ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

কেমন ছিল শবনম ফারিয়ার সংসার জীবন, জানালেন নিজেই

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:০৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত

বিচ্ছেদের বছরখানেক পর সাবেক স্বামী হারুনুর রশীদ অপুর নির্যাতনের কথা জানিয়েছেন ছোট পর্দার আলোচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। ফারিয়ার অভিযোগে চুপ ছিলেন না অপু। পাল্টা জবাব দিয়েছেন তিনিও। বিষয়টি অনেকটা একে অপরের দিকে কাদা ছোড়াছুড়ির মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রোববার (১৯ ডিসেম্বর) রাতে ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আবারও একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন ফারিয়া। সেখানে বিচ্ছেদের কারণসহ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছেন তার সাংসার জীবনের চিত্র।

শবনম ফারিয়ার স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘এতদিন পর এই বিষয়টা নিয়ে কথা বলা আমার জন্য বিব্রতকর। কিন্তু এত সংবাদকর্মী ভাইদের কল, কয়দিন ফোন বন্ধ করে রাখব? তাই অনিচ্ছার সত্ত্বেও কিছু কথা বলতে হচ্ছে...

প্রথমত আমি একটা পোস্ট শেয়ার করেছিলাম যেখানে আমি কিছুটা আবেগের বসে ব্যক্তিগত একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছিলাম। শেয়ার করাটা সমস্যা না, সমস্যা হলো আমার পর্দার বাইরের জীবন এত সাধারণ কিংবা আমার পরিবার এবং চারপাশের মানুষ আমাকে এতোই সাধারণভাবে ট্রিট করে আমি হয়তো বুঝি না যে আমিও সম্ভবত ‘তারকা তালিকায়’ পড়ি এবং আমার একটা কথা নিয়ে আলোচনা হয়! সম্ভবত সেজন্যই প্রায়ই কিছুটা ব্যক্তিগত কথা লিখে ফেলি।

মূল কথায় আসি, আমি আমার সেই পোস্টে কোনোভাবেই কোনো ব্যক্তিকে নিয়ে অভিযোগ করিনি। সম্পূর্ণ অভিযোগ ছিল আমাদের সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির দিকে! ডিভোর্স জিনিসটা এত নোংরাভাবে না দেখলে হয়তো অনেকগুলো মেয়ের এভাবে জীবন দিতে হতো না!

আমার পয়েন্ট ছিল যেদিন হাতের আঙুল ভাঙে সেদিনই আমি বুঝতে পেরেছিলাম এই বিয়ে অলরেডি টক্সিক হয়ে গেছে! কিন্তু আমরা আমাদের জীবনের প্রায় আড়াই বছর একটা মরা গাছে পানি দিয়ে গেছি শুধু ‘মানুষ কি বলবে’ এটা ভেবে!

দ্বিতীয়ত আমি বিবাহ্ বিচ্ছেদের পরে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি আমার জীবনে যিনি ছিলেন তাকে সম্মান দেখাতে। যদিও ওনার প্রতি আমার অভিযোগ, রাগ-ক্ষোভ কোনোটিরই অভাব নেই। আমি শিওর ওনারও একই অনূভুতি! আমার বিশ্বাস তবুও উনিও সর্বোচ্চ সম্মান দেখাতেই চেষ্টা করেছেন!

এখন আঙুল ভাঙার বিষয়টা, এটা অবশ্যই সত্যি, কিন্তু এমন না যে বিষয়টা ও ইচ্ছে করেই করেছে! রাগারাগির একপর্যায় হাতাহাতি হয়, তারপর আমার আঙুল ভেঙে যায়। তাহলে এখন উনি অস্বীকার কেন করছেন? হঠাৎ এমন পাবলিক প্রতিক্রিয়া হলে আপনি কী করবেন? আপনিও ডিনাই করবেন!

