ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

হলি আর্টিজান ঘটনায় চলচ্চিত্র নির্মাণ নিয়ে জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৩৪ পিএম

সমসাময়িক সময়ে ভারতীয় চিত্রনির্মাতা হানসাল মেহতার ঘোষিত নতুন চলচ্চিত্র ‘ফারায’ কঠোর সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। চলচ্চিত্রটি ২০১৬ সালের ১লা জুলাই ঢাকার গুলশানে অবস্থিত ‘হলি আর্টিজান বেকারী’ হামলার ঘটনার উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে - যেখানে একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর হামলায় ২২ নিরীহ মানুষ নির্মমভাবে হত্যার শিকার হয়। চলচ্চিত্র নির্মানের সংবাদটি ইতোমধ্যে হামলায় নিহতদের পরিবার-পরিজনের কাছে অত্যন্ত বেদনার কারণ হওয়ায় তারা চলচ্চিত্রটির নির্মাণে কঠোর আপত্তি প্রকাশ করছে।

নির্মিত চলচ্চিত্রটি হামলায় নিহতদের আত্মত্যাগের প্রতি চরম অসম্মান প্রদর্শন করবে, পাশাপাশি পরোক্ষভাবে বাংলাদেশকে একটি চরমপন্থী রাষ্ট্র হিসাবে এটি বিশ্বের দরবারে দেশের সুনাম ক্ষুন্ন করবে। “সেই ভয়াবহ রাতের ঘটনাটি কোনো অবস্থাতেই আমাদের দেশ, আমাদের জাতি ও আমাদের ধর্মকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারে না, বরং এরকম একটি ঘটনার চলচ্চিত্রের মাধ্যমে পুনরাবৃত্তি মানুষের বিশ্বাসে বিরূপ ধারণার জন্ম দিবে যা সর্বোপরি আমাদের দেশের প্রতি অবিচার এবং দেশের মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করবে”- একজন নিহতের পরিবারের দাবী।

ছবিটির প্রকাশিত টিজার ও নাম থেকে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়, যেখানে চলচ্চিত্রটি সেই রাতের ঘটনায় নিহত ‘ফারায’ কে কেন্দ্র করে নির্মিত - যিনি ঘটনার সময়ে তাঁর দুজন বন্ধু অবিন্তা কবির ও তারিশি জৈনের সাথে ক্যাফেতে উপস্থিত ছিলেন। তারা তিনজন একই সাথে ঘটনার নির্মমতার শিকার হয়ে সেই রাতে প্রাণ হারান। অবিন্তা কবির ও তারিশি জৈন এর পরিবার চলচ্চিত্রটি নির্মাণ কাজ অনতিবিলম্বে বন্ধ করার জন্যে নির্মাতা হানসাল মেহতা ও অন্যান্য আনুসঙ্গিক নির্মাতাদের আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। তারা বিবৃতি দেন যে, “সেই রাতের ঘটনা আমাদের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য শোকের কারণ, যা আমরা প্রতিনিয়ত বহন করে চলেছি। এরকম একটি ঘটনা যা জনমানুষের আবেগ ও অনুভূতিতে কঠিন বাস্তবতা হয়ে দাঁড়ায়, অবিলম্বে এর চিত্রায়ন চিরতরে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা উচিৎ”।

উপরন্তু, চলচ্চিত্রটি নির্মাণের পূর্বে নির্মাতা এবং সংশ্লিষ্ট প্রডাকশন হাউজ - হামলায় নিহত ব্যক্তিদের কারো পরিবারের কাছ থেকে কোনো প্রকার সম্মতি গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। বিশেষত, অবিন্তা কবির ও তারিশি জৈন এর পরিবারের কাছ থেকে কোনো প্রকার অনুমতি গ্রহণ করা হয়নি - যেখানে তাদের সংশ্লিষ্টতা ছাড়া এটির নির্মাণ অসম্ভব।

