ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

সালমান শাহর আত্মহত্যা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন স্ত্রী সামিরা

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি

প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৫:৩১ পিএম
আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৬:০২ পিএম

খুব অল্প সময়েই দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়েছিলেন সালমান শাহ। হয়ে উঠেছিলেন সবার স্বপ্নের নায়ক।

বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ক্ষণজন্মা এই নায়কের শুভ জন্মদিন। বেঁচে থাকলে আজ ৫৩ বছরে পা রাখতেন সালমান শাহ। ১৯৭১ সালে আজকের এই দিনে পৃথিবীর আলো দেখেছিলেন তিনি।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান সালমান শাহ। সেদিন যেন শোবিজ অঙ্গন থেকে শুরু করে দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছিল। আজও স্বপ্নের এই নায়ককে হারানোর সেই বেদনা ভুলতে পারেননি তার ভক্তরা। ঢাকাই চলচ্চিত্রের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে আজও বেঁচে আছেন দর্শকদের মণিকোঠায়। চলে গিয়েও সবার হৃদয়ে থেকে গেছেন তিনি। এই নায়কের চলে যাওয়া কি স্বাভাবিক মৃত্যু? আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড? তা আজও রহস্য।

ক্ষণজন্মা এই নায়কের পরিবার মনে করেন, এটি স্বাভাবিক কোনো মৃত্যু ছিল না। পরিকল্পিতভাবে ‘হত্যা’ করা হয়েছে সালমান শাহকে এমন অভিযোগ এনে সালমানের মা নীলা চৌধুরী আইনের আশ্রয়ও নিয়েছেন। তার অভিযোগের আঙুল সালমানের স্ত্রী সামিরার দিকে। শুধু তাই নয়, সামিরাকে করা হয়েছে মামলার এক নম্বর আসামিও।

সালমানের মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে খুব বেশি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হননি সামিরা। যা বলেছেন আদালতেই। সংবাদমাধ্যমে দু-একটি সাক্ষাৎকার দিলেও সবসময় চেয়েছেন নিজেকে আড়াল রাখতে।

অমর এই নায়কের জন্মদিন উপলক্ষে গণমাধ্যমে কথা বলেছেন সামিরা। জানিয়েছেন অজানা অনেক কথা। শুরুতেই জানতে চাওয়া হয়, বেঁচে থাকতে সালমান শাহর জন্মদিনে বিশেষ কী আয়োজন থাকত? উত্তরে সামিরা বলেন, ইমন (সালমান শাহ’র ডাক নাম) আসলে সবসময় নিজের নয়, অন্যের কথা ভাবতেন। এটি ছিল ওর অনেক বড় একটি গুণ। বেঁচে থাকতে ইমন কখনও সেভাবে নিজের জন্মদিন পালন করত না। তবে আমার জন্মদিনে ও সবসময়ই চেষ্টা করত বিশেষ কিছু করার। একবার ১১ তলা বিল্ডিং থেকে আমার চোখ বেঁধে নিচে নামানো হয়। এরপর চোখ খুলে দেখি, উপহারের প্যাকেটে মোড়ানো একটি গাড়ি। সেদিন অবাক হয়ে গিয়েছিলাম, ওর উপহার দেখে। যে লাল গাড়িটি সবাই দেখেছেন সেটি ইমন আমাকে উপহার দিয়েছিল জন্মদিনে। এমন অসংখ্য সারপ্রাইজ ও আমাকে দিয়েছে।

আপনারা কি সংসার জীবনে সুখী ছিলেন? জানতে চাইলে সামিরা বলেন, কেন না! আমরা দুজন দুজনকে অনেক ভালোবাসতাম। আমি অনেক হ্যাপি ছিলাম। আমাদের মাঝে মনোমালিন্য হলে ইমন তা ভরিয়ে দিত ভালোবাসা দিয়ে।

তাহলে সালমানের মায়ের (নীলা চৌধুরী) অভিযোগ… সামিরার কথায়, বিয়ের আগে সালমানের মা আমাকে খুব পছন্দ করতেন। বিয়ের পর তিনি যখন জানতে পারেন এই বিয়েতে আমার পরিবারের মত ছিল না। তখন থেকে তিনি আমাকে অপছন্দ করতে লাগলেন। আমি সবসময়ই তাকে শাশুড়ি নয়, মা হিসেবে দেখতাম। কিন্তু তারপরও তার সঙ্গে আমার এমন দূরত্ব কেন হয়েছে, তা আমার জানা নেই।

