ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

তরুণীদের দেহ ব্যবসায় যেভাবে বাধ্য করেন অভিনেতার বান্ধবী

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি

প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০২৪, ০৮:৩০ পিএম

হলিউড তারকাদের থেকে শুরু করে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গেও ছিল সুসম্পর্ক। বিলাসিতায় পরিপূর্ণ ছিল তার জীবন। দুঃস্থ তরুণীদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে সামাজিক মাধ্যমে সচেতনতা মূলক ভিডিও পোস্ট করতেন নিয়মিত। এসব কিছুই ছিল তার ফাঁদ। যেই ফাঁদে পা দেওয়া তরুণীদের ‘ক্রীতদাসে’ পরিণত করতেন তিনি। এরপর দেহব্যবসায় বাধ্য করতেন। ক্যাট টরেস নামের এই নারীকে ৮ বছরের সাজা দিয়েছে আদালত। যার সঙ্গে জনপ্রিয় অভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিয়োর সুসম্পর্ক ছিল।

বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দক্ষিণ ব্রাজিলে শৈশব কাটিয়েছিলেন ক্যাট। ছোটবেলা থেকেই নানা রকম হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন তিনি। তাই খুব কম বয়সে ব্রাজিল থেকে আমেরিকায় চলে যান। অর্থের কোনও সমস্যা কোনও দিনই ছিল না। আমেরিকায় গিয়ে নিউইয়র্কে একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে ভাড়া থাকতে শুরু করেন তরুণী।

নিউইয়র্কের অ্যাপার্টমেন্টে ক্যাটের সঙ্গে থাকতেন তার রুমমেট লুজার টোয়ারস্কাই। বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লুজার বলেন, ‘ক্যাটের বহু খ্যাতনামী ব্যক্তির সঙ্গে আলাপ ছিল। তাদের সঙ্গে কিছুদিন সময় কাটানোর জন্য টাকা পেতেন। বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে থাকার খরচও ওই খ্যাতনামীরাই দিতেন।

লুজারের দাবি, হলি তারকাদের সংস্পর্শে থাকার পর আয়াহুয়াস্কা নামে এক নেশাজাত দ্রব্য গ্রহণ করতে শুরু করেন ক্যাট। ওই মাদকের নেশায় ধীরে ধীরে তার আচার-আচরণেও পরিবর্তন হয়।

খুব কম সময়ের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন ক্যাট। আত্মজীবনীও লিখে ফেলেন তিনি। শৈশবে তিনি কতটা ভয়াবহতার মধ্যে দিয়ে দিন কাটিয়েছেন সে কথা বইয়ে উল্লেখ করেন। বিভিন্ন পত্রিকা থেকে শুরু করে টেলিভিশন চ্যানেলের শোয়েও তার মুখ নিয়মিত দেখা যেত।

কানাঘুষো শোনা যায়, জনপ্রিয় হলি অভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিয়োর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন ক্যাট। সামাজিক মাধ্যমে ক্যাট তার অনুগামীদের সঙ্গে কথা বলা শুরু করেন। জীবনদর্শন নিয়ে নানা ধরনের উপদেশ দিতেন। সবই করতেন অর্থের বিনিময়ে।

শৈশবে কঠিন পরিস্থিতি পার করার পর ক্যাট যে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছেন, সেই কাহিনি থেকেই অনুপ্রাণিত হতে শুরু করেন অন‌্য নারীরা। আর এই অবস্থারই সুযোগ নিতে শুরু করেন তিনি।

ক্যালিফোর্নিয়ায় জ্যাক নামে এক তরুণের সঙ্গে আলাপ হয় ক্যাটের। তাকে বিয়ে করে টেক্সাসে পাঁচ বেডরুমবিশিষ্ট একটি অ্যাপার্টমেন্টে থাকতে শুরু করেন। সেখানে সচেতনতামূলক ভিডিও বানানোর নামে অন্য তরুণীদের সঙ্গে আলাপ করতেন। এরপর তাদের কাজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতেন।

ব্রাজিলের বাসিন্দা অ্যানা ছিলেন ক্যাটের অনুগামী। বস্টনের একটি ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করতেন তিনি। বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ধীরে ধীরে আমি পরিবার এবং বন্ধুবান্ধবের কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছিলাম। ক্যাটের সব কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতাম। ক্যাটের কথায় ২০১৯ সালে ওর সহকারী হিসাবে কাজ করার জন্য পড়াশোনা ছেড়ে নিউ ইয়র্ক চলে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর আমার স্বপ্নের দুনিয়া ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়।’