অবিন্তা কবির এর শোকসন্তপ্ত মা রুবা আহমেদ জানান, “এরকম একটি ঘটনা যা জাতিকে রাতারাতি স্তব্ধ করে তুলেছিল - এটির চিত্রায়ন কখনো কোনো অবস্থাতেই সমীচীন নয়”। তিনি আরো জানান, চলচ্চিত্রটি নির্মাণের পূর্বে সংশ্লিষ্ট প্রডাকশন হাউজটির হামলায় নিহতদের পরিবারের কাছ থেকে কোনো প্রকার বৈধ অনুমোদন গ্রহণ না করার মত অসংবেদনশীল আচরণ - তাকে চরমভাবে হতাশ করেছে।

“নিহত ফারায’কে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে গেলে এটাই স্বাভাবিক যে আমার মেয়ে (অবিন্তা কবির), তুলিকার মেয়ে (তারিশি জৈন) এবং ঘটনায় অন্যান্য নিহত সকলেই দৃশ্যপটে চলে আসবে। এটা কি করে সম্ভব হয় - যেখানে আমাদের মধ্যে থেকে কারো কাছেই সম্মতি চাওয়া হয়নি? এটি বাস্তব ঘটনার ওপর নির্মাণ করার কথা বলা হয়েছে, সুতরাং শুধুমাত্র একজনের চরিত্র তুলে ধরতে গিয়ে বাকি ২১ জন নিহতদের করুণ বাস্তবতাকে তুচ্ছ করা নয়? যারা একই ঘটনার শিকার, এটা কেমন মানবতা?

অবিন্তা কবির ও তারিশি জৈন এর পরিবারবর্গ নির্মাতা মেহতা এবং অন্যান্য চলচ্চিত্র নির্মাতাদের কাছে সেই রাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোনো প্রকার শিল্পকর্ম নির্মাণ না করার জন্যে তাদের আপত্তি পেশ করেছেন। নির্মাতাদের তারা অনুরোধ জানান, যাতে পরবর্তী সময়ে তারা এরকম কিছুর পুনরাবৃত্তি না ঘটান - যা তাদের এবং অন্যান্য নিহতদের পরিবারকে সেই ভয়াল রাতের স্মৃতিচারণ করতে বাধ্য করে।

নিউজিল্যান্ড এর ক্রাইস্টচার্চ মসজিদে ১৫ মার্চ ২০১৯ সালের গোলাগুলির ঘটনাটির উপর ভিত্তি করে পরিচালক এন্ডরু নিকল তাঁর “দে আর আস” নামক চলচ্চিত্রের নির্মাণ কাজের উদ্যোগ গ্রহণ করেন, যেখানে একজন শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীর হাতে ৫১ জন মুসলমান নিহত হওয়ার ঘটনাটি উঠে আসে। এই খবর প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, যেখানে তারা চলচ্চিত্রটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবিসহ প্রচন্ড ক্ষোভ প্রকাশ করেন এমন একটি আপত্তিকর বিষয় নিয়ে নির্মাতাদের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য।

পরিচালক নিকল প্রতিবাদের জেরে চলচ্চিত্রটি স্থগিত করতে বাধ্য হন, এবং বিবৃতি দেন যে, “তার এই উদ্যোগের কারণে নিহতদের পরিবারকে অনাকাঙ্খিতভাবে কষ্ট দেওয়ার জন্যে তিনি দুঃখ প্রকাশ করছেন”। একই মনোভাব মেহতা এবং ‘ফারায’ চলচ্চিত্রের সংশ্লিষ্ট অন্যদের কাছেও কাম্য।

এমন একটি চলচ্চিত্র যার মাধ্যমে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়ার সম্ভাবনা বিদ্যমান, যা ইসলাম ধর্মকে অপব্যাখা করে এবং সর্বোপরি ১লা জুলাই হামলায় নিহতদের আত্মত্যাগের স্মৃতির প্রতি অসম্মানজনক - এটি বিশ্বদরবারে মুক্তির আগে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের দ্বারা এর পরিপূর্ন যাচাইকরণ অত্যাবশকীয়।

