
গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন উৎসবে সরগরমভাবে দেশীয় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে যৌথ প্রযোজনার সিনেমা। এছাড়াও আমদানি ছবিও একইভাবে মুক্তির পরিকল্পনা চলছে। উৎসবে যৌথ প্রযোজনা ও বিদেশি ছবি যাতে মুক্তি দেয়া না হয় এ নিয়ে অনেকদিন ধরেই সরব চলচ্চিত্রের বিভিন্ন সংগঠন।
আর কোনো উৎসবে, যেমন ঈদ, পয়লা বৈশাখসহ দেশের বিভিন্ন উৎসবে এ দেশের প্রেক্ষাগৃহে যৌথ প্রযোজনা কিংবা আমদানি করা কোনো ছবি মুক্তি দেয়া যাবে না। এ-সংক্রান্ত এক রিটে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সালমা মাসুদ ও এ কে এম জহিরুল হক গত বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।
বাংলাদেশের উৎসবের দিনে কেনো যৌথ প্রযোজনা ও আমদানি করা দেশীয় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি অবৈধ হবে না। আদালত এ সংক্রান্ত একটি রুল জারি করে তথ্যসচিব, চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান, তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিবকে চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলেছেন।
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : একসঙ্গে দুই নাটকে তৌসিফ-সাফা-জনি
--------------------------------------------------------
জানা গেছে, গত বুধবার নিপা এন্টারপ্রাইজের পক্ষে প্রযোজক সেলিনা বেগম উক্ত আদালতে বিদেশি সিনেমা বাংলাদেশের বিশেষ দিবসগুলোতে প্রদর্শনের স্থগিত চেয়ে এই রিট করেন। রিটকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক।
ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ জানিয়েছেন, যৌথ প্রযোজনা ও আমদানি করা ছবিগুলো দেশীয় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির ওপর আদালত যে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন তার কপি হাতে আসবে রোববার।
যৌথ প্রযোজনার নামে প্রতারণা বিরুদ্ধে অনেকদিন ধরেই আন্দোলন করে আসছিল দেশীয় চলচ্চিত্রের ১৮টি সংগঠন। এছাড়াও আন্দোলনকারীরা বিদেশি ছবিও উৎসবে মুক্তি না দেয়ার জন্য কথা বলে আসছিলেন। আগামী রোজার ঈদেও দুটি আমদানি ছবি মুক্তির পরিকল্পনা চলছে বলে অভিযোগ আছে। অনেকদিন ধরেই উৎসবে কেন আমদানি ছবি মুক্তি দিতে হবে চলচ্চিত্র পাড়ায় এ নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
আরও পড়ুন :
এম/এমকে