অ্যানা বলেন, ‘জামাকাপড় কাচা থেকে শুরু করে রান্না করা, ঘর পরিষ্কার করা, ক্যাটের পোষ্যদের যত্ন নেওয়া আমার কাজ ছিল। তার পরিবর্তে আমায় পারিশ্রমিক দেওয়া কথা ছিল ক্যাটের। কিন্তু সে আমায় কোনও টাকা দেয়নি। যা ভেবেছিলাম, বাস্তব তার বিপরীত ছিল। সহ্য করতে না পেরে তিন মাস পর প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাই।’

একের পর এক দুর্নীতিবাজ ধরা পড়ছে, যা বললেন আফজালএকের পর এক দুর্নীতিবাজ ধরা পড়ছে, যা বললেন আফজাল
অ্যানা একাই ক্যাটের অত্যাচারের শিকার হননি। ২০২২ সালে ব্রাজিলের দুই তরুণীর নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। তাদের পরিবারের সদস্যেরা তদন্তকারী সংস্থা এফবিআইকে জানান, ক্যাট ওই দুই তরুণীকে বন্দি করে রেখেছেন।

খবর পাওয়ামাত্র ওই দুই তরুণীকে নিয়ে টেক্সাস ছেড়ে মেইনে চলে যান ক্যাট। অভিযোগ, সেখানে গিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দুই তরুণীকে দিয়ে জোর করে একটি ভিডিও পোস্ট করান তিনি। ক্যাটের সঙ্গে তারা যে ভালো রয়েছেন, ভিডিওতে সেই দাবি করেন দু’জন।

পার্লনামে এক তরুণীকে বন্দি করে রেখেছিলেন ক্যাট। বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ক্যাটের নির্দেশ না মানলে মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে ভয় দেখাতেন তিনি। পার্ল বলেন, ঘর থেকে বেরনোর জন্য, এমনকি শৌচালয় যাওয়ার জন্যও ক্যাটের অনুমতি নিতে হত।

পার্লের অভিযোগ, ‘আমায় জোর করে দেহব্যবসায় নামিয়েছিল ক্যাট। প্রতিদিন দেড় থেকে আড়াই লাখ টাকা উপার্জন না করলে আমায় বাড়ি ঢুকতে দিত না। ভয়ঙ্কর তন্ত্রের চর্চা করত ক্যাট। আমি প্রতিবাদ জানালেই ভয় দেখাতে শুরু করত। এমন বহু রাত গিয়েছে, যখন আমি রাস্তায় ঘুমিয়েছি।’

তদন্তে নেমে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে দুই তরুণীকে উদ্ধার করে ব্রাজিলে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ক্যাটকেও আট বছর বছর জেলের নির্দেশ দেয় আদালত।