এমএন

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বছর শেষে বিশাল চমক দিলেন আনুশকা
বলিউডের তারকা অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা। স্বামী-সন্তান-সংসার সামলাতে দীর্ঘ সময় রূপালি পর্দার বাইরে রয়েছেন তিনি। তবে চলতি বছরের শেষ দিনে মিলল দারুণ সুখবর। খুব শিগগির রূপালি পর্দায় ফিরতে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। মূলত সন্তানসম্ভবা হওয়ার পর পরই শুটিং থেকে বিরতি নিয়েছিলেন আনুশকা। শুধু তাই নয়, মেয়ে ভামিকার জন্মের পরেও তাকেই বেশি সময় দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। ফলে নতুন করে আর কোন ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হননি আনুশকা। বর্তমানে মেয়ে ভামিকা একটু বড় হওয়ায় আবারও শুটিংয়ে ফিরতে যাচ্ছেন বিরাটপত্নী। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, আনুশকার হাতে এই মুহূর্তে রয়েছে তিন তিনটি বিগ প্রজেক্ট! যার মধ্যে দুটি ছবি তৈরি হতে চলেছে বড়পর্দার জন্য এবং একটি ওটিটির জন্য। তবে ওটিটির জন্য ওয়েব সিরিজ নয়, একটি ওয়েব ফিল্মে কাজ করবেন আনুশকা। যার মধ্য দিয়ে ওটিটিতে অভিনয়ে প্রথমবারের মত যুক্ত হচ্ছেন তিনি। এদিকে সূত্রের খবর, আনুশকার ওয়েব ডেবিউ ফিল্ম হতে চলেছে বিগ বাজেটের! ওটিটির জন্য এত বড় মাপের ছবি এখন পর্যন্ত বলিউডে তৈরি হয়নি। ফলে সবাই এখন আনুশকাকে পর্দায় দেখার অপেক্ষায় মুখিয়ে রয়েছেন। এনএস
বছর শেষে বিশাল চমক দিলেন আনুশকা
ক্যাটরিনার পেছনে বসে থাকা ছেলেটিই এখন ভারতের এক নম্বর পেসার
বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। ২০০৮ সালে আইপিএলের উদ্বোধনী মৌসুমে ক্যাটরিনা ছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর (আরসিবি) ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর। যে কারণে মাঠে আসতে হয়েছিল তাকে। সম্প্রতি সে সময়ের ক্যাটরিনার একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, আইপিএল দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর জার্সি পরে স্টেডিয়ামে খেলা উপভোগ করছেন ক্যাটরিনা। তবে ভাইরাল সেই ছবির আলোচনার বিষয় কিন্তু ক্যাটরিনা নন; তার পেছনে বসে হাত তালি দিতে থাকা লাজুক চেহারার সেই ছেলেটিকে ঘিরেই যত আলোচনা। অনেকেই চিনেও চিনতে পারছেন না তাকে। তাদের প্রশ্ন কে এই কিশোর? সে প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে যেতে হবে ছবিটির গভীরে অর্থাৎ ইতিহাসে। ক্যাটরিনার পেছনে আরসিবির জার্সি পরা সেই লাজুক ছেলেটি আর কেউ নন, ভারতের বর্তমান দলের সেরা পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ। যাকে ছাড়া এখন ভারত দল কল্পনা করা যায় না। ২০০৮ সালে গ্যালারিতে বসে খেলা উপভোগ করা সেই কিশোরের আইপিএলে অভিষেক ঘটে ২০১৩ সালে। আরসিবি ভক্ত বুমরাহ অবশ্য অভিষেক ম্যাচ থেকেই মুম্বাই ইন্ডিয়ানসে খেলছেন। ২০২২ আইপিএলেও মুম্বাইয়ের হয়েই খেলবেন তিনি। প্রসঙ্গত, বর্তমানে ভারতের এক নম্বর পেসার বুমরাহ। তাই ভাইরাল ছবিতে ক্যাটরিনাকে ছাপিয়ে পেছনে বসে থাকা সেই কিশোর বুমরাহকে নিয়েই চর্চা হচ্ছে বেশি। এনএস
