
দেশের নন্দিত নাট্যকার মাসুম রেজার জন্মদিন আজ (২৫ ডিসেম্বর)। রাত ১২টার পর থেকেই প্রিয় মানুষদের শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন এই গুণীজন। তবে সকালেই তাকে চমকে দিলেন তার নাট্যদল ‘দেশ নাটক’র নাট্যকর্মীরা।
মাসুম রেজা বলেন, সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি বাসায় কেউ নেই। আমি রেডি হচ্ছি `আরটিভির তারকালাপ’ অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য। বাসায় কাউকে না পেয়ে খুঁজতে গিয়ে দেখি ছাদে দেশ নাটকের সবাই পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছে। অথচ ওরা আমাকে আগে থেকে কিছুই জানায়নি।
আমি তখন তাদের বললাম, ভালো হলো, তোমরা আমাকে সারপ্রাইজ দেয়ার জন্য কিছুই জানাওনি। এখন আমি চলে যাচ্ছি। এটাই তোমাদের জন্য সবচেয়ে বড় সারপ্রাইজ।
এরপরই মাসুম রেজা চলে আসেন আরটিভির তারকালাপ অনুষ্ঠানে। সরাসরি এই অনুষ্ঠানটিতে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন এবং কেক কাটেন তিনি। লাইভ অনুষ্ঠান শেষ করে আরটিভি অনলাইনে আসেন মাসুম রেজা।
এসময় আরটিভি অনলাইনকে নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে বলেন, জন্মদিনকে ঘিরে সবার ভালোবাসাটা খুবই উপভোগ করি। মানুষের ভালোবাসার চেয়ে বড় কোনো উপহার নেই। এখান থেকে আবার বাসায় ফিরে যাবো। সেখানে সবাই পিঠা উৎসব করছে। শীতের পিঠা আর সবার সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে দিনটি উদযাপন করবো।
মাসুম রেজা একাধারে নাট্যকার, নির্দেশক ও সংগঠক। তবে নাট্যকার হিসেবেই খ্যাতি অর্জন করেছেন তিনি। সিনেমার কাহিনীকার হিসেবেও পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।
তার রচিত ও নির্দেশিত নাটকের মধ্যে রয়েছে নিত্যপুরাণ, সুরগাঁও। মাসুম রেজার লেখা উল্লেখযোগ্য মঞ্চনাটকের মধ্যে রয়েছে- বিরসা কাব্য, আরজ চরিতামৃত, কুহুকজাল, জলবালিকা, শামুকবাস প্রভৃতি।
বর্তমানে তিনি টেলিভিশন নাট্যকার সংঘের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। টেলিভিশনে ‘রঙের মানুষ’ নাটকটি লিখে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছেন মাসুম রেজা। এছাড়া ‘মোল্লা বাড়ির বউ’, ‘বাপজানের বায়োস্কোপ’ সিনেমার কাহিনী ও চিত্রনাট্য লিখে প্রশংসিত হয়েছেন।
‘বাপজানের বায়োস্কোপ’ সিনেমার কাহিনী ও চিত্রনাট্যকার হিসেবে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এছাড়া নাট্যকার হিসেবে পেয়েছেন বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার।
পিআর/এ