ব্রাজিলের এক কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় বিবিসিকে সাক্ষাৎকার দেন ক্যাট। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘লোকে বলেন আমি নাকি ভুয়া গুরু। কথার জালে ফাঁসিয়ে কাউকে দিয়ে আমার যা খুশি করানোর ক্ষমতা রয়েছে। এসব মিথ্যা কথা শুনলে হাসি পায় আমার। তোমার যা ইচ্ছা, তুমি তাই বিশ্বাস করবে। আমি যদি বলি আমার মধ্যে যিশুর বাস, তুমি তাই মানবে। আমার ভিতর শয়তানকে দেখার ইচ্ছা থাকলে তুমি তাই দেখবে। সবই মানুষের ইচ্ছার উপর নির্ভর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
তামান্নার সঙ্গে তুলনা করে বারিশার আক্ষেপ
শোবিজের পরিচিত মুখ বারিশা হক। শুরুটা মডেলিং দিয়ে হলেও উপস্থাপনাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ড প্রোমোটিংয়ের কাজ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শক্ত অবস্থান গড়েছেন তিনি। নাটকেও অভিনয় করেছেন। কিন্তু মাঝে মধ্যেই নানান কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন বারিশা। বিশেষ করে তার শারীরিক স্থূলতা নিয়ে। একটা সময় স্লিম ফিগার ছিল বারিশার। তবে পরবর্তীতে তার স্বাস্থ্য বেড়ে গেলে তাকে নিয়ে শুরু হয় নেটিজেনদের চর্চা। আবার নিজেকে খানিকটা আকর্ষণীয় করতে বোটক্সের মতো প্লাস্টিক সার্জারিও করিয়েছেন এই মডেল।   কয়েকদিন আগে বোটক্স সার্জারি নিয়ে বিদ্রুপের মুখে পড়েন বারিশা। সেসময় নিশ্চুপই ছিলেন তিনি। এমনকি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়নি তাকে। তবে মনের মধ্যে ক্ষোভ আর আক্ষেপ পুষে রেখেছিলেন। সম্প্রতি সেটাই প্রকাশ করতে গেল বারিশাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার সঙ্গে তুলনা করে আক্ষেপ করলেন।   নেটদুনিয়ায় তামান্নার কিছু ছবি পোস্ট করে বারিশা লিখেছেন, তামান্না ভাটিয়া আন্তর্জাতিক মানের তারকা; যিনি আমার ও আপনাদেরও প্রিয়। বাংলাদেশের মেয়েদের ও খুব প্রিয়। সে কিন্তু জিরো ফিগার এর নয়, বরং তার শরীরের মেদ নিয়েও স্টেজ এ আকর্ষণীয় পোশাকে সবাইকে মুগ্ধ করে তার প্রতিভায়। তিনি আরও লেখেন, তাকে আমাদের দেশের মেয়েরা খুব প্রশংসায় ভাসিয়ে দেয়। সে প্রশংসা পাওয়ারই যোগ্য, তবে আমরা নই।ম কারণ আমরা অকর্ম, আমরা সব গালাগাল পাওয়ার যোগ্য; কারণ আমরা বলিউড নই, আমরা শ্যাম বাঙালি! ভালোবাসি সবাইকে। বর্তমানে মডেলিং কিংবা অভিনয়ের চেয়ে ব্রান্ড প্রমোশনেই বেশি ব্যস্ত থাকেন বারিশা। ২০০৮ সালে বিটিভিতে কুইজ শো এবং বিতর্কে অংশ নেন তিনি। বুলবুল ললিতকলা একাডেমি থেকে ক্লাসিক্যাল নৃত্যে দীক্ষা নেন। এভাবেই শুরু হয় বারিশার পথ চলা। অল্প দিনের পথচলায় নৃত্য ও উপস্থাপনার পাশাপাশি বেশ কিছু নাটকেও অভিনয় করেছেন তিনি।  আরটিভি/এইচএসকে/এআর  
তামান্নার সঙ্গে তুলনা করে বারিশার আক্ষেপ
জুলাই ফাউন্ডেশনে গেল রাহাত ফতেহ আলীর কনসার্টের টাকা
চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারকে সহায়তার জন্য গত ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় চ্যারিটি কনসার্ট ‘ইকোস অব রেভল্যুশন’। এতে পারফর্ম করেন জনপ্রিয় পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খান। কনসাটর্টির আয়োজক ‘স্পিরিটস অব জুলাই’ প্ল্যাটফর্ম।  এই কনসার্ট থেকে আয় হওয়া ১ কোটি ৬৫ লাখ ১১ হাজার ৪৮৫ টাকা আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবার নিয়ে কাজ করা কল্যাণমূলক সংস্থা ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’-এ দান করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় রাজধানীর শাহবাগস্থ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সংলগ্ন ফাউন্ডেশনটির কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলমের হাতে এই চেক তুলে দেওয়া হয়।  