ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

অভিনয়ের বাইরে রাজনীতি আমার পছন্দ: ঊর্মিলা

কুদরত উল্লাহ

প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০৮:২৬ পিএম
ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর

২০০৯ সালে একটি রিয়েলিটি-শো এর প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মিডিয়ায় পথচলা শুরু করেন। অভিনয়ে আসার আগে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর। একাধারে বিজ্ঞাপন, নাটক, চলচ্চিত্রে নিজের অভিনয় পারদর্শিতা দেখিয়েছেন। অভিনয়শিল্পীর সমসাময়িক কাজ, ব্যক্তিজীবন ও শুটিং নিয়ে কথা বলেছেন আরটিভি নিউজের সঙ্গে। লিখেছেন রিপোর্টার কুদরত উল্লাহ।

আরটিভি: আপনি দীর্ঘদিন অভিনয়ের সঙ্গে জড়িত। আপনার এই পথচলা কেমন উপভোগ করছেন?

ঊর্মিলা: হ্যাঁ, এখন দীর্ঘ বছর বলা চলে। এই পথে সবার ভালোবাসা পেয়েছি। মোটামুটি একটা অবস্থানে আছি এখন। এই প্রফেশনে এসে সিনিয়র, জুনিয়ার, বন্ধু-বান্ধব অনেকেই তৈরি হয়েছেন। সবাই অনেক হেল্পফুল। বিশেষ করে আমার ভক্তদের কিংবা দর্শকের কথাতো বলতেই হচ্ছে। তাদের জন্যই আজকের আমি। তাদের ভালোবাসা আমাকে প্রতিটা সময়ই মুগ্ধ করে। আমি খুব আনন্দ উপভোগ করি। সেজন্য সবার প্রতি ভালোবাসা।

আরটিভি: সম্প্রতি আপনার অভিনীত ‘শান্তি মলম ১০ টাকা’ ধারাবাহিক নাটকের চরিত্রটি কেমন?

ঊর্মিলা : এটা ঠিক, কিছুটা ব্যতিক্রম চরিত্রে অভিনয় করছি। নাটকটিতে আমি কোহিনুর নামের চরিত্রে অভিনয় করছি। মোটামুটি ভালো একটা জায়গা আছে অভিনয় করার। এর আগে অভিনেতা আরফান ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করা হয়নি। তাছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে কোন গ্রামেও কাজ করা হয়নি। এছাড়া লাভলু ভাইতো খুব মজার একজন মানুষ। তাই খুব উপভোগ করছি শুটিং। অন্যদিকে দর্শকের রেসপন্সও পাচ্ছি খুব।

আরটিভি: শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা কেমন?

ঊর্মিলা: খুব ভালো। নির্মাতা হিমু ভাইয়ের সঙ্গে এটাই আমার প্রথম কাজ। খুব সিরিয়াস যখন তিনি নির্মাতা। আবার মন মতো যখন দৃশ্য তিনি পেয়ে যান তখন দেখা যায় খুব ফান মুডে থাকেন। এরপর আবার গল্প করতে করতে বিষয় গুলো সহজ করে দেন। শুধু হিমু ভাই না, আমার যে সহশিল্পীরা আছেন এই নাটকটিতে, তারাও একইরকম। যখনই মনে হয় একটু বোরিং লাগছে কারও, ঠিক তখনই ব্রেক নিয়ে কিছু আড্ডাবাজি করে আবারও শুরু হয় দৃশ্যধারণ। এর কারণ একটাই কাজের মতো কাজ একবার করলেই হয়, বারবার প্রয়োজন হয় না। আর সবাইতো মানুষ, একটু বিরক্তি, ক্লান্তি তো আসবেই। তাই শুটিংয়ের দৃশ্যধারণ করাটাও জরুরি আবার তার মাঝে আড্ডাটাও জরুরি।

আরটিভি: ব্যক্তিগত জীবন কেমন কাটছে?

ঊর্মিলা: বেশ ভালো আছি এখন। যেহেতু অভিনয় করি তাই শুটিং থাকলে ভালো লাগে। পারিবারিকভাবে বলতে গেলে পরিবার নিয়ে ভালোই আছি।

আরটিভি: দিনশেষে নিজেকে কতটুকু সময় দিতে পারেন?

ঊর্মিলা: খুব বেশি একটা দিতে পারি না। তবে চেষ্টা থাকে নিজেকে সময় দেওয়ার। এজন্য মাঝে মাঝে বিরতি নিয়ে ঘুরতে যেতে ভালো লাগে। আরও ভালো লাগে ঘুমাতে যাওয়ার সময় নিজের সঙ্গে নিজের কথা বলতে চাওয়া।

আরটিভি: নতুন কোন কাজের খবর আছে?

