ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

রাবিতে দ্রুতগতির ইন্টারনেট: ইউজিসির ১৩ কোটি টাকার প্রকল্প

রাবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: বাসস

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) হল ও অ্যাকাডেমিক ভবন গুলোতে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিতের লক্ষে 'HEAT' প্রজেক্টের আওতায় ১৩ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মন্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাকসুর এজিএস এস এম সালমান সাব্বির।

জানা গেছে, ইন্টারনেট সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে রাকসুর উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে BDRen-এর মাধ্যমে একটি সার্ভে পরিচালনা করা হয়, যেখানে তারা প্রায় ১৩ কোটি টাকার বাজেটের একটি প্রাক্কলন (Estimation) দেয়। সেই বাজেটের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টার HEAT প্রকল্পের আওতায় একটি প্রকল্পের জন্য আবেদন করেন।

আবেদনকৃত প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে ইউজিসির চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল। অবশেষে প্রায় ১৩ কোটি ২০ লাখ ৭৮ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনেট সংযোগ ও নেটওয়ার্ক অবকাঠামোর মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টার সূত্রে জানা গেছে, আগামী আগস্টের মধ্যে হিটের কর্মকর্তারা রাবি আইসিটি সেন্টারের সাথে কো-অর্ডিনেশনের মাধ্যমে পূর্বে দেওয়া চাহিদাগুলো অনুসরণ করে প্রকল্পের একটা বিস্তারিত কারিগরি স্পেসিফিকেশন তৈরি করবেন। সেটা অনুমোদন (রুটিন জব) শেষে ই-জিপি পোর্টালে (অনলাইন টেন্ডার পোর্টাল) অনলাইন দরপত্র আহ্বান করা হবে। তারপর প্রকিউরমেন্টের বিভিন্ন ধাপ অনুসরণ করে কোম্পানি বা ভেন্ডর নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় তিন মাস যাবে।

আরও পড়ুন

সকল প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলে চলতি বছরের শেষ অথবা আগামী বছরের শুরুর দিকেই ক্যাম্পাসে মাঠ পর্যায়ে প্রজেক্ট বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে। পুরো কাজ পর্যবেক্ষণ ও পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবে বিডিআরইএন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাকসুর সহ-সাধারণ সম্পাদক এসএম সালমান সাব্বির বলেন, HEAT প্রজেক্টের আওতায় আমাদের ইন্টারনেটের এ প্রকল্পটি ইউজিসির চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল, অবশেষে কোনো ধরনের আর্থিক পরিবর্তন ছাড়াই অনুমোদন পেয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ। এখন টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন প্রস্তুত, ই-জিপিতে টেন্ডার আহ্বান, ভেন্ডর নির্বাচনসহ কয়েকটি নিয়মিত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

তিনি বলেন, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে এবং রি-টেন্ডারের প্রয়োজন না হলে, এ বছরের শেষ কিংবা আগামী বছরের শুরুতে প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, ইনশাআল্লাহ। ততদিন পর্যন্ত আবাসিক হল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য ভবনের ইন্টারনেট স্পিড যতটা সম্ভব অপ্টিমাইজড রাখা যায়, সে লক্ষ্যে আইসিটি সেন্টারে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি আমরা। দীর্ঘদিনের এই প্রত্যাশিত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনেট অবকাঠামোয় একটি বড় পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছি।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারের পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনেট অবকাঠামোর স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রতিটি হলে রাউটারের বদলে মানসম্মত এক্সেস পয়েন্ট বসানো জরুরি।

তিনি বলেন, আমরা গত ফেব্রুয়ারি মাসেই প্রয়োজনীয় জরিপ ও রিপোর্ট সম্পন্ন করে উপাচার্যের অনুমোদনে ইউজিসিতে জমা দিয়েছিলাম। ‘হিট’ প্রজেক্টের আওতায় বিডিরেন-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই কাজ বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ পেরিয়ে সুস্থতার পথে বাকৃবি শিক্ষার্থী জীম
