ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢাকা ছেড়েছেন হানিয়া, তবুও আছেন আলোচনায়

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৭:৪৫ পিএম
হানিয়া আমির। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হানিয়া আমির এখন ঢাকায়। সানসিল্কের আমন্ত্রণে গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে তিনি ঢাকায় আসেন। ঢাকায় পা রেখেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশি ভক্তদের জানান উষ্ণ অভ্যর্থনা। এরপর থেকেই ভক্তদের কৌতূহল ছিল তাকে নিয়ে।

এ সফরে হানিয়ার সঙ্গে ছিলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফুড ভ্লগার ইফতেখার রাফসান। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, তারা দুজন একসঙ্গে রিকশায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং গল্প করছেন। আহসান মঞ্জিলের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে হানিয়া বেশ কিছু ছবি তোলেন। সঙ্গে ছিলেন তার টিম, আয়োজক পক্ষ এবং অন্য ইনফ্লুয়েন্সাররা।

এ ছাড়া হানিয়া চিত্রনায়ক নাঈম ও শাবনাজের বড় মেয়ে নামিরা নাঈমের সঙ্গেও আড্ডা দেন। নামিরার পরিচয় জেনে হানিয়া বেশ আনন্দিত হন। সারাদিন ঢাকায় ঘোরাঘুরি করে সন্ধ্যায় পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন হানিয়া। এই আয়োজনে দেশের ভক্তদের সঙ্গে দেখা করেন। ‘গেট রেডি উইথ মি’ ভিডিও বানিয়েই হানিয়া আমিরের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার সুযোগ পেয়েছিল ভক্তরা।

এই আয়োজন ছাড়াও আজ সানসিল্ক আয়োজিত এক্সক্লুসিভ ফটোশুটে অংশ নেন হানিয়া আমির। পাশাপাশি এই সফরে তিনি দেশের জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সারদের সঙ্গে একটি এক্সক্লুসিভ মিট অ্যান্ড গ্রিট সেশনে সেশনে অংশ নেন। যেখানে হানিয়া নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন এবং সানসিল্কের নতুন গালস শাইন প্রোপ্রোজিশন নিয়ে কথা বলেন, যা সবাইকে বেশ অনুপ্রাণিত করে। পরই তিনি পাকিস্তানে ফিরে যান এই তারকা।

হানিয়ার এই সফরের স্মৃতি ও প্রভাব এখনও রয়ে গেছে আলোচনায়।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৭ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে জন্মগ্রহণ করেন হানিয়া আমির। অল্প সময়েই নাটক, চলচ্চিত্র ও ওয়েব কনটেন্টে অভিনয়ের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় মুখ হয়ে উঠেছেন হানিয়া। ২০১৬ সালে ‘জানান’ চলচ্চিত্র দিয়ে বড়পর্দায় অভিষেক ঘটে হানিয়ার। এরপর ‘মেরে হামসাফার’, ‘ফেরি টেল’, ‘দিলরুবা’, ‘আন্না’, ‘কাভি মে কাভি তুম’ ও ‘মুক পেয়ার হুয়া থা’-এর মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। রোমান্টিক, কমেডি থেকে চরিত্রভিত্তিক সব ধরনের ভূমিকায় তার অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে।

সম্প্রতি ‘সর্দারজি ৩’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক করেছেন হানিয়া। এতে নূর চরিত্রে তার অভিনয় পাকিস্তান ও ভারতে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। বর্তমানে পাকিস্তানের অন্যতম সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রী হানিয়া, তার ইনস্টাগ্রামে অনুসারী সংখ্যা প্রায় ২ কোটি!