ক্যাটরিনার পেছনে বসে থাকা ছেলেটিই এখন ভারতের এক নম্বর পেসার
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মরণে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেছে বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া লিমিটেড৷ প্রামাণ্যচিত্রটি গবেষণা, চিত্রনাট্য, আবহসংগীত ও পরিচালনা করেছেন সৈয়দ সাবাব আলী আরজু। ২০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশ প্যানারোমা বিভাগে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ প্রামাণ্যচিত্রটি প্রদর্শনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। আসছে নতুন বছরের ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে প্রামাণ্যচিত্রটি প্রদর্শিত হবে। সৈয়দ আশিক রহমান প্রযোজিত ২ ঘণ্টা ২৭ মিনিট দৈর্ঘ্যের ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’-এর ঘটনার ব্যাপ্তিকাল বাঙালি জাতিরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবছর ১৯২০ সাল থেকে তাঁর মৃত্যু দিবস ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট পর্যন্ত। এতে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর উন্মেষ পর্ব (১৯২০-১৯৪৭), বঙ্গবন্ধুর জাতীয় রাজনীতিতে পদার্পণ (১৯৪৭-১৯৫৪), বঙ্গবন্ধুর উত্থান পর্ব (১৯৫৫-১৯৬৩), স্বাধিকার ও অভ্যুত্থান পর্ব (১৯৬৩-১৯৬৯), ঐতিহাসিক নির্বাচন পর্ব (১৯৭০), স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ পর্ব (১৯৭১) এবং স্বদেশ, বিশ্বনায়ক ও প্রয়াণ পর্ব (১৯৭২-১৯৭৫)। এই প্রামাণ্যচিত্রে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন যেমন বিস্তৃতভাবে উঠে এসেছে, তেমনি উঠে এসেছে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও জনগণের অবিস্মরণীয় অবদান; সেইসাথে বাংলাদেশকে ঘিরে আন্তর্জাতিক রাজনীতির পক্ষে-বিপক্ষের বিভিন্ন কর্মকান্ড। গণমাধ্যম হিসেবে আরটিভি মনে করে, বিশ্বের কাছে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে কার্যকরভাবে তুলে ধরার জন্য ইংরেজি সাব-টাইটেলসহ সুনির্মিত প্রামাণ্যচিত্র বড় ভূমিকা রাখতে পারে। এনএস
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’
শিল্পী সমিতির সভাপতি পদে লড়বেন ইলিয়াস কাঞ্চন