গত ১ মার্চ ভারতের ট্রেনযাত্রায় অচেতন অবস্থায় উদ্ধার হন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থী তানিউল করিম জীম। এরপর দেশে ও বিদেশে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) দীর্ঘদিন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলেন তিনি। দীর্ঘ সাত মাস ধরে তার সুস্থতা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ছিলেন পরিবারের সদস্য, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। তবে বর্তমানে কথা বলা, মুখ দিয়ে খাবার খাওয়া ও দাঁড়ানোর সক্ষমতা ফিরে পাওয়ায় তার শারীরিক অবস্থার উন্নতিতে স্বস্তি ফিরেছে স্বজনদের মধ্যে। বর্তমানে নাটোরে পরিবারের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন জীম। পরিবারের সদস্যরাই তাঁর দেখাশোনা করছেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ ফেব্রুয়ারি চাচার চিকিৎসার জন্য তার সঙ্গে মেডিকেল ভিসায় ভারতে যান জীম। চিকিৎসা শেষে ১ মার্চ বেঙ্গালুরু থেকে কলকাতায় ফেরার পথে ট্রেনের ভেতর নিখোঁজ হন তিনি। প্রায় ১২ ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পর ট্রেনের শৌচাগার থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে ট্রেনটি কলকাতায় পৌঁছালে তাকে প্রথমে হাওড়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিটি স্ক্যান পরীক্ষায় তার মাথার পেছনে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ধরা পড়ে। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে কলকাতার মণিপাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কয়েক দিন চিকিৎসার পর তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। দেশে ফেরার পর প্রথমে পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিতে হয়। এ সময় তার সুস্থতা নিয়ে গভীর উদ্বেগে ছিলেন পরিবারের সদস্য, সহপাঠী, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। নিজের বর্তমান শারীরিক অবস্থার অগ্রগতি জানিয়ে জীম বলেন, এখন আমি কথা বলতে পারি। কিন্তু কথায় জড়তা আছে। আমি এখন মুখ দিয়ে খাবার খেতে পারি। নাক-মুখ দিয়ে নিশ্বাস নিতে পারি। একজন ধরলে দাঁড়াতে পারি। সবই নাড়াতে পারি। কিন্তু শক্তি কম। ডান দিকের চেয়ে বাম দিকে শক্তি কিছুটা বেশি। ডান দিক কিছুটা দুর্বল। আগের শারীরিক অবস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আগে গলায় ট্র্যাকিওস্টমি ছিল। ট্র্যাকিওস্টমি দিয়ে নিশ্বাস নিতাম। নাকে নল দিয়ে খাবার খেতাম। কিছুই নাড়াতে পারতাম না। দাঁড়াতে পারতাম না, কথা বলতে পারতাম না। শক্তি ছিল না বললেই চলে। জীমের সুস্থতার জন্য শুরু থেকেই দোয়া ও সহযোগিতা করে আসছেন তার বন্ধু, সহপাঠী, সাংবাদিক সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, আমার পরিস্থিতি শোনার পর সবাই দোয়া করেছেন। বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আবারও সবার মাঝে ফিরে যেতে পারি, এ জন্য দোয়া চাই। তানিউল করিম জীম বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান জ্যেষ্ঠ সদস্য। তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জীম বাকৃবির কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিশক্তি ও যন্ত্র বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্যায়ের থিসিস শিক্ষার্থী। আরটিভি/টিআর
জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ পেরিয়ে সুস্থতার পথে বাকৃবি শিক্ষার্থী জীম
কবি নজরুল কলেজে অধিকাংশ পানির ফিল্টার নষ্ট, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা
রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী কবি নজরুল সরকারি কলেজে শিক্ষার্থীদের সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। শিক্ষকদের জন্য পানির সুব্যবস্থা থাকলেও সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ ক্ষেত্রে অবহেলিত বলে অভিযোগ রয়েছে। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ভবনে শিক্ষার্থীদের জন্য পানির ফিল্টার স্থাপন করা হলেও অধিকাংশ ফিল্টার কয়েক মাস ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। এতে শিক্ষার্থীরা সুপেয় পানির মতো মৌলিক চাহিদা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তবে এ সমস্যা সমাধানে কলেজ প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। সরেজমিনে দেখা গেছে, কবি নজরুল সরকারি কলেজে প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করলেও তাদের জন্য পর্যাপ্ত সুপেয় পানির ব্যবস্থা নেই। ক্যাম্পাসের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সামনে ফিল্টার স্থাপন করা থাকলেও তা কয়েক মাস ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। একই চিত্র দেখা গেছে বি ভবনের দ্বিতীয় তলায় বাঁধন