ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

বন্ধ হয়ে গেল রাজশাহীর শেষ সিনেমা হলটিও

আমির ফয়সাল, রাজশাহী প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৩ অক্টোবর ২০১৮, ০৬:৪৯ পিএম

রাজশাহী মহানগরীর একমাত্র ও সবশেষ সিনেমা হল ‘উপহার’ শেষ পর্যন্ত বন্ধই হয়ে গেল। ‘নাকাব’ সিনেমা প্রদর্শনের মধ্য দিয়েই শেষ হয়েছে ঐতিহ্যবাহী এই প্রেক্ষাগৃহের পথচলা। বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) রাত ১২টা পর্যন্ত চলে এর শেষ শো।

উপহার সিনেমা হলের ম্যানেজার তপন কুমার দাস আরটিভি অনলাইনকে বলেন, মালিকের নির্দেশনা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত এ হলের শেষ শো চলে। এরপর হলটি বন্ধ হয়ে যায়। রাতেই হল বন্ধের নোটিশ দিয়ে দেয়া হবে বলে জানান উপহারের এই কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, মন্দা ব্যবসার কারণেই রাজশাহীর সিনেমা হলগুলো একের পর এক বন্ধ হয়ে গেছে। এর অংশ হিসেবেই উপহারও বন্ধ হয়েছে।

১৯৯১ সালের সরকারি হিসাব অনুযায়ী রাজশাহী নগরীসহ জেলায় সিনেমা হল ছিল ৫৫টি। তবে জেলায় বর্তমানে উপহারসহ চালু ছিল মাত্র পাঁচটি সিনেমা হল। এর মধ্যে বন্ধ হয়ে গেল উপহার। চালু থাকছে, পবার নওহাটার বাবুল, মোহরপুরের কেশরহাটের দিনান্ত, তানোরের আনন্দ ও বাগমারার মাদারিগঞ্জে অন্তরা।

রাজশাহী নগরের এক সময় জনপ্রিয় সিনেমা হল স্মৃতি (অলকা), উৎসব, বর্ণালী, লিলি ও উপহার। এসব সিনেমা হলের নামে এখনও এলাকার মোড়গুলোর নামকরণ রয়ে গেছে। নেই শুধু সিনেমা হলগুলোই। একে একে কালের গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। কিছুটা হলেও শহরের একমাত্র উপহার সিনেমা হলটিতে সারা বছরই দর্শক সমাগম হতো।

নগরীতে প্রেক্ষাগৃহ ছিল ৬টি। এগুলোর মধ্যে অলকা পরবর্তী নাম স্মৃতি, কল্পনা পরবর্তী নাম উৎসব, স্নিগ্ধা পরবর্তী নাম উপহার এবং বর্ণালী ও লিলি। এছাড়াও নগরের উপকণ্ঠে কাটাখালীতে নতুন পরবর্তী নাম রাজতিলক এবং নওহাটায় দুটির একটি নাম ছিল বাবুল ও অপরটি লিলি। এগুলোর মধ্যে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রেক্ষাগৃহটি ছিল রাজশাহীর বর্ণালী সিনেমা হল।

২০০৭ সালে শহরের সবচেয়ে পুরনো প্রেক্ষাগৃহ স্মৃতি সিনেমা হল ভেঙে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ব্রিটিশ আমলে রাজশাহীর ভিক্টোরিয়া ড্রামাটিক ক্লাবের উদ্যোগে নাট্য আন্দোলন এগিয়ে নিতে নির্মিত হয়েছিল ‘রাজা প্রমথনাথ টাউন হল’। প্রতিষ্ঠা থেকে সেখানে নিয়মিত বাংলা সাহিত্য ও নাট্যচর্চা হতো। ১৯১৯ সালের ২ এপ্রিল ভিক্টোরিয়া ক্লাবের কাছ থেকে হলটি কিনে নেয় রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশন। পরে রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে অলকা সিনেমা হল নামে যাত্রা শুরু করে। নব্বইয়ের দশকে স্মৃতি সিনেমা হল নামে হলটির নামকরণ হয়। পরে ওই হল ভেঙে রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশন বহুতল ভবণ নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছে।

নগরীর আলুপট্টির উৎসব সিনেমা হলে ২০১০ সালের জুলাইয়েও চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়েছে। পরে তা ভেঙে স্বচ্ছ টাওয়ার নামে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হয়। নগরীর কাদিরগঞ্জ ও আমবাগানের মধ্যবর্তী এলাকায় ছিল বর্ণালী সিনেমা হল। বর্তমানে হলটি না থাকলেও শহরের ওই এলাকার নামকরণ রয়েছে বর্ণালীর মোড় নামেই। শহরের পাশেই মোল্লাপাড়ার লিলি সিনেমা হলটিও আর নেই। সেখানে করা হয়েছে মার্কেট।