তৃতীয়ত, নিউজে আমার নামের সাথে যার নাম বারবার আসছে তিনি বিষয়টা অস্বীকার করছেন, আর এত বছর পর যেহেতু কথা উঠছে তখন বিষয়টা প্রমাণ করা যথেষ্ট কষ্টসাধ্য। কিন্তু হাসপাতালের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ কিংবা বিল কার কার্ড থেকে পরিশোধ হয়েছে সেগুলো বের করার সুযোগ এখনও আছে। কিন্তু যেহেতু সেই ব্যক্তির মা কল করলে আমি তাকে এখনও ‘মা’ ছাড়া অন্য কিছু ডাকতে পারি না, তাই মা এবং আমার নিজের সম্মান রক্ষার্থে বিষয়টা এখানেই শেষ করতে চাই! পুরনো বিষয় ঘেঁটে কিচ্ছু পাব না আমরা দুজন। এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করার ইচ্ছা থাকলে বিচ্ছেদের সময়ই আমি এত প্রেম না দেখিয়ে এসবই বলতাম। হয়তো তখন আমি যেসব সমালোচনা হজম করেছি, তা করতে হতো না। লাভটা আমারই হতো।

চতুর্থত, কোথায় যেন সংবাদ দেখলাম এতদিন পর জানা গেল কী কারণে বিচ্ছেদ হয়েছে আমাদের, এই ঘটনাই নাকি কারণ। বুঝলাম এখনও সবার খুব জানার আগ্রহ আমাদের বিচ্ছেদের কারণ কী!

আমাদের আসলে সে অর্থে কখনও সংসারই করা হয়নি। কারণ, আমাদের নিজেদের কখনও কোনো বাসা ছিল না! ওদের তিন বেডের বাসায় ওর মা, ওরা চার ভাই, ভাবি, ভাতিজি এবং দুইজন বুয়া থাকত! সেখানে আমার থাকার জন্য যে ঘর বরাদ্দ ছিল সেটার সাথে এটাচড কোনো ওয়াশরুম ছিল না। ওর মা’র বেডরুমের সাতজনের সাথে ওয়াশরুম শেয়ার করতে হতো। তাই আমি খুব বেশিদিন সেই বাসায় থাকিনি। আমরা তিন বোন, এত ছেলেদের ঘরে এডজাস্ট করতে সমস্যা হতো। তাছাড়া আমার শুটিংয়ের জন্য অনেক কস্টিউম/প্রপ্স অনেক কিছু থাকে। আলাদা একটা কস্টিউম রুমই লাগে! তাছাড়া আমার মায়ের বাসা আর তাদের বাসা কাছাকাছি হওয়ায় এবং দুজনেরই বাবা না থাকায় আমরা দুজন দুজনের মার সাথে থাকতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতাম! এর ফলে স্বাভাবিক ম্যারিড কাপলের মধ্যে যেসব ইন্টিমেসি থাকে, তা আমাদের মধ্যে ছিল না! মূলত এই কারণেই আমরা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্তে আসি। অবশ্যই এর বাইরে আরও হাজারটা কারণতো আছেই! সেগুলোও পাবলিক প্লাটফর্মে লিখে আরও আলোচনা চাই না।

পঞ্চমত এতদিন পরে এ কথা উঠল কেন?

উত্তর ‘আমার দোষ’! আমি অতি আবেগি হয়ে ঘরের কথা পরকে জানিয়েছি। এভাবে একটা পাবলিক প্ল্যাটফর্মে লেখার আগে এইটার ফলাফলগুলো আমার ভাবার দরকার ছিল! কিন্তু একটা বিষয় না বললেই নয়, অনেকের মন্তব্য আমার সেই বিচারপতির মতো লাগছে, যিনি বলেছিলেন রেপ হওয়ার তিনদিন পর কেন কেইস করেছে? আরও আগে করা উচিত ছিল। তবে এ বিষয়টা নিয়ে তখনও আমি আমার ব্যক্তিগত ফেসবুকে লিখেছিলাম যেখানে আমাদের দুই পরিবারের সদস্যরাই ছিল। কিন্তু পাবলিক প্রোফাইলে এসব লিখলে কি হয় তা তো এবার দেখলামই!

