ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

‘গান শুনে পথশিশুটি জড়িয়ে ধরে বলল, তুমি আমার ভাই হবে?’

সিয়াম সারোয়ার জামিল, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ১৩ মে ২০১৮, ০৮:১৮ পিএম

তরুণ শিল্পী রাজীব আল রুদ্র'র পরিচিত শুধু রুদ্র নামেই। তিনি ‘ব্যাকস্টেজ’ ব্যান্ডের ভোকালিস্ট, একই সাথে একজন গীতিকার ও সুরকার। অর্ধযুগ আগে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে লাইভ গেয়ে শুরু হয় ‘ব্যাকস্টেজের’এর যাত্রা। অল্পসময়েই দারুণ প্রশংসা কুড়িয়েছে এই দলটি। আরটিভি অনলাইনের সঙ্গে গান, রাজনীতি, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন রুদ্র। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন স্টাফ রিপোর্টার সিয়াম সারোয়ার জামিল।

সিয়াম: গান নিয়ে আগ্রহটা কবে থেকে?

রুদ্রুঃ গান নিয়ে আগ্রহটা আসে শৈশবেই। আমি যখন ক্লাস নাইনে পড়ি, সে সময়েই। তারপর গুণগুণ করে গান গাওয়া। গিটার শেখা। বন্ধুদের সঙ্গে গেয়ে ওঠা। এভাবেই গানের সঙ্গে একটা সম্পর্ক দাঁড়িয়ে যায়।

সিয়াম: আপনি কেন গান করেন?

রুদ্র: মূলত নিজের মনের খোরাক থেকেই গানটা গাইতাম। পরে মানুষের ভালোবাসাটা সেই গানের নেশাকে অন্যমাত্রায় নিয়ে গেছে। এখন মানুষের জন্যেই গান গাই। মানুষের ভাবনা, মানুষের চিন্তা, মানুষের জীবানাচার আমার গান গাওয়াকে প্রভাবিত করে। আমি চেষ্টা করি, আমার গানে মানুষের মনের কথাটাই বলতে।

সিয়াম: শৈশবে সঙ্গীতের বাইরে আর কী নিয়ে আগ্রহ ছিল।

রুদ্র: আমি হতে চেয়েছিলাম পাইলট বা ক্রিকেটার। যদিও প্রথমটি সম্পূর্ণরূপে ভেস্তে গেছে। তবে দ্বিতীয়টি প্রায় ঘটিয়েই ফেলেছিলাম। ঠিক সে মুহুর্তেই একটি দুর্ঘটনা সময়, স্থান, জীবন প্রায় সব উলট পালট করে দেয়। এরপরপরই গানকে মনে হলো যেন নিজের বিশ্বটাকে ফিরে পেলাম আবার। আবার শুরু হলো পথচলা। দেখি এবার কোথায় গিয়ে কখন থামে জীবন।

সিয়াম: গানের এ্যালবাম আসছে কখন?

রুদ্র: এখনই না। আমরা আসলে সবাই এখনো শিখছি। যদিও কোন শেখারই শেষ নেই। তবুও একটা লেভেল রয়েছে। আমরা সবাই ওই লেভেলটা প্রথমে ছুঁতে চাই। তারপর যদি এ্যালবাম নিয়ে চিন্তা আসে তো করবো।

সিয়াম: আপনি গান শোনেন বেশি নাকি গান নিয়ে চিন্তা বেশি করেন?

রুদ্র: আসলে যেহেতু শিখছি তাই দুটোই জরুরি ভেবে দুটোই করি। দুটোই আসলে সমান গতিতেই করি।

সিয়াম: গান গাইতে গিয়ে কখনো মনে দাগ কেটে যাওয়ার মত কিছু ঘটেছে?

রুদ্র: দাগ কাটার মত অনেক অভিজ্ঞতাই আছে। কমলাপুর রেলস্টেশনের ঘটনাটাই বলি। আমি, বিশ্বজিৎ এবং শুভ ছিলাম। আমরা গিয়েছিলাম মুলত পথশিশুদের গান শোনাতে। ওই জায়গায় হাসান নামের একটা ছেলে, তার দুটো পা নেই, একটা হাত নেই। আমার গান শুনে পঙ্গু পথশিশুটি জড়িয়ে ধরে বলল, 'তুমি আমার ভাই হবে?' পরে সে আমাকে একটা উপহার দিয়েছিল। একটা রিচ ব্যান্ড। ওই ঘটনাটা কখনই ভুলতে পারিনা।

সিয়াম: আপনি তো বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গেও জড়িত। রাজনীতির মাঠে, গানের স্টেজে দুটোতেই সমান পদচারণা। কীভাবে মেলান?

