ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

জাবির লেকে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে অতিথি পাখি

শাহিনুর রহমান শাহিন, জাবি সংবাদদাতা

প্রকাশ : ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৫:২৬ পিএম
জাবির লেকে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে অতিথি পাখি

ভোরের সূর্যটা পূর্ব আকাশে ওঠার অনেক আগেই কিচিরমিচির কলতান ক্যাম্পাসের চারদিকে। মনোমুগ্ধকর ডাকে ঘুম থেকে জেগে তুলছে ঘুমিয়ে থাকা আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের। অতিথিদের শ্রুতিমধুর ডাকে হৃদয়ে ওঠেছে মুগ্ধকর স্পন্দন। হাজারো পাখির মিলনমেলা, পাখা ঝাপটানো অবাক করে সবাইকে। সারাদিন পাখির কলকাকলিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও পথচারীসহ সবার মনে দোলা দেয় উৎফুল্লতা। যেদিকে তাকানো যায় শুধু দৃষ্টিনন্দন বৈচিত্র্যময় অতিথি পাখির বিচরণ। যেন পাখির স্বর্গরাজ্য পরিণত হয়েছে পুরো ক্যাম্পাস!

বলছি নয়নাভিরাম সবুজ শ্যামল প্রকৃতির লীলাভূমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকে হাজারো অতিথিদের মিলনমেলার গল্প! ইট পাথর আর কংক্রিটের শহর ঢাকা থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে সাভারের কোলঘেঁষে স্নিগ্ধ এই সবুজ ক্যাম্পাসটির অবস্থান। লাল ইটের রাজ্যের মাঝে যেন এক টুকরো সবুজ স্বর্গ। চারদিকে শীতের আমেজ। শীত আসা মানেই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দূর দেশের পাখিদের আগমন শুরু হওয়া। এই দূরদেশী পাখিদের ক্যাম্পাসিয়ানরা আদর করে “অতিথি পাখি” বলে ডাকে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবারের মতো এবারও সুদূর সাইবেরিয়া, হিমালয়, নেপাল, মঙ্গোলিয়া, সিনচিয়াং ও চীনের আশপাশের শীত প্রধান দেশ থেকে এসেছে হাজারো শীতের অতিথি পাখি। বাংলাদেশে আসা পাখিদের ৮-৯ শতাংশ এই ক্যাম্পাসে আসে। এবার পাখিদের আগমন হয়েছে কেমন জানি অন্যভাবে! বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন থাকার কারণে ক্যাম্পাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকার মুহূর্তে নীরব ক্যাম্পাসে অনেকটা অনুপ্রবেশ ঘটেছে তাদের। একদমেই ক্যাম্পাসের প্রাণভোমরা শিক্ষার্থীবিহীন ফাঁকা ক্যাম্পাস আগন্তুক প্রবেশ পরিযায়ী পাখিদের। পরে অল্প কিছু দিনের মধ্যে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ফেরায় এক আনন্দঘন পরিবেশে প্রাণ ফিরে পেয়েছে জাবি ক্যাম্পাস। এর সাথে পালক বিছিয়ে দিয়েছে অতিথিরা। এখন যেন জাবি ক্যাম্পাস পাখির রাজ্য।

ক্যাম্পাসে ১৮-২০টি লেকের মধ্যে প্রধানত ৪/৫টি লেকে ছোট ছোট আসর বসিয়ে আছে শত শত পাখি। আপন খেয়ালে পানিতে ডুবছে তো ফুড়ুত করে উড়াল দিচ্ছে আকাশে, কেউ আবার পালকের ভিতর মুখ গুঁজে পোহায় মিষ্টি রোদ।