আরটিভি/এএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘ক্ষমতার বাইরে থেকেও মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়ার প্রমাণ এই জনসমুদ্র’
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এদিন জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ জড়ো হলে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ভোর থেকেই সর্বস্তরের মানুষ মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় উপস্থিত হতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে মানুষের ঢল নামে, যা এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের জন্ম দেয়। অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব জানাজায় অংশ নেওয়া মানুষের কয়েকটি ছবি নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করেন।  ছবিগুলোর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ক্ষমতার বাইরে গিয়েও যে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়-এই জনসমুদ্র তার প্রমাণ। মহান আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতের উঁচু মাকাম তথা জান্নাতুল ফেরদাউস দান করে। আমিন। আরও পড়ুন ‘১৭ বছর যে অত্যাচার সহ্য করেছেন আল্লাহ তাকে সম্মানিত করবেনই’ উল্লেখ্য, বুধবার ২টা ৫৮ মিনিটে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেকের ইমামতিতে জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়। লাখ-লাখ মানুষের এই জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস, দেশের প্রায় সকল রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ শোক জানানোর পাশাপাশি শোকার্ত পরিবারকে সহমর্মিতা জানাতে ঢাকায় ছুটে আসেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, পাকিস্তানের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক, শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিজিতা হেরাথ, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা, ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিয়নপো ডি এন ধুংগেল এবং মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর বিশেষ দূত ও দেশটির উচ্চশিক্ষা, শ্রম ও দক্ষতা উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী ড. আলী হায়দার আহমেদ। দক্ষিণ এশিয়ার নেতাদের উপস্থিতিই বলে দেয়, খালেদা জিয়া শুধু বিএনপিরই নেত্রী নন, এই জাতি-রাষ্ট্রেরই নেতা। জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় জিয়া উদ্যানে। সেখানে স্বামী জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়। এরপর তোপধ্বনির মাধ্যমে গান স্যালুট প্রদর্শন করে জানানো হয় সম্মাননা। সরকার, তিন বাহিনীর প্রধানরাও শ্রদ্ধা জানান তাকে। আরটিভি/কেআই
‘ক্ষমতার বাইরে থেকেও মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়ার প্রমাণ এই জনসমুদ্র’
কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিনেত্রী, ঘটনা কী
শোবিজের ঝলমলে আলো আর ক্যামেরার ফ্ল্যাশে ঘেরা জীবন হলেও বর্তমানে মানসিকভাবে কঠিন সময় পার করছেন কিম কার্দাশিয়ান। কোনো সিনেমার চিত্রনাট্য বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন নয়-আইন বিষয়ে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়াই তাকে ভেঙে দিয়েছে মানসিকভাবে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের সেই ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা স্মরণ করে আবারও আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এই মার্কিন তারকা। জানা গেছে, আইন বিষয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন কিম। পরীক্ষা দেওয়ার আগেই কিছুটা দুশ্চিন্তায় ছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ফল প্রকাশের পর সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়-উত্তীর্ণ হতে পারেননি কিম। গত ৭ নভেম্বর পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। বছর শেষের এক সাক্ষাৎকারে সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে কিম জানান, পরীক্ষা শেষ করার পরই তার মনে হয়েছিল ফল ভালো হবে না। কিম বলেন, পরীক্ষা দেওয়ার পরই মনে হচ্ছিল কিছু একটা খারাপ হতে যাচ্ছে। প্রশ্নগুলোর উত্তর যেভাবে গুছিয়ে দিতে চেয়েছিলাম, তা পারিনি। তবুও মনে একটু আশা ছিল-হয়তো কোনো মিরাকল হবে। কিন্তু বিকেলে ফল প্রকাশের পর বুঝলাম, আমার ভয়টাই সত্যি হয়েছে। আরও পড়ুন ‘১৭ বছর যে অত্যাচার সহ্য করেছেন আল্লাহ তাকে সম্মানিত করবেনই’ সাক্ষাৎকারে কথাগুলো বলতে বলতে আবারও চোখের জল ফেলতে দেখা যায় কিমকে। তবে এই কঠিন সময়ে তার পাশে শক্তভাবে দাঁড়িয়েছেন মা ক্রিস জেনার। মেয়ের পরিশ্রমের কথা তুলে ধরে ক্রিস বলেন, কিম এই পরীক্ষার জন্য অনেক কষ্ট করেছেন। কিন্তু একই সঙ্গে টিভি শো-এর ব্যস্ত কাজ এবং আইনের জটিল পড়াশোনা সামলানো সহজ ছিল না। আরটিভি/কেআই
কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিনেত্রী, ঘটনা কী
‘১৭ বছর যে অত্যাচার সহ্য করেছেন আল্লাহ তাকে সম্মানিত করবেনই’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।  বেগম জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হওয়ার পর এক আবেগঘন পোস্টে দিয়েছেন অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। পোস্টে তার লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের ছবি শেয়ার করে অভিনেতা লিখেছেন, ১৭ বছর! ১৭টা বছর যে মানুষটা একা নিরবে নিভৃতে অত্যাচার সহ্য করে গেছেন আল্লাহ তাকে সম্মানিত করবেনই! আর আল্লাহ যখন কাউকে সম্মানিত করেন হিসাব ছাড়া করেন! এত মানুষ! এত অগণিত মানুষ! এরপর তিনি যোগ করেন, কয়জন সৌভাগ্যবান হয় এত সুন্দর জানাজার! পৃথিবীতে এমনভাবে বাঁচেন যাতে আপনার মৃত্যু আপনাকে হাজার বছর বাঁচিয়ে রাখে। আল্লাহ আপনাকে জান্নাতবাসী করুক। এদিকে জানাজার আগে খালেদা জিয়ার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন এবং মায়ের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন। তার কাছে কেউ কোনো ঋণ পেলে যোগাযোগ করতে বলেন। এছাড়া খালেদা জিয়ার আচরণে কেউ কোনো কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেওয়ার আবেদন জানান তারেক রহমান। আরও পড়ুন জেলে যাওয়ার আগে বেবী নাজনীনকে যা বলেছিলেন খালেদা জিয়া  অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টাবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের লাখ লাখ মানুষ বেগম জিয়ার জানাজায় অংশ নেন।  আরটিভি/কেআই
‘১৭ বছর যে অত্যাচার সহ্য করেছেন আল্লাহ তাকে সম্মানিত করবেনই’
একদিন আমরা হারিয়ে যাবো: আরশ খান 
বর্তমান সময়ে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা আরশ খান। গত অল্প কয়েক বছরের মধ্যে দর্শকদের অনেক নাটক উপহার দিয়েছেন তিনি। অভিনয়ের জন্য প্রশংসাও লাভ করেছেন। একের পর এক নাটকে বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন এই তারকা।  অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিকমাধ্যমে বেশ সরব অভিনেতা। সাম্প্রতিক ইস্যুতে নিজের মতামত প্রকাশ করেন। সেই ধারাবাহিকতায় তিনি তার ফেসবুক পোস্টে শৈশব ও বর্তমানের তুলনা করেছেন। আরশ লিখেন, ছোট বেলা থেকে চিনি জানি এমন সকল মানুষ গুলো একজন একজন করে চলে যাচ্ছে। সব জায়গা গুলো আধুনিকীকরণের দৌড়ে পাল্টে যাচ্ছে।  আরও পড়ুন ‘শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্য জীবনের প্রথম ভোট বিএনপিকে দিয়েছিলাম’ তিনি আরও বলেন, বদলাচ্ছে নোট, বদলাচ্ছে বাহন, বদলাচ্ছে খাবার, বদলাচ্ছে স্বপ্ন। এর একটাই অর্থ আমি এবং আমার জেনারেশন সবাই কিছু দিনের মধ্যে বার্ধক্যে পা রাখবে। এরপর একদিন আমরা হারিয়ে যাবো। ব্যস্ত এই নগরজীবনে যান্ত্রিকতার আড়ালে মানুষ যে নিজেকে সময় দিতে ভুলে যাচ্ছে, সেটিও মনে করিয়ে দিয়েছেন আরশ। শেষে লিখেছেন, জীবন কে বোঝ অতিথি, জীবনকে চেনো জীবনকে সময় দেয়াটা জরুরী এই সত্যটা মানো। আরটিভি/এএ 