ঊর্মিলা: হাতে ঈদের কাজের স্ক্রিপ্ট, গল্প এখনই চলে আসছে। সেগুলো পড়ছি। চরিত্র ভালো লাগলে রাজি হচ্ছি। অন্যদিকে ধারাবাহিক নাটক ও সিঙ্গেল নাটকে অভিনয়ের প্রস্তাব আছে। সেগুলো নিয়মিত করছি।

আরটিভি: নিজেকে নিজে কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?

ঊর্মিলা : আমি আসলে খুব আবেগী। সহজেই মানুষকে বিশ্বাস করি। যদিও এতে কষ্টের পরিমাণ অনেক সময় বেশি থাকে কিন্তু তারপরও আমি বিশ্বাস করি। যার যার জায়গা থেকে যে তার প্রাপ্যটুকু পাবে। আমি সততার সঙ্গেই বিশ্বাস করতে চাই।

আরটিভি: অভিনয়ের ব্যস্ততা আর ব্যক্তি জীবনের ব্যস্ততার মধ্যে কি কোন তফাত খুঁজে পান?

ঊর্মিলা: তফাৎ তো অবশ্যই আছে। অভিনয় জীবনের মধ্যে লাইট ক্যামেরা অ্যাকশেনের মধ্যে থাকতে হয়। গল্প স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী চরিত্রে নিজেকে রূপান্তরিত করতে হয়। শুটিংস্পটে নির্মাতাসহ সবার কথা শুনতে হয়। মন দিয়ে কাজটা সম্পন্ন করতে হয়। আর যখন শুটিং থাকে না তখন তো আমি আমার নিয়মেই চলি। কোন নিয়মকানুন নেই।

আরটিভি: দেশের বাইরে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে?

ঊর্মিলা: শুটিংয়ের জন্য দেশের বাইরে যাওয়া কথা ছিল। কিন্তু সিডিউল বা করোনার জন্য ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না; যাব কি যাব না, এই ভেবে থাইল্যান্ড যাওয়া ক্যানসেল করে দিয়েছি। অন্য দেশেরটা এখনও বলতে পারছি না।

আরটিভি: এখন তো প্রায় সবাই ওটিটির দিকে ঝুঁকছে। আপনিও যাচ্ছেন কি?

ঊর্মিলা: বেশকিছু স্ক্রিপ্ট এলেও চরিত্রগুলো আমার মনমতো হচ্ছে না। যার কারণে এখনো ওটিটিতে যাওয়া হয়নি। তবে যদি ভালো মানের গল্প ও স্ক্রিপ্ট আসে, তাহলে অবশ্যই অভিনয় করবো। আমি সেই মানের চরিত্রের জন্যই অপেক্ষা করছি। যেটা দেখলে দর্শক বলবে ওয়াও ঊর্মিলা বদলে গেছে।

আরটিভি: বাসায় বসে কি নাটক কিংবা সিনেমা দেখেন?

ঊর্মিলা: চেষ্টা করি দেখার। শুধু যে নাটক কিংবা সিনেমা দেখি বিষয়টা এমন না। অনেক সময় নতুন নতুন রান্নার রেসিপিও দেখি। মোদ্দাকথা হচ্ছে, ভালো লাগার মতো কিছু থাকলে দেখি। টেলিভিশনে দেখতে না পারলেও ইউটিউবে দেখি। তবে শুটিং থাকলে তেমন একটা সময় পাই না এখন।

আরটিভি: অভিনেত্রীর বাইরে সবচেয়ে বেশি কি ভালো লাগে?

ঊর্মিলা: আমি প্রচুর আড্ডা দিতে পছন্দ করি। সেটা স্কুল জীবন থেকেই। এজন্য আমার বন্ধু সংখ্যাও অনেক বেশি। তবে এখন আর পারি না। এটা খুব মনে পড়ে আমার। প্রায়ই অতীতের অনেক কিছু মনে পড়লে একা একাই হাসি। তাই ভাবি, মানুষ কেন বড় হয়!

আরটিভি: আপনিতো ছাত্র রাজনীতির সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। সেক্ষেত্রে ভবিষ্যতে কি রাজনীতিতে আরও পাকাপোক্ত হবেন?

