ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

‘আরটিভি লিটল স্টার’ চ্যাম্পিয়ন সেহমান ইসলাম

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:২২ পিএম
ছবি: আরটিভি

‘আগামীর কণ্ঠস্বর’ শ্লোগানে বাংলাদেশের প্রতিভাবান শিশু-কিশোরদের খোঁজে আয়োজিত এসএমসি মনিবিস্কুট প্রেজেন্টস ‘আরটিভি লিটল স্টার’ প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের শিরোপা জিতে নিয়েছেন ঢাকার শিল্পী সেহমান ইসলাম। প্রথম রানার-আপ হয়েছেন যৌথভাবে দীপা রায় চৈতি ও সিফাত রিজওয়ান নাফী এবং দ্বিতীয় রানার-আপ হয়েছেন তাসবিহা আয়ান তানহা।

গ্র্যান্ড ফিনাল অনুষ্ঠানটি আয়োজন হয়েছিল বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া স্টুডিওতে এবং শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৫টা ৩৫ মিনিটে আরটিভিতে এটি সম্প্রচারিত হয়েছে।

Humayun_Kabir-_MD_Rtv

গ্র্যান্ড ফিনালের স্বাগত বক্তব্যে আরটিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব হুমায়ুন কবির বলেন, আরটিভি শিশু-কিশোরদের মনের আকাশ মুক্ত করে দিতে চায়, এটা সাধারণ মানুষ এবং সমাজের প্রতি আরটিভির কমিটমেন্ট। এই শিশু-কিশোররাই আগামীর বাংলাদেশ। তারাই বাংলা গানকে আরো সমৃদ্ধ এবং বেগবান করবে। এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ী এবং অংশগ্রহণকারী সবার জন্য আরটিভির দরজা সবসময় খোলা থাকবে।

Khorshid_Alam

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব জনাব খুরশিদ আলম বলেন, আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষ্যৎ, এতো শিশু-কিশোর গানের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে দেখে আনন্দে আমার বুক ভরে উঠছে। তাদের মা-বাবাদের প্রতি আমার বিশেষ অনুরোধ, তারা যেন গানের সঠিক শিক্ষাটা পায়। গানের চর্চাটা যথাযথ ভাবে শিখে নেয়। তাহলেই তারা বড় মাপের শিল্পী হতে পারবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন বলেন, এই শিশু-কিশোররাই আমাদের গ্রেট স্টার, বাংলার মৌলিকগানের ধারা তাদের হাত ধরে আরো সমৃদ্ধ হবে এটাই আমার একমাত্র চাওয়া। আজ আমি সে সম্ভাবনাও দেখতে পাচ্ছি।

Taslim_uddin_SMC

এসএমসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব তছলিম উদ্দিন খান বলেন, গত ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের নারী ও শিশুস্বাস্থ্য উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে এসএমসি। তারই ধারাবাহিকতায় আরটিভির সাথে আমরা একাধিক আয়োজনে যৌথভাবে কাজ করেছি। এসএমসি মনিবিস্কুট প্রেজেন্টস শিশু-কিশোরদের বাংলা গানের প্রতিযোগিতার এই আয়োজনটি সত্যি ব্যতিক্রম এবং অনন্য। আমি এই প্রতিযোগিতার সকল শিশু-কিশোরদের প্রতি আমার স্নেহ এবং ভালোবাসা জ্ঞাপন করছি। তাদের হাত ধরেই সমৃদ্ধশীল হয়ে উঠবে আগামীর বাংলা সংস্কৃতি এবং বাংলাদেশ।

উক্ত অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদানের পাশাপাশি মনোনীতদের হাতে পদক তুলে দেন প্রতিযোগিতার ৩ জন বিচারক যথাক্রমে জনপ্রিয় পপ সংগীতশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ, বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী সানিয়া সুলতানা লিজা ও জিনিয়া জাফরিন লুইপা; ডাক্তার ইয়াসমিন এইচ আহমেদ, ডিরেক্টর, বোর্ড অব ডিরেক্টরস, এসএমসি; জনাব তপন বালা, সিএফও, এসএমসি; জনাব ফিরোজ উল আলম, ডিএমডি অপারেশন, এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড; জনাব মাসুম আহমেদ জায়গীরদার, চীফ ইঞ্জিনিয়ার, এসএমসি; জনাব আবুল বাশির খান, সিএফও, এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড; জনাব রানা কায়সার আহমেদ, জিএম, এডমিন, এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড; জনাব মনজুর হোসাইন, জিএম, সাপ্লাইচেইন, এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড; জনাব সি এন মন্ডল, জিএম, সেলস্, এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড; সঙ্গীত পরিচালক জনাব ইমন সাহা; ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এসএমসি ও এসএমসি এন্টারপ্রাইজের বিভিন্ন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সঙ্গীত ও সংস্কৃতি অঙ্গনের একাধিক ব্যক্তিবর্গ।