এ সময় ‘স্পিরিটস অব জুলাই’র পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, ‘ইকোস অব রেভোল্যুশন’ কনসার্টের আয়োজক মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহি, এস এম এহসান উল্লাহ ধ্রুব, খাইরুল আহসান মারজান, সাদেকুর রহমান সানি, মো. নূর এ আলম চৌধুরী, মো. জাফর আলী এবং রাইয়ান রহমান ইরাত। কনসার্টে এ দিন বিনা পারিশ্রমিকে গান পরিবেশন করেন রাহাত ফতেহ আলী। তিনি ছাড়া আরও গান পরিবেশন করেন ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গান গেয়ে জেল-জুলুমের শিকার হওয়া শিল্পী হান্নান, র‍্যাপার সেজান, দেশীয় ব্যান্ডদল চিরকুট, আর্টশেল ও আফটারম্যাথ। কনসার্টে টাইটেল স্পন্সর হিসেবে ছিল প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। আয়োজকরা জানান, স্পিরিটস অব জুলাই কর্তৃক আয়োজিত কনসার্টটির যাবতীয় আর্থিক হিসাবের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে অডিট রিপোর্ট প্রস্তুতের জন্য দেশের স্বনামধন্য অডিট কোম্পানি ‘Hoda Vasi Chowdhury & Co’র সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। উল্লেখ্য, অর্থসংক্রান্ত সার্বিক বিষয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ ও পরামর্শ প্রদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ নিয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছিল।  এ পরিষদে ছিলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ ড. কাজী মাহফুজুল হক সুপণ, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. আনসারুল আলম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মুহাম্মদ মাহবুব কায়সার, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ রুহুল আমিন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল আলম চৌধুরী, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল হক খান এবং বারডেম হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল হাসান মুনির। আরটিভি/এইচএসকে/এআর  
জুলাই ফাউন্ডেশনে গেল রাহাত ফতেহ আলীর কনসার্টের টাকা
কেন বলিউড ছাড়ছেন অনুরাগ কাশ্যপ
মেধা ও রুচিশীল কাজ দিয়ে বলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান প্রতিষ্ঠা করেছেন গুণি নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ। দর্শকদের উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা। শুধু নির্মাণই নয়, ভালো অভিনয়ও করেন তিনি। চলতি বছরের ‘মহারাজা’সিনেমায় অনুরাগ অভিনয় দাগ কেটেছে দর্শকের মনে। এবার জানা গেল, বলিউড ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন এই নির্মাতা।   এরপর থেকেই অনুরাগের ভক্তদের প্রশ্ন, হঠাৎ কি হলো নির্মাতার? কী কারণে বলিউড ছাড়তে চাচ্ছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন অনুরাগ। পাশাপাশি হিন্দি ভাষার শোবিজ ত্যাগ করার জন্য বেশ কিছু কারণও দেখিয়েছেন নির্মাতা।  অনুরাগ বলেন, বলিউডে এখন আর সৃজনশীলতার কোনো জায়গা নেই। সবকিছুই অর্থের দিকে চলে গেছে। চলচ্চিত্রের খরচ বেড়ে যাওয়ায় এখন সিনেমা তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কোনো সিনেমা নির্মাণের আগে থেকেই চিন্তা থাকে কিভাবে তা বিক্রি করা যাবে। আর এই চাপের মধ্যে সৃজনশীলতা হারিয়ে যায়। বলিউডের পরিবর্তে দক্ষিণী সিনেমায় নিয়মিত হতে চান জানিয়ে নির্মাতা বলেন,  আমি দক্ষিণে যেতে চাই। সেখানে এমন পরিবেশ আছে যেখানে সৃজনশীলতার সুযোগ বেশি। এখানে যদি থাকা না হয়, আমি একজন বৃদ্ধ মানুষ হয়ে মরে যাব। আমি নিজের ইন্ডাস্ট্রির প্রতি অত্যন্ত হতাশ এবং খুবই অসন্তুষ্ট। কিন্তু মলায়ালম সিনেমাতে আমার এমন কিছু অনুভূতি হয়নি। সেখানে অভিনয় অভিজ্ঞতা বেশ ইতিবাচক। প্রতিভা ব্যবস্থাপনা করে এমন এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন নানা তিনি বলেন, এই এজেন্সিগুলো তরুণ অভিনেতাদের শুধুমাত্র মুনাফার জন্য ব্যবহার করে। তাদের মনোযোগ কেবল স্টার তৈরির দিকেই থাকে। অভিনয় দক্ষতা গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ নেই তাদের। অনুরাগ আরও বলেন, বলিউডে এখন আর কেউ অভিনয় করতে চায় না, সবাই স্টার হতে চায়। এজেন্সি কাউকে স্টার বানায় না। কিন্তু একবার যদি কেউ স্টার হয়ে যায়, তখন তারা তাদের থেকে মুনাফা তৈরির প্রতিযোগিতায় নেমে যায়।    আরটিভি/এইচএসকে  
কেন বলিউড ছাড়ছেন অনুরাগ কাশ্যপ
আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পুড়ে যায় পাখিদের ছোট্ট শরীর: নওশাবা