একদিন আমরা হারিয়ে যাবো: আরশ খান 
‘শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্য জীবনের প্রথম ভোট বিএনপিকে দিয়েছিলাম’
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার প্রয়াণ ঘটে।  আপসহীন এই নেত্রীর বিদায়ে সারাদেশে যেমন শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দিয়ে এই নেত্রীকে স্মরণ করছেন।  বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকের ছায়া মোটা দাগে পড়েছে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে। শিল্পীদের সোশ্যাল হ্যান্ডেল ভারি হয়েছে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসনকে হারানোর বেদনায়।  জনপ্রিয় অভিনেতা নাসির উদ্দিন খানকেও ছুঁয়েছে শোক। তা প্রকাশের পাশাপাশি এ অভিনেতা সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন জীবনের প্রথম ভোট দেওয়ার গল্প। জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার মিষ্টি হাসির জন্য জীবনের প্রথম ভোট তিনি দিয়েছিলেন বিএনপির প্রতীক ধানের শীষে। নিজের ফেসবুকে আজ মঙ্গলবার নিজের ফেসবুকে নাসির উদ্দিন লিখেছেন, আমি রাজনীতি অপছন্দ করা একজন অতি সাধারণ ভোটার, তবে রাজনীতি সচেতন। এরপর লেখেন, ২০২৪ এ ভোট দিতে যাইনি, ‘৮৪০’ এর শুটিংয়ে দেশের বাইরে ছিলাম। ২০১৮ তে ভোট কেন্দ্রে যেতে ইচ্ছে হয়নি। ২০১৪ সালের ভোট দেওয়ার পেছনে গল্প বলেন নাসির। তার কথায়, ২০১৪ তে ভোট কেন্দ্রে গিয়েছিলাম ভোট দিতে নয়, কেন্দ্র পরিদর্শনে। সম্পূর্ণ অপরিচিত একজন প্রার্থীকে মার্কা সুন্দর দেখে ভোট দিয়েছিলাম। আমার ধারণা আমাদের কেন্দ্র থেকে তিনি যদি একটি ভোটও পেয়ে থাকেন, তাহলে সেটি আমার। এর আগের নির্বাচন গুলোতে আওয়ামিলীগ-বিএনপিকে মিলিয়ে-ঝুলিয়ে দিয়েছি। এরপর অভিনেতা বলেন জীবনের প্রথম ভোটের গল্প। নাসির লেখেন, তবে জীবনের প্রথম ভোটটি দিয়েছিলাম ১৯৯১ সালে, বিএনপিকে, তার একমাত্র কারণ বেগম খালেদা জিয়া; শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্যে। সবশেষে এ অভিনেতা লিখেছেন, বিদায় হে সাবেক প্রধানমন্ত্রী, আপনার রুহের মাগফিরাত কামনা করি। খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতাসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। চিকিৎসা শেষে ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। সে সময় স্বাস্থ্যের কিছুটা উন্নতিও দেখা গিয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনের শারীরিক জটিলতা এবং মানসিক ধকলের কারণে তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে পুনরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে এক মাসের বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ ভোরে তিনি চিকিৎসায় সাড়া দেওয়া বন্ধ করে দেন এবং চিরবিদায় নেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নেতৃত্ব দেওয়া খালেদা জিয়া ‘দেশনেত্রী’ হিসেবে জনগণের কাছে সমাদৃত ছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তার অটল ভূমিকার কারণে তাকে ‘আপসহীন’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। আরটিভি/এএ 
‘শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্য জীবনের প্রথম ভোট বিএনপিকে দিয়েছিলাম’
আরও পড়ুন
জাতিসংঘের শুভেচ্ছাদূত হলেন হানিয়া আমির
বাংলাদেশ নিয়ে হানিয়া আমিরের পোস্টে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
হানিয়া আমিরকে আমি চিনি না, হাসান মাসুদের বিস্ফোরক মন্তব্য
বাংলাদেশে এসে ‘ব্রেকআপ ঝালমুড়ি’ খেলেন হানিয়া!