উল্লেখ্য-অলনাইন রেজিস্ট্রেসনের মাধ্যমে প্রায় ১২হাজার প্রতিযোগীর আবেদন থেকে প্রাথমিক ভাবে ৫ হাজার প্রতিযোগীকে বাছাই করেন বিচারকগণ। এই ৫ হাজার জন থেকে বিচারকগণের বিচার-বিশ্লেষণে ১৫০ জনকে বাচাই করা হয় স্টুডিও রাউন্ডের জন্য। আরটিভি বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া স্টুডিওতে ১৫০ জন প্রতিযোগী নিয়ে শুরু হয় এসএমসি মনিবিস্কুট প্রেজেন্টস “আরটিভি লিটল স্টার-আগামীর কণ্ঠস্বর” এর চূড়ান্ত বাছাই পর্ব। তারই ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে ফোক রাউন্ড, রবীন্দ্র ও নজরুল সঙ্গীত রাউন্ড, মুভি ও মডার্ন সং রাউন্ড, ব্যান্ড রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন

আরজু আহমেদ এর প্রযোজনায় অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করছেন ইমতু রাতিশ ও রুহানি সালসাবিল লাবণ্য। সার্বিক তত্তাবধানে রয়েছেন আরটিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান, সার্বিক ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন আরটিভি অনুষ্ঠান বিভাগ। পুরো আয়োজনের টাইটেল স্পন্সর- এসএমসি মনিবিস্কুট; পাওয়ার্ড বাই- স্মাইল বেবি ডায়াপার; মেকআপ পার্টনার- পারসোনা; ড্রেস পার্টনার- আনজারা ও ফিট এ্যলিগেন্স, শৈশব ও বিশ্ব রঙ; ছেলেদের হেয়ারস্টাইল পার্টনার- আক্তার আলী হেয়ার স্টুডিও, স্টাইলিং- আসাদ খান।

অনুষ্ঠানটি ৮ নভেম্বর থেকে প্রতি শনিবার এবং বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ৫মিনিটে আরটিভিতে প্রচার হয়ে আসছে। একই সাথে লাইভ সম্প্রচার হয়েছে আরটিভি লাইভ আপটেড ফেসবুক পেজে এবং ইউটিউব চ্যানেলে। অনএয়ার শেষে আপলোড করা হয়েছে আরটিভি রিয়েলিটি শো ইউটিউব চ্যানেলে।

