ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

রাবিতে থমকে আছে খাতা মূল্যায়নে কোডিং পদ্ধতি, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

রাবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে নাম-রোলবিহীন কোডিং পদ্ধতি চালুর সিদ্ধান্ত একাডেমিক কাউন্সিলে গৃহীত হওয়ার এক বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তা এখনো বাস্তবায়ন করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ফলে এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়ছে।

শিক্ষার্থীদের মতে, খাতা মূল্যায়নে কোডিং পদ্ধতি চালু হলে পরীক্ষার্থীর পরিচয় গোপন থাকবে, ফলে পক্ষপাতিত্ব, নম্বর বৈষম্য এবং ব্যক্তিগত প্রভাবের অভিযোগ অনেকাংশে কমে আসবে। একইসঙ্গে মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও শিক্ষার্থীদের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।

জানা গেছে, বিগত বছরের ১৪ জুলাই সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নকীব প্রশাসনের সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে শিক্ষার্থীদের পরিচয় গোপন রাখতে কোডিং পদ্ধতি চালুর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এ পদ্ধতিতে খাতায় শিক্ষার্থীর নাম বা রোল নম্বরের পরিবর্তে নির্দিষ্ট কোড ব্যবহার করা হবে, যাতে পরীক্ষক পরিচয় জানতে না পারেন। তবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ১৩ মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত এ পদ্ধতি কার্যকর হয়নি।

শিক্ষার্থীদের দাবি, বর্তমানে খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। অনেক সময় ব্যক্তিগত পরিচয়, বিভাগের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি কিংবা শিক্ষকদের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ নম্বর প্রদানে প্রভাব ফেলে বলে অভিযোগ রয়েছে। কোডিং পদ্ধতি চালু হলে এসব অভিযোগের অবসান ঘটবে এবং মূল্যায়নে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত হবে।

সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফুর রহমান বলেন, এখনো নাম ও রোলবিহীন কোডিং পদ্ধতি বাস্তবায়ন না হওয়াটা সত্যিই দুঃখজনক এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে বেমানান। সনাতন পদ্ধতিতে নাম বা রোল নম্বর দৃশ্যমান থাকায় খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অবচেতনভাবেই পক্ষপাতিত্ব বা বৈষম্যের একটা ঝুঁকি থেকে যায়, যা শিক্ষার্থীদের মেধার সঠিক মূল্যায়নে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। একাডেমিক কাউন্সিলে সিদ্ধান্ত গৃহিত হওয়ার পরও বাস্তবায়ন না করাটা হতাশাজনক। আমরা চাই শিক্ষার্থীদের মনে শতভাগ আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত এই কোডিং সিস্টেম বাস্তবায়ন করা। মেধার প্রকৃত মূল্যায়নের স্বার্থে এই সংস্কারটি এখন সময়ের দাবি।

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী সৈয়দ রাইহান বলেন, প্রশাসন নাম-রোলবিহীন কোডিং পদ্ধতি চালুর ঘোষণা দিলেও এখনো তা কার্যকর হয়নি। এটা প্রশাসনের এক ধরনের ব্যর্থতা। বর্তমান সময়ে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও শিক্ষাবান্ধব মূল্যায়ন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এই কোডিং পদ্ধতি কার্যকর করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রশাসনের উচিত অতি দ্রুত ও কার্যকরভাবে বিষয়টি বাস্তবায়ন করা। সঠিকভাবে এই পদ্ধতি চালু করা গেলে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে আমি মনে করি।

