
উনিশ-কুড়ির স্লোগান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে উদযাপিত হয়েছে জনপ্রিয় বেসরকারি টেলিভিশন আরটিভির ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দেশটির কুইন্সের ওজনপার্কের মিলনায়তনে উদযাপিত হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষির্কীর অনুষ্ঠানটি। এতে অংশ নিয়ে আরটিভির বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রশংসা করেন সুধীজনেরা।
দেশের বাইরে যে বৃহত্তর বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে, সেখানে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করছে আরটিভি। এ যেন যুক্তরাষ্ট্রের বুকে এক খন্ড বাংলাদেশ।
বিগত ১৮ বছরের পথচলায় ক্রমশ শক্তিশালী হয়েছে আরটিভি। জনসমাজের আস্থাকে ধারণ করে তার অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান।
সূদুর যুক্তরাষ্ট্রে থেকেও দেশের সংবাদ ছাড়াও আন্তর্জাতিক সংবাদের জন্যও আরটিভির মতো স্বদেশী সংবাদমাধ্যমের উপর নির্ভর করেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা। আরটিভির অগ্রগতির এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে বলে প্রত্যাশার কথা জানান নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল নাজমুল হুদা।
প্রতি বছর প্রবাসের মাটিতে জনসমাজে গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখার জন্য সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এবার সম্মাননা পেয়েছেন, গোল্ডেন এজ হোম কেয়ারের স্বত্তাধিকারী শাহ নেওয়াজ, ডেমোক্র্যাট পার্টির ডিসট্রিক্ট লিডার অ্যাট লার্জ অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী, ব্যবসায়ী সামসুল আবেদীন, কমিউনিটি একটিভিস্ট ফাহাদ সোলেমান, কমিউনিটি একটিভিস্ট মিছবাহ আবেদীন ও কামরুল হাসান।
এছাড়া, প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতির বিকাশে অবদান রাখার জন্য ‘বাংলাদেশ পারফর্মিং আর্টস-বিপা’ এবং ‘মাটি ব্যান্ড’-কে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয় আরটিভির পক্ষ থেকে। এরপরেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।
অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন ফাবিহা নিসা এবং অলিভ আহমেদ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, জাতিসংঘ বাংলাদেশ মিশনের প্রেস কাউন্সিলর নাসির উদ্দিন, আরটিভির বাংলার গায়েন ও ইয়ংস্টারের রাফসান, অর্ণব, সাদাত, কাজী এম হক, মুসাফির মুক্তা, লিয়ানা মানহা, সামিয়া, আলভান, চন্দ্রা রায়, শামসসহ অনেকে।