উপহার সিনেমা হলের দারোয়ান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হলটি যখন প্রথম চালু হয়, তখন থেকেই এখানে কাজ করছি। হঠাৎ শুনতে পাই, হলটি বন্ধ হয়ে যাবে। তখন থেকেই চিন্তায় আছি। কারণ, অন্য কোনও কাজ করার অভিজ্ঞতা নেই এবং ব্যবসা করার মতোও অর্থ নেই।

সিনেমা হলটি বন্ধের ঘোষণার পর থেকেই রাজশাহীর চলচ্চিত্র সংসদসহ সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো মানববন্ধন, অবস্থানসহ বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে আসছে। উপমহাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক, রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য, ঋত্বিক ঘটক ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি ডা. এফ এম এ জাহিদ, রাজশাহী ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি ও চলচ্চিত্রনির্মাতা আহসান কবীর লিটন, ঋত্বিক ঘটক ফিল্ম সোসাইটি রাজশাহীর সাধারণ সম্পাদক এবং সিনেমাটোগ্রাফার ও অভিনেতা মাহমুদ হোসেন মাসুদসহ অনেক গুণীজন বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের সভাপতি ড. সাজ্জাদ বকুল বলেন, বিভাগীয় একটি শহরে একটি সিনেমা হল থাকবে না, এটা একটি অশনিসংকেত।

ঋত্বিক ঘটক ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি ডা. এফ এম এ জাহিদ বলেন, এভাবে সব সিনেমা হল ভেঙে ফেলা হলে, নতুন প্রজন্ম সিনেমা হল আর কখনও চিনবে না, সিনেমার সঙ্গে পরিচয়ও ঘটবে না। তাই ঐতিহ্য হিসেবে হলেও বিভাগীয় শহর রাজশাহীতে একটি সিনেমা হল বাঁচিয়ে রাখতে হবে। এজন্য সমাজের দায়িত্ববান লোকদের এগিয়ে আসার অনুরোধ করছি।

অধ্যাপক হাসান আজিজুল হক এই হলে তাঁর ছবি দেখার স্মৃতিচারণ করে হলটিকে রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

নগরবাসীর বিনোদন নিশ্চিত করতে রাজশাহী সিটি ভবনের জায়গায় নির্মাণাধীন সিটি সেন্টারে হবে আধুনিক সিনেকমপ্লেক্স, যা ৯ বছরেও সম্পূর্ণ হয়নি। তবে আবারও এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন নির্বাচিত হওয়ায় সব কাজেই গতি ফিরে এসেছে। তাই আগামী এক বছরের মধ্যেই এই পুরো প্রকল্পটি শেষ হবে বলে আশা করছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল হক। আর নগরবাসীর বিনোদনের কথা মাথায় রেখেই চুক্তি অনুযায়ী সিটি সেন্টারের ভবনটিতে সিনেকমপ্লেক্স রাখার কথা জানান তিনিও।

এদিকে, ‘নাকাব’ সিনেমার মধ্যদিয়ে ৪৩ বছরের দীর্ঘ যাত্রার ইতি টানলো উপহার। শেষ প্রদর্শনীও ছিল হাউসফুল। সিনেমা দেখে ফেরার পথে অনেকেই অতীতের স্মৃতিচারণ করে গেছেন। ১৯৭৪ সালে স্নিগ্ধা নামে পর্দা ওঠে উপহারের। মাঝখানে কয়েক বছর বন্ধ থাকার পর ১৯৮৫ সালে ‘অন্যায় অবিচার’ নামের সিনেমার প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে উপহার নামে যাত্রা শুরু করে হলটি। হলটি ২০১২ সাল থেকে উপহার সিনেমা হলের ডিজিটাল প্রজেকশন ব্যবস্থাপনায় ছিল চলচ্চিত্র প্রযোজনা সংস্থা জাজ মাল্টিমিডিয়া। শনিবার দুপুরের পর প্রজেকশন যন্ত্রাংশ খুলে নিয়ে গেছে সংস্থাটি। গত ১১ অক্টোবর রাত ১২টায় শেষ প্রদর্শনী মধ্য দিয়ে বন্ধ হয়ে গেছে রাজশাহী মহানগরীর একমাত্র টিকে থাকা উপহার সিনেমা হলটি।

