ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

স্থায়ী হলো ২৪৩ সহকারী শিক্ষকের চাকরি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৮ পিএম

দেশের বিভিন্ন জেলার সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২৪৩ জন সহকারী শিক্ষকের চাকরি স্থায়ী করেছে সরকার। চাকরি স্থায়ী হওয়ায় শিক্ষকরা যোগদানের তারিখ থেকে বিধি অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন। গত ৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপনে থাকা তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, স্থায়ী হওয়া শিক্ষকদের কেউ ২০১৭ সালে, কেউ ২০১৮ সালে এবং কেউ পরবর্তী সময়ে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। চাকরিতে যোগদানের কয়েক বছর পর তাদের চাকরি স্থায়ী করা হলো।

চাকরি স্থায়ী হওয়ায় শিক্ষকরা যোগদানের তারিখ থেকে বিধি অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন। একই সঙ্গে তাদের বকেয়া বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক পাওনাদিও পরিশোধ করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এখানে কিক্ল করে তালিকা দেখুন।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ
দেশের উচ্চশিক্ষার সর্ববৃহৎ প্রতিষ্ঠান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বুধবার (২১ অক্টোবর)। দিবসটি উদযাপনে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস ও নগর কার্যালয়ের ভবনসমূহে ব্যানার স্থাপন, বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ এবং কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ
অবশেষে আলোর মুখ দেখছে পাবনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
পাবনায় একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন আলোর মুখ দেখার পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেলো। পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড.শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে জেলায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনকে (ইউজিসি) নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 
অবশেষে আলোর মুখ দেখছে পাবনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
অক্টোবরের শেষেই এইচএসসির ফল প্রকাশ, যা জানাল শিক্ষা বোর্ড
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে প্রকাশের পরিকল্পনা করছে শিক্ষা বোর্ড। আগামী ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হতে পারে। তবে ২৯ অক্টোবর ফল প্রকাশের সম্ভাবনা বেশি বলে জানিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে দেশের একটি গণমাধ্যমকে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ২৯ অক্টোবরকে সামনে রেখেই প্রস্তুতি চলছে। চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়ে শেষ হয় ৮ আগস্ট। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হলে ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর। এবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী। সারা দেশে পরীক্ষার্থীদের জন্য কেন্দ্র ছিল ২ হাজার ৬৯৭টি। এদিকে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৬১টি কেন্দ্রে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬১০টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেয়। শিক্ষা বোর্ডের পরিকল্পনা অনুযায়ী, অক্টোবরের শেষ সপ্তাহেই ফল প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে। তবে ফল প্রকাশের চূড়ান্ত তারিখ আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। আরটিভি/এসকে
অক্টোবরের শেষেই এইচএসসির ফল প্রকাশ, যা জানাল শিক্ষা বোর্ড
প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে ৫ বিষয়ে অগ্রাধিকার প্রতিমন্ত্রীর
প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন ও কাঙ্ক্ষিত সংস্কার বাস্তবায়নে কারিকুলাম, শিক্ষক, মনিটরিং, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি—এই পাঁচটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে ৫ বিষয়ে অগ্রাধিকার প্রতিমন্ত্রীর
এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের তারিখ ঘোষণা
​ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২০২৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার অনলাইনে ফরম পূরণ ও ফি জমা দেওয়ার সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১৬ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত বিলম্ব ফি ছাড়া অনলাইনে ফরম পূরণ করা যাবে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় সব বিষয়ে অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হলেও জিপিএ-৫-এর কম পাওয়া শিক্ষার্থীরা নিবন্ধনের মেয়াদ থাকা সাপেক্ষে জিপিএ উন্নয়নের সুযোগ পাবেন। এ জন্য তাদের সব বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এ ছাড়া আগামী বছরের (২০২৭ সাল) এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ নিয়ে নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এতে পরীক্ষার্থীদের জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কিছু নির্দেশনা শিক্ষার্থীদের জন্য জানা জরুরি। নির্বাচনী পরীক্ষা জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থী এবং যেসব পরীক্ষার্থী ইতোমধ্যে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হয়েছে, তাদের ছাড়া নির্বাচনি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ সব শিক্ষার্থীর জন্য বাধ্যতামূলক। জিপিএ উন্নয়ন কেবল ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় সব