ঊর্মিলা: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই আমি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ছাত্রলীগের হয়ে কাজ করেছি। এটা আমার ভালোবাসার জায়গা। যদি ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু অপশন আসে, তাহলে অবশ্যই রাজনীতি করব। এখন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির মহিলা বিষয়ক উপ-কমিটির হয়ে কাজ করছি। অভিনয়ের বাইরে যতটুকু করব ততটুকু হচ্ছে রাজনীতি। তবে যদি রাজনীতিতে তেমন কোনো পদ না পাই তাতেও আমার কোনো আক্ষেপ নেই। কারণ আমি রাজনীতি ও অভিনয় দুটোই ভালোবাসি এবং ভালোবেসেই সব করি।

আরটিভি: মিডিয়ায় তো প্রায় সবাই সোস্যাল ওয়ার্কিং করছে। আপনিও কি করেন?

ঊর্মিলা: আমি আসলে ব্যক্তিগতভাবে আমার আশপাশের মানুষদের খেয়াল রাখছি। যতটুকু পারি তাদের হেল্প করছি। এর বাইরে ব্যক্তিগতভাবে কোনো মাধ্যমে জড়িত নই। কারণ আমার কাছে মনে হয়েছে, যে মানুষ আমার বাসায় বাজার পৌঁছে দেয়, তার খোঁজ নেয়া দরকার। যে দোকান থেকে আমি আমার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনি, সে কেমন আছে, তার খোঁজ নিই। আমার শুটিং টিমের কারা বিপদে আছে তাদের খবর রাখি। আমার পাশের বাসার মানুষজন কে না খেয়ে আছে তার খবর রাখি। আমার ড্রাইভার যে কিনা আমাকে প্রতিনিয়ত পৌঁছে দেয় আমার গন্তব্যে, আমি তার খবর রাখার চেষ্টা করি এবং তাদের সবার সমস্যা সামধান করার চেষ্টা করি। এছাড়া আমি গত ছয় থেকে সাত বছর ধরে বিদ্যানন্দের সাথে সরাসরি কাজ করছি। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন এর নাইক্ষ্যংছড়ি প্রজেক্ট, রামু প্রজেক্ট, এরকম আরো অনেকগুলো প্রজেক্ট এর সাথে সরাসরি কাজ করেছি, এখনো করে যাচ্ছি। এটাই আমার বর্তমান সোস্যাল ওয়ার্ক।

