ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রীর কাছে কল্যাণ তহবিল চাইলেন টেলিভিশনের শিল্পীরা

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ : ০৭ ডিসেম্বর ২০২০, ০৩:১৪ পিএম
আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০২০, ০৩:১৮ পিএম
অভিনয় শিল্পী সংঘ

অভিনয়শিল্পী সংঘ দাবি জানিয়েছে, শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে সরকারিভাবে টেলিভিশন শিল্পী কল্যাণ তহবিল গঠন করতে হবে। আজ সোমবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর নিকেতনে অবস্থিত সংগঠনটির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান সংগঠনটির নেতারা।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন শিল্পী সংঘের উপদেষ্টা বরেণ্য নাট্যজন মামুনুর রশীদ। আরও ছিলেন সংগঠনের সভাপতি শহীদুজ্জামান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রওনক হাসান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদ ও বীর যোদ্ধাদের শ্রদ্ধা জানিয়ে। এরপর আলী যাকের, কে এস ফিরোজসহ করোনার মহামারি চলাকালীন মারা যাওয়া অভিনয়শিল্পীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। একই সঙ্গে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদ জানিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করে অভিনয়শিল্পী সংঘ।

নিজেদের দাবি দাওয়া লিখিত আকারে সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিম। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা সবাই জানি যে, নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের বেসরকারি উদ্যোগে (প্যাকেজ) নাটক নির্মাণের যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল এবং পরবর্তীতে বেসরকারি টেলিভিশনের বিস্তার এবং বেসরকারি অনুষ্ঠান নির্মাণের প্রসার ঘটার সাথে সাথে, অসংখ্য অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীরা অভিনয়শিল্প তথা টেলিভিশন নাটককে পেশা হিসেবে গ্রহণ করার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন।

পরবর্তীতে অসংখ্য শিক্ষিত তরুণ শিল্পী-কলাকুশলী টেলিভিশন নাটকে অভিনয় ও অন্যান্য শাখাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন। বিগত ২৫ বছর ধরে যারা অভিনয় শিল্পকে এবং টেলিভিশন নাটককে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন, তারা আজ অনেকেই শারীরিক অসুস্থতা ও বার্ধক্যজনিত কারণে নিয়মিত কাজ করতে পারছেন না, তারা বিপর্যস্ত জীবন-যাপন করছেন, তাদের পাশে দাঁড়ানোর মতো বা আর্থিক সহযোগিতা করার মতো সরকারি বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান নেই, যাতে করে যারা জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়টাকে অভিনয় শিল্প তথা নাটকের মধ্যে নিবেদন করেছেন; আজ তারা অসহায়, নিঃস্ব হয়ে জীবন-যাপন করছেন।

তাদের জীবনের নিরাপত্তা বা তাদের জীবনকে বহন করার মতো সক্ষমতা তাদের নেই। প্রায় প্রতিটি দেশেই শিল্পী ও কলাকুশলীদের জন্য, কল্যাণ তহবিল থাকে। আমাদের দেশেও একটি রয়েছে, সেটি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে, শিল্পী কল্যাণ তহবিল। কিন্তু সেখানে টেলিভিশন শিল্পীদের কোনো উল্লেখ নেই। যদিও সেখানে অভিনয়শিল্পী উল্লেখ আছে।কিন্তু আমরা এই করোনা মহামারিতে লক্ষ্য করলাম, কোনো মন্ত্রণালয় থেকেই টেলিভিশনের শিল্পী ও কলাকুশলীদের জন্য কোনো প্রকার বরাদ্দ দেয়া হয়নি ও পাওয়া যায়নি।

আমাদের দেশে টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র এই দুটি মাধ্যমই তথ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। তথ্য মন্ত্রণালয়ে চলচ্চিত্র শাখা আছে এবং টেলিভিশন শাখাও আছে। যদিও ইতোমধ্যে তথ্য মন্ত্রণালয়, চলচ্চিত্রশিল্পী ও কুশলীদের জন্য একটি কল্যাণ তহবিল গঠন করেছে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। সেজন্য আমরা বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়কে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। কিন্তু এদিকে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে টেলিভিশন শাখা বলে কোনো শাখা নেই, তাই টেলিভিশনে যারা কাজ করেন, যুক্তিসংগতভাবে তারা তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনেই থাকবেন। কিন্তু এই মহামারিতে তথ্য মন্ত্রণালয়েরও কোনো প্রকার আর্থিক সহযোগিতা আমরা পাইনি।’