কী হয়েছিল সেদিন (৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬), যার কারণে সালমান আত্মহত্যা করল? সামিরা বলেন, আত্মহত্যা করার মতো তেমন কিছুই হয়নি। সেদিন ওর সঙ্গে একটু কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। একটা পর্যায়ে অভিমান করে ও রুমে চলে যায় আর দরজা বন্ধ করে দেয়। আমি তখন অন্য রুমে ছিলাম। এর মধ্যেই সবকিছু ঘটে যায়। আমার চিৎকার শুনে ফ্লাটের লোকজন ছুটে আসে। খবর পেয়ে ইমনের মা-ও ছুটে আসে। এরপর রুম থেকে বেরিয়ে আসে ওর ঝুলন্ত দেহ।

তিনি আরও বলেন, এমন কথা-কাটাকাটি ওর সঙ্গে আগেও হয়েছে। আমার ওপর অনেক অভিমানও করেছিল ও। আরেকটা বিষয় ইমন কিন্তু এর আগেও তিনবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু চতুর্থবার ওকে আর ফেরানো যায়নি। আপনারা যদি খোঁজ নেন, তাহলে সেটি জানতে পারবেন।

কী কারণে তিনবার আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন—জানতে চাইলে সামিরা বলেন, কেন সেটি আমার সঠিক জানা নেই। তিনবারই ছিল আমার বিয়ের আগে। দুইবার ওকে মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ও একবার ওকে নেওয়া হয় বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে। আপনারা চাইলে হাসপাতালের রেকর্ড চেক করে দেখতে পারেন। আসলে, মানসিকভাবে ওর মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতাটা বেশি কাজ করতো।

আরও বলেন, ওইদিন আত্মহত্যার পর ইমনকে ওর পরিবারের লোকজন দ্রুত নিয়ে যায় হাসপাতালে। চিকিৎসক ওকে মৃত ঘোষণা করলে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় বিমানবন্দরে, সেখান থেকে সিলেটে। ওর শেষ মুখটাও আমাকে দেখতে দেওয়া হয়নি।

কেন? উত্তরে সামিরা বলেন, যেদিন ইমন আত্মহত্যা করে সেদিনই ইস্কাটনের বাসাতে ওর মা আমাকে অনেক আজেবাজে কথা বলে বাসা থেকে বের করে দেয়। সেখানে ওর ছোট ভাই ও মামাও ছিল। ইমনকে তারা নিয়ে যায় হাসপাতালে। আমি হাসপাতালে বা সিলেট যেতে চাইলে ওরা আমাকে আসতে দেয়নি।

সালমানের মা নীলা চৌধুরী বিভিন্ন সময় জানিয়েছেন, আলোচিত ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক ছিল! আর এ কারণেই নাকি তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে? সামিরার কথায়, এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা ও ভিত্তিহীন। এসব কথা উনি রটিয়েছে। শুধু তাই নয়, এমন কথাও রটানো হয়েছে—একটা অনুষ্ঠানে আজিজ মোহাম্মদ ভাই আমার গায়ে হাত রাখে। সেই অনুষ্ঠানে ইমনের সঙ্গে তার দ্বন্দ্বও হয়। এটাও মিথ্যা কথা। আসলে এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি। আজিজ মোহাম্মদ ভাইকে আমি ঠিকমতো চিনতামই না। তবে ইমনের মা তাকে চিনতেন। তিনি আরও অনেককেই চিনতেন।

সবশেষে সামিরা বলেন, ইমনের বাবা একজন ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। উনি যখন রমনা থানায় কেসটি ফাইল করেন, তখন কিন্তু ইউডি মামলা (অপমৃত্যু) হিসেবে ফাইল করেন। পরবর্তীতে সালমানের মা এটি হত্যা বলা শুরু করেন। এবং সবশেষ মামলাও করেন।