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। শিগগিরই ঘোষণা হবে নির্বাচনী তফসিল। এর মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন শিল্পীরা। বেশ আগেই জানা গিয়েছিল এবারের নির্বাচনে অভিনেত্রী নিপুণ একটি প্যানেল তৈরি করবেন। এবার জানা গেল সেই প্যানেল থেকে অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন সভাপতি পদে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন। ইলিয়াস কাঞ্চন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার কাছে ওরা এসেছে। প্রস্তাব দিয়েছে। আলোচনা করে ভালো লেগেছে। তাদের ভাবনা ও দর্শন সিনেমা এবং শিল্পীবান্ধব। আসলে তফসিল ঘোষণার আগে কোনো কিছু বলা উচিত নয়। আর আমার নির্বাচনের বিষয়টা অনেক গোপন ছিল। কিভাবে চাউর হলো বুঝতে পারছি না।' তিনি আরও বলেন, '৭ জানুয়ারির পর্যন্ত সময় নিয়েছি। এরপর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেব।' এদিকে সেক্রেটারি পদপ্রার্থী অভিনেত্রী নিপুণ বলেন, 'আমরা একটি মজবুত নেতৃত্ব নিয়ে আসতে চাই চলচ্চিত্র শিল্পীদের জন্য। সেই ভাবনায় ইলিয়াস কাঞ্চন সাহেব আমাদের যোগ্য অভিভাবক হবেন। উনাকে পেলে আমরা অনুজরা সাহস পাবো। অনেক কিছু করতে পারবো বলে আশা রাখি। তাই সবাই মিলে অনুরোধ করেছি। তিনি রাজি হয়েছেন। সম্পূর্ণ প্যানেল ঠিক হওয়া পর আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবো।' নিপুণের প্যানেলের সভাপতি কে হচ্ছেন তা জানা গেলেও জায়েদ খানের প্যানেল থেকে এখনো কোনো ঘোষণা আসেনি। ধারণা করা হচ্ছে, দুই-এক দিনের মধ্যে তিনিও সব জানাবেন। এনএস
শিল্পী সমিতির সভাপতি পদে লড়বেন ইলিয়াস কাঞ্চন
অবশেষে বিয়েতে রাজি মিমি
কলকাতার জনপ্রিয় নায়িকা ও সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তী। পর্দার মতো রাজনীতির মাঠেও তার দাপুড়ে বিচরণ। তবে সিনেমা ও রাজনীতি দক্ষ হাতে সামলালেও নিজের সংসার গুছিয়ে উঠতে পারেননি। ৩২ বছর পেরিয়ে এখনো সিঙ্গেল তিনি। প্রেম, বিচ্ছেদের পালা চুকিয়ে অবশেষে বিয়ে করতে রাজি এই অভিনেত্রী। মিমি বলেন, ‘পরিবার থেকে নিয়মিতই বিয়ের জন্য বলা হচ্ছে। মা চায় আমি বিয়ে করি। আমিও বিয়ে করতে চাই। তবে তার জন্য সময়ের অপেক্ষা। চোখের সামনে এত সম্পর্ক ভাঙতে দেখি! জানি না...।’ তিনি আরও বলেন, ‘খারাপ-ভাল মিশিয়ে কেটে গেল বছর। আমি খুশি, সুস্থ আছি। নিজের মতো জীবন কাটাতে পারছি। আমার থালায় খাবার আছে। যদি কাউকে অনিচ্ছায় দুঃখ দিয়ে থাকি, নতুন বছরে চেষ্টা করব সেই দুঃখ না দেওয়ার। নতুন বছর এসে দাঁড়ানো মানেই সময় ফুরিয়ে যাওয়া।’ প্রেমের সম্পর্কে বিচ্ছেদের পর দীর্ঘদিন ধরে একাই আছেন মিমি। বেশ কয়েক বছর তার সঙ্গী ছিল প্রিয় পোষ্য চিকু। বিদায়ী বছরটিতে তাকেও হারিয়েছেন নায়িকা। এটাই মিমির এ বছরের সবচেয়ে বড় কষ্টের ঘটনা। সামনের দিনগুলোতে যাতে আপনজনকে হারাতে না হয়, সেটা নিয়েই তার ভয়। মিমির ভাষ্য, ‘বছরটা শেষ হয়ে আসছে। একটাই ভয়, আমার কাছের মানুষগুলো যেন হারিয়ে না যায়। ভালবাসার মানুষের বড্ড অভাব যে!’ এনএস
অবশেষে বিয়েতে রাজি মিমি
আরও পড়ুন
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’
এ রকম কিছু ঘটবে বুঝতে পারিনি : বাঁধন
বৃদ্ধ বেশে অভিনয়ে ফিরলেন জয়
যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ মূল্যায়ন যথার্থ : তথ্যমন্ত্রী