আরটিভি/কেআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘ক্ষমতার বাইরে থেকেও মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়ার প্রমাণ এই জনসমুদ্র’
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এদিন জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ জড়ো হলে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ভোর থেকেই সর্বস্তরের মানুষ মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় উপস্থিত হতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে মানুষের ঢল নামে, যা এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের জন্ম দেয়। অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব জানাজায় অংশ নেওয়া মানুষের কয়েকটি ছবি নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করেন।  ছবিগুলোর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ক্ষমতার বাইরে গিয়েও যে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়-এই জনসমুদ্র তার প্রমাণ। মহান আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতের উঁচু মাকাম তথা জান্নাতুল ফেরদাউস দান করে। আমিন। আরও পড়ুন ‘১৭ বছর যে অত্যাচার সহ্য করেছেন আল্লাহ তাকে সম্মানিত করবেনই’ উল্লেখ্য, বুধবার ২টা ৫৮ মিনিটে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেকের ইমামতিতে জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়। লাখ-লাখ মানুষের এই জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস, দেশের প্রায় সকল রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ শোক জানানোর পাশাপাশি শোকার্ত পরিবারকে সহমর্মিতা জানাতে ঢাকায় ছুটে আসেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, পাকিস্তানের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক, শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিজিতা হেরাথ, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা, ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিয়নপো ডি এন ধুংগেল এবং মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর বিশেষ দূত ও দেশটির উচ্চশিক্ষা, শ্রম ও দক্ষতা উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী ড. আলী হায়দার আহমেদ। দক্ষিণ এশিয়ার নেতাদের উপস্থিতিই বলে দেয়, খালেদা জিয়া শুধু বিএনপিরই নেত্রী নন, এই জাতি-রাষ্ট্রেরই নেতা। জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় জিয়া উদ্যানে। সেখানে স্বামী জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়। এরপর তোপধ্বনির মাধ্যমে গান স্যালুট প্রদর্শন করে জানানো হয় সম্মাননা। সরকার, তিন বাহিনীর প্রধানরাও শ্রদ্ধা জানান তাকে। আরটিভি/কেআই
‘ক্ষমতার বাইরে থেকেও মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়ার প্রমাণ এই জনসমুদ্র’
কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিনেত্রী, ঘটনা কী
শোবিজের ঝলমলে আলো আর ক্যামেরার ফ্ল্যাশে ঘেরা জীবন হলেও বর্তমানে মানসিকভাবে কঠিন সময় পার করছেন কিম কার্দাশিয়ান। কোনো সিনেমার চিত্রনাট্য বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন নয়-আইন বিষয়ে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়াই তাকে ভেঙে দিয়েছে মানসিকভাবে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের সেই ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা স্মরণ করে আবারও আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এই মার্কিন তারকা। জানা গেছে, আইন বিষয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন কিম। পরীক্ষা দেওয়ার আগেই কিছুটা দুশ্চিন্তায় ছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ফল প্রকাশের পর সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়-উত্তীর্ণ হতে পারেননি কিম। গত ৭ নভেম্বর পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। বছর শেষের এক সাক্ষাৎকারে সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে কিম জানান, পরীক্ষা শেষ করার পরই তার মনে হয়েছিল ফল ভালো হবে না। কিম বলেন, পরীক্ষা দেওয়ার পরই মনে হচ্ছিল কিছু একটা খারাপ হতে যাচ্ছে। প্রশ্নগুলোর উত্তর যেভাবে গুছিয়ে দিতে চেয়েছিলাম, তা পারিনি। তবুও মনে একটু আশা ছিল-হয়তো কোনো মিরাকল হবে। কিন্তু বিকেলে ফল প্রকাশের পর বুঝলাম, আমার ভয়টাই সত্যি হয়েছে। আরও পড়ুন ‘১৭ বছর যে অত্যাচার সহ্য করেছেন আল্লাহ তাকে সম্মানিত করবেনই’ সাক্ষাৎকারে কথাগুলো বলতে বলতে আবারও চোখের জল ফেলতে দেখা যায় কিমকে। তবে এই কঠিন সময়ে তার পাশে শক্তভাবে দাঁড়িয়েছেন মা ক্রিস জেনার। মেয়ের পরিশ্রমের কথা তুলে ধরে ক্রিস বলেন, কিম এই পরীক্ষার জন্য অনেক কষ্ট করেছেন। কিন্তু একই সঙ্গে টিভি শো-এর ব্যস্ত কাজ এবং আইনের জটিল পড়াশোনা সামলানো সহজ ছিল না। আরটিভি/কেআই
কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিনেত্রী, ঘটনা কী