আরটিভি /এএ/এসএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
তামান্নার সঙ্গে তুলনা করে বারিশার আক্ষেপ
শোবিজের পরিচিত মুখ বারিশা হক। শুরুটা মডেলিং দিয়ে হলেও উপস্থাপনাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ড প্রোমোটিংয়ের কাজ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শক্ত অবস্থান গড়েছেন তিনি। নাটকেও অভিনয় করেছেন। কিন্তু মাঝে মধ্যেই নানান কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন বারিশা। বিশেষ করে তার শারীরিক স্থূলতা নিয়ে। একটা সময় স্লিম ফিগার ছিল বারিশার। তবে পরবর্তীতে তার স্বাস্থ্য বেড়ে গেলে তাকে নিয়ে শুরু হয় নেটিজেনদের চর্চা। আবার নিজেকে খানিকটা আকর্ষণীয় করতে বোটক্সের মতো প্লাস্টিক সার্জারিও করিয়েছেন এই মডেল।   কয়েকদিন আগে বোটক্স সার্জারি নিয়ে বিদ্রুপের মুখে পড়েন বারিশা। সেসময় নিশ্চুপই ছিলেন তিনি। এমনকি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়নি তাকে। তবে মনের মধ্যে ক্ষোভ আর আক্ষেপ পুষে রেখেছিলেন। সম্প্রতি সেটাই প্রকাশ করতে গেল বারিশাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার সঙ্গে তুলনা করে আক্ষেপ করলেন।   নেটদুনিয়ায় তামান্নার কিছু ছবি পোস্ট করে বারিশা লিখেছেন, তামান্না ভাটিয়া আন্তর্জাতিক মানের তারকা; যিনি আমার ও আপনাদেরও প্রিয়। বাংলাদেশের মেয়েদের ও খুব প্রিয়। সে কিন্তু জিরো ফিগার এর নয়, বরং তার শরীরের মেদ নিয়েও স্টেজ এ আকর্ষণীয় পোশাকে সবাইকে মুগ্ধ করে তার প্রতিভায়। তিনি আরও লেখেন, তাকে আমাদের দেশের মেয়েরা খুব প্রশংসায় ভাসিয়ে দেয়। সে প্রশংসা পাওয়ারই যোগ্য, তবে আমরা নই।ম কারণ আমরা অকর্ম, আমরা সব গালাগাল পাওয়ার যোগ্য; কারণ আমরা বলিউড নই, আমরা শ্যাম বাঙালি! ভালোবাসি সবাইকে। বর্তমানে মডেলিং কিংবা অভিনয়ের চেয়ে ব্রান্ড প্রমোশনেই বেশি ব্যস্ত থাকেন বারিশা। ২০০৮ সালে বিটিভিতে কুইজ শো এবং বিতর্কে অংশ নেন তিনি। বুলবুল ললিতকলা একাডেমি থেকে ক্লাসিক্যাল নৃত্যে দীক্ষা নেন। এভাবেই শুরু হয় বারিশার পথ চলা। অল্প দিনের পথচলায় নৃত্য ও উপস্থাপনার পাশাপাশি বেশ কিছু নাটকেও অভিনয় করেছেন তিনি।  আরটিভি/এইচএসকে/এআর  
তামান্নার সঙ্গে তুলনা করে বারিশার আক্ষেপ
জুলাই ফাউন্ডেশনে গেল রাহাত ফতেহ আলীর কনসার্টের টাকা
চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারকে সহায়তার জন্য গত ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় চ্যারিটি কনসার্ট ‘ইকোস অব রেভল্যুশন’। এতে পারফর্ম করেন জনপ্রিয় পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খান। কনসাটর্টির আয়োজক ‘স্পিরিটস অব জুলাই’ প্ল্যাটফর্ম।  এই কনসার্ট থেকে আয় হওয়া ১ কোটি ৬৫ লাখ ১১ হাজার ৪৮৫ টাকা আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবার নিয়ে কাজ করা কল্যাণমূলক সংস্থা ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’-এ দান করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় রাজধানীর শাহবাগস্থ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সংলগ্ন ফাউন্ডেশনটির কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলমের হাতে এই চেক তুলে দেওয়া হয়।  এ সময় ‘স্পিরিটস অব জুলাই’র পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, ‘ইকোস অব রেভোল্যুশন’ কনসার্টের আয়োজক মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহি, এস এম এহসান উল্লাহ ধ্রুব, খাইরুল আহসান মারজান, সাদেকুর রহমান সানি, মো. নূর এ আলম চৌধুরী, মো. জাফর আলী এবং রাইয়ান রহমান ইরাত। কনসার্টে এ দিন বিনা পারিশ্রমিকে গান পরিবেশন করেন রাহাত ফতেহ আলী। তিনি ছাড়া আরও গান পরিবেশন করেন ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গান গেয়ে জেল-জুলুমের শিকার হওয়া শিল্পী হান্নান, র‍্যাপার সেজান, দেশীয় ব্যান্ডদল চিরকুট, আর্টশেল ও আফটারম্যাথ। কনসার্টে টাইটেল স্পন্সর হিসেবে ছিল প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। আয়োজকরা