কার্যালয় ও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে। অন্যদিকে, ‘এ’ ভবনের আয়তন বড় হলেও সেখানে মাত্র একটি ফিল্টার রয়েছে। শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ স্থান রিডিং রুমের সামনেও ফিল্টার স্থাপন করা হয়েছে, তবে বেশির ভাগ সময় সেখানে পানি পাওয়া যায় না। কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনের ফিল্টারটি অচল থাকায় সেখানে পড়াশোনা করতে আসা শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য কার্যকর ফিল্টার রয়েছে মাত্র তিনটি—সি ভবনের চতুর্থ তলায়, বি ভবনের দ্বিতীয় তলায় এবং এ ভবনের দ্বিতীয় তলায় একটি করে। ফিল্টার অকেজো থাকায় সি ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার শিক্ষার্থীদের পানি পান করতে চতুর্থ তলায় যেতে হয়। তবে সেখানেও অধিকাংশ সময় পানি পাওয়া যায় না। ফলে বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত টাকা খরচ করে বোতলজাত পানি কিনে পান করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। শিক্ষার্থীদের প্রতি প্রশাসনের অবহেলার অভিযোগ তুলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী শিবলু রিফাত বলেন, সুস্থ থাকার জন্য নিরাপদ পানি শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার। অথচ তারা এ অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বেশির ভাগ সময় পানি কিনে পান করতে হয়। শিক্ষার্থীদের এত বড় একটি সমস্যা থাকলেও কলেজ প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রশাসনের কোনো চিন্তাই নেই। রসায়ন বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সিয়াম হোসেন বলেন, “আমাদের ‘এ’ ভবনের আয়তন ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী অন্তত তিনটি ফিল্টার প্রয়োজন। কিন্তু সেখানে মাত্র একটি ফিল্টার রয়েছে। আমাদের একটি পরীক্ষাগারে ব্যবহারিক পরীক্ষা করতে পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা লাগে। এত দীর্ঘ সময় পরীক্ষার পর পানি পান করতে ভবনের অন্য পাশে যেতে হয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।” প্রয়োজন অনুযায়ী ফিল্টারের সংখ্যা বাড়ানোর দাবি জানান তিনি। লাইব্রেরিতে পড়াশোনা করতে আসা পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী আহমেদ সিয়াম বলেন, লাইব্রেরিতে পড়ার সময় পানির পিপাসা পাওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু পানি পান করতে নিচতলায় রিডিং রুমের সামনে গেলেও বেশির ভাগ সময় পানি পাওয়া যায় না। প্রশাসনের কাছে আমার দাবি, লাইব্রেরিসহ প্রয়োজনীয় স্থানগুলোতে আরও একাধিক ফিল্টার স্থাপন করা হোক। রিডিং রুমে পড়তে আসা রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী নাইমুল হাসান বলেন, রিডিং রুমের সামনে ফিল্টার থাকলেও বেশির ভাগ সময় পানি পাওয়া যায় না। দ্রুত ফিল্টারটি সচল করার দাবি জানান তিনি। ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম বলেন, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সামনে ফিল্টার থাকলেও তা কয়েক মাস ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে শিক্ষকদের জন্য রাখা পানির ব্যবস্থা ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়ছেন। মাঠে পানির জন্য একটি ট্যাংক বসানো হয়েছে, তবে সেই পানি পান করার উপযোগী নয়। প্রশাসন শিক্ষার্থীদের অবহেলার চোখে দেখছে। আমার দাবি, যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করা হোক। এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, পানির ফিল্টার তো প্রতিটি বিভাগেই রয়েছে। আমি লাইব্রেরির সামনের ফিল্টারটি মেরামত করতে বলেছিলাম, কিন্তু সেটি মেরামত করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত নই। আর রাষ্ট্রবিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিভাগের সামনে কারা ফিল্টার স্থাপন করেছে, তা আমার জানা নেই। তারা আমাদের এ বিষয়ে জানায়নি। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, রিডিং রুমের সামনের ফিল্টারটি নষ্ট হয়ে আছে। ওই ফিল্টারটি আসলেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমি সেটি স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছি, তবে কাজ শেষ হয়েছে কি না, তা খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। আরটিভি/টিআর
কবি নজরুল কলেজে অধিকাংশ পানির ফিল্টার নষ্ট, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা
তিন মাস না পেরোতেই ক্যারিয়ার ভাবনায় সভাপতি, স্থগিত চবি ছাত্রশক্তির কমিটি
গঠনের তিন মাস না পেরোতেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির ৫২ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি স্থগিত করেছে কেন্দ্রীয় সংসদ। শাখা সভাপতির সাংগঠনিক নিষ্ক্রিয়তা ও প্রত্যাশিত কার্যক্রম না থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটির একাধিক সূত্র। তবে স্থগিত কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহাথির জানিয়েছেন, ছাত্রজীবন শেষের দিকে থাকায় তিনি এখন ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবছেন। সংগঠনকে নিয়মিত সময় দিতে না পারায় নতুন নেতৃত্বের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার কথাও ভাবছেন তিনি। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি স্থগিতের বিষয়টি জানানো হয়। জাতীয় ছাত্রশক্তির দপ্তর সম্পাদক সরদার নাদিম মাহমুদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি আবু বাকের মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক তাহমীদ আল মুদ্দাসসীর চৌধুরীর জরুরি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে। জানা গেছে, চলতি বছরের ২৭ জুলাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ৫২ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় সংসদ। এতে আব্দুল্লাহ আল মাহাথিরকে সভাপতি, মো. ইসমাইলকে সাধারণ সম্পাদক এবং মো. উলফাতুল রহমানকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়। তবে কমিটি ঘোষণার পর থেকেই সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহাথির সাংগঠনিক কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় সংগঠনটির ব্যানারে উল্লেখযোগ্য কোনো কর্মসূচিও অনুষ্ঠিত হয়নি। বিষয়টি নিয়ে শাখার অন্য নেতাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। এ অসন্তোষের মধ্যেই মঙ্গলবার রাতে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতারা। বৈঠকে সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহাথিরের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে অভিযোগ জানানো হয়। পরে কমিটি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সংসদ। একই সঙ্গে দ্রুত কমিটি পুনর্গঠনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়। এ বিষয়ে স্থগিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল বলেন, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কমিটির কয়েকটি পদে পরিবর্তন আসতে পারে। এ কারণে মূলত কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। কারণ, কেন্দ্রীয় কমিটি নবায়নের প্রয়োজন মনে করেছে। শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির স্থগিত কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহাথির বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবছি। আমার ছাত্রজীবনও প্রায় শেষের দিকে, মাস্টার্স শেষ করছি। ঢাকায় যাওয়ার পরিকল্পনা করছি। এখানে সংগঠনকে নিয়মিত সময় দিতে পারছি না। এতে আমার ইউনিট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই আমি নিজেই আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিয়ে নতুন নেতৃত্বের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার কথা ভাবছি। বিষয়টি গুরুতর কিছু নয়। জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক তাহমীদ আল মুদ্দাসসীর চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কমিটি প্রত্যাশা অনুযায়ী কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছিল না। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াও চলছে। এসব বিবেচনায় সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল করতে গতকাল রাতে জরুরি সাংগঠনিক সভায় কমিটি স্থগিতের সিদ্ধান্ত হয়। সভায় ৫২ সদস্যের কমিটির ৩০ জনের বেশি উপস্থিত ছিলেন। তাহমীদ আল মুদ্দাসসীর আরও বলেন, স্থগিত কমিটির সভাপতির নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ রয়েছে। তবে শুধু একটি নির্দিষ্ট কারণে কমিটি স্থগিত করা হয়নি। পুরো কমিটির কার্যক্রমে গতি আনা এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্যান্য ছাত্রসংগঠনের তুলনায় জাতীয় ছাত্রশক্তিকে আরও সক্রিয় ও গতিশীল করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আরটিভি/টিআর
তিন মাস না পেরোতেই ক্যারিয়ার ভাবনায় সভাপতি, স্থগিত চবি ছাত্রশক্তির কমিটি
ক্লিনিক্যাল গবেষণায় তৈরি হচ্ছে নতুন সম্ভাবনা
দেশে ক্লিনিক্যাল গবেষণার মানোন্নয়ন, দক্ষ গবেষক তৈরি ও আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছে ‘বাংলাদেশ একাডেমি অব ক্লিনিক্যাল রিসার্চ সোসাইটি’। গবেষকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও বৈজ্ঞানিক সম্মেলন আয়োজনের পাশাপাশি গবেষণার নৈতিক মান নিশ্চিত করতে কাজ করবে সংগঠনটি। গত ১৩ অক্টোবর সোসাইটিজ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৮৬০-এর অধীনে সংগঠনটির নিবন্ধন সনদ ইস্যু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের চিকিৎসক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্বাস্থ্য খাতের গবেষকদের দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে গবেষণাপদ্ধতি, তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনা, পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণ, বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ রচনা এবং আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকীতে প্রকাশনার বিষয়ে প্রশিক্ষণ। বিশেষ করে তরুণ চিকিৎসক ও নবীন গবেষকদের গবেষণার প্রশ্ন নির্ধারণ থেকে শুরু করে উপযুক্ত গবেষণাপদ্ধতি নির্বাচন, তথ্য বিশ্লেষণ ও ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে দক্ষ করে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে তাত্ত্বিক আলোচনার পাশাপাশি ব্যবহারিক ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এ ছাড়া গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা ও অবহিত সম্মতি নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক নীতিমালা অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেবে সংগঠনটি। বাংলাদেশ মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিলের (বিএমআরসি) নির্দেশনা ও প্রচলিত আইন অনুসরণ করে প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণা নৈতিকতা কমিটি গঠন ও পরিচালনার উদ্যোগও রয়েছে। সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. শাহ মো. আহসান শহীদ গবেষণার গুণগত মান নিশ্চিত করতে গবেষকদের পদ্ধতিগত প্রশিক্ষণ ও গবেষণার নৈতিকতা আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. এ. এন. এম. মোজাম্মেল হক জানান, গবেষকদের দক্ষতা উন্নয়নে পরিকল্পিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, কর্মশালা ও গবেষণা সহায়তামূলক কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী সদস্য মো. হাসিবুল হাসান বলেন, গবেষণাকে শুধু একাডেমিক প্রকাশনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ, নিরাপদ খাদ্য, পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধে গবেষণাভিত্তিক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি নীতিনির্ধারকদের জন্য বৈজ্ঞানিক তথ্য তৈরিতেও কাজ করবে সংগঠনটি। এদিকে দেশের গবেষকদের আন্তর্জাতিক পরিসরে যুক্ত করতে দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ গবেষণা, প্রশিক্ষণ এবং গবেষণাপত্র প্রকাশের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে সংগঠনটির। পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্মেলন, সেমিনার, কর্মশালা ও ওয়েবিনার আয়োজন করা হবে। এসব আয়োজনে তরুণ গবেষকদের গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন ও গবেষণাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরির কথাও জানিয়েছে সোসাইটি। সংগঠনটির কর্মকর্তারা জানান, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, গবেষণার নৈতিকতা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে একটি গবেষণাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে দেশের ক্লিনিক্যাল গবেষণার সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি গবেষণালব্ধ জ্ঞান জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে কাজে লাগাতে চান তারা। আরটিভি/টিআর
ক্লিনিক্যাল গবেষণায় তৈরি হচ্ছে নতুন সম্ভাবনা
এবার ‘ফর্মুলা স্টুডেন্ট কার’ বানাচ্ছে রুয়েটের টিম অ্যানেক্স রুয়েট
ফর্মুলা কার্ট নির্মাণে সাফল্য অর্জনের পর সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার ফর্মুলা স্টুডেন্ট কার নির্মাণ করতে যাচ্ছে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) একদল তরুণ প্রকৌশল শিক্ষার্থী। রুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীদের দল ‘টিম অ্যানেক্স রুয়েট’ প্রথমবারের মতো ফর্মুলা স্টুডেন্ট কার নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। ২০২৭ সালে চীনে অনুষ্ঠিতব্য ফর্মুলা স্টুডেন্ট চায়না (এফএসসি) প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্য নিয়ে বর্তমানে কাজ করছে ৪৫ সদস্যের এই দল। ইতোমধ্যে গাড়িটির চ্যাসিস নির্মাণ ও চাকা অ্যাসেম্বলিসহ বেশ কিছু কাঠামোগত কাজ সম্পন্ন করেছে তারা। প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ এবং দলের সদস্যদের ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় বাকি যন্ত্রাংশ নির্মাণ ও কারিগরি উন্নয়নের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে টিম অ্যানেক্স রুয়েট। টিম অ্যানেক্স ইতিপূর্বে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং সাফল্যের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। ২০২৩ সালে ভারতের তামিলনাড়ুতে অনুষ্ঠিত ফর্মুলা কার্ট ডিজাইন কম্পিটিশনের সপ্তম আসরে অংশ নেয় দলটি। সেখানে তারা বিজনেস টিম বিভাগে ষষ্ঠ স্থান অর্জন করে। ২০২৫ সালেও একটি পূর্ণাঙ্গ ফর্মুলা কার্ট নির্মাণ করেছিল দলটি। তবে ভিসা জটিলতার কারণে শেষ পর্যন্ত ভারতে অনুষ্ঠিত ওই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। ২০২০ সালে ফর্মুলা স্টুডেন্ট চেক রিপাবলিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে তারা আরেকটি কার্ট তৈরি করলেও কোভিড মহামারির কারণে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। এ ছাড়া ২০১৯ সালে নাসা আয়োজিত নাসা হিউম্যান এক্সপ্লোরেশন রোভার চ্যালেঞ্জে (এইচইআরসি) অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতাও রয়েছে টিম অ্যানেক্সের। এসব অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবং প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে এবার আরও বড় পরিসরে নিজেদের প্রকৌশল দক্ষতা তুলে ধরতে চায় দলটি। বর্তমানে আটটি সাবটিমে বিভক্ত হয়ে পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে তারা। সাবটিমগুলো হলো—টেকনিক্যাল, ডিজাইন, ইলেকট্রিক্যাল, বিজনেস, পিআর অ্যান্ড মিডিয়া, ম্যানুফ্যাকচারিং, লেজিসলেটিভ এবং কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স অ্যান্ড সেফটি। গাড়িটির নকশা, যান্ত্রিক ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, উৎপাদন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিভিন্ন কাজ এসব সাবটিমের মাধ্যমে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে টিম অ্যানেক্সের ক্যাপ্টেন ও যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নোমান জামান দিপু বলেন, আমাদের ইতোমধ্যে প্রাথমিক ডিজাইন, সিমুলেশন এবং চ্যাসিসের ফেব্রিকেশন শেষ। এখন আমরা সাসপেনশন এবং স্টিয়ারিং সিস্টেম নিয়ে কাজ করছি। সঠিক সময়ের মধ্যে গাড়ির সম্পূর্ণ কাজ শেষ করার ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। চ্যাসিস ও চাকার কাজ শেষ হলেও গাড়িটির অন্যান্য যান্ত্রিক ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা নির্মাণ, বিভিন্ন যন্ত্রাংশের সমন্বয় এবং পরীক্ষা এখনো বাকি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব কাজ সম্পন্ন করে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়াই দলটির অন্যতম লক্ষ্য। টিমকে সার্বিকভাবে এগিয়ে নিতে উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহেদ হাসান খান তুষার, অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার, অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম এবং অধ্যাপক মো. ওয়াহেদুল ইসলামসহ বিভাগের আরও কয়েকজন শিক্ষক। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের এ উদ্যোগ সফল করতে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা, সরঞ্জাম ও পৃষ্ঠপোষকতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ফর্মুলা স্টুডেন্ট কার নির্মাণের মাধ্যমে নিজেদের প্রকৌশল দক্ষতা তুলে ধরার পাশাপাশি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে প্রযুক্তি উদ্ভাবনের সক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উপস্থাপন করতে চায় টিম অ্যানেক্স রুয়েট। আরটিভি/টিআর
এবার ‘ফর্মুলা স্টুডেন্ট কার’ বানাচ্ছে রুয়েটের টিম অ্যানেক্স রুয়েট
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে রাবি ছাত্রদলের স্বাগত মিছিল
চরম দারিদ্র্যতায়ও থামেনি রাবি শিক্ষার্থী দীপার লড়াই
ক্যাম্পাস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে রাবিতে চালু হচ্ছে নতুন দপ্তর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৬ পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ২৬ অক্টোবর