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, ‘তথ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমরা একাধিক বৈঠক করেছি এবং আমরা আমাদের পেশার নিরাপত্তার জন্য অনেকগুলো দাবি জানিয়েছিলাম যে, ডাবিং সিরিয়াল প্রচারে নীতিমালা প্রণয়ন, জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা বাস্তবায়ন, আমাদের পেশার স্বীকৃতি প্রদানের পাশাপাশি কল্যাণ তহবিল গঠন এবং টেলিভিশন শিল্পীদের জন্য যে প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট রয়েছে তা আন্তর্জাতিকমানে উন্নীতকরণ। তথ্য মন্ত্রণালয় আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছিলেন তারা বিষয়গুলো দেখবেন এবং দাবিগুলো সমাধান করবেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত সেসবের কোনো অগ্রগতি লক্ষ্য করছি না।

এই মহামারিতে লকডাউনের সময় তিন মাস আমাদের শিল্পী ও কলাকুশলীরা সবাই যখন কর্মহীন হয়ে ঘরে বসেছিলেন, তখন আমরা আমাদের নিজস্ব সহযোগিতায় নিজস্ব উদ্যোগে, অভিনয়শিল্পী সংঘের পক্ষ থেকে ২০ লাখ টাকার সহযোগিতা অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীদের মাঝে বিতরণ করেছি, যা চাহিদার তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল। সুতরাং যারা এই মাধ্যমে কাজ করবেন, তারা যাতে একটি আপদকালীন সুবিধা সরকারের নিকট থেকে পেতে পারেন, তার জন্য আমরা কল্যাণ তহবিল গঠনের জোর দাবি জানাচ্ছি। এছাড়া যদি টেলিভিশন নাটক পেশাটি নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়ে তাহলে নিশ্চিতভাবে পরবর্তী প্রজন্মের কোনো শিক্ষিত তরুণ শিল্পী-কলাকুশলী এই পেশাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করবেন না। যার ফলে শিক্ষিত নির্মাতা, শিক্ষিত নাট্যকার, শিক্ষিত অভিনয়শিল্পী, প্রশিক্ষিত ক্যামেরাম্যান, প্রশিক্ষিত টেকনিক্যাল ক্রুরা যদি এই মাধ্যমে না আসেন, তাহলে বাংলাদেশের ইলেট্রনিক্স কালচারাল অ্যাকটিভিটিস বা এই চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন মাধ্যমে যে সকল ফিকশন বা নাটক নির্মাণ হয়, সেগুলোর গুণগতমান ব্যাহত হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে শিল্পী সংঘ তাদের দাবিতে আরও বলেছে, ‘একটি জাতির মানস গঠন হয় তার সংস্কৃতি বিকাশের মাধ্যমে এবং এই মূহুর্তে দেশের সবচেয়ে দর্শকঘনিষ্ঠ মাধ্যম টেলিভিশন নাটক। তাই আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ে শংকিত। দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কের দিকে এগিয়ে চলছে, সকল সেক্টরে পরিবর্তন এসেছে, সকল সেক্টরের উন্নতি সাধন হয়েছে, কিন্তু অভিনয় শিল্পী তথা টেলিভিশন নাটকের কোন অগ্রগতি আমরা দেখতে পাচ্ছি না। যুগযুগ ধরে যে টেলিভিশন নাটক বাংলাদেশের মানুষকে বিনোদন দিয়ে এসেছে, সেই নাটক পেশাটি আজ অনিশ্চিত। টেলিভিশন নাটকের অভিনয় পেশী আজ ধীরে ধীরে অনিশ্চয়তার পথে ধাবিত হচ্ছে। সুতরাং বাংলাদেশের ইলেট্রনিক্স মাধ্যমের শিল্প-সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে, অবশ্যই অভিনয়শিল্পী এবং কলাকুশলীদের অনুপ্রেরণা যোগাতে হবে এবং তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে যথা শীঘ্র সম্ভব তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাধমে, একটি কল্যাণ তহবিল গঠন করা হোক।