আরও পড়ুন :

এম/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দীপিকার ভালো বন্ধু কে?
মেয়েটি দীপিকা পাড়ুকোনের মতই প্রতিভাবান। ভারতের প্রথম দশ জন নারী গল্ফারের মধ্যে তার নাম আছে। বলা যায় দীপিকার ভালো ভক্ত এবং একই সঙ্গে বন্ধু। নাম আনিশা পাড়ুকোন। দীপিকা পাডুকোনের ছোট বোন। প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দীপিকার সঙ্গে ছবি দেখে ভক্তদের মাঝে কৌতূহল জাগে, আলোচনা হয়। মাঝে মাঝে সংবাদের শিরোনামও হন তিনি। তবে সব সময় দীপিকার বোন হিসেবে নয়। নিজের গুণের জন্যই তিনি শিরোনামে আসেন। এই তরুণী একজন পেশাদার গল্ফার। তিনি রাজ্য স্তরে বাস্কেটবল ও জাতীয় স্তরে ক্রিকেটও খেলেন। মাত্র দশ বছর বয়স থেকে খেলাধূলাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন আনিশা। এছাড়া একটি সংস্থার অধীনে দিদি দীপিকার সঙ্গে মানসিক অবসাদগ্রস্ততায় ভোগা রোগীদের নিয়ে কাজ করেন তিনি। তিনি মনে করেন, সবটাই সম্ভব হয়েছে বাবা প্রকাশ পাড়ুকোন, মা উজ্জ্বলা পাড়ুকোন ও দিদি দীপিকা পাডুকোনের জন্য।   জিএ/পি
দীপিকার ভালো বন্ধু কে?
কাদের খান সুস্থ, থেমেছে মৃত্যুর গুজব
কানাডার হাসপাতালে কাদের খান সুস্থ আছেন৷ অভিনেতার ছেলে সরফরাজ খান বাবার মৃত্যুর গুজব থামিয়েছেন৷ সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে রোববার রাতে সরফরাজ খান বলেন, ‘সব মিথ্যা৷ গুজব৷ আমার বাবা হাসপাতালে আছেন। এখন সাড়া দিচ্ছেন এবং আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন৷ তাকে স্পেশাল ভেন্টিলেশন থেকে রেগুলার ভেন্টিলেটরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে৷ রোববার বর্ষীয়ান অভিনেতা কাদের খানের মৃত্যুর গুজব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ছিলেন সুতরাং ভক্তরা ভুয়া তথ্যকে সহজে বিশ্বাস করেছিলেন। অনেকেই শোক প্রকাশ করে পোস্ট করেন। তবে গণমাধ্যমকে দেওয়া বার্তায় সরফরাজ খান সব ধোঁয়াশা পরিষ্কার করেন।  কাদের খানের অসুস্থতার পর থেকে তাকে নিয়ে শুভাকাঙ্ক্ষীরা চিন্তিত ছিলেন। গত শুক্রবার টুইট করে কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন লেখেন, ‘কাদের খান...এক অনবদ্য প্রতিভা…হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি…তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি৷’ বেশ কয়েকবছর আগে অভিনয় জগত থেকে ছুটি নিয়েছেন কাদের খান৷ বার্ধক্যের সময়টা ছেলে সরফরাজ ও ছেলের বউ সহিস্তার সঙ্গে কানাডায় পার করছিলেন তিনি৷ এর আগেও ২০১৭ সালে একবার অসুস্থ হয়ে পড়েন কাদের খান। সে সময় থেকে অন্যের সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে চলাফেরা করতেন তিনি। এরই মধ্যে আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। কাদের খান ১৯৭০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৪৫০টিরও বেশি হিন্দি এবং উর্দু সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ২৫০টিরও অধিক ভারতীয় সিনেমার সংলাপ লিখেছেন তিনি। অভিনেতা, কমেডিয়ান ও সংলাপ রচয়িতা হিসেবে অর্জন করেছেন উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পুরস্কার।   জিএ/পি
কাদের খান সুস্থ, থেমেছে মৃত্যুর গুজব
থার্টি ফার্স্ট নাইটে আরটিভিতে গাইবেন অনুপম-তাহসান
