ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

ঈদে ‘ভাইজান এলো রে’ ছবির মুক্তি অনিশ্চিত

এ এইচ মুরাদ

প্রকাশ : ১০ মে ২০১৮, ০৫:২৮ পিএম
ছবি- পরিচালকের সঙ্গে শাকিব শ্রাবন্তী

আসছে ঈদে ভারতের এসকে মুভিজ প্রযোজিত ‘ভাইজান এলো রে’ ছবিটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে বলে শোনা যাচ্ছে। এরই মধ্যে জয়দীপ মুখার্জি পরিচালিত ছবিটির শুটিং হয়েছে কলকাতা ও লন্ডনে। ছবিটির পরিচালক জয়দীপ মুখার্জি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির অতিথি পরিচালক হিসেবে সদস্যপদ চেয়ে আবেদন করেছেন।

গতকাল রোববার তিনি পরিচালক সমিতিতে ‘ভাইজান এলো রে’ নামে বাংলাদেশের প্রযোজনায় একটি নতুন ছবি নির্মাণ করতে চাই এই মর্মে সদস্যপদ চেয়েছেন। গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, ছবিটির শুটিং এরই মধ্যে শেষের পথে। এছাড়াও ছবির বেশিরভাগ কলাকুশলী ভারতীয়। সব মিলিয়ে বিষয়টি নিয়ে চলচ্চিত্র পাড়ায় উত্তাল অবস্থা বিরাজ করছে।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : খালি হাতে ফিরে গেলেন কলকাতার পরিচালক জয়দীপ
--------------------------------------------------------

রোববার সন্ধ্যায় এফডিসিতে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির কার্যালয়ে সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকনের সঙ্গে আরটিভি অনলাইনের এই প্রতিবেদকের কথা হয়।

বিদেশী পরিচালকের সদস্য হওয়া প্রসঙ্গে খোকনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের এখানে (বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতিতে) তিন ধরনের সদস্যপদ রয়েছে। আজীবন সদস্য, সহযোগী সদস্য ও সাধারণ সদস্য। এছাড়াও বাংলাদেশের নাগরিক নয়, তবে বাংলাদেশের কোনো প্রযোজক দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে ছবি বানাতে চান এমন কেউ চাইলে অতিথি সদস্য হতে পারেন। সদস্য হওয়ার পর তিনি পরিচালক সমিতির ভোটাধিকার না পেলেও পরিচালক সমিতির সকল সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন। এর আগে ভারতের গৌতম ঘোষ নিয়মনীতি মেনেই ‘পদ্মা নদীর মাঝি’, ‘শঙ্খচিল’, ‘মনের মানুষ’ ছবিগুলো নির্মাণ করেছেন।

ভারতের এসকে মুভিজ প্রযোজিত ‘ভাইজান এলো রে’ ছবি বাংলাদেশে মুক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যেহেতু বাংলাদেশ সরকার চলচ্চিত্রে বিদেশী বিনিয়োগের সুযোগ করে দিয়েছে, ভারতের এসকে মুভিজের কর্ণধার অশোক ধানুকা ট্রেড লাইসেন্সসহ অন্যান্য নিয়ম মেনে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতিতে নাম নিবন্ধন করছেন। তিনি পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশের পরিচালক না নিলেও বাইরের পরিচালক দিয়ে কাজ করাতে পারেন।’

“তারই ধারাবাহিকতায় জয়দীপ মুখার্জি আমাদের পরিচালক সমিতির সদস্য হয়ে ছবি নির্মাণের আগ্রহ প্রকাশ করে আবেদন করেন। আমাদের পক্ষ থেকে তাকে জানানো হয় ভারতের পরিচালক সমিতির সদস্য হলে প্রত্যায়ন পত্র, আইডি কার্ডের ফটোকপিসহ অন্যান্য যা কিছু প্রয়োজন তা সাবমিট করতে। এ সময় ওয়ার্ক পারমিটের কপিও তাদের কাছে চাওয়া হয়। কিন্তু তারা জানায়, ‘আপনারা ছবির নামসহ পরিচালককে ছবিটি নির্মাণের অনুমোদন দিলে আমরা সেই মোতাবেক ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করবো।’ আমরা জয়দীপ মুখার্জিকে আবেদন ফরম জমা দিতে বলি। তারপর সমিতির অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎতের দিন ধার্য করবো বলে জানাই। অথচ ৬ মে যখন জয়দীপ মুখার্জি যখন ছবির নামসহ আবেদন করলেন সেখানে আমরা দেখলাম ছবির নাম ‘ভাইজান এলো রে’। পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে আমরা জেনেছি কলকাতা এবং লন্ডনে এই ছবিটির শুটিং হয়েছে। এরই মধ্যে ছবিটির শুটিং শেষদিকে রয়েছে।”