প্রতিবছর আতশবাজি, পটকা ফুটিয়ে ও ফানুস উড়িয়ে থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন করেন সবাই। কিন্তু এই উৎসবে অনেক সময় বিপাকে পরতে হয় সাধারণ মানুষকে। আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর শব্দে অত্যন্ত আতঙ্কের মাঝে কাটে শিশু থেকে শুরু করে অসুস্থ মানুষ, এমনকি পশু-পাখিও। শুধু তাই নয়, প্রাণনাশের ঘটনাও ঘটে। বিষয়টি নিয়ে মানুষকে সচেতন করতে কাজ করছে সরকার, সামাজিক কিংবা প্রাণী কল্যাণ সংগঠনগুলো। কেউ কেউ নিজ উদ্যোগেও সামাজিক মাধ্যমে আতশবাজি-ফানুস তাণ্ডবের ভয়াবহতা তুলে ধরে সচেতনতার বার্তা দিচ্ছেন। পিছিয়ে নেই অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ।  পটকা ফুটিয়ে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনকে হেলিকপ্টার থেকে গুলির সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। পাশাপাশি থার্টিফার্স্ট নাইট বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন অভিনেত্রী।  গণমাধ্যমে এ প্রসঙ্গে নওশাবা বলেন, ২০২৪-এ আমাদের সবচেয়ে ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতা ছিল হেলিকপ্টার থেকে গুলিতে নিরপরাধ শিশুর প্রাণ হারানো। কখনও কী ভেবে দেখেছেন, আমাদের উল্লাসে আকাশে ছুঁড়ে দেওয়া আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পাখিদের ছোট্ট শরীর পুড়ে যায় একইভাবেই।  তিনি আরও বলেন, আমাদের উৎসবের শব্দে আতঙ্কে তাদের জীবনের আলো নিভে যায়! অথচ এই পৃথিবী তো শুধু আমাদের নয়, তাদেরও। ছোট্ট শিশু উমায়ের প্রাণ হারিয়েছিল এই বর্ষবরণের আতশবাজির ভয়াবহ শব্দে। অভিনেত্রী বলেন, এবারের বর্ষবরণ আগ্রাসী না হোক, চলুন দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই। আপনার বাসার অসুস্থ বুড়ো বাবা-মা এবং শিশুদের কথা ভেবে, রাস্তার অসহায় পথপ্রাণী আর পাখিদের কথা ভেবে এবারের বর্ষবরণ হোক আতশবাজি মুক্ত। ২০২৫ হোক মঙ্গলময় পরিবর্তনের বছর। নতুন বছরের শুভেচ্ছা সবাইকে।   আরটিভি/এইচএসকে  
আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পুড়ে যায় পাখিদের ছোট্ট শরীর: নওশাবা
জুয়ার প্রচারণায় তোপের মুখে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল
মাঝে মধ্যেই জুয়ার অ্যাপের প্রচারণায় খবরের শিরোনামে উঠে আসে তারকাদের নাম। কেউ শুভেচ্ছাদূত হয়ে, কেউ বা আবার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এসব অ্যাপের স্পন্সরশিপের মাধ্যমে প্রচারণায় অংশ নেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী পিয়া জান্নাতুলের নাম।  চলমান বিপিএলকে কেন্দ্র করে একটি জুয়ার অ্যাপের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে তাকে। আর এতেই তোপের মুখে পড়েছেন পিয়া। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে মুখ খুলেছেন তিনি। পিয়া বলেন, আমি একজন ক্রিকেটপ্রেমী। বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে কথা বলতে ভালোবাসি। আমি শুধু ক্রিকেট নিয়ে পোস্ট করেছি, যা ক্রিকেট সম্পর্কে আমার ভালোবাসা প্রকাশ করে। তাছাড়া আমি শুধু ওই অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করছি। এখানে কে স্পনসর দিলো সেটা তো বিষয় না। এর বেশি আর কিছুই বলতে চাই না। জানা গেছে, যে জুয়ার অ্যাপের টি-শার্ট পরে পিয়া অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন তা বাংলাদেশের সেরা জুয়ার এজেন্টদের একটি। এদিকে প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার জন্য কোনো পোর্টাল বা অ্যাপ বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনচিত্রে অংশগ্রহণ করেন, তা হবে ওই ব্যক্তির অপরাধ।’ এর আগে পরীমণি, নুসরাত ফারিয়া, অপু বিশ্বাস, মাহিয়া মাহি, এবং শবনম বুবলীর মতো তারকাদের এ ধরনের প্রচারণায় দেখা গেছে। আরটিভি/এইচএসকে/এস/এআর  
জুয়ার প্রচারণায় তোপের মুখে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল
আরও পড়ুন
কাফরুলে বাসাবাড়িতে দেহ ব্যবসার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৭
বিয়ে দেওয়ার কথা বলে বোনকে দিয়ে অনৈতিক কাজ, অতঃপর...