ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

সত্য ঘটনার অনুপ্রেরণায় \'পরম প্রেমের গল্প\'

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২১, ১০:৫৮ এএম

ভালোবাসা হচ্ছে মানুষের সবচাইতে ক্ষমতাধর আবেগের অভিজ্ঞতা। সেই আবেগের উৎস কোথায় আমরা জানি না। হাসন রাজা বলেন, আখি মুঞ্জিয়া দেখো রুপ। ভালোবাসার গভীরতর উপলব্দিও কেউ দেখতে পায় না। কাজেই প্রেমিককে পাগল বলে সম্বোধন শুনতে হয়। সেই রকম এক পাগলের নাম ইসহাক আলি শরীফ। বাংলাদেশ তখন সদ্য স্বাধীন হওয়া ৫৬ হাজার বর্গমাইলের একটা যুদ্ধ বিদ্ধস্ত ভূ-রাষ্ট্র। সেই রাষ্ট্রকে তখন বিনির্মাণ করছেন বঙ্গবন্ধু।

ইসহাক আলি শরীফের বয়স তখন ৪৭ বছর। শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন চট্রগ্রামের এক ডক ইয়ার্ডে। সেখানেই তিনি খবর পান বঙ্গবন্ধু নেই। তিনি কাজ ছেড়ে নিজের গ্রামে রওনা দেন। নিজেকে নিঃস্ব মনে হয় তার। পায়রা নদীতে যখন জোয়ারের পানি আসে। সেই নদীর ধারে বসে তিনি হাউমাউ করে কাঁদেন। পায়ের মলিন জুতো জোড়া ফেলে তিনি খালি পায়ে হাঁটতে থাকেন। যে মাটিতে বঙ্গবন্ধু শুয়ে আছে সে মাটিতে তিনি জুতো পায়ে হাঁটতে পারবেন না।

শরীফের তখন তিন ছেলে-মেয়ে। বাড়িতে নুন আনতে পান্তা ফুরায়। বড় ছেলেটাকে কাজে দিয়েছেন এক গৃহস্ত বাড়িতে। মেয়েটা অন্যের বাড়ি থেকে ভাতের মার নিয়ে এসে খায়। স্ত্রী প্রতিবেশির বাড়ির ধান বেনে দেয়।

শরীফের বড় মেয়ে জাহানারা দেখতে বেশ ভালো। পাশের গ্রামের নুরুদ্দিন নানা অযুহাতে তার সঙ্গে দেখা করতে আসে। নুরুদ্দিনের মা এতো গরীবের মেয়ের সঙ্গে ছেলের মেলামেশা পছন্দ করেন না। কিন্তু নুরুদ্দিন জাহানারার জন্যে অস্থির। জাহানারা বলে পেটে ক্ষুধা থাকলে ভাব ভালোবাসা আসে না। তবু একসময় নুরুদ্দিনের জন্যে মায়া অনুভব করে সে। বিয়ের কথা হয়।

সকালে পান্তা খেয়ে শরীফ বাশ বেতের চালুনি বুনে। সেই চালুন নিয়ে বাজারে যায়। বাজারে কেউ একজন বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটু কথা বললে, তার রাগ উঠে যায়। লোকটাকে মেরে বসে। পরদিন গ্রামে শালিস বসে। শালিসে তার বিচার হয়। কিন্তু পরদিন নিরুদ্দেশ হয়ে যায় শরীফ।

পকেটে টাকা ছিলো না। তিনি বরগুনা থেকে হাঁটতে হাঁটতে চলে গিয়েছিলেন টুঙ্গিপাড়া। মানুষের থেকে চেয়ে খেয়েছেন। এদিকে স্ত্রী ছেলেমেয়েরা ধরে নিয়েছেন তিনি আর ফিরবেন না। তিনি ফিরে আসেন মাস খানেক পর। ফিরে এসে স্ত্রী ছেলে-মেয়েদের বলেন, তিনি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। তার কাছে নালিস করতে গিয়েছিলেন কিন্তু গার্ডরা তাকে কবরের কাছে যেতে দেয়নি।

গল্প করতে গিয়ে প্রতিবেশী কাসেমকেও তিনি তার এই কষ্টের কথা বলেন। গ্রামে তার নাম হয়ে যায় মুজিব পাগলা। এ নিয়ে নানা রকম টিটকারী শুনতে হয় তাকে। তিনি প্রতিবাদ করতে গিয়ে মার খান। মার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। শরীফ কখনো রঙিন জামা পড়েন না। তিনি পড়েন শোকের কালো পোশাক। গ্রামের সবাই তাকে নানাভাবে টিপ্পনি কাটলেও স্ত্রী রমিজা তাকে বুঝতে পারেন।

