ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

শাবনূরের তুলনা শাবনূর নিজেই

এ এইচ মুরাদ

প্রকাশ : ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭, ১২:৩০ পিএম

দেশীয় চলচ্চিত্রের সফল নায়িকা শাবনূর। মনে করা হয় শাবনূর পরবর্তী সময়ে আর কোনো নায়িকা তার সমান জনপ্রিয়তা লাভ করতে পারেননি। চলচ্চিত্রে সালমান শাহ-শাবনূর জুটি ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করে। তবে সালমান শাহের অকাল মৃত্যুতে ক্যারিয়ারে কিছুটা হুমকির মুখে পড়লেও পরে রিয়াজ, শাকিল খান, ফেরদৌস ও শাকিব খানের সঙ্গে জুটি হয়ে অসংখ্য হিট ছবি উপহার দেন শাবনূর। ইন্ডাস্ট্রিতে চাউর আছে অনেক নায়কই শীর্ষে যেতে পেরেছেন কেবল শাবনূরের বিপরীতে নায়ক হওয়ার কারণেই।

ঢাকাই ছবিতে ‘চাঁদনী রাতে’র মাধ্যমে অভিষেক হয় শাবনূরের। ১৯৯৩ সালে মুক্তি পাওয়া ছবিটি পরিচালনা করেন এহতেশাম। ছবিতে তার নায়ক ছিলেন সাব্বির। কিন্তু ছবিটি ব্যবসায়িকভাবে ব্যর্থ হয়। এরপর সালমান শাহের সঙ্গে জুটি বেঁধে যেন বদলে যায় এই দুই তারকার জীবন। চিত্রনায়ক সালমান শাহের সঙ্গে ১৪টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন শাবনূর। যার সবগুলোই ছিল ব্যবসা সফল। এ জুটির প্রথম ছবি ‘তুমি আমার’ ১৯৯৪ সালে মুক্তি পায়। পরিচালনা করেন জহিরুল হক। একইবছর শাহ আলম কিরণ তাদের নিয়ে ফারুক-কবরী জুটির ‘সুজন সখী’ চলচ্চিত্রের রঙিন পুনঃনির্মাণ ‘সুজন সখী’ নির্মাণ করেন। ১৯৯৫ সালে ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ১৯৯৬ সালে ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘তোমাকে চাই’, ১৯৯৭ সালে শিবলি সাদিক পরিচালিত ‘আনন্দ অশ্রু’ ছবিগুলো দারুণ সাড়া ফেলে।

সালমানের পর নায়ক রিয়াজের সঙ্গে জুটি বেঁধেও অসংখ্য ছবি উপহার দেন শাবনূর। এই নায়কের বিপরীতে ১৯৯৭ সালে ‘মন মানেনা’ ও ‘তুমি শুধু তুমি’ মুক্তি পায়। এরপর ১৯৯৯ সালে রিয়াজ-শাবনূর জুটির ‘ভালোবাসি তোমাকে’ ও ‘বিয়ের ফুল’ ব্যাপক ব্যবসা সফল হয়। বলা চলে সালমান শাহের পর রিয়াজ-শাবনূরই জুটি হিসেবে দর্শকের মনে আজো রাজত্ব করছে।

২০০০ সালে শাবনূর-রিয়াজ জুটির ‘নারীর মন’ ও ‘এ মন চায় যে’ মুক্তি পায়। পরিচালনা করেন মতিন রহমান। এছাড়া এফ আই মানিক পরিচালিত ‘এ বাঁধন যাবেনা ছিঁড়ে’, জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘নিঃশ্বাসে তুমি বিশ্বাসে তুমি’, সাঈদুর রহমান সাঈদ পরিচালিত ‘এরই নাম দোস্তি’, এফ আই মানিক পরিচালিত ‘ফুল নেবে না অশ্রু নেবে’ নায়ক ছিলেন শাকিব খান ও ইস্পাহানি আরিফ জাহান পরিচালিত ‘গোলাম’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