কল্যাণ তহবিল এর ধরণ এমন হওয়া উচিত, ৬৫ বছর বয়স্ক শিল্পীদের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান, দূর্ঘটনায় আহত বা দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত শিল্পীদের জন্য চিকিৎসা ভাতা প্রদান, শারীরিক এবং মানসিক বিপর্যয়ের কারণে কর্মে অক্ষম শিল্পীদের মাসিক ভাতা প্রদান, কিংবা সরকারের পক্ষ থেকে এককালীন বরাদ্দ, হতে পারে, প্রতি অর্থ বছরে সরকার কর্তৃক একটি নির্দিষ্ট অংকের অর্থ বরাদ্দ। আমরা আজকের এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তথ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় আমাদের বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দাবি আদায়ের পথে এগিয়ে যেতে হবে। শিল্প সংস্কৃতি বিকাশের নিমিত্তে টেলিভিশন শিল্পী কল্যাণ তহবিল গঠন করার জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি।’

এম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শিগগিরই অভিনয়ে ফিরছেন রিয়া
শিগগিরই অভিনয়ে ফিরছেন সাম্প্রতিক আলোচিত বলিউড অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তী। নানা আলোচনা-সমালোচনার পর নতুন বছরেই পর্দায় ফিরতে যাচ্ছেন এই নায়িকা। তার অভিনয়ে ফেরার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন তারই বন্ধু ও পরিচালক রুমি জাফেরি। রুমি জাফেরি জানিয়েছেন, অতীতের সময় যেমনই হোক না কেন নতুন বছরই অভিনয়ে ফিরছেন রিয়া। সম্প্রতি ওর সাথে দেখা করেছি আমি। তবে সে এখন বেশ চুপচাপ। খুব বেশি কথা বলেনি। সুশান্ত সিংয়ের মৃত্যুর ঘটনায় অনেক ঝড় বয়েছে রিয়ার ওপর। আশা করছি শিগগিরিই স্বাভাবিক হবে রিয়া। তিনি আরও বলেন, চলতি বছরটা সবার কাছে একটা দুঃসময়ের মতো। রিয়ার কাছেও এমনটা ছিল। নীতিগতভাবে অনেকটাই ভেঙে পড়েছে সে। আশা করছি কাজে ফিরলে সব ঠিক হয়ে যাবে। প্রসঙ্গত, গত ১৪ জুন সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর ঘটনায় রিয়ার নাম প্রকাশ্যে আসে। পরে ০৮ সেপ্টেম্বর তাকে গ্রেপ্তার করে এনসিবি। সেই সময় প্রায় একমাসের মতো মুম্বাইয়ের বাইকুল্লা জেলে বন্দী থেকে ০৪ অক্টোবর জামিনে মুক্তি পান সুশান্ত সিংয়ের সাবেক প্রেমিকা রিয়া। এসআর/ এমকে
শিগগিরই অভিনয়ে ফিরছেন রিয়া
অনুদানের ছবি পেতে ছুটছেন তারকারা!  
২০২০-২১ অর্থ বছরের জন্য চলচ্চিত্রে সরকারি অনুদানের জন্য রেকর্ড সংখ্যক চিত্রনাট্য জমা  পড়েছে। একই সঙ্গে তারকা শিল্পীদের চিত্রনাট্য জমা দেওয়ারও যেন উৎসব হয়েছে। চিত্রনাট্য জমা দেওয়ার সবশেষ সময় ছিল বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৪টা পর্যন্ত। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, এবার অনুদানের জন্য চিত্রনাট্য জমাদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান, অপু বিশ্বাস ও শাহনূর, অভিনেতা আলমগীর ও শাকিব খান, প্রযোজক নেতা খোরশেদ আলম খসরু, পরিচালক অপূর্ব রানা, গাজী মাহবুব, মোস্তাফিজুর রহমান মানিক, সাজ্জাদ খান, বন্ধন বিশ্বাস, সানী সানোয়ার, কাজী হায়াত ও দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। তবে চিত্রনাট্য বাছাইয়ের জন্য এখনো জুরি বোর্ড গঠিত হয়নি। শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। চলতি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পূর্ণদৈর্ঘ্যে ১০টি এবং স্বল্পদৈর্ঘ্যে ১০টি চলচ্চিত্র অনুদান দেওয়া হবে। এম
