ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

একাদশ শ্রেণিতে দুই লাখ শিক্ষার্থী আবেদনই করেনি

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২৫ মে ২০১৮, ১০:৪৬ এএম

চলতি শিক্ষাবর্ষে (২০১৮-১৯) একাদশ শ্রেণির ভর্তিতে প্রথম ধাপে ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৭৫ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। ২ লাখ ৬ হাজার ৬২৯ জন শিক্ষার্থী এখনো আবেদন করেননি। নীতিমালা অনুযায়ী প্রথম ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি তালিকা আগামী ১০ জুন প্রকাশ করা হবে।

সূত্রে জানা গেছে, দেশের আটটি সাধারণ বোর্ড ও মাদরাসা বোর্ডের বিভিন্ন কলেজে বৃহস্পতিবার (২৪ মে) দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৭৫ জন আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে অনলাইনে ৯ লাখ ৬৫ হাজার ৫৫১ এবং বাকি ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৯৮১টি আবেদন এসএমএসের মাধ্যমে জমা পড়েছে।

সারাদেশে এবার ২০ লাখ ৩১ হাজার ৮৮৯ পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ১৫ লাখ ৭৬ হাজার ১০৪ শিক্ষার্থী পাস করেছে। ওই হিসেবে ২ লাখ ৬ হাজার ৬২৯ জন শিক্ষার্থী এখনো কলেজে ভর্তি আবেদন থেকে বিরত রয়েছেন।

ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরির্দশক অধ্যাপক হারুন অর রশিদ আরটিভি অনলাইনকে বলেন, আটটি সাধারণ ও মাদরাসা বোর্ডে ৭ হাজার ৩১৯টি কলেজে ২৮ লাখ ৭৬ হাজার ২৯৯টি আসন রয়েছে। তার মধ্যে ঢাকা বোর্ডের অধিনে ৯৮৭টি কলেজ রয়েছে। সেখানে ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৮৮৭টি আসন রয়েছে। মাদরাসা বোর্ডের অধীনে ৩২ হাজার ৩৬৪টি কলেজে ৪২ হাজার ৭৪৪টি আসন রয়েছে। তাই ভর্তি আসন সঙ্কট হবে না।

বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে একদশ শ্রেণিতে অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে আবেদনকারীদের ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ১০ জুন। এছাড়া ফল পুনর্নিরীক্ষণে যাদের ফল পরিবর্তন হবে, তাদের আবেদন আগামী ৫ ও ৬ জুন পর্যন্ত গ্রহণ করা হবে। এবার শিক্ষার্থী ভর্তির নিশ্চায়ন না করলে নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হবে।

কলেজে ভর্তির জন্য দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী ১৯ ও ২০ জুন। দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদনের তালিকা প্রকাশ করা হবে ২১ জুন। এছাড়া তৃতীয় পর্যায়ে আবদেন গ্রহণ করা হবে ২৪ জুন এবং তালিকা প্রকাশ হবে ২৫ জুন। আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করে ২৭ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ভর্তি চলবে এবং ১ জুলাই থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।

এসজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কাল নতুন বই পাবে সোয়া ৪ কোটি শিক্ষার্থী
আগামীকাল মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে নতুন বছর, নতুন শিক্ষাবর্ষ। প্রতিবারের মতো এবারও বছরের শুরুর দিনেই সারা দেশে উৎসব করে প্রাথমিক থেকে শুরু করে মাধ্যমিক স্তর বই দেয়া হবে। এবার প্রায় সোয়া ৪ কোটি শিক্ষার্থীর হাতে বিনা মূল্যের নতুন বই তুলে দেয়া হবে।  জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে জানা গেছে, এরইমধ্যে প্রায় সব বই ছাপার কাজ শেষ করে মাঠ পর্যায়ে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।  ২০১৯ সালের জন্য প্রাক-প্রাথমিক থেকে শুরু করে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ৪ কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার ৮৬৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য মোট ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮২টি বই দেয়া হচ্ছে।  এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) রতন সিদ্দিকী জানিয়েছেন, বই উৎসবের যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে। বছরের শুরুর দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে বিনা মূল্যের বই তুলে দেয়া হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, মাধ্যমিক স্তরের কেন্দ্রীয় বই বিতরণ উৎসব অনুষ্ঠান হবে রাজধানীর আজিমপুর সরকারি বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে। আগামীকাল সকাল সাড়ে ৯টায় এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।  প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রাথমিক স্তরের বই উৎসবের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে। কাল সকাল ১০টায় এই উৎসবের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের। এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর কয়েকজন শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দিয়ে বিনা মূল্যের বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসআর
কাল নতুন বই পাবে সোয়া ৪ কোটি শিক্ষার্থী
রাবি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নুর, সম্পাদক ফরিদ
দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মর্তুজা নুরকে সভাপতি ও আরটিভি অনলাইনের আহমেদ ফরিদকে সাধারণ সম্পাদক করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গেল শনিবার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসু ভবনে রিপোর্টার্স ইউনিটির নিজস্ব কার্যালয়ে বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে ২০১৯-২০ মেয়াদে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়। এছাড়া সদ্য বিদায়ী কমিটির সভাপতি শিহাবুল ইসলাম (দৈনিক করতোয়া) ও সাধারণ সম্পাদক আলী ইউনুস হৃদয় (দৈনিক খোলা কাগজ) নতুন কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন। ১৭ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন-সহসভাপতি ইয়াজিম পলাশ (এডুকেশন২৪ ডটনেট), হাসান মাহমুদ (দৈনিক উপাচার), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল হোসেন (ডেইলি বাংলাদেশ), মমিনুর মমিন (রেডিও পদ্মা), সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম (বিডিনিউজ২৪ ডটকম), কোষাধ্যক্ষ আরাফাত রাহমান (ডেইলি স্টার), দপ্তর সম্পাদক রিজভী আহমেদ (দৈনিক আজকালের খবর), পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বিষয়ক সম্পাদক খুর্শিদ রাজীব (দৈনিক জনকণ্ঠ), ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ (বাংলা ডট রিপোর্ট), প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল মুমু (সোনালী নিউজ), তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক অন্তর রায় প্রণব (ফটো সাংবাদিক), প্রচার সম্পাদক ওয়াসিফ রিয়াদ (উত্তরা প্রতিদিন) এবং কার্যনির্বাহী সদস্য রাশেদুল ইসলাম, শাহিনুর ইসলাম, রায়া রামিসা রীতি। এদিকে নতুন কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন-বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক, প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা, রাজশাহী সংবাদিক ইউনিয়ন, রাজশাহী ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, রাবি শিক্ষক সমিতি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ, রাবি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম, রাবি জাতীয়তাবাদ ও ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষক গ্রুপ, রাবি শাখা ছাত্রলীগ, রাবি বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ, রাবি শাখা ছাত্রদল, রাবি সংসদ ছাত্র ইউনিয়ন, রাবি শাখা ছাত্র ফেডারেশন, রাবি শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, রাবি কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক জোট, গ্রুপ অব লিবারেল ডিবেটারস (গোল্ড) গোল্ড বাংলাদেশ, রাবি সাংবাদিক সমিতি, প্রেসক্লাব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব, জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতিসহ বিভিন্ন সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন। জেবি
রাবি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নুর, সম্পাদক ফরিদ
পিইসি ও জেএসসিতে নির্ঝর ক্যান্টনমেন্ট স্কুলের সাফল্য