এরপর ২০০১ সালে আবারো দেখা মেলে রিয়াজ-শাবনূর জুটির। এসময় তারা দর্শকদের উপহার দেন ‘শ্বশুরবাড়ী জিন্দাবাদ’। যেটি পরিচালনা করেন দেবাশীষ বিশ্বাস। একই বছর গাজী মাহবুব পরিচালিত ‘প্রেমের তাজমহল’ ও এফ আই মানিক পরিচালিত ‘স্বপ্নের বাসর’ ছবিগুলো ব্যাপক সাড়া ফেলে। ২০০২ সালে গুণী নির্মাতা আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘সুন্দরী বধূ’, এফ আই মানিক পরিচালিত ‘হৃদয়ের বন্ধন’ ও ‘স্বামী স্ত্রীর যুদ্ধ’, জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘মিলন হবে কত দিনে’ ও ‘ভালবাসা কারে কয়’, শাহাদৎ হোসেন লিটন পরিচালিত ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ এবং আজাদী হাসনাত ফিরোজ পরিচালিত ‘সবার উপরে প্রেম’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

এরপর ২০০৩ সালে অভিনয় করেন মতিন রহমান পরিচালিত ‘মাটির ফুল’, এফ আই মানিকের ‘দুই বধূ এক স্বামী’, আমজাদ হোসেনের ‘প্রাণের মানুষ’, আজাদী হাসনাত ফিরোজের ‘বউ শাশুড়ীর যুদ্ধ’, জিল্লুর রহমানের ‘স্বপ্নের ভালোবাসা’, মহম্মদ হান্নানের ‘নয়ন ভরা জল’ ছবিতে। ২০০৪ সালে এই নায়িকা কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘অন্য মানুষ’, আজাদী হাসনাত ফিরোজের ‘ফুলের মতো বউ’, মিজানুর রহমান খান দীপুর ‘যত প্রেম তত জ্বালা’, শিল্পী চক্রবর্তীর ‘তোমার জন্য পাগল’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

২০০৫ সালে শাবনূর অভিনীত সিনেমার মধ্যে আমজাদ হোসেনের ‘কাল সকালে’, সালাউদ্দিন লাভলুর ‘মোল্লা বাড়ীর বউ’, মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের ‘দুই নয়নের আলো’ এবং ‘আমার স্বপ্ন তুমি’। ‘দুই নয়নের আলো’ ছবিতে অসাধারণ অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ক্যারিয়ারের প্রথম ও একমাত্র জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান শাবনূর।

২০০৬ সালে শাবনূর কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস ‘জনম জনম’ অবলম্বনে নির্মিত ‘নিরন্তর’ ছবিতে অভিনয় করেন। পরিচালনা করেন আবু সাইয়ীদ। ২০০৭ সালের মুক্তি পায় মালেক বিশ্বাস পরিচালিত ‘মেয়ে সাক্ষী’, মহম্মদ হান্নান পরিচালিত ‘ভালোবাসা ভালোবাসা’ এবং পি এ কাজল পরিচালিত ‘আমার প্রাণের স্বামী’।

এরপর ২০০৮ সালে পি এ কাজলের ‘১ টাকার বউ’ ছবিতে শাকিব খানের সঙ্গে জুটিবদ্ধ হন শাবনূর। এই ছবিটিও ব্যবসা সফল হয়েছিল। ২০০৯ সালে রিয়াজের বিপরীতে মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘তুমি আমার স্বামী’, এটিএম শামসুজ্জামান পরিচালিত ‘এবাদত’ ও আব্দুল মান্নান পরিচালিত ‘মন বসে না পড়ার টেবিলে’ এবং শাকিব খানের বিপরীতে পি এ কাজল পরিচালিত ‘স্বামী স্ত্রীর ওয়াদা’ ও শাহ মোঃ সংগ্রাম পরিচালিত ‘বলবো কথা বাসর ঘরে’ ছবিতে অভিনয় করেন তিনি।