অনুদানের ছবি পেতে ছুটছেন তারকারা!  
নতুন বছরে আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মে ডেডলাইন রেকডর্স
ডেডলাইন মিউজিক কোম্পানী কাজ শুরু করে ২০০৩ সাল থেকে। এই লেবেল কোম্পানী থেকে নিয়মিত সংগীত শিল্পী, আবৃত্তি শিল্পী, সিনেমার গান, নাটক এবং পুরো সিনেমার অডিও ভিডিও ক্যাসেট, সিডি এবং ডিভিডি প্রকাশ হয়েছে। দেড় যুগ মানে ১৮ বছরে পর্দার জনপ্রিয় তারকা মোশাররফ করিম, অপূর্ব, নিশো, মেহজাবিন, তানজিন তিশা থেকে শুরু করে অনেকের নাটক, টেলিছবি এখান থেকে প্রকাশ হয়েছে। এছাড়া সংগীত তারকা আসিফ আকবর, হাবিব, তাহসান, বালামসহ অনেক তারকা শিল্পীদের গান ডেডলাইনের ব্যানারে প্রকাশ হয়েছে। তবে নতুন বছরে নতুন খবর দিলেন এই ডেডলাইন মিউজিকের কর্ণধার ফাহিম ইসলাম। তিনি জানান, নতুন বছরে আর্ন্তজাতিক প্ল্যাটফর্ম নিয়ে আসছে ডেডলাইন। যার নাম থাকছে ডেডলাইন রেকর্ডস। শুধু দেশিয় মিডিয়া না, আর্ন্তজাতিক শিল্পীরাও এই প্লাটফর্ম-এ কাজ করবে। এমনকি দেশিয় শিল্পীদের সঙ্গে আর্ন্তজাতিক শিল্পীরা মিলিত হয়ে একসঙ্গে এই প্লাটফর্মে কাজ করবে।  আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, ২০২১ সালের জানুয়ারির প্রথম দিকে প্রকাশ হচ্ছে ডেডলাইন রেকর্ডস। এম
নতুন বছরে আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মে ডেডলাইন রেকডর্স
পর্ন তারকার সঙ্গে সালমানের সম্পর্ক কী?
সালমান খান। বলিউডের সুপারস্টার তিনি। তাকে নিয়ে ভক্তদের উন্মাদনার কমতি নেই। কদিন আগেই নিজের ৫৫তম পালন করলেন এই মহাতারকা। এই বয়সে এসেও একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তার জন্মদিনে যেন পুরো শহরবাসী এসে জড়ো হয় সালমানের বাড়ি গ্যালাক্সির সামনে।  কিন্তু এবার তেমন কিছুই ঘটেনি। বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে  জন্মদিনের একদিন আগেই নিজের পানভেলের বাংলোতে চলে গিয়েছেন। আর ওই বাড়িতে নিভৃতিতে কাটিয়েছেন নিজের ৫৫তম জন্মদিন। এমন অবস্থায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইজানকে নিয়ে বহু শুভেচ্ছা এসেছে। আর এরই মাঝে নজর কাড়ল বিশেষ একটি বার্তা। কী সেই ঘটনা জানেন?  পর্ন তারকা কেন্ড্রা লাস্টের পোস্ট দেখে মাথায় হাত সালমান ভক্তদের।  ভাইজানের জন্মদিনে কেন্ড্রা  শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ছবি পোস্ট করেন। সালমানের সঙ্গে নিজের একটি ছবি এডিট করে পাশাপাশি বসিয়ে পোস্ট করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর ওই ছবিটি শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, জন্মদিনের অসংখ্য শুভেচ্ছা আপানাকে সালমান খান। আশা করি আপনার জন্মদিন আনন্দে কাটবে। এদিকে ওই পোস্টের পর থেকে নেটিজিনদের একাংশ  হাসি-তামাশায় মেতে উঠেন। সালমান এখনো বিয়ে করেননি। আরও পড়ুন... একাকীত্বে ভুগছেন শ্রাবন্তীর স্বামী! অ্যাকশন অবতারে সানি লিওন হিন্দি গান গাইলেন হিরো আলম (ভিডিও) আমি যাই করি মানুষের সহ্য হয় না: হিরো আলম (ভিডিও) কেউ মন্তব্য করেছেন, ভাই মনে হচ্ছে এ তারকা আপনার প্রেমে পড়ে গেছে। অতীতে অবশ্য শাহরুখ খানকে নিজের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন কেন্ড্রা। এম