বিষয়ে অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে এবং জিপিএ-৫-এর কম পেয়েছে এমন পরীক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকলে ২০২৭ সালের পরীক্ষায় জিপিএ উন্নয়নের জন্য অংশগ্রহণ করতে পারবে। পাঠ্যসূচি ক. অনিয়মিত/মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীরা ২০২৫ ও ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। খ. নিয়মিত পরীক্ষার্থীরা ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। গ. সব শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার এডুকেশন বিষয়ে এনসিটিবির নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সাথে ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাবে এবং ব্যবহারিক ধারাবাহিক মূল্যায়নের হাতে লেখা মূল নম্বর ফর্দ মাধ্যমিক পরীক্ষা শাখায় হাতে হাতে জমা দিতে হবে। তাদের সব বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ (২০২৬) সালের সিলেবাসে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। ২০২৭ সালের পরীক্ষায় পাওয়া ফলাফলে জিপিএ উন্নয়ন হলে তা গ্রহণ করা হবে। অন্যথায় পূর্বের জিপিএ বহাল থাকবে। জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থীকে পূর্বের পরীক্ষার প্রবেশপত্র এবং একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের সত্যায়িত ফটোকপি প্রিন্ট কপির সঙ্গে জমা দিতে হবে। চতুর্থ বিষয়ের সুবিধা ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ সালের রেজিস্ট্রেশনধারী পরীক্ষার্থীরা ২০২৫ ও ২০২৬ সালের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করে থাকলে অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে ২০২৭ সালে চতুর্থ বিষয়সহ সব বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে। ২০২৩-২৪ এবং ২০২৪-২৫ সালের রেজিস্ট্রেশনধারী পরীক্ষার্থীরা যারা ২০২৫ ও ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় সব বিষয়ে অংশগ্রহণ করে চতুর্থ বিষয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে এবং এক থেকে চার বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে তারা ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় আগের অকৃতকার্য বিষয়ে অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হলে ৪র্থ বিষয়ের সুবিধা পাবে। বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদের শাস্তির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে থাকলে এবং রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকলে তারা ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করতে পারবে। তাদের সব বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। অনিয়মিত পরীক্ষার্থী ক. ২০২৩-২৪ এবং ২০২৪-২৫ সালের রেজিস্ট্রেশনধারী শিক্ষার্থী যারা ২০২৫ এবং ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি, স্ব-স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তারা অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে ২০২৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। তাদের কোনো অবস্থাতেই নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে গণ্য করা যাবে না। খ. ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় সব বিষয়ে অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে চতুর্থ বিষয় বাদে ১ থেকে ৪ বিষয়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকলে অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য বিষয়ে অংশগ্রহণ করতে পারবে তবে তারা ইচ্ছা করলে সব বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। গ. ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয় বাদে এক থেকে তিন বিষয়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের মধ্যে যারা ২০২৬ সালের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি বা অংশগ্রহণ করে পুনরায় এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে, রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকলে তারা অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে ২০২৭ সালের পরীক্ষায় আগের অকৃতকার্য বিষয়গুলোতে অথবা সব বিষয়ে অংশগ্রহণ করতে পারবে। আংশিক বিষয়ে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক পরীক্ষার্থীরা ৪র্থ বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে না। ঘ. ২০২২-২৩ সালের রেজিস্ট্রেশনধারী শিক্ষার্থীরা যাদের রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ শেষ অথচ চতুর্থ বিষয় বাদে এখনো এক বিষয়ে অকৃতকার্য আছে সে সব শিক্ষার্থী বিশেষ বিবেচনায় রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ কেবল এক বছরের জন্য নবায়ন করে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে অকৃতকার্য বিষয়ে অংশগ্রহণ করতে পারবে। উপরের খ থেকে ঘ-এ বর্ণিত পরীক্ষার্থীদের পূর্বে উত্তীর্ণ বিষয়গুলোর প্রাপ্ত জিপি সংরক্ষিত থাকবে। ২০২৭ সালের পরীক্ষায় তাদের অংশগ্রহণকৃত বিষয়গুলোর জিপি, পূর্বে উত্তীর্ণ বিষয়গুলোর সংরক্ষিত জিপি-এর সাথে যোগ করে তাদের জিপিএ নির্ণয় করা হবে। ঘ-এ উল্লিখিত রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর পরীক্ষার ফরম পূরণের আগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড বিদ্যালয় পরিদর্শকের দপ্তরে জমা দিয়ে নবায়নকৃত রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংগ্রহ করতে হবে। আরটিভি/টিআর
এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের তারিখ ঘোষণা