২০১০ সালে শাবনূর অভিনয় করেন মনতাজুর রহমান আকবরের ‘এভাবেই ভালোবাসা হয়’, মোহাম্মদ হোসেনের ‘চাঁদের মত বউ’, মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের ‘মন ছুঁয়েছে মন’, চন্দন চৌধুরীর ‘ভালোবেসে বউ আনব’ এবং বি আর চৌধুরীর ‘বধূ তুমি কার’ ছবিতে।

জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকাবস্থায় ২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর ব্যবসায়ী অনিক মাহমুদের সঙ্গে আংটি বদল হয় শাবনূরের। ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর বিয়ে করেন তারা। এরপর মিডিয়াকে আড়াল করে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস শুরু করেন শাবনূর। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর ছেলে সন্তানের মা হন তিনি। তার ছেলের নাম আইজান নিহান।

মাঝে অবশ্য ২০১২ সালের শেষের দিকে ‘পাগল মানুষ’ ছবির কাজ শুরু করেন। কিন্তু শুটিং স্পটে পরিচালক এম এম সরকারের মৃত্যুতে ছবির কাজ অসমাপ্ত থেকে যায়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে বদিউল আলম খোকনের পরিচালনায় ছবির বাকি অংশের কাজ শেষ করেন শাবনূর।

২০১৩ সালে শাবনূর অভিনীত ‘কিছু আশা কিছু ভালোবাসা’ ছবিটি মুক্তি পায়। ওই ছবিতে তার সহশিল্পী ছিলেন ফেরদৌস ও মৌসুমী। পরিচালনা করেন মোস্তাফিজুর রহমান মানিক।

শুধু ছবির সংখ্যা কিংবা কোনো পুরস্কারের বিচারে একজন শাবনূরকে মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। তার মতো সুঅভিনেত্রী-নৃত্যশিল্পী বা পর্দার প্রেয়সী হয়তো আর পাওয়া যাবে না। শাবনূরের তুলনা শাবনূর নিজেই। শাবনূরের প্রতিদ্বন্দ্বী তিনিই। শাবনূর আছেন, থাকবেন, কোটি দর্শকের হৃদয়ে। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, বাংলাদেশের চলচ্চিত্র যতদিন থাকবে, শাবনূর নামটি ততদিন বেঁচে থাকবে।

শাবনূরের পারিবারিক নাম কাজী শারমিন নাহিদ নুপুর। কিন্তু গুণী চলচ্চিত্র নির্মাতা এহতেশাম তার নাম বদলে রাখেন শাবনূর। দেশীয় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় এই নায়িকা আজকের দিনেই (১৭ ডিসেম্বর) যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। শাবনূরের জন্মদিনে আরটিভি অনলাইন পরিবারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা।