জোর করে একজনকে ভিলেন বানাতে হবেই! অথচ এখান থেকে শিক্ষনীয় হতে পারতো, আমাদের মতো যেন কেউ জীবনের মূল্যবান সময় এভাবে নষ্ট না করে।

এবার আশা করি সবাই সবার সব প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন। যেহেতু শুরুটা আমাকে দিয়ে শেষটাও আমি টানতে চাই। সবার দোয়া চাই। আমাদের প্রতি একটু সহনশীল হোন। আমরা দুইজনই আমাদের জীবনে অনেকখানি এগিয়ে নিয়েছি। দুজনই নতুন করে জীবন শুরু করার মানসিকতার মধ্য যাচ্ছি! আমার কোন বিষয়ে দয়া করে ওই ভদ্রলোককে টানবেন না! শুনেছি উনি এখন ভালো আছেন। শান্তিমতো ঘুমাচ্ছেন। ওনাকে শান্তিমতো ঘুমাতে দেন।’

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে ফেসবুকের মাধ্যমে হারুন অর রশিদ অপুর সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় শবনম ফারিয়ার। এরপর ফেসবুকে কথা বলতে বলতে তাদের দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বের বন্ধন মজবুত হয়। তিন বছর ধরে চলে তাদের বন্ধুত্ব। একপর্যায়ে দুজন পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা অনুভব করেন। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় তাদের। কিন্তু সেই সংসার বেশিদিন টেকেনি। প্রায় দুই বছরের বৈবাহিক জীবনের অবসান ঘটিয়ে বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন তারা। বিচ্ছেদের পর থেকে একাই রয়েছেন শবনম ফারিয়া।

