ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

রাবিতে থমকে আছে খাতা মূল্যায়নে কোডিং পদ্ধতি, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

রাবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে নাম-রোলবিহীন কোডিং পদ্ধতি চালুর সিদ্ধান্ত একাডেমিক কাউন্সিলে গৃহীত হওয়ার এক বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তা এখনো বাস্তবায়ন করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ফলে এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়ছে।

শিক্ষার্থীদের মতে, খাতা মূল্যায়নে কোডিং পদ্ধতি চালু হলে পরীক্ষার্থীর পরিচয় গোপন থাকবে, ফলে পক্ষপাতিত্ব, নম্বর বৈষম্য এবং ব্যক্তিগত প্রভাবের অভিযোগ অনেকাংশে কমে আসবে। একইসঙ্গে মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও শিক্ষার্থীদের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।

জানা গেছে, বিগত বছরের ১৪ জুলাই সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নকীব প্রশাসনের সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে শিক্ষার্থীদের পরিচয় গোপন রাখতে কোডিং পদ্ধতি চালুর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এ পদ্ধতিতে খাতায় শিক্ষার্থীর নাম বা রোল নম্বরের পরিবর্তে নির্দিষ্ট কোড ব্যবহার করা হবে, যাতে পরীক্ষক পরিচয় জানতে না পারেন। তবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ১৩ মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত এ পদ্ধতি কার্যকর হয়নি।

শিক্ষার্থীদের দাবি, বর্তমানে খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। অনেক সময় ব্যক্তিগত পরিচয়, বিভাগের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি কিংবা শিক্ষকদের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ নম্বর প্রদানে প্রভাব ফেলে বলে অভিযোগ রয়েছে। কোডিং পদ্ধতি চালু হলে এসব অভিযোগের অবসান ঘটবে এবং মূল্যায়নে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত হবে।

সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফুর রহমান বলেন, এখনো নাম ও রোলবিহীন কোডিং পদ্ধতি বাস্তবায়ন না হওয়াটা সত্যিই দুঃখজনক এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে বেমানান। সনাতন পদ্ধতিতে নাম বা রোল নম্বর দৃশ্যমান থাকায় খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অবচেতনভাবেই পক্ষপাতিত্ব বা বৈষম্যের একটা ঝুঁকি থেকে যায়, যা শিক্ষার্থীদের মেধার সঠিক মূল্যায়নে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। একাডেমিক কাউন্সিলে সিদ্ধান্ত গৃহিত হওয়ার পরও বাস্তবায়ন না করাটা হতাশাজনক। আমরা চাই শিক্ষার্থীদের মনে শতভাগ আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত এই কোডিং সিস্টেম বাস্তবায়ন করা। মেধার প্রকৃত মূল্যায়নের স্বার্থে এই সংস্কারটি এখন সময়ের দাবি।

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী সৈয়দ রাইহান বলেন, প্রশাসন নাম-রোলবিহীন কোডিং পদ্ধতি চালুর ঘোষণা দিলেও এখনো তা কার্যকর হয়নি। এটা প্রশাসনের এক ধরনের ব্যর্থতা। বর্তমান সময়ে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও শিক্ষাবান্ধব মূল্যায়ন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এই কোডিং পদ্ধতি কার্যকর করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রশাসনের উচিত অতি দ্রুত ও কার্যকরভাবে বিষয়টি বাস্তবায়ন করা। সঠিকভাবে এই পদ্ধতি চালু করা গেলে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে আমি মনে করি।