পর্ন তারকার সঙ্গে সালমানের সম্পর্ক কী?
গায়িকার মামলা, আসিফ বললেন আমি বিরক্ত এবং বিব্রত
বছরের শেষ দিন অর্থাৎ আজ ৩১ ডিসেম্বর নিজের বিরুদ্ধে মামলা হওয়া নিয়ে ফেসবুক ওয়ালে স্ট্যাটাস দিয়েছেন বাংলা গানের যুবরাজ খ্যাত আসিফ আকবর। স্বনামধন্য একজন গায়িকা তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন ও প্রিয়া খ্যাত এই তারকা শিল্পী। আসিফ মামলার বিষয়টি প্রকাশ করলেও কে এই মামলা করেছেন তা গোপন রেখেছেন। পাঠকদের জন্য আসিফ আকবরের স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো। বছরের শেষ দিনে আদালতের সমন পেলাম। কোন একজন স্বনামধন্য গায়িকা মামলা করেছেন। এখনো মামলার কপি উত্তোলন করিনি তাই সঠিকভাবে কোন তথ্য দিতে পারছিনা। এতোটুকু জানি ময়মনসিংহ গিয়ে মামলা ফেস করতে হবে। হাতে কিছু সময় আছে। এদিকে কপিরাইট অফিসের যাদুতে মুগ্ধ আমি। তাদের ভুলভাল দিকনির্দেশনা এখন গলার ফাঁস হয়ে গেছে। ওখানেও অযাচিত ঝামেলায় জড়াতে হচ্ছে। এসব ঝামেলা কখনো আমি চাইনি, চাইও না। আপাতত ভূক্তভোগী তবে জয় নিশ্চিত ইনশাআল্লাহ। মামলা আমার ভাল লাগেনা। আবার রাশি গ্ন্ডগোলে মুক্তির উপায়ও একমাত্র যুদ্ধ। যতই লুকিয়ে বেড়াতে চাই ততোই আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে অযাচিত ঝামেলাগুলো। আমার বিরুদ্ধে কোনরকম অপরাধ প্রমাণ করার কিছু আছে তা আপাতদৃষ্টিতে দেখিনা। কোর্টকাচারী লম্বাচওড়া প্রক্রিয়া। রসদ আছে প্রচুর, মামলা আমিও করতে পারি, কারো বিরুদ্ধে এসব প্ল্যান নিয়ে ভাবার সময়ও নাই। সেক্ষেত্রে আরেক পক্ষের দাবড়ানী সহ্য করাটাই শ্রেয় মনে করেছি। আমি মামলা দিলে মানুষ বলবে- এগুলো আসিফের সাথে যায়না। অসহনীয় অত্যাচার সহ্য করে যাচ্ছি সহজাত অভ্যাসের বাইরে গিয়ে। এখন আমার অনেক ধৈর্য, তবে এটা দুর্বলতা নয়। এতো ঝামেলা আমার সাথেই কেন হয় ? এই প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক। আমি নিজেও বিরক্ত এবং বিব্রত। সত্য কথা বলার সাহস রাখুন, ঝামেলা হবে আপনার নিশ্চিত বন্ধু। সব সুবিধা নিয়ে মুখ বন্ধ রাখুন, কাপুরুষের মত মৃত্যুস্বাদ গ্রহণ করুন। আরো একদিন আমি জিতবো, বারবার জিতেই যাবো পুরোনো অভ্যাসে। একটু লম্বা সময় নিতে হবে এই যা, ধৈর্য তো ধরতেই হবে... মাঝেমাঝে মনে হয়ে সুলতান বাদশাহ সম্রাটদের আমলে থাকলে এতো সময় নষ্টই হতো না। ভালোবাসা অবিরাম... এদিকে মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে আসিফের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছেন সঙ্গীত শিল্পী ন্যান্সি। এম  
গায়িকার মামলা, আসিফ বললেন আমি বিরক্ত এবং বিব্রত