রুদ্র: দেখুন রাজনীতিটা করি মানুষকে ভালোবেসে। মানুষের অধিকার আদায়ে গানও যেমন করি, মাঠেও তেমন সক্রিয় থাকাটা জরুরি। দরিদ্র মানুষের শিক্ষার অধিকার আদায় এবং শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য লড়তে পারাটা আমার জন্য আনন্দের। সেটা মাঠেও হতে পারে, স্টেজেও হতে পারে। আসল কথাটা হচ্ছে মন থেকে চাইলে আসলে সবই করা সম্ভব। মনের ইচ্ছেটাই গুরুত্বপূর্ণ এখানে।

সিয়াম: গান নিয়ে কাজ করার পেছনে উৎসাহ কে দেয়?

রুদ্র: গান গাওয়ার উৎসাহটা বাবা-মা দেন। সবচেয়ে বেশি বড় ভাইয়াই দেন। ব্যাকস্টেজ পরিবারের সবাই সবসময় আলাদা ইন্সপিরেশনের একটা জায়গা তৈরি করে দিয়েছে। ব্যাকস্টেজ আমাদের কাছে এখন একটা পরিবারের মত। হাসি-ঠাট্টা আছে, খুঁনসুটি আছে, ভালোবাসা আছে।

সিয়াম: ভবিষ্যৎ এ রাজনীতিতে আসার কোন চিন্তাভাবনা আছে কি?

রুদ্র: হাহাহা, না। রাজনীতির মাঠে আমি পেছনের সারির লোক। গানের দিকেই বেশি ধ্যান-জ্ঞান। গান দিয়েই মানুষের কথা বলতে চাই। পাশে দাঁড়াতে চাই।

সিয়াম: অন্য কোনো পরিকল্পনা?

রুদ্র: হ্যাঁ। নতুন প্রজন্মের অধিকার বঞ্চিত শিশুদের জন্য ৬৪ জেলায় ৬৪টি মিউজিক স্কুল করতে চাই। যাতে করে সুবিধাবঞ্চিত শিশুরাও গানের সঙ্গে থাকতে পারে।

এসজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দীপিকার ভালো বন্ধু কে?
মেয়েটি দীপিকা পাড়ুকোনের মতই প্রতিভাবান। ভারতের প্রথম দশ জন নারী গল্ফারের মধ্যে তার নাম আছে। বলা যায় দীপিকার ভালো ভক্ত এবং একই সঙ্গে বন্ধু। নাম আনিশা পাড়ুকোন। দীপিকা পাডুকোনের ছোট বোন। প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দীপিকার সঙ্গে ছবি দেখে ভক্তদের মাঝে কৌতূহল জাগে, আলোচনা হয়। মাঝে মাঝে সংবাদের শিরোনামও হন তিনি। তবে সব সময় দীপিকার বোন হিসেবে নয়। নিজের গুণের জন্যই তিনি শিরোনামে আসেন। এই তরুণী একজন পেশাদার গল্ফার। তিনি রাজ্য স্তরে বাস্কেটবল ও জাতীয় স্তরে ক্রিকেটও খেলেন। মাত্র দশ বছর বয়স থেকে খেলাধূলাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন আনিশা। এছাড়া একটি সংস্থার অধীনে দিদি দীপিকার সঙ্গে মানসিক অবসাদগ্রস্ততায় ভোগা রোগীদের নিয়ে কাজ করেন তিনি। তিনি মনে করেন, সবটাই সম্ভব হয়েছে বাবা প্রকাশ পাড়ুকোন, মা উজ্জ্বলা পাড়ুকোন ও দিদি দীপিকা পাডুকোনের জন্য।   জিএ/পি
দীপিকার ভালো বন্ধু কে?
কাদের খান সুস্থ, থেমেছে মৃত্যুর গুজব
কানাডার হাসপাতালে কাদের খান সুস্থ আছেন৷ অভিনেতার ছেলে সরফরাজ খান বাবার মৃত্যুর গুজব থামিয়েছেন৷ সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে রোববার রাতে সরফরাজ খান বলেন, ‘সব মিথ্যা৷ গুজব৷ আমার বাবা হাসপাতালে আছেন। এখন সাড়া দিচ্ছেন এবং আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন৷ তাকে স্পেশাল ভেন্টিলেশন থেকে রেগুলার ভেন্টিলেটরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে৷ রোববার বর্ষীয়ান অভিনেতা কাদের খানের মৃত্যুর গুজব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ছিলেন সুতরাং ভক্তরা ভুয়া তথ্যকে সহজে বিশ্বাস করেছিলেন। অনেকেই শোক প্রকাশ করে পোস্ট করেন। তবে গণমাধ্যমকে দেওয়া বার্তায় সরফরাজ খান সব ধোঁয়াশা পরিষ্কার করেন।  কাদের খানের অসুস্থতার পর থেকে তাকে নিয়ে শুভাকাঙ্ক্ষীরা চিন্তিত ছিলেন। গত শুক্রবার টুইট করে কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন লেখেন, ‘কাদের খান...এক অনবদ্য প্রতিভা…হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি…তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি৷’ বেশ কয়েকবছর আগে অভিনয় জগত থেকে ছুটি নিয়েছেন কাদের খান৷ বার্ধক্যের সময়টা ছেলে সরফরাজ ও ছেলের বউ সহিস্তার সঙ্গে কানাডায় পার করছিলেন তিনি৷ এর আগেও ২০১৭ সালে একবার অসুস্থ হয়ে পড়েন কাদের খান। সে সময় থেকে অন্যের সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে চলাফেরা করতেন তিনি। এরই মধ্যে আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। কাদের খান ১৯৭০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৪৫০টিরও বেশি হিন্দি এবং উর্দু সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ২৫০টিরও অধিক ভারতীয় সিনেমার সংলাপ লিখেছেন তিনি। অভিনেতা, কমেডিয়ান ও সংলাপ রচয়িতা হিসেবে অর্জন করেছেন উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পুরস্কার।   জিএ/পি
কাদের খান সুস্থ, থেমেছে মৃত্যুর গুজব
থার্টি ফার্স্ট নাইটে আরটিভিতে গাইবেন অনুপম-তাহসান
ইংরেজি নতুন বছরের আগমন উদযাপন করতে আরটিভির বিশেষ আয়োজন ‘ক্লাব এশিয়া মনের মানুষ’ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী অনুপম রায়। একই অনুষ্ঠানে গান গাইবেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। আজ ৩১ ডিসেম্বর, সোমবার রাত ১১টা ২৫ মিনিটে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে আরটিভি। গানে-গানে নতুন বছরের প্রথম প্রহর মাতিয়ে তোলার জন্য পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী অনুপম রায় এবং তার ব্যান্ড 'দ্যা অনুপম রায় ব্যান্ড' ঢাকায় আসছেন। অনুষ্ঠানটিতে অনুপম রায়ের সঙ্গে মঞ্চে থাকবেন এপার বাংলার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। থার্টি ফার্স্ট রাতে অনুপম রায়ের সঙ্গে অনুষ্ঠান এবং মঞ্চ ভাগাভাগির বিষয়ে তাহসান জানান, আমি ১০টির মতো গানে অংশ নেবো। যেহেতু সরাসরি অনুষ্ঠান, জনপ্রিয় গানের পাশাপাশি অনুরোধের গানও থাকতে পারে। অনুপম রায়ও একই সংখ্যক গান করবেন বলেও জানান তিনি। সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান হওয়ায় দর্শকদের মতামত ও অনুরোধের সুযোগও থাকবে বলে জানান তাহসান। অন্যদিকে আরটিভির পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুরো অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছে বেশ কিছু চমক দিয়ে। অনুপম রায় এন্ড ব্যান্ড ও তাহসান খান দুই বাংলায় সমান ভাবে জনপ্রিয়। প্রত্যাশা করা যাচ্ছে অনুষ্ঠানটি ব্যাপক দর্শক জনপ্রিয়তা পাবে।   আরএস/জিএ/এসআর  
