
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হামলায় আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক সাংবাদিককে দেখতে গেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।
রোববার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী এ হামলা চালান। এ ঘটনায় চার সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
গুরুতর আহত চার সাংবাদিক হলেন—আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম, দ্য ডেইলি স্টারের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান এবং দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু।
আহতদের মধ্যে একজনকে রামেক হাসপাতালের ৮ নম্বর নিউরোসার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) তাকে দেখতে হাসপাতালে যান ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। এ সময় তিনি আহত সাংবাদিকের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হন। পাশাপাশি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্যান্য অসুস্থ শিক্ষার্থীরও খোঁজ নেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাকসু ভিপি মুস্তাকুর রহমান জাহিদ, ছাত্রশিবিরের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল, সেক্রেটারি হাফেজ মেহেদী হাসান, রাজশাহী মহানগর সভাপতি ইমরান নাজির, সেক্রেটারি ডা. সাখাওয়াত হোসাইন, বায়তুল মাল সম্পাদক ডা. সাকিব রানা, মেডিকেল শাখার সভাপতি রমিজ মুত্তাকিন ও সেক্রেটারি আবিদ হাসান।
এদিকে হামলার ঘটনায় রাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী ঘটনাটিকে অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল বোঝাবুঝি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি সাংবাদিক ও ছাত্রদলের মধ্যে দূরত্ব তৈরির জন্য ছাত্রশিবিরকে দায়ী করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।
তবে হামলায় ছাত্রশিবিরের সংশ্লিষ্টতার পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রমাণের তথ্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত সাংবাদিকদের অভিযোগ, ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী হামলায় জড়িত ছিলেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে হামলায় ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মীর জড়িত থাকার অভিযোগের কথা উঠে এসেছে।
আরটিভি/জেএমএ