এম/এ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নজর কেড়েছেন শাহরুখ কন্যা
বলিউড কিং শাহরুখ খানের মেয়ে বলে জন্ম সূত্রেই বনে গেছেন তারকা। তাই যে কোনো পার্টি-অনুষ্ঠানে মধ্যমণি হয়ে উঠেন শাহরুখ কন্যা সুহানা খান। তার প্রতি মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। সুহানার বয়স এখনো ১৮ পার হয়নি। বলিউডের সিনেমাতেও অভিনয় করেননি। তবে শাহরুখ খানের সঙ্গে মাঝে মাঝে কিছু অনুষ্ঠানে দেখা যায় তাকে। এবার এক আত্মীয়ের বাড়িতে অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে নজর কেড়েছেন সুহানা। আকর্ষণীয় সাজে বিয়ের অনুষ্ঠানে দেখা গেছে শাহরুখ কন্যার মোহনীয় রূপ। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ হবার পর রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। ওই বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল দিল্লিতে। সুহানাকে দেখে বোঝার উপায় ছিল না যে তার বয়স মাত্র ১৭। সোনালি লেহেঙ্গায় বেশ লাবণ্যময়ী লাগছিল সুহানাকে। সেই ছবি দেখে অনেকেই প্রশংসা করেছেন। এছাড়া কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল সুহানার গোসলের ছবি। সুহানা নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিটি প্রকাশ করেছিলেন। এরপর সেই ছবি নিয়ে নানারকম খবর প্রকাশ হয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে। বলিউডের সিনেমায় অভিনয় না করলেও মঞ্চনাটকে অভিনয় করেন সুহানা। মুম্বাইয়ের একটি নাটকের দলের সঙ্গে যুক্ত আছেন সুহানা। ‘সিন্ডারেলা’ নাটকের অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। নাটকের ভিডিও দেখে কেউ কেউ সুহানাকে সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব দেয় বলে জানা গেছে। তবে শাহরুখ চান না তার মেয়ে এখনই সিনেমায় আসুক। পিআর/এসএস
নজর কেড়েছেন শাহরুখ কন্যা
পাঁচ মাস পরেই নাবিলার বিয়ে
শোবিজের জনপ্রিয় উপস্থাপিকা ও ‘আয়নাবাজি’খ্যাত অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা বিয়ে করতে যাচ্ছেন। তার বরের নাম জোবাইদুল হক। পেশায় একজন ব্যাংকার। দুই পরিবারের মধ্যে বিয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী এপ্রিলের ২৬ তারিখ হবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা এমনটাই জানালেন নাবিলা। নাবিলা বলেন, ‘আমাদের দু’জনার পরিচয় প্রায় ১৮ বছরের। বলতে পারেন আমরা দুজনেই দু’জনার প্রথম প্রেম। আমরা যখন জেদ্দায় থাকতাম, ওদের পরিবারও সেখানে থাকত। দুজনে একই স্কুলে পড়তাম। তখন থেকে তার প্রতি ভালো লাগা তৈরি হয়। তবে কল্পনাও করিনি এতদিন পর আমাদের সেই প্রেমের সফল পরিণতি হবে। সবার কাছে দোয়া চাই।’ বাবার চাকরি সূত্রে নাবিলার জন্ম ও বেড়ে ওঠা সৌদি আরবে। তার কৈশোর কেটেছে জেদ্দা শহরে। এসএসসি পাসের পর জেদ্দা থেকে নাবিলা স্থায়ীভাবে ঢাকায় চলে আসেন। অন্যদিকে নাবিলার হবু বর জোবাইদুল হকের কৈশোরও কেটেছে জেদ্দায়, তার বাবার চাকরি করতেন সেখানে। এখন তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত আছেন। ২০০৬ সালে বাংলাভিশনের এবং ক্লাসের বাইরে নামে একটি স্কুল ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের উপস্থাপনার মাধ্যমে শোবিজে নাবিলার পথচলা শুরু হয়। এরপর তিনি এনটিভির লাইভ কুইজ অনুষ্ঠান ‘জানার আছে বলার আছে’ এবং বাংলাভিশনে ‘মিউজিক টুগেদার’। এছাড়া আরটিভিতে প্রচারিত ‘এক্সট্রা ইনিংস’ পরবর্তী সময়ে ‘ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লাকি লাইন’ ও এশিয়ান টিভির ‘স্টার ডান্স’সহ অসংখ্য অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন। এম/সি