বিয়ের আগে শরীফের মেয়ে জাহানারার সঙ্গে দেখা করতে আসে নুরু। কথায় কথায় তার হবু শ্বশুরের পাগলামী নিয়ে কথা বললে, জাহানারা রেগে যায়। রেগে গিয়ে বলে, আমার বাপেরে যে পাগল বলে তারে আমি বিবাহ করবো না। এরপর থেকে নুরু দেখা করতে আসলে জাহানারা কথা না বলে চলে যায়। নূরু মাফ চায়। কিন্তু বিয়ের পরদিনই মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তার বাবার পাগলামী নিয়ে হাসাহাসি করে। জাহানারা তার স্বামীর সঙ্গে রাগারাগি করে। মেয়ে এসে বাপকে বোঝায়, কেনো তুমি এইসব পাগলামী করো আব্বা। শরীফ বলে, তুই এইসব গায়ে মাখিস না মা।

নুরু আসে জাহানারাকে নিতে। শরীফ তখন নুরুর কাছে জানতে চায়, বঙ্গবন্ধুরে ভালোবাসা কি দোষের? আমি কি কোন দোষ করছি? নূরু বলে, আপনে তো পাগলামী করেন আব্বা। পাগলামীটা বন্ধ করেন। বেশ অনেকটা সময় চুপ করে থেকে শরীফ মৃদু হাসে, কিন্তু তার চোখের ভেতর চিক চিক করে অশ্রুকণা। সেই অশ্রুকণায় একই সঙ্গে মিশে থাকে ভালোবাসা আর অভিমান।

তারপর অভাবে অনটনে কেটে গেছে বহু বছর। রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হয়েছে। মিছিলে মিটিংয়ে অংশ নিয়েছে শরীফ। তার অভাব আজও দূর হয়নি। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর প্রতি তার ভালোবাসা এখনো আগের মতোই। এখনও গ্রামের লোকেরা তাকে মুজিব পাগলা বলেই ডাকে। তাকে দেখলে বলে, ওই যে যায় মুজিব পাগলা।

দীর্ঘ ৯২ বছর বয়সে আর কখনোই তিনি পায়ে জুতো পড়েন নাই। জীর্ণ বাড়ির উঠানে বসে তিনি এখন বেতের চালুন বোনেন। বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসার গভীরতর অনুভূতি বুকে নিয়ে তিনি স্বপ্ন দেখেন, একদিন এদেশের সব দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন একদিন পূরণ হবে।

প্রসঙ্গত, জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আজ রাত ৮টায় আরটিভিতে প্রচার হবে বিশেষ নাটক 'পরম প্রেমের গল্প'। সত্য ঘটনার অনুপ্রেরণায় মাসুম শাহরিয়ারের রচনা ও পরিচালনায় এতে অভিনয় করেছেন- ফজলুর রহমান বাবু, আনিসুর রহমান মিলন, নাবিলা ইসলাম প্রমুখ।

এনএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বছর শেষে বিশাল চমক দিলেন আনুশকা
বলিউডের তারকা অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা। স্বামী-সন্তান-সংসার সামলাতে দীর্ঘ সময় রূপালি পর্দার বাইরে রয়েছেন তিনি। তবে চলতি বছরের শেষ দিনে মিলল দারুণ সুখবর। খুব শিগগির রূপালি পর্দায় ফিরতে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। মূলত সন্তানসম্ভবা হওয়ার পর পরই শুটিং থেকে বিরতি নিয়েছিলেন আনুশকা। শুধু তাই নয়, মেয়ে ভামিকার জন্মের পরেও তাকেই বেশি সময় দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। ফলে নতুন করে আর কোন ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হননি আনুশকা। বর্তমানে মেয়ে ভামিকা একটু বড় হওয়ায় আবারও শুটিংয়ে ফিরতে যাচ্ছেন বিরাটপত্নী। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, আনুশকার হাতে এই মুহূর্তে রয়েছে তিন তিনটি বিগ প্রজেক্ট! যার মধ্যে দুটি ছবি তৈরি হতে চলেছে বড়পর্দার জন্য এবং একটি ওটিটির জন্য। তবে ওটিটির জন্য ওয়েব সিরিজ নয়, একটি ওয়েব ফিল্মে কাজ করবেন আনুশকা। যার মধ্য দিয়ে ওটিটিতে অভিনয়ে প্রথমবারের মত যুক্ত হচ্ছেন তিনি। এদিকে সূত্রের খবর, আনুশকার ওয়েব ডেবিউ ফিল্ম হতে চলেছে বিগ বাজেটের! ওটিটির জন্য এত বড় মাপের ছবি এখন পর্যন্ত বলিউডে তৈরি হয়নি। ফলে সবাই এখন আনুশকাকে পর্দায় দেখার অপেক্ষায় মুখিয়ে রয়েছেন। এনএস
বছর শেষে বিশাল চমক দিলেন আনুশকা
ক্যাটরিনার পেছনে বসে থাকা ছেলেটিই এখন ভারতের এক নম্বর পেসার
বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। ২০০৮ সালে আইপিএলের উদ্বোধনী মৌসুমে ক্যাটরিনা ছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর (আরসিবি) ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর। যে কারণে মাঠে আসতে হয়েছিল তাকে। সম্প্রতি সে সময়ের ক্যাটরিনার একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, আইপিএল দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর জার্সি পরে স্টেডিয়ামে খেলা উপভোগ করছেন ক্যাটরিনা। তবে ভাইরাল সেই ছবির আলোচনার বিষয় কিন্তু ক্যাটরিনা নন; তার পেছনে বসে হাত তালি দিতে থাকা লাজুক চেহারার সেই ছেলেটিকে ঘিরেই যত আলোচনা। অনেকেই চিনেও চিনতে পারছেন না তাকে। তাদের প্রশ্ন কে এই কিশোর? সে প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে যেতে হবে ছবিটির গভীরে অর্থাৎ ইতিহাসে। ক্যাটরিনার পেছনে আরসিবির জার্সি পরা সেই লাজুক ছেলেটি আর কেউ নন, ভারতের বর্তমান দলের সেরা পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ। যাকে ছাড়া এখন ভারত দল কল্পনা করা যায় না। ২০০৮ সালে গ্যালারিতে বসে খেলা উপভোগ করা সেই কিশোরের আইপিএলে অভিষেক ঘটে ২০১৩ সালে। আরসিবি ভক্ত বুমরাহ অবশ্য অভিষেক ম্যাচ থেকেই মুম্বাই ইন্ডিয়ানসে খেলছেন। ২০২২ আইপিএলেও মুম্বাইয়ের হয়েই খেলবেন তিনি। প্রসঙ্গত, বর্তমানে ভারতের এক নম্বর পেসার বুমরাহ। তাই ভাইরাল ছবিতে ক্যাটরিনাকে ছাপিয়ে পেছনে বসে থাকা সেই কিশোর বুমরাহকে নিয়েই চর্চা হচ্ছে বেশি। এনএস
ক্যাটরিনার পেছনে বসে থাকা ছেলেটিই এখন ভারতের এক নম্বর পেসার
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মরণে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেছে বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া লিমিটেড৷ প্রামাণ্যচিত্রটি গবেষণা, চিত্রনাট্য, আবহসংগীত ও পরিচালনা করেছেন সৈয়দ সাবাব আলী আরজু। ২০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশ প্যানারোমা বিভাগে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ প্রামাণ্যচিত্রটি প্রদর্শনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। আসছে নতুন বছরের ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে প্রামাণ্যচিত্রটি প্রদর্শিত হবে। সৈয়দ আশিক রহমান প্রযোজিত ২ ঘণ্টা ২৭ মিনিট দৈর্ঘ্যের ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’-এর ঘটনার ব্যাপ্তিকাল বাঙালি জাতিরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবছর ১৯২০ সাল থেকে তাঁর মৃত্যু দিবস ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট পর্যন্ত। এতে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর উন্মেষ পর্ব (১৯২০-১৯৪৭), বঙ্গবন্ধুর জাতীয় রাজনীতিতে পদার্পণ (১৯৪৭-১৯৫৪), বঙ্গবন্ধুর উত্থান পর্ব (১৯৫৫-১৯৬৩), স্বাধিকার ও অভ্যুত্থান পর্ব (১৯৬৩-১৯৬৯), ঐতিহাসিক নির্বাচন পর্ব (১৯৭০), স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ পর্ব (১৯৭১) এবং স্বদেশ, বিশ্বনায়ক ও প্রয়াণ পর্ব (১৯৭২-১৯৭৫)। এই প্রামাণ্যচিত্রে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন যেমন বিস্তৃতভাবে উঠে এসেছে, তেমনি উঠে এসেছে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও জনগণের অবিস্মরণীয় অবদান; সেইসাথে বাংলাদেশকে ঘিরে আন্তর্জাতিক রাজনীতির পক্ষে-বিপক্ষের বিভিন্ন কর্মকান্ড। গণমাধ্যম হিসেবে আরটিভি মনে করে, বিশ্বের কাছে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে কার্যকরভাবে তুলে ধরার জন্য ইংরেজি সাব-টাইটেলসহ সুনির্মিত প্রামাণ্যচিত্র বড় ভূমিকা রাখতে পারে। এনএস
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’
শিল্পী সমিতির সভাপতি পদে লড়বেন ইলিয়াস কাঞ্চন
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। শিগগিরই ঘোষণা হবে নির্বাচনী তফসিল। এর মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন শিল্পীরা। বেশ আগেই জানা গিয়েছিল এবারের নির্বাচনে অভিনেত্রী নিপুণ একটি প্যানেল তৈরি করবেন। এবার জানা গেল সেই প্যানেল থেকে অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন সভাপতি পদে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন। ইলিয়াস কাঞ্চন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার কাছে ওরা এসেছে। প্রস্তাব দিয়েছে। আলোচনা করে ভালো লেগেছে। তাদের ভাবনা ও দর্শন সিনেমা এবং শিল্পীবান্ধব। আসলে তফসিল ঘোষণার আগে কোনো কিছু বলা উচিত নয়। আর আমার নির্বাচনের বিষয়টা অনেক গোপন ছিল। কিভাবে চাউর হলো বুঝতে পারছি না।' তিনি আরও বলেন, '৭ জানুয়ারির পর্যন্ত সময় নিয়েছি। এরপর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেব।' এদিকে সেক্রেটারি পদপ্রার্থী অভিনেত্রী নিপুণ বলেন, 'আমরা একটি মজবুত নেতৃত্ব নিয়ে আসতে চাই চলচ্চিত্র শিল্পীদের জন্য। সেই ভাবনায় ইলিয়াস কাঞ্চন সাহেব আমাদের যোগ্য অভিভাবক হবেন। উনাকে পেলে আমরা অনুজরা সাহস পাবো। অনেক কিছু করতে পারবো বলে আশা রাখি। তাই সবাই মিলে অনুরোধ করেছি। তিনি রাজি হয়েছেন। সম্পূর্ণ প্যানেল ঠিক হওয়া পর আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবো।' নিপুণের প্যানেলের সভাপতি কে হচ্ছেন তা জানা গেলেও জায়েদ খানের প্যানেল থেকে এখনো কোনো ঘোষণা আসেনি। ধারণা করা হচ্ছে, দুই-এক দিনের মধ্যে তিনিও সব জানাবেন। এনএস
শিল্পী সমিতির সভাপতি পদে লড়বেন ইলিয়াস কাঞ্চন
অবশেষে বিয়েতে রাজি মিমি
কলকাতার জনপ্রিয় নায়িকা ও সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তী। পর্দার মতো রাজনীতির মাঠেও তার দাপুড়ে বিচরণ। তবে সিনেমা ও রাজনীতি দক্ষ হাতে সামলালেও নিজের সংসার গুছিয়ে উঠতে পারেননি। ৩২ বছর পেরিয়ে এখনো সিঙ্গেল তিনি। প্রেম, বিচ্ছেদের পালা চুকিয়ে অবশেষে বিয়ে করতে রাজি এই অভিনেত্রী। মিমি বলেন, ‘পরিবার থেকে নিয়মিতই বিয়ের জন্য বলা হচ্ছে। মা চায় আমি বিয়ে করি। আমিও বিয়ে করতে চাই। তবে তার জন্য সময়ের অপেক্ষা। চোখের সামনে এত সম্পর্ক ভাঙতে দেখি! জানি না...।’ তিনি আরও বলেন, ‘খারাপ-ভাল মিশিয়ে কেটে গেল বছর। আমি খুশি, সুস্থ আছি। নিজের মতো জীবন কাটাতে পারছি। আমার থালায় খাবার আছে। যদি কাউকে অনিচ্ছায় দুঃখ দিয়ে থাকি, নতুন বছরে চেষ্টা করব সেই দুঃখ না দেওয়ার। নতুন বছর এসে দাঁড়ানো মানেই সময় ফুরিয়ে যাওয়া।’ প্রেমের সম্পর্কে বিচ্ছেদের পর দীর্ঘদিন ধরে একাই আছেন মিমি। বেশ কয়েক বছর তার সঙ্গী ছিল প্রিয় পোষ্য চিকু। বিদায়ী বছরটিতে তাকেও হারিয়েছেন নায়িকা। এটাই মিমির এ বছরের সবচেয়ে বড় কষ্টের ঘটনা। সামনের দিনগুলোতে যাতে আপনজনকে হারাতে না হয়, সেটা নিয়েই তার ভয়। মিমির ভাষ্য, ‘বছরটা শেষ হয়ে আসছে। একটাই ভয়, আমার কাছের মানুষগুলো যেন হারিয়ে না যায়। ভালবাসার মানুষের বড্ড অভাব যে!’ এনএস
অবশেষে বিয়েতে রাজি মিমি
আরও পড়ুন
‘চাঁদনী’ কেন আসে না?
যুক্তরাষ্ট্র থেকে সুখবর দিলেন বুবলী
শোকদিবসে আরটিভির আয়োজনে যা থাকছে
দুই নাটকে জুটি বাঁধলেন মিলন-তামান্না