‘১৭ বছর যে অত্যাচার সহ্য করেছেন আল্লাহ তাকে সম্মানিত করবেনই’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।  বেগম জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হওয়ার পর এক আবেগঘন পোস্টে দিয়েছেন অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। পোস্টে তার লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের ছবি শেয়ার করে অভিনেতা লিখেছেন, ১৭ বছর! ১৭টা বছর যে মানুষটা একা নিরবে নিভৃতে অত্যাচার সহ্য করে গেছেন আল্লাহ তাকে সম্মানিত করবেনই! আর আল্লাহ যখন কাউকে সম্মানিত করেন হিসাব ছাড়া করেন! এত মানুষ! এত অগণিত মানুষ! এরপর তিনি যোগ করেন, কয়জন সৌভাগ্যবান হয় এত সুন্দর জানাজার! পৃথিবীতে এমনভাবে বাঁচেন যাতে আপনার মৃত্যু আপনাকে হাজার বছর বাঁচিয়ে রাখে। আল্লাহ আপনাকে জান্নাতবাসী করুক। এদিকে জানাজার আগে খালেদা জিয়ার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন এবং মায়ের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন। তার কাছে কেউ কোনো ঋণ পেলে যোগাযোগ করতে বলেন। এছাড়া খালেদা জিয়ার আচরণে কেউ কোনো কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেওয়ার আবেদন জানান তারেক রহমান। আরও পড়ুন জেলে যাওয়ার আগে বেবী নাজনীনকে যা বলেছিলেন খালেদা জিয়া  অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টাবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের লাখ লাখ মানুষ বেগম জিয়ার জানাজায় অংশ নেন।  আরটিভি/কেআই
‘১৭ বছর যে অত্যাচার সহ্য করেছেন আল্লাহ তাকে সম্মানিত করবেনই’
একদিন আমরা হারিয়ে যাবো: আরশ খান 
বর্তমান সময়ে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা আরশ খান। গত অল্প কয়েক বছরের মধ্যে দর্শকদের অনেক নাটক উপহার দিয়েছেন তিনি। অভিনয়ের জন্য প্রশংসাও লাভ করেছেন। একের পর এক নাটকে বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন এই তারকা।  অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিকমাধ্যমে বেশ সরব অভিনেতা। সাম্প্রতিক ইস্যুতে নিজের মতামত প্রকাশ করেন। সেই ধারাবাহিকতায় তিনি তার ফেসবুক পোস্টে শৈশব ও বর্তমানের তুলনা করেছেন। আরশ লিখেন, ছোট বেলা থেকে চিনি জানি এমন সকল মানুষ গুলো একজন একজন করে চলে যাচ্ছে। সব জায়গা গুলো আধুনিকীকরণের দৌড়ে পাল্টে যাচ্ছে।  আরও পড়ুন ‘শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্য জীবনের প্রথম ভোট বিএনপিকে দিয়েছিলাম’ তিনি আরও বলেন, বদলাচ্ছে নোট, বদলাচ্ছে বাহন, বদলাচ্ছে খাবার, বদলাচ্ছে স্বপ্ন। এর একটাই অর্থ আমি এবং আমার জেনারেশন সবাই কিছু দিনের মধ্যে বার্ধক্যে পা রাখবে। এরপর একদিন আমরা হারিয়ে যাবো। ব্যস্ত এই নগরজীবনে যান্ত্রিকতার আড়ালে মানুষ যে নিজেকে সময় দিতে ভুলে যাচ্ছে, সেটিও মনে করিয়ে দিয়েছেন আরশ। শেষে লিখেছেন, জীবন কে বোঝ অতিথি, জীবনকে চেনো জীবনকে সময় দেয়াটা জরুরী এই সত্যটা মানো। আরটিভি/এএ 
একদিন আমরা হারিয়ে যাবো: আরশ খান 
‘শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্য জীবনের প্রথম ভোট বিএনপিকে দিয়েছিলাম’
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার প্রয়াণ ঘটে।  আপসহীন এই নেত্রীর বিদায়ে সারাদেশে যেমন শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দিয়ে এই নেত্রীকে স্মরণ করছেন।  বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকের ছায়া মোটা দাগে পড়েছে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে। শিল্পীদের সোশ্যাল হ্যান্ডেল ভারি হয়েছে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসনকে হারানোর বেদনায়।  জনপ্রিয় অভিনেতা নাসির উদ্দিন খানকেও ছুঁয়েছে শোক। তা প্রকাশের পাশাপাশি এ অভিনেতা সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন জীবনের প্রথম ভোট দেওয়ার গল্প। জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার মিষ্টি হাসির জন্য জীবনের প্রথম ভোট তিনি দিয়েছিলেন বিএনপির প্রতীক ধানের শীষে। নিজের ফেসবুকে আজ মঙ্গলবার নিজের ফেসবুকে নাসির উদ্দিন লিখেছেন, আমি রাজনীতি অপছন্দ করা একজন অতি সাধারণ ভোটার, তবে রাজনীতি সচেতন। এরপর লেখেন, ২০২৪ এ ভোট দিতে যাইনি, ‘৮৪০’ এর শুটিংয়ে দেশের বাইরে ছিলাম। ২০১৮ তে ভোট কেন্দ্রে যেতে ইচ্ছে হয়নি। ২০১৪ সালের ভোট দেওয়ার পেছনে গল্প বলেন নাসির। তার কথায়, ২০১৪ তে ভোট কেন্দ্রে গিয়েছিলাম ভোট দিতে নয়, কেন্দ্র পরিদর্শনে। সম্পূর্ণ অপরিচিত একজন প্রার্থীকে মার্কা সুন্দর দেখে ভোট দিয়েছিলাম। আমার ধারণা আমাদের কেন্দ্র থেকে তিনি যদি একটি ভোটও পেয়ে থাকেন, তাহলে সেটি আমার। এর আগের নির্বাচন গুলোতে আওয়ামিলীগ-বিএনপিকে মিলিয়ে-ঝুলিয়ে দিয়েছি। এরপর অভিনেতা বলেন জীবনের প্রথম ভোটের গল্প। নাসির লেখেন, তবে জীবনের প্রথম ভোটটি দিয়েছিলাম ১৯৯১ সালে, বিএনপিকে, তার একমাত্র কারণ বেগম খালেদা জিয়া; শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্যে। সবশেষে এ অভিনেতা লিখেছেন, বিদায় হে সাবেক প্রধানমন্ত্রী, আপনার রুহের মাগফিরাত কামনা করি। খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতাসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। চিকিৎসা শেষে ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। সে সময় স্বাস্থ্যের কিছুটা উন্নতিও দেখা গিয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনের শারীরিক জটিলতা এবং মানসিক ধকলের কারণে তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে পুনরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে এক মাসের বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ ভোরে তিনি চিকিৎসায় সাড়া দেওয়া বন্ধ করে দেন এবং চিরবিদায় নেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নেতৃত্ব দেওয়া খালেদা জিয়া ‘দেশনেত্রী’ হিসেবে জনগণের কাছে সমাদৃত ছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তার অটল ভূমিকার কারণে তাকে ‘আপসহীন’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। আরটিভি/এএ 
‘শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্য জীবনের প্রথম ভোট বিএনপিকে দিয়েছিলাম’