পিইসি (প্রাইমারি স্কুল সার্টিফিকেট) ও জেএসসি (জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট) পরীক্ষায় ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার ‘নির্ঝর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ’ শতভাগ সাফল্য পেয়েছে। ২০১৬ সালের চালুর পরে দ্বিতীয়বারের মতো পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলো স্কুলটির শিক্ষার্থীরা। পিইসি পরীক্ষায় এই স্কুল থেকে অংশ নেয় ১০৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে এ প্লাস পেয়েছে ১০৩ জন এবং এ পেয়েছে ২ জন। জেএসসি পরীক্ষায় ৭৩ জন অংশ নিয়ে এ প্লাস পেয়েছে ২৫ জন। এছাড়া ৪৭ জন শিক্ষার্থী এ পেয়েছে। আর বি পেয়েছে ১ জন। ফলাফল সম্পর্কে স্কুলের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল মোহাম্মদ জাবের হোসেন বলেন, এবারও নির্ঝর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। আমার শিক্ষকদের প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা আর শিক্ষার্থীদের লেগে থাকার অদম্য স্পৃহাই এ সাফল্যের মূলমন্ত্র। আমরা সবসময় শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়েছি। অভিভাবকদের একসঙ্গে নিয়ে কাজ করেছি। এই অভাবনীয় সাফল্যের জন্য আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ। ডি/পি
পিইসি ও জেএসসিতে নির্ঝর ক্যান্টনমেন্ট স্কুলের সাফল্য
পাসে এগিয়ে মেয়েরা
নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জেএসসি ও জেডিসির পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বেশি পাস করেছে ছাত্রীরা। ছাত্রদের তুলনায় জিপিএ-৫ পেয়েও এগিয়ে আছে তারা। আজ সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ২০১৮ সালের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) এবং প্রাথমিক শিক্ষা ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফলে এ তথ্য উঠে আসে।   এবার জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় মোট ছাত্রের সংখ্যা ছিল ১১ লাখ ৯২ হাজার ৮৫২ জন। ছাত্রীর সংখ্যা ছিল ১৪ লাখ ৬ হাজার ৩১৭ জন। ছাত্রের তুলনায় ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৬৫ জন ছাত্রী বেশি অংশ নেয়। অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২ লাখ ৫৫ হাজার ছাত্রী বেশি পাস করেছে। ছাত্রদের চেয়ে  ১১ হাজার ৭১৫ জন বেশি ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে। নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জেএসসি ও জেডিসির ২৫ লাখ ৯৯ হাজার ১৬৯ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। গত বছর যা ছিল ২৪ লাখ ৮২ হাজার ৩৪২ জন। সে হিসেবে এ বছর শিক্ষার্থী বেড়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৮২৭ জন। জেএসসি ও জেডিসির পরীক্ষায় পাস করেছে ২২ লাখ ৩০ হাজার  ৮২৯ জন। পাসের হার ৮৫ দশমিক ৮৩। শতভাগ পাসের প্রতিষ্ঠান ৪ হাজার ৭৬৯টি। এছাড়া মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৮৯.০৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৮ হাজার ৯৫ জন। শিক্ষা মন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, জেএসসি ও জেডিসিতে চতুর্থ বিষয়ের নাম্বার যুক্ত না করায় জিপিএ-৫ কমেছে। এবার জেএসসিতে ২২ লাখ ১৬ হাজার ৯৬১ জন অংশ নেয়। পাস করে ২১ লাখ ৩ হাজার ৭৬৩ জন। পাসের হার ৮৫ দশমিক ২৮ শতাংশ। জেডিসিতে অংশ নেয় ৩ লাখ ৮২ হাজার ২০৮ জন শিক্ষার্থী। পাস করেছে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৩১১ জন। পাসের হার  ৮৯ দশমিক ৪ শতাংশ। এছাড়া বিদেশের ৯টি প্রতিষ্ঠানে ৫৪১ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাস করেছে  ৫৩০ জন। পাসের হার ৯৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ। অন্যদিকে, প্রাথমিক শিক্ষা ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলও প্রকাশ করা হয়েছে।  সারাদেশে পিইসিতে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ, ইবতেদায়ীতে (ইইসি) ৯৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ। পিইসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৩ জন পরীক্ষার্থী এবং ইইসি জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ হাজার ২২৪ জন পরীক্ষার্থী। জিএ/এসআর
পাসে এগিয়ে মেয়েরা
পিইসিতে পাসের হার ৯৭.৫৯, ইবতেদায়ীতে ৯৭.৬৯
২০১৮ সালের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) এবং প্রাথমিক শিক্ষা ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে  হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যে সারাদেশে পিইসিতে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ, ইবতেদায়ীতে (ইইসি) ৯৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ। পিইসি ও ইইসি পরীক্ষা ১৮ নভেম্বর শুরু হয়, শেষ হয় ২৬ নভেম্বর। পিইসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৩ জন পরীক্ষার্থী এবং ইইসি জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ হাজার ২২৪ জন পরীক্ষার্থী। জিএ/এসএস
পিইসিতে পাসের হার ৯৭.৫৯, ইবতেদায়ীতে ৯৭.৬৯
আরও পড়ুন
নির্বাচনে ১২টি পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র
আ.লীগের প্রতিটি কর্মীর ঘরই আমার ঘর: তন্ময়
নুহাশ হুমায়ূনের ‘পিৎজা ভাই’
এসএসসি পরীক্ষা শুরু ২ ফেব্রুয়ারি