
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ফুটবল টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ফুটবল মাঠে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৫ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। সবাই ইবি মেডিকেলে চিকিৎসা নেয়। বর্তমান গুরুতর আঘাত পাওয়া তিন শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
আহত শিক্ষার্থীরা হলেন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২২-২৩ বর্ষের শিক্ষার্থী হুমায়ুন কবির। হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অন্য ৪ আহত শিক্ষার্থীরা হলেন— আলিফ রাহাত (২৪-২৫), আলিফ খান (২৪-২৫), তোফাজ্জল (২৪-২৫) ও আবু রায়হান (২৫-২৬)।
জানা যায়, ফুটবল টুর্নামেন্টে সেকেন্ড রাউন্ড খেলায় সাড়ে ৯ টায় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের মুখোমুখি হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের খেলা শুরু হয়। ইতিহাস বিভাগ এত গোল এগিয়ে খেলা শেষ হওয়ার এক মিনিট অবশিষ্ট সময় থাকা অবস্থায় ইতিহাস বিভাগ বল আউট করলে একাউন্টিং বল নিতে যায় আর সেখানে ইতিহাসের দর্শকরা তাদের স্লেইজিং টাইপের স্লোগান দেয়। একাউন্টিং-এর প্লেয়াররা দর্শকদের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়লে ইতিহাসের সাবিক (২১-২২) এগিয়ে আসে এবং এক পর্যায়ে একাউন্টিংয়ের গোলকিপার আক্রমনাত্মকভাবে এগিয়ে আসলে দুই পক্ষই মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে।
গুরুতর আহত শিক্ষার্থী ইতিহাসের হুমায়ুন কবির বলেন, আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম। তর্কের এক পর্যায়ে আমাকে পিঁছন থেকে ঘাড় ধরে ফেলে দিয়ে এলোপাতাড়ি মারে এবং নাক মুখ ফেঁটে যায়।
এদিকে একাউন্টিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের বক্তব্য নিতে গেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে এবং বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। তবে ওই বিভাগেও কয়েকজন গুরুতর আহত হয়।
ইবি মেডিক্যালে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. বদিউজ্জামান বলেন, শুরুতে কয়েকজন এসে খেলাধুলায় আহত হয়েছে বলে জানালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিই। পরে জখম ও আঘাতপ্রাপ্ত মিলে মোট ৫ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ২ জন চলে গেছে আর তিনজনকে ইনজেকশন দিয়ে এখনও চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে। তবে মাইনরিটি আহত বলা যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, খেলা প্রায় শেষের দিকে ছিল। বল আউট নিয়ে তর্কাতর্কি হয়। দ্রুত ঘটনাস্থলে প্রক্টরিয়ার বড়ি গিয়ে নিয়ন্ত্রণ নেয়। দুই বিভাগ মেনে নিয়েছে। ঝামেলা সমাধান হয়েছে।
আরটিভি/ এসকেডি



