
দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে আলোচিত সিনেমা ‘রেহানা মরিয়ম নূর’। আবদুল্লাহ মোহাম্মাদ সাদের পরিচালনায় এতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করে প্রশংসিত হচ্ছেন আজমেরী হক বাঁধন। সিনেমাটি দেখতে দেশীয় দর্শকদের আগ্রহের কমতি নেই। গেল ১২ নভেম্বর স্টার সিনেপ্লেক্সে টিকিট কেটে ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ দেখেছেন গুণী নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী।
রোববার (১৪ নভেম্বর) সেই মুহূর্তের কিছু ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে চয়নিকা চৌধুরী লিখেছেন, ‘কী বলব বা কী লিখব! পুরোটাই সাধারণ সত্য। আমাদের চারপাশের গল্পই পরিচালক আবদুল্লাহ মোহাম্মাদ সাদ এমনভাবে বলেছেন, এক মুহূর্তের জন্যে টেনশনমুক্ত হতে পারিনি। স্যালুট আপনাকে। আপনার বিনয় আপনাকে আরও বড় করবে। সাদ আপনার পরের সিনেমা দেখার জন্য অপেক্ষা করছি।’
বাঁধনের অভিনয়ের প্রশংসা করে এই নির্মাতা লিখেছেন, ‘বাঁধন এটা কি কোনো অভিনয়? মনে হলো বাঁধন না সত্যি রেহানাকে দেখলাম।এত দারুণ ছিল। কী অভিনয়! প্রাউড অব ইউ। এটাই তুমি! ফাইটার তুমি, তোমার জয় হয়েছে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘ছোট্ট ইমুকে অনেক আদর। এ ছাড়া অন্যরাও ভালো করেছেন।’
সবশেষে সিনেমাটি দেখার আমন্ত্রণ জানিয়ে চয়নিকা চৌধুরী লিখেছেন, ‘সবাই নিয়ম মেনে সিনেমা হলে গিয়ে ছবিটা দেখার আমন্ত্রণ রইল। ভালো থাকবেন। দেশের সিনেমা, চ্যানেল বেশি বেশি দেখবেন প্লিজ।’
এরই মধ্যে নাট্যনির্মাণের ২০ বছর পূর্ণ করেছেন চয়নিকা চৌধুরী। তবে তার এই পথ চলা এত সহজ ছিল না। অনেকের ভালোবাসা পেয়েছেন, আবার পাশাপাশি অপমান, অবজ্ঞাও পেয়েছেন। এসব উৎরিয়ে কাজটাই আসল মনে করেছেন এই নির্মাতা। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে গর্ববোধ করেন তিনি। কেননা, এসব ঘটনায় তার আস্থা বেড়েছে এবং তিনি আরও অভিজ্ঞ হয়েছেন। বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে তিনিই প্রথম সবচেয়ে বেশি নাটক ও ধারাবাহিক নির্মাণ করেছেন।
প্রসঙ্গত, এশিয়া-প্যাসিফিক স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডে (অ্যাপসা) সেরা জুরি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ সিনেমাটি এবং সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন আজমেরী হক বাঁধন। এর আগে সিনেমাটি কান চলচ্চিত্র উৎসবসহ বিভিন্ন দেশের নানা চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসা পেয়েছে।
এনএস/টিআই