জয়দীপ মুখার্জির আবেদনপত্রে কী ছিল? এ ব্যাপারে খোকন বলেন, “প্রথম আবেদনে তিনি লিখেছেন, ‘আমি জয়দীপ মুখার্জি ভারতের ছবির একজন পরিচালক। আমার পরিচালনায় বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় বেশ কয়েকটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। যার সবগুলোই ব্যবসা সফল। এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্যে শিকারি ও নবাব। বাংলাদেশের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসকে ইন্টারন্যাশনাল আমাকে দিয়ে একটি বাংলাদেশের ছবি নির্মাণের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আমিও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সকল নিয়ম মেনে ছবিটি বানাতে ইচ্ছুক। অতএব সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে আমাকে আপনার সমিতির একজন অতিথি পরিচালকের সদস্যপদ দিয়ে বাধিত করিবেন।”

বদিউল আলম খোকন আরও বলেন, ‘আমরা শিল্পী ও কলাকুশলীদের যে তালিকা পেয়েছি সেখানে বাংলাদেশের কলাকুশলীদের একেবারেই বঞ্চিত করা হয়েছে। সরকার বাইরে থেকে ইনভেস্টমেন্টের সুযোগ করে দিয়েছে যাতে করে এদেশেরও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজের সুযোগ পান। গার্মেন্টস সেক্টরেও এধরনের বিনিয়োগের সুযোগ আছে। কিন্তু সেখানেও এটাও উল্লেখ আছে যে ৬০ ভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারী বাংলাদেশ থেকে নিতে হবে।’

ক্ষোভ প্রকাশ করে পরিচালক সমিতির মহাসচিব বলেন, কিন্তু আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কী হচ্ছে? ওরা বিনিয়োগ করছেই শুধুমাত্র ভারতের ছবি মুক্তি দিয়ে আমাদের দেশের টাকা বেআইনিভাবে নিয়ে যাওয়ার জন্য।

এমন অবস্থায় জয়দীপ মুখার্জি পরিচালক সমিতির সদস্যপদ পাবেন? এমন প্রশ্নে খোকন বলেন, ‘এটা এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। কারণ আমি একা তো আর সিদ্ধান্ত নেয়া বা জানানোর কেউ না। বৃহস্পতিবার পরিচালক সমিতির অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ’

পরিচালক সমিতির সদস্যপদ না পেলে ছবিটি মুক্তিতে কোনো সমস্যা আছে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে খোকন বলেন, ‘ছবিটি যদি সেন্সর পায় তাহলে তো মুক্তি পেতে বাধা নেই। তবে সাফটা বা বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে ছবিটি যদি আসে তাহলে ঈদে ছবিটি মুক্তি পাবে না। কারণ আইন অনুযায়ী যদি বাংলাদেশের কোনো ছবি না থাকে। তাহলেই কেবল বাইরের ছবি মুক্তি পেতে পারে। এছাড়া আর কোনো উপায় নেই।’

এমন অবস্থায় ঈদে ‘ভাইজান এলো রে’ ছবিটি আদৌ মুক্তি পাবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। ছবিটিতে অভিনয় করেছেন শাকিব খান, শ্রাবন্তী, পায়েল সরকারসহ অনেকে।

আরও পড়ুন :