জানান, স্পিরিটস অব জুলাই কর্তৃক আয়োজিত কনসার্টটির যাবতীয় আর্থিক হিসাবের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে অডিট রিপোর্ট প্রস্তুতের জন্য দেশের স্বনামধন্য অডিট কোম্পানি ‘Hoda Vasi Chowdhury & Co’র সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। উল্লেখ্য, অর্থসংক্রান্ত সার্বিক বিষয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ ও পরামর্শ প্রদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ নিয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছিল।  এ পরিষদে ছিলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ ড. কাজী মাহফুজুল হক সুপণ, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. আনসারুল আলম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মুহাম্মদ মাহবুব কায়সার, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ রুহুল আমিন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল আলম চৌধুরী, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল হক খান এবং বারডেম হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল হাসান মুনির। আরটিভি/এইচএসকে/এআর  
জুলাই ফাউন্ডেশনে গেল রাহাত ফতেহ আলীর কনসার্টের টাকা
কেন বলিউড ছাড়ছেন অনুরাগ কাশ্যপ
মেধা ও রুচিশীল কাজ দিয়ে বলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান প্রতিষ্ঠা করেছেন গুণি নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ। দর্শকদের উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা। শুধু নির্মাণই নয়, ভালো অভিনয়ও করেন তিনি। চলতি বছরের ‘মহারাজা’সিনেমায় অনুরাগ অভিনয় দাগ কেটেছে দর্শকের মনে। এবার জানা গেল, বলিউড ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন এই নির্মাতা।   এরপর থেকেই অনুরাগের ভক্তদের প্রশ্ন, হঠাৎ কি হলো নির্মাতার? কী কারণে বলিউড ছাড়তে চাচ্ছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন অনুরাগ। পাশাপাশি হিন্দি ভাষার শোবিজ ত্যাগ করার জন্য বেশ কিছু কারণও দেখিয়েছেন নির্মাতা।  অনুরাগ বলেন, বলিউডে এখন আর সৃজনশীলতার কোনো জায়গা নেই। সবকিছুই অর্থের দিকে চলে গেছে। চলচ্চিত্রের খরচ বেড়ে যাওয়ায় এখন সিনেমা তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কোনো সিনেমা নির্মাণের আগে থেকেই চিন্তা থাকে কিভাবে তা বিক্রি করা যাবে। আর এই চাপের মধ্যে সৃজনশীলতা হারিয়ে যায়। বলিউডের পরিবর্তে দক্ষিণী সিনেমায় নিয়মিত হতে চান জানিয়ে নির্মাতা বলেন,  আমি দক্ষিণে যেতে চাই। সেখানে এমন পরিবেশ আছে যেখানে সৃজনশীলতার সুযোগ বেশি। এখানে যদি থাকা না হয়, আমি একজন বৃদ্ধ মানুষ হয়ে মরে যাব। আমি নিজের ইন্ডাস্ট্রির প্রতি অত্যন্ত হতাশ এবং খুবই অসন্তুষ্ট। কিন্তু মলায়ালম সিনেমাতে আমার এমন কিছু অনুভূতি হয়নি। সেখানে অভিনয় অভিজ্ঞতা বেশ ইতিবাচক। প্রতিভা ব্যবস্থাপনা করে এমন এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন নানা তিনি বলেন, এই এজেন্সিগুলো তরুণ অভিনেতাদের শুধুমাত্র মুনাফার জন্য ব্যবহার করে। তাদের মনোযোগ কেবল স্টার তৈরির দিকেই থাকে। অভিনয় দক্ষতা গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ নেই তাদের। অনুরাগ আরও বলেন, বলিউডে এখন আর কেউ অভিনয় করতে চায় না, সবাই স্টার হতে চায়। এজেন্সি কাউকে স্টার বানায় না। কিন্তু একবার যদি কেউ স্টার হয়ে যায়, তখন তারা তাদের থেকে মুনাফা তৈরির প্রতিযোগিতায় নেমে যায়।    আরটিভি/এইচএসকে  
কেন বলিউড ছাড়ছেন অনুরাগ কাশ্যপ
আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পুড়ে যায় পাখিদের ছোট্ট শরীর: নওশাবা
