ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

ইউজিসির নিয়ম লঙ্ঘন করে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তাদের পদোন্নতি!

নিহার সরকার অংকুর, জাককানইবি সংবাদদাতা

প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১২:৪০ পিএম

ইউজিসির নিয়ম লঙ্ঘন করে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তাদের পদোন্নতি!

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করেই প্রশাসনের ৮ কর্মকর্তাকে হঠাৎ পদোন্নতি দেয়া হচ্ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। এ নিয়ে সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছে প্রশাসন। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬১তম সিণ্ডিকেট সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গেল ১৭ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬০তম সিন্ডিকেট সভায় এডিশনাল রেজিস্ট্রার বা সমমানের ৮টি পদ সৃষ্টি করা হয়। এসব পদে এখনও কেউ নিয়োগপ্রাপ্ত না হলেও শনিবার ৬১তম সিন্ডিকেট সভায় ৮ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেয়া হবে। তবে অভিযোগ উঠেছে, এই পদোন্নতি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নিয়মনীতির লঙ্ঘন।

জানা গেছে, ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) খন্দকার হামিদুর রহমান ও একই বিভাগের সহকারি পরিচালক হাছিনা পারভীন কর্তৃক স্বাক্ষরিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পদ ছাড়করণ প্রসঙ্গে প্রেরিত বিজ্ঞপ্তিতে (স্মারক নং: ইউজিসি/প্রশাঃ/পাবঃবিশ্বঃ/৩৫৯/২০১৫/৬২৬২) উল্লেখিত সাধারণ শর্তসমূহের মধ্যে ‘গ’-তে বলা হয়েছে, শিক্ষক কর্মকর্তার ক্ষেত্রে সকল শূন্য পদ উন্মুক্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

‘ঙ’ ধারায় উল্লেখ আছে যেকোনো শূন্য পদের বিপরীতে আপগ্রেডেশন দেয়া যাবে না। নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন সৃষ্ট এডিশনাল রেজিস্ট্রার/সমমানের পদে কেউ নিয়োগপ্রাপ্ত নেই তাই ইউজিসির শর্ত অনুযায়ী (ঙ নং শর্ত মতে) শূন্য পদে কর্মকর্তাদের আপগ্রেডেশন সম্ভব নয়।

অন্যদিকে, আপগ্রেডেশনের অন্য নিয়ম অনুযায়ী ডেপুটি রেজিস্ট্রার-এ উন্নীত হতে হলে ১০ বছর ও সেখান থেকে এডিশনাল রেজিস্ট্রার বা সমমান পদে দায়িত্ব প্রাপ্ত হতে হলে কমপক্ষে ৬ বছর কর্মরত থাকার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সেই সঙ্গে শূন্য পদে নিয়োগ ব্যতীত আমাদের এখানে আপগ্রেডেশন হয়নি। আর সেটা হলে ইউজিসি’র নিয়ম বহির্ভূত হবে। ইউজিসি থেকে ছাড়পত্র এনে পরবর্তীতে নিয়োগ করা যায় এমনটা জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান।
-------------------------------------------------------
আরও পড়ুন :ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কোন আপরাধে কী শাস্তি?
-------------------------------------------------------

আপগ্রেডেশনের বিষয়টি স্বীকার করে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. হুমায়ুন কবীর আরটিভি অনলাইনকে বলেন, অন্যান্য পদের আপগ্রেডেশনের মতোই এটা। শূন্য পদের বিপরীতে এই আপগ্রেডেশন নয়। ওই পদ শূন্যই থাকবে। আপগ্রেডেশনের মধ্য দিয়ে স্বাভাবিকভাবেই এডিশনাল রেজিস্ট্রার বা সমমানের পদে উন্নীত হওয়া যায়। শূন্যপদ এখানে সমস্যা নয়। আর এডিশনাল রেজিস্ট্রার/সমমানের পদে দায়িত্ব প্রাপ্ত হতে হলে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে বলেও জানান তিনি।