থার্টি ফার্স্ট নাইটে আরটিভিতে গাইবেন অনুপম-তাহসান
পদ্মাবতের পর রণবীরকে বিয়ের কথা ভাবি: দীপিকা পাড়ুকোন
ইতালির লেক কোমোতে নভেম্বরে রনবীর সিংয়ের সঙ্গে মাত্র ৪৫ জন শুভাকাঙ্ক্ষী নিয়ে গিঁট বেঁধেছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। এক সঙ্গে পথ চলার এই সিদ্ধান্ত কবে নিয়েছিলেন, ইন্ডিয়ার একটি ম্যাগাজিনকে এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, পদ্মাবত মুক্তি পাওয়ার পর পরিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং ২০১৮ সালের ১৪ ও ১৫ নভেম্বর ইতালির লেক কোমোর ডেল বাল্বিনেলো ভিলায় বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন। চুপিসারে বিয়ের কাজ শেষ হয়।  নব দম্পতি বিয়ের ছবি সহজলভ্যভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করতে চাননি। এজন্য অনেক বিষয় ভক্তদের অজানা থেকে যায়। তবে চলচ্চিত্র শিল্পের দুই বৃহত্তম তারকা লেক কমোর সুদৃশ্য স্থানে যখন বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন, ভক্তদের কৌতূহল আরও বেড়ে যায়। যদিও দুজনের প্রেম বিষয়ে ভক্তরা টুকিটাকি জানতেন, তবে কবে বিয়ে করবেন কারা কারা সে অনুষ্ঠানে থাকবে, এই বিষয়টি একদম অজানা ছিল। দীপিকা অবশ্য সব ধোঁয়াশা মুক্ত করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি পদ্মাবতের পরে তাকে (রণবীর) বিয়ে করার কথা ভাবতাম। আমরা জানতাম যে এটি ঘটতে যাচ্ছে, এটি ছিল সময়ের ব্যাপার। যখন চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় তখনই মনে হয় সময়টি এসে গেছে।' দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত পদ্মাবত মুক্তি পায় এ বছরের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে। অর্থাৎ সেই সময়েই তিনি ৬ বছর ধরে ঝুলে থাকা প্রেমের শেষ পরিণতির কথা ভাবেন। অবশেষে নভেম্বরে ডেটিং জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটান দীপিকা-রণবীর।   জিএ/এসআর  
পদ্মাবতের পর রণবীরকে বিয়ের কথা ভাবি: দীপিকা পাড়ুকোন
মাকে নিয়ে ভোট দিলেন নায়ক শাকিব
নির্বাচনের আমেজ থেকে বাদ যাননি নায়ক শাকিব খান। আজ (রোববার) বিকেলে মা রেজেয়া বেগমকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে যান তিনি। বিকেল পৌনে চারটার দিকে শাকিব ভোট কেন্দ্রে যান। শাকিব খান ঢাকা-১৭ আসনের (গুলশান, বনানী, ক্যান্ট. ভাষানটেক এলাকা) ভোটার। বিকেলে রিকশায় চড়ে তার মাকে নিয়ে গুলশানের মডেল স্কুলের ভোট কেন্দ্রে যান তিনি। ভোট প্রদান শেষ করে হাসিমুখে বেরিয়ে আসেন তিনি। জানা গেছে, শাকিব এবং তার মা বিকেলে ভোট দিতে গেলেও শাকিবের বাবা ভোট দিয়েছেন দুপুরের আগেই। রিকশা চড়ে ভোট দেয়া প্রসঙ্গে বাংলা সিনেমায় এই সুপারস্টার বলেন, আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। ছোটবেলা থেকে রিকশা, বাইক এসব চড়ে বড় হয়েছি। বাসার পাশেই ভোট কেন্দ্র। সেজন্য মাকে নিয়ে রিকশায় চড়ে ভোট কেন্দ্রে এলাম।   তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ। অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রদান হচ্ছে। আমি প্রথমে মনে করেছিলাম কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি কম থাকবে। কিন্তু গিয়ে দেখলাম ভিন্ন চিত্র। নারী-পুরুষ আলাদাভাবে সারিবদ্ধভাবে লাইনে ভোট দিতে যাচ্ছে। আরও একটা জিনিস ভালো লেগেছে, ভোট কেন্দ্রে গিয়ে আমার অনেক পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়েছে, আলাপ হয়েছে। এখন ফলাফলের জন্য অপেক্ষা। শাকিব খানের আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়েছেন চিত্রনায়ক ফারুক। ধানের শীষ প্রতীকে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন আন্দালিব রহমান পার্থ। দুপুরের পরেই ওই আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ এনে পার্থ নির্বাচন বর্জন করেন। ডি/জেএইচ
মাকে নিয়ে ভোট দিলেন নায়ক শাকিব
আরও পড়ুন
থার্টি ফার্স্ট নাইটে আরটিভিতে গাইবেন অনুপম-তাহসান
আরটিভিতে আগামীকাল মুক্তি পাচ্ছে ‘দহন’
আরটিভির শুক্রবারের অনুষ্ঠান সূচি
১৪ বছরে আরটিভি, বেঙ্গল স্টুডিওতে মিলনমেলা