ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ছাত্র বাড়লেও, বাড়ছে না হল

নোবিপ্রবি সংবাদদাতা, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল ২০১৯, ০১:১৮ পিএম
ছবি-সংগৃহীত

বছর বছর ছাত্র সংখ্যা বাড়লেও ছেলেদের আবাসন ব্যবস্থা বাড়েনি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(নোবিপ্রবি)। নতুন করে দুটি হলের কাজ অনেকদিন ধরে চললেও হল নির্মাণে জড়িত প্রতিষ্ঠানের অবহেলার কারণে চার বছরের অধিক সময়েও তা শেষ হয়নি।

বর্তমানে ছেলেদের জন্য একমাত্র আবাসিক হল ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম হল। হলটি ২০১১ সালে নির্মাণ করা হয়। দুই ব্লকের চার তলা বিশিষ্ট হলটিতে মোট কক্ষ রয়েছে ৯০টি। যাতে ছাত্রদের জন্য বরাদ্দকৃত কক্ষের সংখ্যা ৮৭। বাকি দুইটি কক্ষের একটি প্রাধ্যক্ষ অফিস, একটি কর্মকর্তাদের অফিস আরেকটি অতিথি কক্ষ। যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল।

ছাত্রদের জন্য ৮৭টি কক্ষে ৪ জন করে মোট আসন সংখ্যা ৩৪৮ টির বিপরীতে শিক্ষার্থী থাকছে প্রায় ৮ শতাধিক। প্রতি কক্ষে ৪ জন করে আবাসনের ব্যবস্থা থাকলেও বর্তমানে কক্ষ-ভেদে থাকছেন ৬ থেকে ৮ জন করে।

এদিকে হল অফিসের তথ্য মতে, ৩৪৮টি আসনের বিপরীতে মাত্র ৩৫ জন নিবন্ধিত শিক্ষার্থী রয়েছে। অ-নিবন্ধিত শিক্ষার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় অনিয়ন্ত্রিত বহিরাগত প্রবেশের কারণে অধিকাংশ সময় হলের শিক্ষার্থীদের মোবাইল, ল্যাপটপ, মানিব্যাগ, এমনকি রুমের ফ্যান পর্যন্ত চুরি হয়। এছাড়া বহিরাগতের মাদকসহ প্রবেশ ও গ্রহণের অভিযোগ তো আছেই।

আসন সঙ্কট, ডাইনিংয়ে অনিয়ম, রিডিংরুম সংকট, খেলাধুলার সরঞ্জামের অভাব, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, টয়লেট-বাথরুমের জঘন্য অবস্থা, হলের আশপাশে ময়লার স্তূপ ইত্যাদি মিলিয়ে অব্যবস্থাপনার চরম আখড়ায় পরিণত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেদের একমাত্র আবাসিক হল ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম হল।
বিভিন্ন বিষয়ে হল প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও সমাধান না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন একাধিক শিক্ষার্থী। এছাড়াও হলের সমস্যা সমাধানে শিক্ষার্থীরা একাধিকবার আন্দোলন করলেও কোনও সমস্যার সমাধান হয়নি।

মুক্তিযুদ্ধ স্টাডিজ বিভাগের আবাসিক শিক্ষার্থী আক্তারুজ্জামান জিসান বলেন, হলে সমস্যার শেষ নেই, অনেক ধরনের সমস্যা আছে। এসব বিষয় বারবার অভিযোগ করেও যখন কোনও কিছুই হয় না তখন আর অভিযোগ করতে ইচ্ছে করে না। আমাদের হল একটি। এই হলটির দিকে যখন প্রশাসন নজর দেয় না তখন নিজেদের ভাগ্যকে দোষারোপ করা ছাড়া আমাদের কিছু করার নেই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন সঙ্কটকে কপালের লিখন বলে মেনে নিলেও পড়াশুনা করার জন্য রিডিং রুমের স্থান সঙ্কটকে কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না শিক্ষার্থীরা। বিশাল এই হলের রিডিংরুম রয়েছে মাত্র একটি। রিডিংরুমে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে নেই পড়াশোনার জন্য পর্যাপ্ত টেবিল। এছাড়াও রিডিংরুমে নেই পর্যাপ্ত লাইট ও ফ্যান। যা আছে সেগুলোও বিকল হয়ে পড়ে আছে দীর্ঘদিন ধরে৷

বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য ড এম অহিদুজ্জামান যোগদানের পর রিডিং ও ডাইনিং রুমের প্রতিটি ফ্যান ও লাইটের নতুন করে লাগিয়ে দেন। নতুন টেবিল চেয়ারের ব্যবস্থা করলেও অব্যবস্থাপনার কারণে অধিকাংশ লাইট-ফ্যানই গায়েব অথবা নষ্ট হয়ে গেছে।

এদিকে হলের প্রতি ব্লকের জন্য আলাদা পানির ট্যাংক এর ব্যবস্থা থাকলেও তা নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না এবং ট্যাংকের উপরের ঢাকনা না থাকার কারণে দিনের পর দিন এই অপরিষ্কার-অস্বাস্থ্যকর পানিই শিক্ষার্থীরা ব্যবহার করেছে। এছাড়া হলের টয়লেট গুলোর অবস্থা সবচেয় বেশি খারাপ। রাস্তার পাশের পাবলিক টয়লেটের চেয়েও বেহাল দশা এখানে।

সার্বিক বিষয়ে হলের প্রাধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) সোহেল রানা আরটিভি অনলাইনকে বলেন, পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ে ছেলেদের জন্য যেহেতু হল একটা তাই এই হলের উপর চাপ বেশি। হলের সার্বিক বিষয় আমরা কর্তৃপক্ষ অনেকবার বসেছি এবং অনেকগুলো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে আমরা সকল বিষয়গুলো সমাধান করার চেষ্টা করছি। সবগুলো সমস্যা পর্যায়ক্রমে সমাধান করা হবে। তবে এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের আরও বেশি সচেতন হতে হবে।

পরিচ্ছন্নতা কর্মী সঙ্কটের বিষয়ে তিনি বলেন, শিগগির আর দুইজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ দেয়া হবে। আশা করি সমস্যাগুলো খুব দ্রুতই সমাধান হয়ে যাবে।

আরসি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
বরিশাল নগরীতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ-৫ না পাওয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সারিয়া আক্তার (১৪) নামের এক পরীক্ষার্থী। আজ মঙ্গলবার পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পরে দুপুরে নিজ বাড়িতে সে  আত্মহত্যা করে। আত্মহননকারী সারিয়া আক্তার নগরীর কাউনিয়া এলাকার বাসিন্দা বরিশাল কলেজের সাবেক ভিপি শাহীন হাওলাদারের মেয়ে। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল ইসলাম আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জিপিএ-৫ না পেয়ে নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিহত স্কুল ছাত্রীর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের লাশ সংরক্ষণ কক্ষে রাখা হয়েছে। এজে
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
জেএসসিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৮০ শতাংশ
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের জেএসসি পরীক্ষায় এবার পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বছর ২ লাখ ৭০ হাজার ৯৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ১৩১ জন। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, এ বছর বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বোর্ডে এবার ফলাফলে ছেলেরা এগিয়ে রয়েছে। ছেলেদের পাসের হার ৮৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং মেয়েদের পাসের হার ৮৮ দশমিক ৪১ শতাংশ। এ বছর এক হাজার ৯২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৩৯টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জন করেছে। তিনি আরও জানান, কুমিল্লা বোর্ডের ৬টি জেলার মধ্যে কুমিল্লা জেলার ৯০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাশ করেছে যা বোর্ডের মধ্যে সেরা। এজে
জেএসসিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৮০ শতাংশ
এই প্রথম ফল প্রকাশ করলো ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
নবগঠিত ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত জেএসসি পরীক্ষার প্রথম ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে পাশের হার ৮৭ দশমিক ২১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন হাজার ৯০৩ জন শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের হাতে ফলাফল তুলে দেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শামসুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের সচিব প্রফেসর কিরীট কুমার দত্ত, কলেজ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান, উপ-সচিব মশিউল আলম, মনিরুজ্জামান ও সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহসিনা বেগম। ময়মনসিংহ বোর্ডে ২০১৯ সালে জেএসসি পরীক্ষায় এক হাজার ৪৮৪ টি স্কুলের এক লাখ ৬১ হাজার ৩৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে এক লাখ ৪০ হাজার ৭১৭ জন পাস করেছে।  বিভাগের মধ্যে পাসের হার শেরপুর জেলায় ৯০ দশমিক ০৫ শতাংশ, জামালপুরে ৮৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৮৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ ও নেত্রকোনায় ৮৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। পরীক্ষার ফলাফলে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। একটি স্কুল থেকে তিনজন পরীক্ষার্থী ছিল তাদের কেউ পাশ করেনি।  জেবি
এই প্রথম ফল প্রকাশ করলো ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
জেএস‌সি‌তে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৪.১০ শতাংশ
রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে এবছর জেএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ৯৪.১০ শতাংশ। এর মধ্যে মেয়েদের পাশের হার ৯৪.৮৭ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৩.৩০ শতাংশ। আজ মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টায় রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। গত বছর জেএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ছিল ৯৪.৫৭ শতাংশ। ২০১৭ সালে ছিল ৯৫.৫৪ শতাংশ। এবারে পাশের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৯৪.১০ শতাংশ। এবছর মোট জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৪৭৮ জন। এর মধ্যে ৭ হাজার ২৭৮ জন ছেলে এবং ৯ হাজার ২০০ জন মেয়ে শিক্ষার্থী। শুধুমাত্র রাজশাহী জেলায় মোট ২ হাজার ৬৪৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এবারের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ২ লাখ ৬৩ হাজার ৬৮৩ জন। এদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ২ লাখ ৫৮ হাজার ১৮৬ জন। এজে
জেএস‌সি‌তে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৪.১০ শতাংশ
প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০ শতাংশ, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ (ভিডিও)
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি (পিইসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবার প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এসব তথ্য তুলে ধরে বলেন, প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন, ইবতেদায়িতে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। এবার সমাপনীতে মোট ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ১৫১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ২৩ লাখ ৪৩ হাজার ৭৪৩ জন পাস করেছে। উত্তীর্ণদের মধ্যে ১০ লাখ ৭২ হাজার ১৫৪ জন ছাত্র ও ১২ লাখ ৭১ ৫৮৯ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন। এদের মধ্যে ছাত্র এক লাখ ৪১ হাজার ৪৫১ ও ছাত্রী এক লাখ ৮৪ ৬৩৭ জন। অন্যদিকে ইবতেদায়িতে এবার তিন লাখ চার হাজার ১৭৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে পাস করেছে এক লাখ ৫৭ হাজার ৯৩৬ জন। এদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা এক লাখ ৫০ হাজার ৮৩৫ জন ও ছাত্রী এক লাখ ৪১ হাজার ৪০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৫৬৮৫ জন ও এক হাজার ১৯২ জন ছাত্রী। ফল বিশ্লেষণ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, এবার ইবতেদায়ি পরীক্ষায় ছাত্রদের সংখ্যা বেশি হলেও গড় পাসের দিক থেকে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। সর্বোচ্চ পাসের হার বিবেচনায় ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় দেশের আট বিভাগের মধ্যে রাজশাহী বিভাগ শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। এ বিভাগে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৮১ শতাংশ। নওগাঁ জেলায় পাসের হার শতভাগ। তিনি আরও বলেন, এবার সারাদেশে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ২৪০ জন এবং ডিআরভুক্ত হয়ে ২১৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তার মধ্যে ১৯৭ জন পাস করেছে। তার মধ্যে ছাত্র ১১৪ জন এবং ছাত্রী ৮৩ জন। এ স্তরে পাসের হার ৯২ দশমিক ০৬ শতাংশ। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এফ এম মনজুর কাদির, মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা। পি
প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০ শতাংশ, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ (ভিডিও)
আরও পড়ুন
ছোট এক জলাশয় ও অতিথি পাখির গল্প
২ মাস ধরে বন্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ছাত্র হলটি
হলে গাঁজা সেবনের সময় ৩ ছাত্রী আটক
নোবিপ্রবির হলে অভিযান, দেশীয় অস্ত্র, মদের বোতল ও গাঁজা উদ্ধার