নতুন সৃষ্ট এই পদ ইউজিসির নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে কিনা, এমন প্রশ্নে কর্তৃক ছাড়কৃত কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন- ইউজিসি অনুমোদিত বলেই এমনটা হচ্ছে। তবে রেজিস্ট্রার দপ্তরের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, এই আপগ্রেডেশন নিয়ে কোনও ছাড়পত্র বা অনুমোদন এখনও আসেনি।

অন্যদিকে, গেলো ৬ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত একটি চিঠি প্রেরণ করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং নীতিমালা প্রণয়ন কমিটির সভাপতি বরাবর। যেখানে তারা দাবি করে এই পদে আপগ্রেডেশন করার কোনও সুযোগ নেই ইউজিসির নিয়ম অনুযায়ী। আর যে প্রক্রিয়ায় আপগ্রেডেশন করা হচ্ছে তা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক ছাড়কৃত নয়। এমনকি কোনও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পর্যন্ত করা হয়নি। তাই এই আপগ্রেডেশন প্রক্রিয়া সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন তারা।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি তপন কুমার সরকার আরটিভি অনলাইনকে বলেন, এই প্রক্রিয়াটি বিতর্কের সৃষ্টি করেছে যার কোন দায় আমাদের ওপর পড়ে না। কেননা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও নিয়ম সংশোধন বা পর্যালোচনা করা হলে সেখানে শিক্ষক প্রতিনিধি থাকে। কিন্তু এই আপগ্রেডেশনের নিয়ম নিয়ে সভায় আমাদের কোনও প্রতিনিধি রাখা হয়নি। তারা নিজেরাই এমনটা করেছে। আর তাই তাদের মধ্যেই নিয়মতান্ত্রিক জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলামও বললেন একইসুরে। তিনি বলেন, যে প্রক্রিয়ায় আপগ্রেডেশন হচ্ছে তা একটি বিতর্কিত ভাবনা। একেবারেই নিয়ম বহির্ভূত। ইউজিসির নিয়মনীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এই প্রক্রিয়া অবলম্বন করে আপগ্রেডেশন হতে পারে না।

আরও পড়ুন :

