছিল ৭ নভেম্বর। জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শনের কথা তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। এই পরিচয়ের মধ্যে বাঙালির পাশাপাশি চাকমা, মারমা, মগ, মুরং, গারো ও খাসিয়াসহ দেশের সব জাতিগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে উন্নয়নের শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করেছেন। তার হাত ধরেই তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতার পথে এগিয়েছে। দেশের বর্তমান উন্নয়নের পেছনেও তার অবদান রয়েছে। জিয়াউর রহমানের হাত ধরে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরে এসেছে। তার মতে, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের রাজনীতির সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রেও জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল। ৭ নভেম্বরকে জাতীয় ঐক্য ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা এই দিনটিকে ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই। এই দিনটি আমাদেরকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখতে হবে। এই দিনটি একটি দিন না। এই দিনটি একদিন মনে রাখলে হবে না। এই দিনটি প্রতিটি মুহূর্তে মনে রাখতে হবে। বাংলাদেশ আমার সবার আগে বাংলাদেশ।’ বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।  আরটিভি/এসকে
‘আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল; সমস্ত অবদান জিয়াউর রহমানের’