কেইউ/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বছর শেষে বিশাল চমক দিলেন আনুশকা
বলিউডের তারকা অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা। স্বামী-সন্তান-সংসার সামলাতে দীর্ঘ সময় রূপালি পর্দার বাইরে রয়েছেন তিনি। তবে চলতি বছরের শেষ দিনে মিলল দারুণ সুখবর। খুব শিগগির রূপালি পর্দায় ফিরতে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। মূলত সন্তানসম্ভবা হওয়ার পর পরই শুটিং থেকে বিরতি নিয়েছিলেন আনুশকা। শুধু তাই নয়, মেয়ে ভামিকার জন্মের পরেও তাকেই বেশি সময় দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। ফলে নতুন করে আর কোন ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হননি আনুশকা। বর্তমানে মেয়ে ভামিকা একটু বড় হওয়ায় আবারও শুটিংয়ে ফিরতে যাচ্ছেন বিরাটপত্নী। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, আনুশকার হাতে এই মুহূর্তে রয়েছে তিন তিনটি বিগ প্রজেক্ট! যার মধ্যে দুটি ছবি তৈরি হতে চলেছে বড়পর্দার জন্য এবং একটি ওটিটির জন্য। তবে ওটিটির জন্য ওয়েব সিরিজ নয়, একটি ওয়েব ফিল্মে কাজ করবেন আনুশকা। যার মধ্য দিয়ে ওটিটিতে অভিনয়ে প্রথমবারের মত যুক্ত হচ্ছেন তিনি। এদিকে সূত্রের খবর, আনুশকার ওয়েব ডেবিউ ফিল্ম হতে চলেছে বিগ বাজেটের! ওটিটির জন্য এত বড় মাপের ছবি এখন পর্যন্ত বলিউডে তৈরি হয়নি। ফলে সবাই এখন আনুশকাকে পর্দায় দেখার অপেক্ষায় মুখিয়ে রয়েছেন। এনএস
বছর শেষে বিশাল চমক দিলেন আনুশকা
ক্যাটরিনার পেছনে বসে থাকা ছেলেটিই এখন ভারতের এক নম্বর পেসার
বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। ২০০৮ সালে আইপিএলের উদ্বোধনী মৌসুমে ক্যাটরিনা ছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর (আরসিবি) ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর। যে কারণে মাঠে আসতে হয়েছিল তাকে। সম্প্রতি সে সময়ের ক্যাটরিনার একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, আইপিএল দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর জার্সি পরে স্টেডিয়ামে খেলা উপভোগ করছেন ক্যাটরিনা। তবে ভাইরাল সেই ছবির আলোচনার বিষয় কিন্তু ক্যাটরিনা নন; তার পেছনে বসে হাত তালি দিতে থাকা লাজুক চেহারার সেই ছেলেটিকে ঘিরেই যত আলোচনা। অনেকেই চিনেও চিনতে পারছেন না তাকে। তাদের প্রশ্ন কে এই কিশোর? সে প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে যেতে হবে ছবিটির গভীরে অর্থাৎ ইতিহাসে। ক্যাটরিনার পেছনে আরসিবির জার্সি পরা সেই লাজুক ছেলেটি আর কেউ নন, ভারতের বর্তমান দলের সেরা পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ। যাকে ছাড়া এখন ভারত দল কল্পনা করা যায় না। ২০০৮ সালে গ্যালারিতে বসে খেলা উপভোগ করা সেই কিশোরের আইপিএলে অভিষেক ঘটে ২০১৩ সালে। আরসিবি ভক্ত বুমরাহ অবশ্য অভিষেক ম্যাচ থেকেই মুম্বাই ইন্ডিয়ানসে খেলছেন। ২০২২ আইপিএলেও মুম্বাইয়ের হয়েই খেলবেন তিনি। প্রসঙ্গত, বর্তমানে ভারতের এক নম্বর পেসার বুমরাহ। তাই ভাইরাল ছবিতে ক্যাটরিনাকে ছাপিয়ে পেছনে বসে থাকা সেই কিশোর বুমরাহকে নিয়েই চর্চা হচ্ছে বেশি। এনএস
ক্যাটরিনার পেছনে বসে থাকা ছেলেটিই এখন ভারতের এক নম্বর পেসার
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মরণে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেছে বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া লিমিটেড৷ প্রামাণ্যচিত্রটি গবেষণা, চিত্রনাট্য, আবহসংগীত ও পরিচালনা করেছেন সৈয়দ সাবাব আলী আরজু। ২০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশ প্যানারোমা বিভাগে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ প্রামাণ্যচিত্রটি প্রদর্শনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। আসছে নতুন বছরের ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে প্রামাণ্যচিত্রটি প্রদর্শিত হবে। সৈয়দ আশিক রহমান প্রযোজিত ২ ঘণ্টা ২৭ মিনিট দৈর্ঘ্যের ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’-এর ঘটনার ব্যাপ্তিকাল বাঙালি জাতিরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবছর ১৯২০ সাল থেকে তাঁর মৃত্যু দিবস ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট পর্যন্ত। এতে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর উন্মেষ পর্ব (১৯২০-১৯৪৭), বঙ্গবন্ধুর জাতীয় রাজনীতিতে পদার্পণ (১৯৪৭-১৯৫৪), বঙ্গবন্ধুর উত্থান পর্ব (১৯৫৫-১৯৬৩), স্বাধিকার ও অভ্যুত্থান পর্ব (১৯৬৩-১৯৬৯), ঐতিহাসিক নির্বাচন পর্ব (১৯৭০), স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ পর্ব (১৯৭১) এবং স্বদেশ, বিশ্বনায়ক ও প্রয়াণ পর্ব (১৯৭২-১৯৭৫)। এই প্রামাণ্যচিত্রে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন যেমন বিস্তৃতভাবে উঠে এসেছে, তেমনি উঠে এসেছে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও জনগণের অবিস্মরণীয় অবদান; সেইসাথে বাংলাদেশকে ঘিরে আন্তর্জাতিক রাজনীতির পক্ষে-বিপক্ষের বিভিন্ন কর্মকান্ড। গণমাধ্যম হিসেবে আরটিভি মনে করে, বিশ্বের কাছে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে কার্যকরভাবে তুলে ধরার জন্য ইংরেজি সাব-টাইটেলসহ সুনির্মিত প্রামাণ্যচিত্র বড় ভূমিকা রাখতে পারে। এনএস
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’
শিল্পী সমিতির সভাপতি পদে লড়বেন ইলিয়াস কাঞ্চন
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। শিগগিরই ঘোষণা হবে নির্বাচনী তফসিল। এর মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন শিল্পীরা। বেশ আগেই জানা গিয়েছিল এবারের নির্বাচনে অভিনেত্রী নিপুণ একটি প্যানেল তৈরি করবেন। এবার জানা গেল সেই প্যানেল থেকে অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন সভাপতি পদে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন। ইলিয়াস কাঞ্চন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার কাছে ওরা এসেছে। প্রস্তাব দিয়েছে। আলোচনা করে ভালো লেগেছে। তাদের ভাবনা ও দর্শন সিনেমা এবং শিল্পীবান্ধব। আসলে তফসিল ঘোষণার আগে কোনো কিছু বলা উচিত নয়। আর আমার নির্বাচনের বিষয়টা অনেক গোপন ছিল। কিভাবে চাউর হলো বুঝতে পারছি না।' তিনি আরও বলেন, '৭ জানুয়ারির পর্যন্ত সময় নিয়েছি। এরপর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেব।' এদিকে সেক্রেটারি পদপ্রার্থী অভিনেত্রী নিপুণ বলেন, 'আমরা একটি মজবুত নেতৃত্ব নিয়ে আসতে চাই চলচ্চিত্র শিল্পীদের জন্য। সেই ভাবনায় ইলিয়াস কাঞ্চন সাহেব আমাদের যোগ্য অভিভাবক হবেন। উনাকে পেলে আমরা অনুজরা সাহস পাবো। অনেক কিছু করতে পারবো বলে আশা রাখি। তাই সবাই মিলে অনুরোধ করেছি। তিনি রাজি হয়েছেন। সম্পূর্ণ প্যানেল ঠিক হওয়া পর আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবো।' নিপুণের প্যানেলের সভাপতি কে হচ্ছেন তা জানা গেলেও জায়েদ খানের প্যানেল থেকে এখনো কোনো ঘোষণা আসেনি। ধারণা করা হচ্ছে, দুই-এক দিনের মধ্যে তিনিও সব জানাবেন। এনএস
শিল্পী সমিতির সভাপতি পদে লড়বেন ইলিয়াস কাঞ্চন
অবশেষে বিয়েতে রাজি মিমি
কলকাতার জনপ্রিয় নায়িকা ও সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তী। পর্দার মতো রাজনীতির মাঠেও তার দাপুড়ে বিচরণ। তবে সিনেমা ও রাজনীতি দক্ষ হাতে সামলালেও নিজের সংসার গুছিয়ে উঠতে পারেননি। ৩২ বছর পেরিয়ে এখনো সিঙ্গেল তিনি। প্রেম, বিচ্ছেদের পালা চুকিয়ে অবশেষে বিয়ে করতে রাজি এই অভিনেত্রী। মিমি বলেন, ‘পরিবার থেকে নিয়মিতই বিয়ের জন্য বলা হচ্ছে। মা চায় আমি বিয়ে করি। আমিও বিয়ে করতে চাই। তবে তার জন্য সময়ের অপেক্ষা। চোখের সামনে এত সম্পর্ক ভাঙতে দেখি! জানি না...।’ তিনি আরও বলেন, ‘খারাপ-ভাল মিশিয়ে কেটে গেল বছর। আমি খুশি, সুস্থ আছি। নিজের মতো জীবন কাটাতে পারছি। আমার থালায় খাবার আছে। যদি কাউকে অনিচ্ছায় দুঃখ দিয়ে থাকি, নতুন বছরে চেষ্টা করব সেই দুঃখ না দেওয়ার। নতুন বছর এসে দাঁড়ানো মানেই সময় ফুরিয়ে যাওয়া।’ প্রেমের সম্পর্কে বিচ্ছেদের পর দীর্ঘদিন ধরে একাই আছেন মিমি। বেশ কয়েক বছর তার সঙ্গী ছিল প্রিয় পোষ্য চিকু। বিদায়ী বছরটিতে তাকেও হারিয়েছেন নায়িকা। এটাই মিমির এ বছরের সবচেয়ে বড় কষ্টের ঘটনা। সামনের দিনগুলোতে যাতে আপনজনকে হারাতে না হয়, সেটা নিয়েই তার ভয়। মিমির ভাষ্য, ‘বছরটা শেষ হয়ে আসছে। একটাই ভয়, আমার কাছের মানুষগুলো যেন হারিয়ে না যায়। ভালবাসার মানুষের বড্ড অভাব যে!’ এনএস
অবশেষে বিয়েতে রাজি মিমি
আরও পড়ুন
শুটিংয়ে শাড়ি চুরি করে ধরা পড়লেন বন্ধুর বিয়েতে!
অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
কাজলকে টেক্কা দিতে প্রস্তুত কন্যা নাইসা!
যে কারণে ট্রলের শিকার হলেন শ্রাবন্তী!