এসজে/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কাল নতুন বই পাবে সোয়া ৪ কোটি শিক্ষার্থী
আগামীকাল মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে নতুন বছর, নতুন শিক্ষাবর্ষ। প্রতিবারের মতো এবারও বছরের শুরুর দিনেই সারা দেশে উৎসব করে প্রাথমিক থেকে শুরু করে মাধ্যমিক স্তর বই দেয়া হবে। এবার প্রায় সোয়া ৪ কোটি শিক্ষার্থীর হাতে বিনা মূল্যের নতুন বই তুলে দেয়া হবে।  জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে জানা গেছে, এরইমধ্যে প্রায় সব বই ছাপার কাজ শেষ করে মাঠ পর্যায়ে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।  ২০১৯ সালের জন্য প্রাক-প্রাথমিক থেকে শুরু করে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ৪ কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার ৮৬৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য মোট ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮২টি বই দেয়া হচ্ছে।  এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) রতন সিদ্দিকী জানিয়েছেন, বই উৎসবের যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে। বছরের শুরুর দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে বিনা মূল্যের বই তুলে দেয়া হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, মাধ্যমিক স্তরের কেন্দ্রীয় বই বিতরণ উৎসব অনুষ্ঠান হবে রাজধানীর আজিমপুর সরকারি বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে। আগামীকাল সকাল সাড়ে ৯টায় এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।  প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রাথমিক স্তরের বই উৎসবের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে। কাল সকাল ১০টায় এই উৎসবের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের। এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর কয়েকজন শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দিয়ে বিনা মূল্যের বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসআর
কাল নতুন বই পাবে সোয়া ৪ কোটি শিক্ষার্থী
রাবি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নুর, সম্পাদক ফরিদ
দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মর্তুজা নুরকে সভাপতি ও আরটিভি অনলাইনের আহমেদ ফরিদকে সাধারণ সম্পাদক করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গেল শনিবার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসু ভবনে রিপোর্টার্স ইউনিটির নিজস্ব কার্যালয়ে বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে ২০১৯-২০ মেয়াদে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়। এছাড়া সদ্য বিদায়ী কমিটির সভাপতি শিহাবুল ইসলাম (দৈনিক করতোয়া) ও সাধারণ সম্পাদক আলী ইউনুস হৃদয় (দৈনিক খোলা কাগজ) নতুন কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন। ১৭ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন-সহসভাপতি ইয়াজিম পলাশ (এডুকেশন২৪ ডটনেট), হাসান মাহমুদ (দৈনিক উপাচার), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল হোসেন (ডেইলি বাংলাদেশ), মমিনুর মমিন (রেডিও পদ্মা), সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম (বিডিনিউজ২৪ ডটকম), কোষাধ্যক্ষ আরাফাত রাহমান (ডেইলি স্টার), দপ্তর সম্পাদক রিজভী আহমেদ (দৈনিক আজকালের খবর), পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বিষয়ক সম্পাদক খুর্শিদ রাজীব (দৈনিক জনকণ্ঠ), ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ (বাংলা ডট রিপোর্ট), প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল মুমু (সোনালী নিউজ), তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক অন্তর রায় প্রণব (ফটো সাংবাদিক), প্রচার সম্পাদক ওয়াসিফ রিয়াদ (উত্তরা প্রতিদিন) এবং কার্যনির্বাহী সদস্য রাশেদুল ইসলাম, শাহিনুর ইসলাম, রায়া রামিসা রীতি। এদিকে নতুন কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন-বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক, প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা, রাজশাহী সংবাদিক ইউনিয়ন, রাজশাহী ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, রাবি শিক্ষক সমিতি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ, রাবি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম, রাবি জাতীয়তাবাদ ও ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষক গ্রুপ, রাবি শাখা ছাত্রলীগ, রাবি বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ, রাবি শাখা ছাত্রদল, রাবি সংসদ ছাত্র ইউনিয়ন, রাবি শাখা ছাত্র ফেডারেশন, রাবি শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, রাবি কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক জোট, গ্রুপ অব লিবারেল ডিবেটারস (গোল্ড) গোল্ড বাংলাদেশ, রাবি সাংবাদিক সমিতি, প্রেসক্লাব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব, জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতিসহ বিভিন্ন সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন। জেবি
রাবি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নুর, সম্পাদক ফরিদ
পিইসি ও জেএসসিতে নির্ঝর ক্যান্টনমেন্ট স্কুলের সাফল্য
পিইসি (প্রাইমারি স্কুল সার্টিফিকেট) ও জেএসসি (জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট) পরীক্ষায় ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার ‘নির্ঝর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ’ শতভাগ সাফল্য পেয়েছে। ২০১৬ সালের চালুর পরে দ্বিতীয়বারের মতো পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলো স্কুলটির শিক্ষার্থীরা। পিইসি পরীক্ষায় এই স্কুল থেকে অংশ নেয় ১০৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে এ প্লাস পেয়েছে ১০৩ জন এবং এ পেয়েছে ২ জন। জেএসসি পরীক্ষায় ৭৩ জন অংশ নিয়ে এ প্লাস পেয়েছে ২৫ জন। এছাড়া ৪৭ জন শিক্ষার্থী এ পেয়েছে। আর বি পেয়েছে ১ জন। ফলাফল সম্পর্কে স্কুলের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল মোহাম্মদ জাবের হোসেন বলেন, এবারও নির্ঝর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। আমার শিক্ষকদের প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা আর শিক্ষার্থীদের লেগে থাকার অদম্য স্পৃহাই এ সাফল্যের মূলমন্ত্র। আমরা সবসময় শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়েছি। অভিভাবকদের একসঙ্গে নিয়ে কাজ করেছি। এই অভাবনীয় সাফল্যের জন্য আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ। ডি/পি
পিইসি ও জেএসসিতে নির্ঝর ক্যান্টনমেন্ট স্কুলের সাফল্য
পাসে এগিয়ে মেয়েরা
নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জেএসসি ও জেডিসির পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বেশি পাস করেছে ছাত্রীরা। ছাত্রদের তুলনায় জিপিএ-৫ পেয়েও এগিয়ে আছে তারা। আজ সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ২০১৮ সালের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) এবং প্রাথমিক শিক্ষা ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফলে এ তথ্য উঠে আসে।   এবার জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় মোট ছাত্রের সংখ্যা ছিল ১১ লাখ ৯২ হাজার ৮৫২ জন। ছাত্রীর সংখ্যা ছিল ১৪ লাখ ৬ হাজার ৩১৭ জন। ছাত্রের তুলনায় ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৬৫ জন ছাত্রী বেশি অংশ নেয়। অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২ লাখ ৫৫ হাজার ছাত্রী বেশি পাস করেছে। ছাত্রদের চেয়ে  ১১ হাজার ৭১৫ জন বেশি ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে। নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জেএসসি ও জেডিসির ২৫ লাখ ৯৯ হাজার ১৬৯ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। গত বছর যা ছিল ২৪ লাখ ৮২ হাজার ৩৪২ জন। সে হিসেবে এ বছর শিক্ষার্থী বেড়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৮২৭ জন। জেএসসি ও জেডিসির পরীক্ষায় পাস করেছে ২২ লাখ ৩০ হাজার  ৮২৯ জন। পাসের হার ৮৫ দশমিক ৮৩। শতভাগ পাসের প্রতিষ্ঠান ৪ হাজার ৭৬৯টি। এছাড়া মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৮৯.০৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৮ হাজার ৯৫ জন। শিক্ষা মন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, জেএসসি ও জেডিসিতে চতুর্থ বিষয়ের নাম্বার যুক্ত না করায় জিপিএ-৫ কমেছে। এবার জেএসসিতে ২২ লাখ ১৬ হাজার ৯৬১ জন অংশ নেয়। পাস করে ২১ লাখ ৩ হাজার ৭৬৩ জন। পাসের হার ৮৫ দশমিক ২৮ শতাংশ। জেডিসিতে অংশ নেয় ৩ লাখ ৮২ হাজার ২০৮ জন শিক্ষার্থী। পাস করেছে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৩১১ জন। পাসের হার  ৮৯ দশমিক ৪ শতাংশ। এছাড়া বিদেশের ৯টি প্রতিষ্ঠানে ৫৪১ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাস করেছে  ৫৩০ জন। পাসের হার ৯৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ। অন্যদিকে, প্রাথমিক শিক্ষা ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলও প্রকাশ করা হয়েছে।  সারাদেশে পিইসিতে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ, ইবতেদায়ীতে (ইইসি) ৯৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ। পিইসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৩ জন পরীক্ষার্থী এবং ইইসি জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ হাজার ২২৪ জন পরীক্ষার্থী। জিএ/এসআর
পাসে এগিয়ে মেয়েরা
পিইসিতে পাসের হার ৯৭.৫৯, ইবতেদায়ীতে ৯৭.৬৯
২০১৮ সালের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) এবং প্রাথমিক শিক্ষা ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে  হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যে সারাদেশে পিইসিতে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ, ইবতেদায়ীতে (ইইসি) ৯৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ। পিইসি ও ইইসি পরীক্ষা ১৮ নভেম্বর শুরু হয়, শেষ হয় ২৬ নভেম্বর। পিইসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৩ জন পরীক্ষার্থী এবং ইইসি জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ হাজার ২২৪ জন পরীক্ষার্থী। জিএ/এসএস
পিইসিতে পাসের হার ৯৭.৫৯, ইবতেদায়ীতে ৯৭.৬৯
আরও পড়ুন
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে তাণ্ডব, সাংবাদিক সমিতির নির্বাচন পণ্ড
যৌন নিপীড়ক সেই শিক্ষকের বহিষ্কার দাবিতে বিক্ষোভ (ভিডিও)
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে ২১ পদে চাকরির সুযোগ
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২২ ফ্যান চুরি