এনএস/টিআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বছর শেষে বিশাল চমক দিলেন আনুশকা
বলিউডের তারকা অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা। স্বামী-সন্তান-সংসার সামলাতে দীর্ঘ সময় রূপালি পর্দার বাইরে রয়েছেন তিনি। তবে চলতি বছরের শেষ দিনে মিলল দারুণ সুখবর। খুব শিগগির রূপালি পর্দায় ফিরতে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। মূলত সন্তানসম্ভবা হওয়ার পর পরই শুটিং থেকে বিরতি নিয়েছিলেন আনুশকা। শুধু তাই নয়, মেয়ে ভামিকার জন্মের পরেও তাকেই বেশি সময় দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। ফলে নতুন করে আর কোন ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হননি আনুশকা। বর্তমানে মেয়ে ভামিকা একটু বড় হওয়ায় আবারও শুটিংয়ে ফিরতে যাচ্ছেন বিরাটপত্নী। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, আনুশকার হাতে এই মুহূর্তে রয়েছে তিন তিনটি বিগ প্রজেক্ট! যার মধ্যে দুটি ছবি তৈরি হতে চলেছে বড়পর্দার জন্য এবং একটি ওটিটির জন্য। তবে ওটিটির জন্য ওয়েব সিরিজ নয়, একটি ওয়েব ফিল্মে কাজ করবেন আনুশকা। যার মধ্য দিয়ে ওটিটিতে অভিনয়ে প্রথমবারের মত যুক্ত হচ্ছেন তিনি। এদিকে সূত্রের খবর, আনুশকার ওয়েব ডেবিউ ফিল্ম হতে চলেছে বিগ বাজেটের! ওটিটির জন্য এত বড় মাপের ছবি এখন পর্যন্ত বলিউডে তৈরি হয়নি। ফলে সবাই এখন আনুশকাকে পর্দায় দেখার অপেক্ষায় মুখিয়ে রয়েছেন। এনএস
বছর শেষে বিশাল চমক দিলেন আনুশকা
ক্যাটরিনার পেছনে বসে থাকা ছেলেটিই এখন ভারতের এক নম্বর পেসার
বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। ২০০৮ সালে আইপিএলের উদ্বোধনী মৌসুমে ক্যাটরিনা ছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর (আরসিবি) ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর। যে কারণে মাঠে আসতে হয়েছিল তাকে। সম্প্রতি সে সময়ের ক্যাটরিনার একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, আইপিএল দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর জার্সি পরে স্টেডিয়ামে খেলা উপভোগ করছেন ক্যাটরিনা। তবে ভাইরাল সেই ছবির আলোচনার বিষয় কিন্তু ক্যাটরিনা নন; তার পেছনে বসে হাত তালি দিতে থাকা লাজুক চেহারার সেই ছেলেটিকে ঘিরেই যত আলোচনা। অনেকেই চিনেও চিনতে পারছেন না তাকে। তাদের প্রশ্ন কে এই কিশোর? সে প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে যেতে হবে ছবিটির গভীরে অর্থাৎ ইতিহাসে। ক্যাটরিনার পেছনে আরসিবির জার্সি পরা সেই লাজুক ছেলেটি আর কেউ নন, ভারতের বর্তমান দলের সেরা পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ। যাকে ছাড়া এখন ভারত দল কল্পনা করা যায় না। ২০০৮ সালে গ্যালারিতে বসে খেলা উপভোগ করা সেই কিশোরের আইপিএলে অভিষেক ঘটে ২০১৩ সালে। আরসিবি ভক্ত বুমরাহ অবশ্য অভিষেক ম্যাচ থেকেই মুম্বাই ইন্ডিয়ানসে খেলছেন। ২০২২ আইপিএলেও মুম্বাইয়ের হয়েই খেলবেন তিনি। প্রসঙ্গত, বর্তমানে ভারতের এক নম্বর পেসার বুমরাহ। তাই ভাইরাল ছবিতে ক্যাটরিনাকে ছাপিয়ে পেছনে বসে থাকা সেই কিশোর বুমরাহকে নিয়েই চর্চা হচ্ছে বেশি। এনএস
ক্যাটরিনার পেছনে বসে থাকা ছেলেটিই এখন ভারতের এক নম্বর পেসার
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মরণে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেছে বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া লিমিটেড৷ প্রামাণ্যচিত্রটি গবেষণা, চিত্রনাট্য, আবহসংগীত ও পরিচালনা করেছেন সৈয়দ সাবাব আলী আরজু। ২০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশ প্যানারোমা বিভাগে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ প্রামাণ্যচিত্রটি প্রদর্শনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। আসছে নতুন বছরের ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে প্রামাণ্যচিত্রটি প্রদর্শিত হবে। সৈয়দ আশিক রহমান প্রযোজিত ২ ঘণ্টা ২৭ মিনিট দৈর্ঘ্যের ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’-এর ঘটনার ব্যাপ্তিকাল বাঙালি জাতিরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবছর ১৯২০ সাল থেকে তাঁর মৃত্যু দিবস ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট পর্যন্ত। এতে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর উন্মেষ পর্ব (১৯২০-১৯৪৭), বঙ্গবন্ধুর