এম/পিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দীপিকার ভালো বন্ধু কে?
মেয়েটি দীপিকা পাড়ুকোনের মতই প্রতিভাবান। ভারতের প্রথম দশ জন নারী গল্ফারের মধ্যে তার নাম আছে। বলা যায় দীপিকার ভালো ভক্ত এবং একই সঙ্গে বন্ধু। নাম আনিশা পাড়ুকোন। দীপিকা পাডুকোনের ছোট বোন। প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দীপিকার সঙ্গে ছবি দেখে ভক্তদের মাঝে কৌতূহল জাগে, আলোচনা হয়। মাঝে মাঝে সংবাদের শিরোনামও হন তিনি। তবে সব সময় দীপিকার বোন হিসেবে নয়। নিজের গুণের জন্যই তিনি শিরোনামে আসেন। এই তরুণী একজন পেশাদার গল্ফার। তিনি রাজ্য স্তরে বাস্কেটবল ও জাতীয় স্তরে ক্রিকেটও খেলেন। মাত্র দশ বছর বয়স থেকে খেলাধূলাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন আনিশা। এছাড়া একটি সংস্থার অধীনে দিদি দীপিকার সঙ্গে মানসিক অবসাদগ্রস্ততায় ভোগা রোগীদের নিয়ে কাজ করেন তিনি। তিনি মনে করেন, সবটাই সম্ভব হয়েছে বাবা প্রকাশ পাড়ুকোন, মা উজ্জ্বলা পাড়ুকোন ও দিদি দীপিকা পাডুকোনের জন্য।   জিএ/পি
দীপিকার ভালো বন্ধু কে?
কাদের খান সুস্থ, থেমেছে মৃত্যুর গুজব
কানাডার হাসপাতালে কাদের খান সুস্থ আছেন৷ অভিনেতার ছেলে সরফরাজ খান বাবার মৃত্যুর গুজব থামিয়েছেন৷ সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে রোববার রাতে সরফরাজ খান বলেন, ‘সব মিথ্যা৷ গুজব৷ আমার বাবা হাসপাতালে আছেন। এখন সাড়া দিচ্ছেন এবং আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন৷ তাকে স্পেশাল ভেন্টিলেশন থেকে রেগুলার ভেন্টিলেটরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে৷ রোববার বর্ষীয়ান অভিনেতা কাদের খানের মৃত্যুর গুজব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ছিলেন সুতরাং ভক্তরা ভুয়া তথ্যকে সহজে বিশ্বাস করেছিলেন। অনেকেই শোক প্রকাশ করে পোস্ট করেন। তবে গণমাধ্যমকে দেওয়া বার্তায় সরফরাজ খান সব ধোঁয়াশা পরিষ্কার করেন।  কাদের খানের অসুস্থতার পর থেকে তাকে নিয়ে শুভাকাঙ্ক্ষীরা চিন্তিত ছিলেন। গত শুক্রবার টুইট করে কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন লেখেন, ‘কাদের খান...এক অনবদ্য প্রতিভা…হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি…তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি৷’ বেশ কয়েকবছর আগে অভিনয় জগত থেকে ছুটি নিয়েছেন কাদের খান৷ বার্ধক্যের সময়টা ছেলে সরফরাজ ও ছেলের বউ সহিস্তার সঙ্গে কানাডায় পার করছিলেন তিনি৷ এর আগেও ২০১৭ সালে একবার অসুস্থ হয়ে পড়েন কাদের খান। সে সময় থেকে অন্যের সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে চলাফেরা করতেন তিনি। এরই মধ্যে আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। কাদের খান ১৯৭০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৪৫০টিরও বেশি হিন্দি এবং উর্দু সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ২৫০টিরও অধিক ভারতীয় সিনেমার সংলাপ লিখেছেন তিনি। অভিনেতা, কমেডিয়ান ও সংলাপ রচয়িতা হিসেবে অর্জন করেছেন উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পুরস্কার।   জিএ/পি
কাদের খান সুস্থ, থেমেছে মৃত্যুর গুজব
থার্টি ফার্স্ট নাইটে আরটিভিতে গাইবেন অনুপম-তাহসান
ইংরেজি নতুন বছরের আগমন উদযাপন করতে আরটিভির বিশেষ আয়োজন ‘ক্লাব এশিয়া মনের মানুষ’ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী অনুপম রায়। একই অনুষ্ঠানে গান গাইবেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। আজ ৩১ ডিসেম্বর, সোমবার রাত ১১টা ২৫ মিনিটে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে আরটিভি। গানে-গানে নতুন বছরের প্রথম প্রহর মাতিয়ে তোলার জন্য পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী অনুপম রায় এবং তার ব্যান্ড 'দ্যা অনুপম রায় ব্যান্ড' ঢাকায় আসছেন। অনুষ্ঠানটিতে অনুপম রায়ের সঙ্গে মঞ্চে থাকবেন এপার বাংলার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। থার্টি ফার্স্ট রাতে অনুপম রায়ের সঙ্গে অনুষ্ঠান এবং মঞ্চ ভাগাভাগির বিষয়ে তাহসান জানান, আমি ১০টির মতো গানে অংশ নেবো। যেহেতু সরাসরি অনুষ্ঠান, জনপ্রিয় গানের পাশাপাশি অনুরোধের গানও থাকতে পারে। অনুপম রায়ও একই সংখ্যক গান করবেন বলেও জানান তিনি। সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান হওয়ায় দর্শকদের মতামত ও অনুরোধের সুযোগও থাকবে বলে জানান তাহসান। অন্যদিকে আরটিভির পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুরো অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছে বেশ কিছু চমক দিয়ে। অনুপম রায় এন্ড ব্যান্ড ও তাহসান খান দুই বাংলায় সমান ভাবে জনপ্রিয়। প্রত্যাশা করা যাচ্ছে অনুষ্ঠানটি ব্যাপক দর্শক জনপ্রিয়তা পাবে।   আরএস/জিএ/এসআর  