প্রতিবছর আতশবাজি, পটকা ফুটিয়ে ও ফানুস উড়িয়ে থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন করেন সবাই। কিন্তু এই উৎসবে অনেক সময় বিপাকে পরতে হয় সাধারণ মানুষকে। আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর শব্দে অত্যন্ত আতঙ্কের মাঝে কাটে শিশু থেকে শুরু করে অসুস্থ মানুষ, এমনকি পশু-পাখিও। শুধু তাই নয়, প্রাণনাশের ঘটনাও ঘটে। বিষয়টি নিয়ে মানুষকে সচেতন করতে কাজ করছে সরকার, সামাজিক কিংবা প্রাণী কল্যাণ সংগঠনগুলো। কেউ কেউ নিজ উদ্যোগেও সামাজিক মাধ্যমে আতশবাজি-ফানুস তাণ্ডবের ভয়াবহতা তুলে ধরে সচেতনতার বার্তা দিচ্ছেন। পিছিয়ে নেই অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ।  পটকা ফুটিয়ে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনকে হেলিকপ্টার থেকে গুলির সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। পাশাপাশি থার্টিফার্স্ট নাইট বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন অভিনেত্রী।  গণমাধ্যমে এ প্রসঙ্গে নওশাবা বলেন, ২০২৪-এ আমাদের সবচেয়ে ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতা ছিল হেলিকপ্টার থেকে গুলিতে নিরপরাধ শিশুর প্রাণ হারানো। কখনও কী ভেবে দেখেছেন, আমাদের উল্লাসে আকাশে ছুঁড়ে দেওয়া আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পাখিদের ছোট্ট শরীর পুড়ে যায় একইভাবেই।  তিনি আরও বলেন, আমাদের উৎসবের শব্দে আতঙ্কে তাদের জীবনের আলো নিভে যায়! অথচ এই পৃথিবী তো শুধু আমাদের নয়, তাদেরও। ছোট্ট শিশু উমায়ের প্রাণ হারিয়েছিল এই বর্ষবরণের আতশবাজির ভয়াবহ শব্দে। অভিনেত্রী বলেন, এবারের বর্ষবরণ আগ্রাসী না হোক, চলুন দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই। আপনার বাসার অসুস্থ বুড়ো বাবা-মা এবং শিশুদের কথা ভেবে, রাস্তার অসহায় পথপ্রাণী আর পাখিদের কথা ভেবে এবারের বর্ষবরণ হোক আতশবাজি মুক্ত। ২০২৫ হোক মঙ্গলময় পরিবর্তনের বছর। নতুন বছরের শুভেচ্ছা সবাইকে।   আরটিভি/এইচএসকে  
আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পুড়ে যায় পাখিদের ছোট্ট শরীর: নওশাবা
জুয়ার প্রচারণায় তোপের মুখে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল
মাঝে মধ্যেই জুয়ার অ্যাপের প্রচারণায় খবরের শিরোনামে উঠে আসে তারকাদের নাম। কেউ শুভেচ্ছাদূত হয়ে, কেউ বা আবার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এসব অ্যাপের স্পন্সরশিপের মাধ্যমে প্রচারণায় অংশ নেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী পিয়া জান্নাতুলের নাম।  চলমান বিপিএলকে কেন্দ্র করে একটি জুয়ার অ্যাপের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে তাকে। আর এতেই তোপের মুখে পড়েছেন পিয়া। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে মুখ খুলেছেন তিনি। পিয়া বলেন, আমি একজন ক্রিকেটপ্রেমী। বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে কথা বলতে ভালোবাসি। আমি শুধু ক্রিকেট নিয়ে পোস্ট করেছি, যা ক্রিকেট সম্পর্কে আমার ভালোবাসা প্রকাশ করে। তাছাড়া আমি শুধু ওই অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করছি। এখানে কে স্পনসর দিলো সেটা তো বিষয় না। এর বেশি আর কিছুই বলতে চাই না। জানা গেছে, যে জুয়ার অ্যাপের টি-শার্ট পরে পিয়া অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন তা বাংলাদেশের সেরা জুয়ার এজেন্টদের একটি। এদিকে প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার জন্য কোনো পোর্টাল বা অ্যাপ বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনচিত্রে অংশগ্রহণ করেন, তা হবে ওই ব্যক্তির অপরাধ।’ এর আগে পরীমণি, নুসরাত ফারিয়া, অপু বিশ্বাস, মাহিয়া মাহি, এবং শবনম বুবলীর মতো তারকাদের এ ধরনের প্রচারণায় দেখা গেছে। আরটিভি/এইচএসকে/এস/এআর  
জুয়ার প্রচারণায় তোপের মুখে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল
আরও পড়ুন
দ্বিতীয় স্ত্রীর প্রতারণায় বিপদে প্রথম স্ত্রী
স্ত্রী-সন্তানসহ সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
টিকটক নিয়ে কলহে স্ত্রীর আত্মহত্যা, অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন স্বামী 
৩১৮ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন, স্ত্রীসহ পাপুলের বিরুদ্ধে চার্জশিট