পাঁচ মাস পরেই নাবিলার বিয়ে
দীপিকার পাশে দাঁড়ালেন দাউদ ইব্রাহিম!
অবশেষে ছাড়পত্র পেয়েছে দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত বলিউডের তুমুল আলোচিত সিনেমা ‘পদ্মাবতী’। তবে সিনেমাটির নাম বদলে ফেলতে হয়েছে। গত শনিবার সিনেমাটিকে সেন্সর ছাড়পত্র দিয়েছে ভারতীয় চলচ্চিত্র সেন্সরবোর্ড। তবে সিনেমাটির নাম পরিবর্তন করে ‘পদ্মাবত’ রাখা হয়েছে। এই সিনেমাটির ছাড়পত্র পাওয়ার পেছনে নাকি বলিউডের মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের হাত রয়েছে। মূলত ডনের চাপেই সিনেমাটিকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এ প্রকাশিত একটি খবরে এই তথ্য জানা গেছে। তবে সেন্সরবোর্ড থেকে ছাড়পত্র দেয়ার সঙ্গে কিছু দৃশ্য পরিবর্তন করারও পরামর্শ দেয়া হয়েছে। পরিচালক সেই দৃশ্যগুলো পরিবর্তনগুলো করতে সম্মত হয়েছেন। এদিকে আন্দোলনরত কার্ণি সেনা অভিযোগ করেছে, দাউদ ইব্রাহিমের চাপে ছবিটিকে সেন্সর ছাড়পত্র দিয়েছে বোর্ড। এই সিনেমার মুক্তি দেশের জন্য মঙ্গলজনক হবে না। তাই রাজস্থানের যে হলেই এই ছবিটি  চলবে, তা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছেন কার্ণি সেনার প্রেসিডেন্ট সুখদেব সিং গোগামেড়ি। মূলত এই কার্ণি সেনার চাপেই ‘পদ্মাবতী’র মুক্তি পেছানো হয়। পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানশালীর শুটিং সেটে গিয়েও হামলা করা হয়। পরবর্তীতে ছবিটিকে ঘিরে ভারতজুড়ে শুরু হয় অস্থিরতা। একাধিক রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রীরা ছবিটিকে নিয়ে মন্তব্য করেন। পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় ছবিটির প্রিমিয়ার করার জন্য আমন্ত্রণ জানান। একইসঙ্গে সিনেমা সংশ্লিষ্ট অনেকেই ছবিটিকে মুক্তি দেয়ার জন্য সুপারিশ করেন। নানা বিতর্কের পর এবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেলো ছবিটি। পিআর/এম
দীপিকার পাশে দাঁড়ালেন দাউদ ইব্রাহিম!
কিন্তু শাকিব তুমি কী করছো?
তারকা দম্পতি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সংসার এখন ভাঙনের পথে। এরইমধ্যে অপু বিশ্বাসকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন শাকিব খান। তবে বিষয়টি মানতেই পারছেন না এক সময়ের নাম্বার ওয়ান নায়ক ওমর সানী। শাকিব-অপুকে উদ্দেশ্য করে এক দীর্ঘ ফেসবুক স্ট্যাটাস লিখেছেন তিনি। আরটিভি অনলাইনের পাঠকদের জন্য ওমর সানীর স্ট্যাটাসটি নিচে তুলে ধরা হলো। ওমর সানী লিখেছেন, শাকিব খানের শুরুটা হয়েছিল আমার আর মৌসুমীর হাত ধরে, সোহান সাহেবের (পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান) ছবিতে আমার শ্যালিকা ইরিনের নায়ক হয়ে। তাকে (শাকিব) আমি ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করি, আদর করি। আমি চাই শাকিব সুন্দর একটি সংসার