জাতীয় রাজনীতিতে পদার্পণ (১৯৪৭-১৯৫৪), বঙ্গবন্ধুর উত্থান পর্ব (১৯৫৫-১৯৬৩), স্বাধিকার ও অভ্যুত্থান পর্ব (১৯৬৩-১৯৬৯), ঐতিহাসিক নির্বাচন পর্ব (১৯৭০), স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ পর্ব (১৯৭১) এবং স্বদেশ, বিশ্বনায়ক ও প্রয়াণ পর্ব (১৯৭২-১৯৭৫)। এই প্রামাণ্যচিত্রে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন যেমন বিস্তৃতভাবে উঠে এসেছে, তেমনি উঠে এসেছে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও জনগণের অবিস্মরণীয় অবদান; সেইসাথে বাংলাদেশকে ঘিরে আন্তর্জাতিক রাজনীতির পক্ষে-বিপক্ষের বিভিন্ন কর্মকান্ড। গণমাধ্যম হিসেবে আরটিভি মনে করে, বিশ্বের কাছে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে কার্যকরভাবে তুলে ধরার জন্য ইংরেজি সাব-টাইটেলসহ সুনির্মিত প্রামাণ্যচিত্র বড় ভূমিকা রাখতে পারে। এনএস
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’
শিল্পী সমিতির সভাপতি পদে লড়বেন ইলিয়াস কাঞ্চন
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। শিগগিরই ঘোষণা হবে নির্বাচনী তফসিল। এর মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন শিল্পীরা। বেশ আগেই জানা গিয়েছিল এবারের নির্বাচনে অভিনেত্রী নিপুণ একটি প্যানেল তৈরি করবেন। এবার জানা গেল সেই প্যানেল থেকে অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন সভাপতি পদে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন। ইলিয়াস কাঞ্চন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার কাছে ওরা এসেছে। প্রস্তাব দিয়েছে। আলোচনা করে ভালো লেগেছে। তাদের ভাবনা ও দর্শন সিনেমা এবং শিল্পীবান্ধব। আসলে তফসিল ঘোষণার আগে কোনো কিছু বলা উচিত নয়। আর আমার নির্বাচনের বিষয়টা অনেক গোপন ছিল। কিভাবে চাউর হলো বুঝতে পারছি না।' তিনি আরও বলেন, '৭ জানুয়ারির পর্যন্ত সময় নিয়েছি। এরপর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেব।' এদিকে সেক্রেটারি পদপ্রার্থী অভিনেত্রী নিপুণ বলেন, 'আমরা একটি মজবুত নেতৃত্ব নিয়ে আসতে চাই চলচ্চিত্র শিল্পীদের জন্য। সেই ভাবনায় ইলিয়াস কাঞ্চন সাহেব আমাদের যোগ্য অভিভাবক হবেন। উনাকে পেলে আমরা অনুজরা সাহস পাবো। অনেক কিছু করতে পারবো বলে আশা রাখি। তাই সবাই মিলে অনুরোধ করেছি। তিনি রাজি হয়েছেন। সম্পূর্ণ প্যানেল ঠিক হওয়া পর আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবো।' নিপুণের প্যানেলের সভাপতি কে হচ্ছেন তা জানা গেলেও জায়েদ খানের প্যানেল থেকে এখনো কোনো ঘোষণা আসেনি। ধারণা করা হচ্ছে, দুই-এক দিনের মধ্যে তিনিও সব জানাবেন। এনএস
শিল্পী সমিতির সভাপতি পদে লড়বেন ইলিয়াস কাঞ্চন
অবশেষে বিয়েতে রাজি মিমি
কলকাতার জনপ্রিয় নায়িকা ও সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তী। পর্দার মতো রাজনীতির মাঠেও তার দাপুড়ে বিচরণ। তবে সিনেমা ও রাজনীতি দক্ষ হাতে সামলালেও নিজের সংসার গুছিয়ে উঠতে পারেননি। ৩২ বছর পেরিয়ে এখনো সিঙ্গেল তিনি। প্রেম, বিচ্ছেদের পালা চুকিয়ে অবশেষে বিয়ে করতে রাজি এই অভিনেত্রী। মিমি বলেন, ‘পরিবার থেকে নিয়মিতই বিয়ের জন্য বলা হচ্ছে। মা চায় আমি বিয়ে করি। আমিও বিয়ে করতে চাই। তবে তার জন্য সময়ের অপেক্ষা। চোখের সামনে এত সম্পর্ক ভাঙতে দেখি! জানি না...।’ তিনি আরও বলেন, ‘খারাপ-ভাল মিশিয়ে কেটে গেল বছর। আমি খুশি, সুস্থ আছি। নিজের মতো জীবন কাটাতে পারছি। আমার থালায় খাবার আছে। যদি কাউকে অনিচ্ছায় দুঃখ দিয়ে থাকি, নতুন বছরে চেষ্টা করব সেই দুঃখ না দেওয়ার। নতুন বছর এসে দাঁড়ানো মানেই সময় ফুরিয়ে যাওয়া।’ প্রেমের সম্পর্কে বিচ্ছেদের পর দীর্ঘদিন ধরে একাই আছেন মিমি। বেশ কয়েক বছর তার সঙ্গী ছিল প্রিয় পোষ্য চিকু। বিদায়ী বছরটিতে তাকেও হারিয়েছেন নায়িকা। এটাই মিমির এ বছরের সবচেয়ে বড় কষ্টের ঘটনা। সামনের দিনগুলোতে যাতে আপনজনকে হারাতে না হয়, সেটা নিয়েই তার ভয়। মিমির ভাষ্য, ‘বছরটা শেষ হয়ে আসছে। একটাই ভয়, আমার কাছের মানুষগুলো যেন হারিয়ে না যায়। ভালবাসার মানুষের বড্ড অভাব যে!’ এনএস
অবশেষে বিয়েতে রাজি মিমি
আরও পড়ুন
পরকীয়ার জেরে চূড়ান্ত বিচ্ছেদ ‘দ্য টার্মিনেটর’ খ্যাত অভিনেতার
অবশেষে হিশামের সঙ্গে চিত্রনায়িকা তমা মির্জার চূড়ান্ত বিচ্ছেদ
ইলিয়াসকে মারধরের প্রমাণ মিললো
বিতর্কিত গানের কারণেই সামান্থার বিবাহবিচ্ছেদ! (ভিডিও)