থার্টি ফার্স্ট নাইটে আরটিভিতে গাইবেন অনুপম-তাহসান
পদ্মাবতের পর রণবীরকে বিয়ের কথা ভাবি: দীপিকা পাড়ুকোন
ইতালির লেক কোমোতে নভেম্বরে রনবীর সিংয়ের সঙ্গে মাত্র ৪৫ জন শুভাকাঙ্ক্ষী নিয়ে গিঁট বেঁধেছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। এক সঙ্গে পথ চলার এই সিদ্ধান্ত কবে নিয়েছিলেন, ইন্ডিয়ার একটি ম্যাগাজিনকে এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, পদ্মাবত মুক্তি পাওয়ার পর পরিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং ২০১৮ সালের ১৪ ও ১৫ নভেম্বর ইতালির লেক কোমোর ডেল বাল্বিনেলো ভিলায় বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন। চুপিসারে বিয়ের কাজ শেষ হয়।  নব দম্পতি বিয়ের ছবি সহজলভ্যভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করতে চাননি। এজন্য অনেক বিষয় ভক্তদের অজানা থেকে যায়। তবে চলচ্চিত্র শিল্পের দুই বৃহত্তম তারকা লেক কমোর সুদৃশ্য স্থানে যখন বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন, ভক্তদের কৌতূহল আরও বেড়ে যায়। যদিও দুজনের প্রেম বিষয়ে ভক্তরা টুকিটাকি জানতেন, তবে কবে বিয়ে করবেন কারা কারা সে অনুষ্ঠানে থাকবে, এই বিষয়টি একদম অজানা ছিল। দীপিকা অবশ্য সব ধোঁয়াশা মুক্ত করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি পদ্মাবতের পরে তাকে (রণবীর) বিয়ে করার কথা ভাবতাম। আমরা জানতাম যে এটি ঘটতে যাচ্ছে, এটি ছিল সময়ের ব্যাপার। যখন চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় তখনই মনে হয় সময়টি এসে গেছে।' দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত পদ্মাবত মুক্তি পায় এ বছরের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে। অর্থাৎ সেই সময়েই তিনি ৬ বছর ধরে ঝুলে থাকা প্রেমের শেষ পরিণতির কথা ভাবেন। অবশেষে নভেম্বরে ডেটিং জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটান দীপিকা-রণবীর।   জিএ/এসআর  
পদ্মাবতের পর রণবীরকে বিয়ের কথা ভাবি: দীপিকা পাড়ুকোন
মাকে নিয়ে ভোট দিলেন নায়ক শাকিব
নির্বাচনের আমেজ থেকে বাদ যাননি নায়ক শাকিব খান। আজ (রোববার) বিকেলে মা রেজেয়া বেগমকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে যান তিনি। বিকেল পৌনে চারটার দিকে শাকিব ভোট কেন্দ্রে যান। শাকিব খান ঢাকা-১৭ আসনের (গুলশান, বনানী, ক্যান্ট. ভাষানটেক এলাকা) ভোটার। বিকেলে রিকশায় চড়ে তার মাকে নিয়ে গুলশানের মডেল স্কুলের ভোট কেন্দ্রে যান তিনি। ভোট প্রদান শেষ করে হাসিমুখে বেরিয়ে আসেন তিনি। জানা গেছে, শাকিব এবং তার মা বিকেলে ভোট দিতে গেলেও শাকিবের বাবা ভোট দিয়েছেন দুপুরের আগেই। রিকশা চড়ে ভোট দেয়া প্রসঙ্গে বাংলা সিনেমায় এই সুপারস্টার বলেন, আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। ছোটবেলা থেকে রিকশা, বাইক এসব চড়ে বড় হয়েছি। বাসার পাশেই ভোট কেন্দ্র। সেজন্য মাকে নিয়ে রিকশায় চড়ে ভোট কেন্দ্রে এলাম।   তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ। অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রদান হচ্ছে। আমি প্রথমে মনে করেছিলাম কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি কম থাকবে। কিন্তু গিয়ে দেখলাম ভিন্ন চিত্র। নারী-পুরুষ আলাদাভাবে সারিবদ্ধভাবে লাইনে ভোট দিতে যাচ্ছে। আরও একটা জিনিস ভালো লেগেছে, ভোট কেন্দ্রে গিয়ে আমার অনেক পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়েছে, আলাপ হয়েছে। এখন ফলাফলের জন্য অপেক্ষা। শাকিব খানের আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়েছেন চিত্রনায়ক ফারুক। ধানের শীষ প্রতীকে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন আন্দালিব রহমান পার্থ। দুপুরের পরেই ওই আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ এনে পার্থ নির্বাচন বর্জন করেন। ডি/জেএইচ
মাকে নিয়ে ভোট দিলেন নায়ক শাকিব
আরও পড়ুন
শাকিবের ‘ভাইজান এলো রে’ মুক্তি পাচ্ছে শুক্রবার
খালি হাতে ফিরে গেলেন কলকাতার পরিচালক জয়দীপ
‘ভাইজান এলো রে’ বিতর্কে চলচ্চিত্রপাড়ায় ক্ষোভ
ঈদে কী ভারতীয় সিনেমা মুক্তি পাবে?