করুক, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে। তার ফুটফুটে একটি বাচ্চা আছে, যার নাম জয়। কত সুন্দর তার মুখ, তাকে দেখলে মনে হয় এত মায়াবী শিশু আর হয়না। শাকিবের একজন স্ত্রী আছে, সেও সিনেমার নায়িকা। কিন্তু শাকিব তুমি কি করছো? এত সুন্দর একটি সংসার এভাবে নষ্ট করে দিচ্ছ? তুমি কি চাও জয় তার বাবার আদর না পাক? অপু তার স্বামীর সোহাগ বঞ্চিত হোক? আমি ও মৌসুমী ক্যারিয়ারের শীর্ষ সময়ে বিয়ে করেছিলাম, পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলাম। আমরা কি নিজেদের ভালোবাসার কথা দেশবাসীকে, ভক্তদের জানাইনি? আমাদের ভক্তরা তা সাদরে গ্রহণ করেছে। আমাদের ভালোবেসেছে, আজো বাসছে। মৌসুমী আজো দেশের প্রধান নায়িকা। আমাদের দুই সন্তান এতদিন পরেও তাদের বাবা-মায়ের আদর, শাসন, স্নেহ পাচ্ছে। আমি চাই তুমি ও তোমার স্ত্রী তোমাদের দায়িত্ব পালন করবে জয়ের প্রতি। অপুর প্রতি আমার উপদেশ, তুমি স্বামী-সংসারে মন দাও। মেয়েদের বড় অলংকার তার স্বামী, স্বামীর অহংকার তার স্ত্রী। এ অলংকার, এ অহংকার রক্ষা করতে হবে তোমাদেরকেই। ক্যারিয়ারের চেয়েও অনেকসময় বড় হয় সংসার, ভালোবাসা থাকলে, বিশ্বাস থাকলে, পরিশ্রম করলে সব একসুতোয় গেঁথে যাবে। যে মালা কারো কানকথায় ছিঁড়বে না। আমি চাই তুমি সংসার করে যাও একজন আদর্শ স্ত্রীর মতো। তোমরা দুজনেই আমাদের প্রিয়, স্নেহভাজন। তোমাদের মঙ্গলের জন্যই আমি বলছি, তোমরা সব ভুলে গিয়ে এক হয়ে যাও। জয়ের দিকে চেয়ে, তোমাদের ভক্ত দর্শকের দিকে চেয়ে। জয়ের জয় হোক, ভালোবাসার জয় হোক। এম/পিআর
কিন্তু শাকিব তুমি কী করছো?
দিশার খোলামেলা ছবি তুললেন কে?
হালের ক্রেজ দিশা পাটানি খুব একটা বেশি সিনেমায় কাজ না করলেও অল্প সময়েই এসেছেন আলোচনায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ফলোয়ারের সংখ্যা কম নয়। ইনস্টাগ্রামে মাঝে মাঝেই নিজের ছবি শেয়ার করেন দিশা। সেখানেই নিজের আপডেট ভক্তদের মাঝে শেয়ার করেন তিনি। ভালো লাগার মুহূর্তের ছবি পোস্ট করে আনন্দ পান দিশা। গেলো শনিবার তেমনই একটি ছবি পোস্ট করেছেন দিশা। বছরের শেষ কয়েকটা দিন ছুটির মেজাজে থাকতে চেয়েছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে সমুদ্র সৈকতে বালির উপর সাদা বিকিনি পরা অবস্থায় বসে আছেন নায়িকা। একাকি সমুদ্রের নীল জল ও বিশালতা মুগ্ধ হয়ে দেখছেন। তবে লোকেশন নিয়ে সরাসরি কিছু না জানালেও, ধারণা করা হচ্ছে ছবিটি শ্রীলঙ্কার কোনো সমুদ্রসৈকতের ধারে। ভারতীয় গণমাধ্যমে কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, দিন কয়েক আগেই টাইগার শ্রফের সঙ্গে বিমানবন্দরে দেখা গিয়েছিল তাকে। দিশা জানিয়েছিলেন, বর্ষবরণ করতে শ্রীলঙ্কায় ছুটি কাটাতে যাচ্ছেন তিনি। এদিকে বলিউডে গুঞ্জন আছে টাইগার ও দিশার মধ্যে অনেকদিন ধরেই প্রেমের সম্পর্ক চলছে। আর তাইতো নিন্দুকেরা বলছেন তাহলে কি সমুদ্রের তীরে বসে দিশার এমন খোলামেলা ছবি টাইগারেরই তোলা? তবে বিষয়টি নিয়ে টাইগার-দিশার কেউই কোনো মন্তব্য করেননি। এম/পি
দিশার খোলামেলা ছবি তুললেন কে?
আরও পড়ুন
চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত শাবনূর!
শীত চাই শাবনূরের!
শাকিব-অপুর ছেলের জন্মদিনে শাবনূর
‘শাবনূরের সঙ্গে ডিভোর্সের প্রশ্নই ওঠে না’