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. হাসনাত কবীর আরটিভিকে বলেন, টেকনিক্যাল কিছু সমস্যার কারণে আমরা এখনো নাম ও রোল বিহীন কোডিং পদ্ধতিটি চালু করতে পারিনি। এটা সিদ্ধান্ত হয়ে আছে। আমরা আশা করি নতুন ব্যাচ অর্থাৎ ২০২৫-২৬ ব্যাচ থেকে শুরু করতে পারবো। আমলাতান্ত্রিক কোনো জটিলতা নেই শুধু টেকনিক্যালি কিছু জটিলতা আছে। নতুন ব্যাচ থেকে শুরু হয়ে গেলে আস্তে আস্তে সব ব্যাচেরই আমরা শুরু করতে পারবো।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি নাম ও রোল বিহীন খাতা মুল্যায়ন করা। গত বছরের ২৯ জুন ‘রাবি সংস্কার আন্দোলন’ ব্যানারে শিক্ষার্থীরা প্রশাসন ভবনের সামনে ৯ দফা দাবিতে বিক্ষোভ করেন। দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল রোলবিহীন খাতা মূল্যায়নের। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ছিলো, শিক্ষকরা পরিচিত শিক্ষার্থীদের বাড়তি নম্বর ও অপছন্দের শিক্ষার্থীদের কম নম্বর দিয়ে থাকেন, যা মূল্যায়নের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নোবিপ্রবিতে বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে অব্যাহতি
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময় ব্যাকগ্রাউন্ড ডিজিটাল স্ক্রিনে শেখ হাসিনার ছবি প্রদর্শনের ঘটনায় অণুজীববিজ্ঞান (মাইক্রোবায়োলজি) বিভাগের চেয়ারম্যান ও আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ‘নীল দলের’ সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদকে অব্যাহতির নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং পুরো বিষয়টির সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত ওই বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। অফিস আদেশে বলা হয়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ কর্তৃক বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘ইন্টারন্যাশনাল মাইক্রোঅর্গানিজম ডে-২০২৬’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত চলাকালে ডিজিটাল স্ক্রিনে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিকভাবে শেখ হাসিনার ছবি প্রদর্শন করা হয়। এ ঘটনায় অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ এবং অনুষ্ঠান আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক সহযোগী অধ্যাপক ড. খন্দকার ফাহমিদা সুলতানাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল এবং তারা ইতোমধ্যে সেই কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিয়েছেন। পুরো বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন প্রদানের জন্য তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দিনকে আহ্বায়ক, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. গাজী মো. মহসিনকে সদস্য এবং প্রক্টর অধ্যাপক এ এফ এম আরিফুর রহমানকে সদস্য-সচিব করা হয়েছে। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে নোবিপ্রবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী জানান, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তদন্তের স্বার্থে এ সময়কালে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের দুই দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের সময় ব্যাকগ্রাউন্ড ভিডিওর শেষ অংশে শেখ হাসিনার ছবি ভেসে ওঠে। বিষয়টি উপস্থিত অতিথিদের নজরে এলে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানান ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন। পরবর্তীতে পুনরায় শুধু অডিওর মাধ্যমে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। ঘটনাটিকে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের প্রতি অবমাননাকর এবং চাকরির শৃঙ্খলার পরিপন্থী হিসেবে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্টদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে ঘটনার বিষয়ে অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও আয়োজকেরা জানান, অনুষ্ঠান আয়োজনের ব্যস্ততায় প্রজেক্টরে চালানো ইউটিউব ভিডিওটি আগে পর্যালোচনা করা হয়নি। এ কারণে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে এই ভুলটি ঘটে যায়। আরটিভি/টিআর
নোবিপ্রবিতে বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে অব্যাহতি
ইবির আইন অনুষদের বাজিমাত, সিভিল জজ হলেন ১৯ জন