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. হাসনাত কবীর আরটিভিকে বলেন, টেকনিক্যাল কিছু সমস্যার কারণে আমরা এখনো নাম ও রোল বিহীন কোডিং পদ্ধতিটি চালু করতে পারিনি। এটা সিদ্ধান্ত হয়ে আছে। আমরা আশা করি নতুন ব্যাচ অর্থাৎ ২০২৫-২৬ ব্যাচ থেকে শুরু করতে পারবো। আমলাতান্ত্রিক কোনো জটিলতা নেই শুধু টেকনিক্যালি কিছু জটিলতা আছে। নতুন ব্যাচ থেকে শুরু হয়ে গেলে আস্তে আস্তে সব ব্যাচেরই আমরা শুরু করতে পারবো।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি নাম ও রোল বিহীন খাতা মুল্যায়ন করা। গত বছরের ২৯ জুন ‘রাবি সংস্কার আন্দোলন’ ব্যানারে শিক্ষার্থীরা প্রশাসন ভবনের সামনে ৯ দফা দাবিতে বিক্ষোভ করেন। দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল রোলবিহীন খাতা মূল্যায়নের। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ছিলো, শিক্ষকরা পরিচিত শিক্ষার্থীদের বাড়তি নম্বর ও অপছন্দের শিক্ষার্থীদের কম নম্বর দিয়ে থাকেন, যা মূল্যায়নের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বেরোবিতে ‘জার্নাল অব লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্সেস’-এর মোড়ক উন্মোচন
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) জীব ও ভূবিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে ‘জার্নাল অব লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্সেস (ভলিউম ২, ডিসেম্বর ২০২৪)’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর ২০২৬) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সিন্ডিকেট সভাকক্ষে আয়োজিত মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী। জীব ও ভূবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোছা. সিফাত রুমানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও গবেষকেরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি অনুষদ ও বিভাগে গবেষণা কার্যক্রম বৃদ্ধি করতে হবে এবং নিয়মিত জার্নাল প্রকাশনা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, শুধু অভ্যন্তরীণ প্রকাশনা নয়, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে গুণগত গবেষণা ও সম্মেলন আয়োজনের মাধ্যমে গবেষকদের বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে। তিস্তা অববাহিকার জীবিকা ও পরিবেশগত বৈচিত্র্য নিয়ে গবেষণার বিশেষ সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ ধরনের উদ্যোগে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে। সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোছা. সিফাত রুমানা অনুষদের গবেষণা কার্যক্রম আরও বেগবান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং প্রধান অতিথিসহ উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। আলোচনা শেষে অতিথিরা আনুষ্ঠানিকভাবে জার্নালটির মোড়ক উন্মোচন করেন। আরটিভি/টিআর
বেরোবিতে ‘জার্নাল অব লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্সেস’-এর মোড়ক উন্মোচন
বেরোবিতে ‘অ্যাডভান্সড রিসার্চ মেথোডোলজি’ শীর্ষক কর্মশালা
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ‘ওয়ার্কশপ অন অ্যাডভান্সড রিসার্চ মেথোডোলজি’ শীর্ষক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-২-এর কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এ কর্মশালার আয়োজন করে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি)। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী। এ ছাড়া কি-নোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হাসান। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বেরোবি আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. তাজুল ইসলাম। কর্মশালায় গবেষক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত গবেষণাপদ্ধতি, কৌশল এবং আধুনিক মানদণ্ড নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় আইকিউএসি-এর অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. আবদুর রাকিব এবং ড. মো. সজিব মিয়া উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
বেরোবিতে ‘অ্যাডভান্সড রিসার্চ মেথোডোলজি’ শীর্ষক কর্মশালা
এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
মানহীন মেডিকেল কলেজ কাউকে করতে দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
রাজনৈতিক চাপ কিংবা প্রভাবশালী মহলের প্রভাব খাটিয়ে মানহীন কোনো মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। বুধবার (৪ নভেম্বর) বুধবার রাজধানীর মহাখালীতে বাংলাদেশ মেডিকেল এডুকেশন অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল (বিএমইএসি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘অ্যাসেসর ট্রেনিং’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, চিকিৎসা শিক্ষার আন্তর্জাতিক মান এবং রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত আমরা নতুন কোনো বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন দিইনি। এতে প্রভাবশালী বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে চাপ আসছে। কিন্তু মান ও নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করে কাউকে মেডিকেল কলেজ করতে দেওয়া হবে না। হাসপাতাল ছাড়া মেডিকেল কলেজ হবে আর রোগী না দেখে কেউ চিকিৎসক হয়ে যাবে, এমন পরিস্থিতি চলতে পারে না। দেশে চিকিৎসা শিক্ষার বৈষম্য ও ভৌগোলিক অসম বণ্টন তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজই ঢাকা বিভাগে পুঞ্জীভূত। অথচ বাকি সাতটি বিভাগে ভারসাম্যহীনতা স্পষ্ট। সংসদ বা রাজনৈতিক বক্তৃতায় যখন-তখন নিজ জেলা বা উপজেলায় মেডিকেল কলেজ চাওয়ার মতো জনপ্রিয় হওয়ার প্রবণতা পরিহার করে পরিকল্পিতভাবে স্বাস্থ্য কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ফর মেডিকেল এডুকেশনের নিয়ম মেনে অ্যাক্রিডিটেশন অর্জন না করলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিকিৎসকদের বৈশ্বিক কর্মক্ষেত্র সংকুচিত হয়ে পড়বে। চিকিৎসকদের পেশাগত মর্যাদা ও আস্থা ফেরাতে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা এখন বাধ্যতামূলক। বিদেশ থেকে ডিগ্রি নিয়ে আসা শিক্ষার্থীদের প্রসঙ্গে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, সম্প্রতি বিদেশ থেকে পাস করে আসা চিকিৎসকদের রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষায় মাত্র ৩০ শতাংশ উত্তীর্ণ হয়েছেন। সন্তানদের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে বিদেশে পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান যাচাই করতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। আরটিভি/টিআর
মানহীন মেডিকেল কলেজ কাউকে করতে দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
যবিপ্রবিতে তারিকুল ইসলামের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল
বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য ও যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তরিকুল ইসলামের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। যশোরে একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ, তা বাস্তবে রূপ দিতে স্থান নির্বাচন, আইনি জটিলতা নিরসন এবং সরকারের উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগসহ বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তী সময়ে ২০০৬ সালের ৫ অক্টোবর বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যবিপ্রবির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, দপ্তরপ্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া দোয়া মাহফিলে ছাত্রদলপন্থী শিক্ষার্থীরা এবং বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী কর্মচারী ফেডারেশনের (বাআজাকফ) কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক মো. জসীম উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন। দোয়া মাহফিলে মরহুম তরিকুল ইসলামের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা হয়। আরটিভি/টিআর
যবিপ্রবিতে তারিকুল ইসলামের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল