ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

এক থাপ্পড়েই কানের পর্দা ফেটে অজ্ঞান শিক্ষার্থী

জাবি সংবাদদাতা

প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০১৯, ০৩:১১ পিএম
জাহাঙ্গীনরগর বিশ্ববিদ্যালয়

জাহাঙ্গীনরগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের গণরুমে মুরগী হতে অস্বীকৃতি জানায় প্রথম বর্ষের এক ছাত্রকে থাপ্পড় দিয়ে কানের পর্দা ফাটানোর অভিযোগ উঠেছে একই হলের দ্বিতীয় বর্ষের (৪৭ ব্যাচ) কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে।

গেল মঙ্গলবার মধ্যরাতে বঙ্গবন্ধু হলের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের থাকার নির্ধারিত জায়গা গণরুমে এই ঘটনা ঘটে।

মারধরের শিকার ফয়সাল আলম বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের প্রথম বর্ষের (৪৮ ব্যাচ) শিক্ষার্থী। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী হল প্রাধ্যক্ষ ও প্রক্টর বরাবর অভিযোগপত্র দায়ের করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে গণরুমে যায় ৪৭ ব্যাচের মিরাজ হাসান শিহাব, সারোয়ার শাকিল, মাহিন, বাদশা ও নীরবসহ প্রায় ৩০-৩৫ জন সিনিয়র শিক্ষার্থী। সেখানে গিয়ে সারোয়ার শাকিল (ইতিহাস বিভাগ) এই সাইটে ফয়সাল আলমকে ডেকে নেয়। পরে তাকে তার নাম পরিচয় দিতে বলে। ফয়সাল আলম শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় বিভাগের নামের সঠিক উচ্চারণ করতে দেরি হয়। এক পর্যায়ে তাকে আবার পরিচয় দিতে বলা হলে তিনি ভয় পেয়ে গুলিয়ে ফেললে শাকিল তাকে পিঠে মারে ও গ্রিলের রডে ঝুলিয়ে রাখে।

---------------------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ থাকছে না রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
---------------------------------------------------------------------

এসময় পাশে বসে থাকা মিরাজ হাসান শিহাব (মার্কেটিং বিভাগ, ৪৭ ব্যাচ) ফয়সালকে কাছে ডেকে নিয়ে মুরগী হতে বলে।
ফয়সাল অসুস্থর কথা বলে মুরগী হতে অস্বীকৃতি জানালে কানে থাপ্পড় দেন শিহাব। এতে অজ্ঞান হয়ে যায় ফয়সাল। পরে ঘটনা জানাজানি হলে তার (ফয়সাল) সহপাঠী ও অভিযুক্ত দুই-তিন জন শিক্ষার্থী তাকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। কিন্তু পরে কান দিয়ে রক্ত গড়িয়ে পড়লে তাকে সাভারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসকের ভাষ্যমতে, কানের পর্দা ফেটে রক্ত বের হয়েছে। সুস্থ হতে মাস খানেক সময় লাগবে।

অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা ফয়সাল সিঁড়ি থেকে পরে গিয়েছে বলে ডাক্তারকে চিকিৎসা করাতে বলে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ফয়সাল আলম বলেন, আমার ঠাণ্ডাজনিত অসুস্থতা ছিল। সিনিয়র ভাইয়েরা আমাকে পরিচয় দিতে বললে বিভাগের নামের উচ্চারণ ছোট করে করি। পরে তারা আমাকে গ্রিলের রডে ঝুলিয়ে রাখে। এরপর মুরগী হতে বলে। আমি মুরগী হতে অস্বীকৃতি জানালে কানে কষে থাপ্পড় মারে। পরে অজ্ঞান হয়ে যাই। আর কিছু বলতে পারি না।

অভিযুক্তরা ঘটনায় দায় স্বীকার করে বলেন, অনাকাঙ্খিতভাবে ঘটনাটি ঘটেছে। কথা না শোনায় তার (ফয়সাল) গায়ে হাত তুলেছি। তিনি অসুস্থ ছিল টের পাইনি। বিষয়টি এত মারাত্মক হবে তা আমরা বুঝতে পারিনি। এ ঘটনার জন্য আমরা দুঃখিত। ভবিষ্যতে আর এরকম হবে না।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ফরিদ আহমেদ জানান, বিষয়টি জেনেছি। এ ধরনের ঘটনা সত্যি মেনে নেয়ার মতো নয়। হলে জরুরি মিটিং ডাকা হয়েছে। আবাসিক শিক্ষক, ওয়ার্ডেনসহ সবাইকে নিয়ে বসবো। সবার সাক্ষাৎকার নিয়ে প্রাথমিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। যাতে কেউ ভবিষ্যতে এরকম কাজ করতে সাহস না পায়।

এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
বরিশাল নগরীতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ-৫ না পাওয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সারিয়া আক্তার (১৪) নামের এক পরীক্ষার্থী। আজ মঙ্গলবার পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পরে দুপুরে নিজ বাড়িতে সে  আত্মহত্যা করে। আত্মহননকারী সারিয়া আক্তার নগরীর কাউনিয়া এলাকার বাসিন্দা বরিশাল কলেজের সাবেক ভিপি শাহীন হাওলাদারের মেয়ে। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল ইসলাম আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জিপিএ-৫ না পেয়ে নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিহত স্কুল ছাত্রীর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের লাশ সংরক্ষণ কক্ষে রাখা হয়েছে। এজে
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
জেএসসিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৮০ শতাংশ
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের জেএসসি পরীক্ষায় এবার পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বছর ২ লাখ ৭০ হাজার ৯৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ১৩১ জন। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, এ বছর বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বোর্ডে এবার ফলাফলে ছেলেরা এগিয়ে রয়েছে। ছেলেদের পাসের হার ৮৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং মেয়েদের পাসের হার ৮৮ দশমিক ৪১ শতাংশ। এ বছর এক হাজার ৯২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৩৯টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জন করেছে। তিনি আরও জানান, কুমিল্লা বোর্ডের ৬টি জেলার মধ্যে কুমিল্লা জেলার ৯০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাশ করেছে যা বোর্ডের মধ্যে সেরা। এজে
জেএসসিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৮০ শতাংশ
এই প্রথম ফল প্রকাশ করলো ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
নবগঠিত ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত জেএসসি পরীক্ষার প্রথম ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে পাশের হার ৮৭ দশমিক ২১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন হাজার ৯০৩ জন শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের হাতে ফলাফল তুলে দেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শামসুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের সচিব প্রফেসর কিরীট কুমার দত্ত, কলেজ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান, উপ-সচিব মশিউল আলম, মনিরুজ্জামান ও সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহসিনা বেগম। ময়মনসিংহ বোর্ডে ২০১৯ সালে জেএসসি পরীক্ষায় এক হাজার ৪৮৪ টি স্কুলের এক লাখ ৬১ হাজার ৩৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে এক লাখ ৪০ হাজার ৭১৭ জন পাস করেছে।  বিভাগের মধ্যে পাসের হার শেরপুর জেলায় ৯০ দশমিক ০৫ শতাংশ, জামালপুরে ৮৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৮৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ ও নেত্রকোনায় ৮৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। পরীক্ষার ফলাফলে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। একটি স্কুল থেকে তিনজন পরীক্ষার্থী ছিল তাদের কেউ পাশ করেনি।  জেবি
এই প্রথম ফল প্রকাশ করলো ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
জেএস‌সি‌তে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৪.১০ শতাংশ
রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে এবছর জেএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ৯৪.১০ শতাংশ। এর মধ্যে মেয়েদের পাশের হার ৯৪.৮৭ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৩.৩০ শতাংশ। আজ মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টায় রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। গত বছর জেএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ছিল ৯৪.৫৭ শতাংশ। ২০১৭ সালে ছিল ৯৫.৫৪ শতাংশ। এবারে পাশের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৯৪.১০ শতাংশ। এবছর মোট জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৪৭৮ জন। এর মধ্যে ৭ হাজার ২৭৮ জন ছেলে এবং ৯ হাজার ২০০ জন মেয়ে শিক্ষার্থী। শুধুমাত্র রাজশাহী জেলায় মোট ২ হাজার ৬৪৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এবারের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ২ লাখ ৬৩ হাজার ৬৮৩ জন। এদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ২ লাখ ৫৮ হাজার ১৮৬ জন। এজে
জেএস‌সি‌তে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৪.১০ শতাংশ
প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০ শতাংশ, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ (ভিডিও)
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি (পিইসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবার প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এসব তথ্য তুলে ধরে বলেন, প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন, ইবতেদায়িতে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। এবার সমাপনীতে মোট ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ১৫১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ২৩ লাখ ৪৩ হাজার ৭৪৩ জন পাস করেছে। উত্তীর্ণদের মধ্যে ১০ লাখ ৭২ হাজার ১৫৪ জন ছাত্র ও ১২ লাখ ৭১ ৫৮৯ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন। এদের মধ্যে ছাত্র এক লাখ ৪১ হাজার ৪৫১ ও ছাত্রী এক লাখ ৮৪ ৬৩৭ জন। অন্যদিকে ইবতেদায়িতে এবার তিন লাখ চার হাজার ১৭৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে পাস করেছে এক লাখ ৫৭ হাজার ৯৩৬ জন। এদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা এক লাখ ৫০ হাজার ৮৩৫ জন ও ছাত্রী এক লাখ ৪১ হাজার ৪০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৫৬৮৫ জন ও এক হাজার ১৯২ জন ছাত্রী। ফল বিশ্লেষণ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, এবার ইবতেদায়ি পরীক্ষায় ছাত্রদের সংখ্যা বেশি হলেও গড় পাসের দিক থেকে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। সর্বোচ্চ পাসের হার বিবেচনায় ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় দেশের আট বিভাগের মধ্যে রাজশাহী বিভাগ শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। এ বিভাগে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৮১ শতাংশ। নওগাঁ জেলায় পাসের হার শতভাগ। তিনি আরও বলেন, এবার সারাদেশে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ২৪০ জন এবং ডিআরভুক্ত হয়ে ২১৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তার মধ্যে ১৯৭ জন পাস করেছে। তার মধ্যে ছাত্র ১১৪ জন এবং ছাত্রী ৮৩ জন। এ স্তরে পাসের হার ৯২ দশমিক ০৬ শতাংশ। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এফ এম মনজুর কাদির, মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা। পি
প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০ শতাংশ, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ (ভিডিও)
আরও পড়ুন
জাবিতে দিনব্যাপী প্রজাপতি মেলা অনুষ্ঠিত