অতিথি পাখিদের ভালোবাসার টানে ক্যাম্পাসবাসীদের পাশাপাশি প্রতিদিন ভীড় করছে অসংখ্য দর্শনার্থী। ছুটির দিন গুলোতে ভীড় যেন চোখে পড়ার মতো। রাজধানী থেকে পাখিপ্রেমীরা হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে আসা অতিথিদের দেখতে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রীতিলতা হলের পেছনের লেক, চৌরঙ্গী সংলগ্ন লেক, সুইমিং পুল সংলগ্ন ও প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন লেকে পাখির আনাগোনা চোখে পড়ার মতো। জলচর কিংবা ডাঙ্গাবাসী নয় ডানায় ভর করে আসা এই পাখি গুলোর নামও বাহারি। পাতিসরালি, বড় সারলি, পাতারি, ফ্লাইক্যাচার, গার্গেনি, পাস্তামুখী, পাচার্ড, ছোট জিরিয়া, মুরগ্যাধি, কোম্বডাক, খয়রা, বামুনিয়া হাস, লালা গুড়গুটি অন্যতম।

প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মো. কামরুল হাসান জানান, ১৯৮৬ সালে পাখি আসা তথ্য পাওয়া গেলেও ১৯৮৮ সাল থেকে নিয়মিত আসছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমান ১৯৮ প্রজাতির পাখি মেলে যার মধ্যে আছে প্রায় ৭০ প্রজাতির দূরদেশী পাখি। নভেম্বরের মাসের শুরুতে পাখি আসা শুরু হয়। সবচেয়ে লেকে বেশি পাখি দেখা যায় ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে। মার্চের শেষে তারা আবার আপন ঠিকানায় পাড়ি জমায়।

পাখিদের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসন পক্ষ থেকে দেখা গেছে নানা রকম উদ্যোগ। লেকের পাশ দিয়ে লোহার তারের ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছে। যেখানে বিভিন্ন পোস্টারে লেখা আছে পাখিদের বিচরণ ক্ষেত্র, লেকের ভেতরে প্রবেশ ও লেকের পাড়ে পার্কিং নিষেধ অযথা হর্ন বাজাবেন না, পাখিদের দিকে ঢিল ছুড়বেন না ইত্যাদি। তবে পাখিদের আবাসস্থলে যে ধরনের নিরাপত্তা প্রয়োজন তা পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়াও লেকে ময়লা, খাবারের উচ্ছিষ্টাংশ, কচুরিপানার স্তূপ রয়েছে। পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল, মানসম্মত খাবার ও সার্বক্ষণিক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন শিক্ষার্থীরা।

শুধু ক্যাম্পাসবাসী নয় দূর দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা এখানে এসে এই পাখি গুলোর প্রেমে পড়ে যায়।

এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
বরিশাল নগরীতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ-৫ না পাওয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সারিয়া আক্তার (১৪) নামের এক পরীক্ষার্থী। আজ মঙ্গলবার পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পরে দুপুরে নিজ বাড়িতে সে  আত্মহত্যা করে। আত্মহননকারী সারিয়া আক্তার নগরীর কাউনিয়া এলাকার বাসিন্দা বরিশাল কলেজের সাবেক ভিপি শাহীন হাওলাদারের মেয়ে। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল ইসলাম আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জিপিএ-৫ না পেয়ে নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিহত স্কুল ছাত্রীর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের লাশ সংরক্ষণ কক্ষে রাখা হয়েছে। এজে
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
জেএসসিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৮০ শতাংশ
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের জেএসসি পরীক্ষায় এবার পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বছর ২ লাখ ৭০ হাজার ৯৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ১৩১ জন। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, এ বছর বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বোর্ডে এবার ফলাফলে ছেলেরা এগিয়ে রয়েছে। ছেলেদের পাসের হার ৮৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং মেয়েদের পাসের হার ৮৮ দশমিক ৪১ শতাংশ। এ বছর এক হাজার ৯২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৩৯টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জন করেছে। তিনি আরও জানান, কুমিল্লা বোর্ডের ৬টি জেলার মধ্যে কুমিল্লা জেলার ৯০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাশ করেছে যা বোর্ডের মধ্যে সেরা। এজে
জেএসসিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৮০ শতাংশ
এই প্রথম ফল প্রকাশ করলো ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
নবগঠিত ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত জেএসসি পরীক্ষার প্রথম ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে পাশের হার ৮৭ দশমিক ২১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন হাজার ৯০৩ জন শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের হাতে ফলাফল তুলে দেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শামসুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের সচিব প্রফেসর কিরীট কুমার দত্ত, কলেজ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান, উপ-সচিব মশিউল আলম, মনিরুজ্জামান ও সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহসিনা বেগম। ময়মনসিংহ বোর্ডে ২০১৯ সালে জেএসসি পরীক্ষায় এক হাজার ৪৮৪ টি স্কুলের এক লাখ ৬১ হাজার ৩৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে এক লাখ ৪০ হাজার ৭১৭ জন পাস করেছে।  বিভাগের মধ্যে পাসের হার শেরপুর জেলায় ৯০ দশমিক ০৫ শতাংশ, জামালপুরে ৮৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৮৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ ও নেত্রকোনায় ৮৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। পরীক্ষার ফলাফলে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। একটি স্কুল থেকে তিনজন পরীক্ষার্থী ছিল তাদের কেউ পাশ করেনি।  জেবি
এই প্রথম ফল প্রকাশ করলো ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
জেএস‌সি‌তে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৪.১০ শতাংশ
রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে এবছর জেএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ৯৪.১০ শতাংশ। এর মধ্যে মেয়েদের পাশের হার ৯৪.৮৭ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৩.৩০ শতাংশ। আজ মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টায় রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। গত বছর জেএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ছিল ৯৪.৫৭ শতাংশ। ২০১৭ সালে ছিল ৯৫.৫৪ শতাংশ। এবারে পাশের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৯৪.১০ শতাংশ। এবছর মোট জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৪৭৮ জন। এর মধ্যে ৭ হাজার ২৭৮ জন ছেলে এবং ৯ হাজার ২০০ জন মেয়ে শিক্ষার্থী। শুধুমাত্র রাজশাহী জেলায় মোট ২ হাজার ৬৪৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এবারের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ২ লাখ ৬৩ হাজার ৬৮৩ জন। এদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ২ লাখ ৫৮ হাজার ১৮৬ জন। এজে
জেএস‌সি‌তে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৪.১০ শতাংশ
প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০ শতাংশ, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ (ভিডিও)
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি (পিইসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবার প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এসব তথ্য তুলে ধরে বলেন, প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন, ইবতেদায়িতে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। এবার সমাপনীতে মোট ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ১৫১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ২৩ লাখ ৪৩ হাজার ৭৪৩ জন পাস করেছে। উত্তীর্ণদের মধ্যে ১০ লাখ ৭২ হাজার ১৫৪ জন ছাত্র ও ১২ লাখ ৭১ ৫৮৯ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন। এদের মধ্যে ছাত্র এক লাখ ৪১ হাজার ৪৫১ ও ছাত্রী এক লাখ ৮৪ ৬৩৭ জন। অন্যদিকে ইবতেদায়িতে এবার তিন লাখ চার হাজার ১৭৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে পাস করেছে এক লাখ ৫৭ হাজার ৯৩৬ জন। এদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা এক লাখ ৫০ হাজার ৮৩৫ জন ও ছাত্রী এক লাখ ৪১ হাজার ৪০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৫৬৮৫ জন ও এক হাজার ১৯২ জন ছাত্রী। ফল বিশ্লেষণ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, এবার ইবতেদায়ি পরীক্ষায় ছাত্রদের সংখ্যা বেশি হলেও গড় পাসের দিক থেকে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। সর্বোচ্চ পাসের হার বিবেচনায় ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় দেশের আট বিভাগের মধ্যে রাজশাহী বিভাগ শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। এ বিভাগে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৮১ শতাংশ। নওগাঁ জেলায় পাসের হার শতভাগ। তিনি আরও বলেন, এবার সারাদেশে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ২৪০ জন এবং ডিআরভুক্ত হয়ে ২১৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তার মধ্যে ১৯৭ জন পাস করেছে। তার মধ্যে ছাত্র ১১৪ জন এবং ছাত্রী ৮৩ জন। এ স্তরে পাসের হার ৯২ দশমিক ০৬ শতাংশ। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এফ এম মনজুর কাদির, মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা। পি
প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০ শতাংশ, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ (ভিডিও)