অষ্টাদশ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন অনুষদ থেকে ১৯ শিক্ষার্থী সিভিল জজ পদে সাময়িকভাবে মনোনীত হয়েছেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন (বিজেএসসি) সচিবালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে এ ফল প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে কমিশনের ওয়েবসাইটেও ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সহকারী জজ পদে ২০০ জন প্রার্থীকে সাময়িকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ থেকে সুপারিশপ্রাপ্তরা হলেন— আইন বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের আরিফুল ইসলাম; ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের আসিফ হোসেন ও শফিক শোভন; ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাদিয়া আফরিন খান; ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ও অ্যাডভোকেট সালমা খাতুন; ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের মেহবুবা মোহিনী, শাকির আলম, রফিকুজ্জামান, আনোয়ার হোসেন, শারমিন খাতুন ও ইয়াসমীন খাতুন; ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের খালিদ লিখন এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের আমজাদ হোসেন। আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের তৌহিদুল ইসলাম ও এ. এইচ. হাবিব; ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের নুসরাত জাহান তানি এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রোকনুজ্জামান রায়হান। আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রাজু আহমেদ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুডিশিয়াল সার্ভিসের প্রবেশ পদ (সিভিল জজ) নিয়োগের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত অষ্টাদশ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা, ২০২৫-এ সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ ও মনোনীত ২০০ জন প্রার্থীর রোল নম্বর বিধি অনুযায়ী কোটা সংরক্ষণপূর্বক মেধাক্রম থেকে ক্রমানুসারে প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোনো প্রার্থী অসত্য তথ্য প্রদান, তথ্য গোপন, যোগ্যতার কোনো ঘাটতি বা আবেদনপত্রে অসঙ্গতির তথ্য পাওয়া গেলে তার মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য হবে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য প্রার্থীদের উপস্থিতির স্থান, তারিখ ও সময় যথাসময়ে দৈনিক পত্রিকা, কমিশনের নোটিশ বোর্ড ও ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে। কোনো প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করা হলে অথবা প্রাক-পরিচয় যাচাই (পুলিশ ভেরিফিকেশন) প্রতিবেদনে কোনো বিরূপ তথ্য পাওয়া গেলে তার মনোনয়নও বাতিল বলে গণ্য হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। আরটিভি/এসআর
ইবির আইন অনুষদের বাজিমাত, সিভিল জজ হলেন ১৯ জন
১৮তম জজ নিয়োগ পরীক্ষায় দেশসেরা রাবি শিক্ষার্থী সিয়াম 
১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) সহকারী জজ পরীক্ষার মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মেধাতালিকায় প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আরিফুল করিম সিয়াম।  বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়ের ওয়েবসাইটে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। জানতে চাইলে আরিফুল করিম সিয়াম বলেন, আমার যতটুকু সামর্থ্য ছিল, তা দিয়ে ভালো করার চেষ্টা করেছি। বাকিটা মহান আল্লাহর দান। অনেকেই হয়তো আমার চেয়েও বেশি যোগ্য ছিলেন, কিন্তু দিনশেষে সৃষ্টিকর্তা যাকে ইচ্ছা কবুল করেন। তিনি বলেন, এই দীর্ঘ যাত্রায় যেন কেউ ধৈর্য না হারায়। প্রস্তুতি নিতে গিয়ে প্রতিদিন সমান সাফল্য আসবে না, কখনো ঘাটতি থাকবে, কখনো ভালো হবে। কিন্তু পড়াশোনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং রেগুলার পরীক্ষার মাধ্যমে নিজেকে একটু একটু করে ঝালিয়ে নেওয়া খুবই জরুরি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অনুভূতি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সভাপতি সাঈদা আনজু বলেন, খুবই ভালো লাগছে শুনে। রাবির আইন বিভাগ থেকে আবারও দেশসেরা হয়েছে এটা অবশ্যই আমার জন্য, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গর্বের৷ সিয়ামসহ ১৮তম বিজিএসে যে ২০০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে তাদের সবাইকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানাচ্ছি। উল্লেখ্য, এর আগে ১৩তম থেকে ১৬তম বিজেএস পরীক্ষায় টানা চারবার প্রথম হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ১৭তম পরীক্ষায় বিরতির পর ১৮তম বিজেএসেও শীর্ষস্থান অর্জন করলেন রাবির শিক্ষার্থী আরিফ উল করিম সিয়াম। আরটিভি/এসএস
১৮তম জজ নিয়োগ পরীক্ষায় দেশসেরা রাবি শিক্ষার্থী সিয়াম 
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েই ‘কাছে আসা’, ৫ বছর পর ‘ভয়ংকর অভিজ্ঞতা’
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে চবির ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মো. ইকরাম ওয়াহিদ তোহা (২৫) নামের এক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েই ‘কাছে আসা’, ৫ বছর পর ‘ভয়ংকর অভিজ্ঞতা’
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংয়ের দায়ে ৯৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) র‍্যাগিং, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, শারীরিক হামলা এবং সিল জালিয়াতির ঘটনায় ৯৯ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংয়ের দায়ে ৯৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার