ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

জিন্নাহর ছবি টাঙানোর ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা ঢাবির

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩২ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং ছাত্রসংঘের নেতা আব্দুল মালেকের ছবি প্রদর্শনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

ভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ব্যক্তিদের ছবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগ্রহশালায় প্রদর্শন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ডাকসু নিয়ে প্রকাশিত বেশ কয়েকটি সংবাদ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এসব সংবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত আইন, বিধি, নীতিমালা ও প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অবস্থান সুস্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধিবিধান অনুযায়ী এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে এতে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে ধারণ ও লালন করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মলচত্বরে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এটি উদ্বোধন করেন।

ঢাকা ইউনিভার্সিটি অর্ডার, ১৯৭৩ (Dhaka University Order, 1973) এর অনুচ্ছেদ ২৪(এ) অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি তদারকি, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব সিন্ডিকেটের ওপর ন্যস্ত। অন্যদিকে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অর্ডিন্যান্স অ্যান্ড রেগুলেশনস (Dhaka University Ordinances and Regulations) এর চ্যাপ্টার ১৪ (Chapter XIV) এর ধারা ৪ এর নোট অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ যে কোনো সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নির্দেশনা সাপেক্ষে নেবেন।

কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ‘নির্ভীক জুলাই’ নামে কলাভবন সংলগ্ন ডাকসু ভবনের পশ্চিম পাশে ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে যে স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করেছে, তা সিন্ডিকেট কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কোনোরূপ অনুমতি বা আলোচনা করে স্থাপন করেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন অনুযায়ী এটি এখতিয়ারবর্হিভূত।

এছাড়া, ডাকসুর পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মূল্যায়নের জন্য অনুমোদন ছাড়া ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। শিক্ষক মূল্যায়ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিষয়। এ ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি, সংগঠন বা ছাত্র সংসদ নিজেদের উদ্যোগে পৃথক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করতে পারে না। একই সঙ্গে এই ওয়েবসাইট চালু করে শিক্ষকদের ব্যক্তিগত তথ্যও বাইরে আনা হয়েছে। যা আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক অপরাধ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে Teaching Evaluation-এর (শিক্ষক মূল্যায়ন) জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নীতিমালা রয়েছে এবং তা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পর্যায়ে অনুমোদিত হয়েছে। যা বাস্তবায়নের পথে। ফলে অনুমোদিত নীতিমালার বাইরে গিয়ে পৃথক কোনো শিক্ষক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করার উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য নয়। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করার সামিল। এমতাবস্থায় ডাকসুর এ ধরনের কর্মকাণ্ড অনাকাঙ্ক্ষিত, অপ্রত্যাশিত এবং অগ্রহণযোগ্য।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ধরনের দ্বৈত প্রশাসন প্রতিষ্ঠার সুযোগ নেই। ডাকসু একটি গুরুত্বপূর্ণ ছাত্রপ্রতিনিধিত্বশীল প্রতিষ্ঠান হলেও তার সব কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, বিধি, নীতিমালা ও প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে থেকেই পরিচালিত হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্তৃত্বকে পাশ কাটিয়ে কোনো সমান্তরাল কাঠামো বা প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হলে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।

সবশেষে বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা, বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের মর্যাদা রক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের আপস করবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন ছাড়া কোনো স্থাপনা নির্মাণ, পৃথক প্রশাসনিক ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সরকারের সাড়া না পেয়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে চুয়েট শিক্ষার্থীদের অবস্থান
টানা দুই সপ্তাহ ধরে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের সাড়া না পাওয়ায় আন্দোলনের ১৫তম দিনে ক্যাম্পাস ছেড়ে চট্টগ্রাম শহরে গিয়ে নিজেদের দাবি তুলে ধরেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীরা।  মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবি জানান তারা। বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলে। চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে দীর্ঘ দুই সপ্তাহ পর চুয়েট ক্যাম্পাসের বাইরে শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাস থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দূরে প্রেসক্লাব এলাকায় পাঁচটি বাসে করে শতাধিক শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন। এর পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকেও চুয়েটের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী কর্মসূচিতে যোগ দেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। এর মধ্যে ছিল— ‘চুয়েট সচলে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ’, ‘চুয়েট রিভোল্টস ফর সায়েম স্যার’ এবং ‘পিএম, কনসিডার আওয়ার অ্যাপিল’। পাশাপাশি ‘দফা এক, দাবি এক, অনলাইন ভিসির পদত্যাগ’ এবং ‘দাবি মোদের একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’ -সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা। মানববন্ধনে পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং (পিএমই) বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আসাদুল্লাহ হিল গালিব বলেন, আমরা দীর্ঘ ১৫ দিন ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ সংকট সমাধানে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে পাচ্ছি না। আমরা এর নিন্দা জানাই। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি একটি অনন্য নজির যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা সবাই একজনকে উপাচার্য হিসেবে দেখতে চান। আশা করি, সরকার আমাদের দাবির প্রতি সম্মান দেখিয়ে সায়েম স্যারকেই উপাচার্য পদে পুনর্বহাল করবে। মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চুয়েটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আহনাফ শাহরিয়ার অর্ণব, মাহিরা তাজরিন ও যুলকারনাইন মিহাদ। লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, চুয়েটের চলমান সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই এবং দেশের অন্যতম প্রধান এই প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় দিনের পর দিন অচল থাকায় হাজারো শিক্ষার্থীর ক্লাস, পরীক্ষা, গবেষণা ও অ্যাকাডেমিক ভবিষ্যৎ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়নি, বরং একটি ব্যাখ্যাহীন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ন্যায্য পুনর্বিবেচনা চাচ্ছে। বক্তব্যে আরও বলা হয়, কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, বরং চুয়েটে স্বাভাবিক শিক্ষাপরিবেশ ফিরিয়ে আনাই শিক্ষার্থীদের মূল দাবি। অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের ৫৬ দিনের কার্যকালের পরিকল্পিত উদ্যোগগুলো বিবেচনায় নিয়ে তাকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের বিষয়ে সরকারের দ্রুত ও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত চান তারা। একই সঙ্গে সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া চুয়েটের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফাইজুল কবির আবরার বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম স্যারকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এতদিন ধরে শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের দাবির বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা স্পষ্ট বক্তব্য আসেনি। সরকারের এমন নীরবতা ও উদাসীনতার আমরা তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই। বাধ্য হয়েই আজ ক্যাম্পাসের বাইরে এসে আমাদের দাবি জানাতে হচ্ছে। আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, দ্রুত শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি বিবেচনা করে চুয়েটের চলমান অচলাবস্থার অবসান ঘটানো হোক এবং অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম স্যারকে উপাচার্য পদে পুনর্বহাল করা হোক। প্রসঙ্গত, ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্য পদ থেকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। দায়িত্ব নেওয়ার ৫৬ দিনের মাথায় উপাচার্য পরিবর্তনের প্রতিবাদে ওই দিন থেকেই আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর থেকে চুয়েটে শুরু হয় ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি। এর পর থেকে লাল কার্ড প্রদর্শন, মশাল মিছিল, মুখোশ মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা। তবে টানা ১৫ দিন ধরে আন্দোলন চললেও এখনও দাবির বিষয়ে কোনো কার্যকর সমাধান না হওয়ায় চুয়েটের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে। আরটিভি/এসএস
সরকারের সাড়া না পেয়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে চুয়েট শিক্ষার্থীদের অবস্থান
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য, প্রধান উপদেষ্টা ও বর্তমান ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারর্সন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’-এর জন্য মনোনীত রুয়েটের ৭ শিক্ষার্থী
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) প্রবর্তিত ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১-এর জন্য প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পেয়েছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) সাত (৭) শিক্ষার্থী।
‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’-এর জন্য মনোনীত রুয়েটের ৭ শিক্ষার্থী
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদ হারিয়েছেন ৬ শিক্ষক
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কর্মস্থলে যোগদান না করা এবং অব্যাহতির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ছয় শিক্ষকের মূল পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদ হারিয়েছেন ৬ শিক্ষক
আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকী জকসুর দোয়া মাহফিল
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদের ৭ম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকী জকসুর দোয়া মাহফিল
আরও পড়ুন
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ আগামী অর্থবছরে শুরু হবে: দুর্যোগমন্ত্রী
ঢাবিতে শিক্ষার্থীর কান থেকে সোনার দুল ছিনতাই
ডিআইইউতে নিষিদ্ধ সংগঠনের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি, উপাচার্যকে স্মারকলিপি
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ৫ নতুন কনটেইনার ক্যারিয়ার ট্রাক চালু ডিএনসিসির