ইংরেজি নতুন বছরের আগমন উদযাপন করতে আরটিভির বিশেষ আয়োজন ‘ক্লাব এশিয়া মনের মানুষ’ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী অনুপম রায়। একই অনুষ্ঠানে গান গাইবেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। আজ ৩১ ডিসেম্বর, সোমবার রাত ১১টা ২৫ মিনিটে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে আরটিভি। গানে-গানে নতুন বছরের প্রথম প্রহর মাতিয়ে তোলার জন্য পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী অনুপম রায় এবং তার ব্যান্ড 'দ্যা অনুপম রায় ব্যান্ড' ঢাকায় আসছেন। অনুষ্ঠানটিতে অনুপম রায়ের সঙ্গে মঞ্চে থাকবেন এপার বাংলার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। থার্টি ফার্স্ট রাতে অনুপম রায়ের সঙ্গে অনুষ্ঠান এবং মঞ্চ ভাগাভাগির বিষয়ে তাহসান জানান, আমি ১০টির মতো গানে অংশ নেবো। যেহেতু সরাসরি অনুষ্ঠান, জনপ্রিয় গানের পাশাপাশি অনুরোধের গানও থাকতে পারে। অনুপম রায়ও একই সংখ্যক গান করবেন বলেও জানান তিনি। সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান হওয়ায় দর্শকদের মতামত ও অনুরোধের সুযোগও থাকবে বলে জানান তাহসান। অন্যদিকে আরটিভির পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুরো অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছে বেশ কিছু চমক দিয়ে। অনুপম রায় এন্ড ব্যান্ড ও তাহসান খান দুই বাংলায় সমান ভাবে জনপ্রিয়। প্রত্যাশা করা যাচ্ছে অনুষ্ঠানটি ব্যাপক দর্শক জনপ্রিয়তা পাবে।   আরএস/জিএ/এসআর  
থার্টি ফার্স্ট নাইটে আরটিভিতে গাইবেন অনুপম-তাহসান
পদ্মাবতের পর রণবীরকে বিয়ের কথা ভাবি: দীপিকা পাড়ুকোন
ইতালির লেক কোমোতে নভেম্বরে রনবীর সিংয়ের সঙ্গে মাত্র ৪৫ জন শুভাকাঙ্ক্ষী নিয়ে গিঁট বেঁধেছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। এক সঙ্গে পথ চলার এই সিদ্ধান্ত কবে নিয়েছিলেন, ইন্ডিয়ার একটি ম্যাগাজিনকে এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, পদ্মাবত মুক্তি পাওয়ার পর পরিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং ২০১৮ সালের ১৪ ও ১৫ নভেম্বর ইতালির লেক কোমোর ডেল বাল্বিনেলো ভিলায় বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন। চুপিসারে বিয়ের কাজ শেষ হয়।  নব দম্পতি বিয়ের ছবি সহজলভ্যভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করতে চাননি। এজন্য অনেক বিষয় ভক্তদের অজানা থেকে যায়। তবে চলচ্চিত্র শিল্পের দুই বৃহত্তম তারকা লেক কমোর সুদৃশ্য স্থানে যখন বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন, ভক্তদের কৌতূহল আরও বেড়ে যায়। যদিও দুজনের প্রেম বিষয়ে ভক্তরা টুকিটাকি জানতেন, তবে কবে বিয়ে করবেন কারা কারা সে অনুষ্ঠানে থাকবে, এই বিষয়টি একদম অজানা ছিল। দীপিকা অবশ্য সব ধোঁয়াশা মুক্ত করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি পদ্মাবতের পরে তাকে (রণবীর) বিয়ে করার কথা ভাবতাম। আমরা জানতাম যে এটি ঘটতে যাচ্ছে, এটি ছিল সময়ের ব্যাপার। যখন চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় তখনই মনে হয় সময়টি এসে গেছে।' দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত পদ্মাবত মুক্তি পায় এ বছরের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে। অর্থাৎ সেই সময়েই তিনি ৬ বছর ধরে ঝুলে থাকা প্রেমের শেষ পরিণতির কথা ভাবেন। অবশেষে নভেম্বরে ডেটিং জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটান দীপিকা-রণবীর।   জিএ/এসআর  
পদ্মাবতের পর রণবীরকে বিয়ের কথা ভাবি: দীপিকা পাড়ুকোন
মাকে নিয়ে ভোট দিলেন নায়ক শাকিব
নির্বাচনের আমেজ থেকে বাদ যাননি নায়ক শাকিব খান। আজ (রোববার) বিকেলে মা রেজেয়া বেগমকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে যান তিনি। বিকেল পৌনে চারটার দিকে শাকিব ভোট কেন্দ্রে যান। শাকিব খান ঢাকা-১৭ আসনের (গুলশান, বনানী, ক্যান্ট. ভাষানটেক এলাকা) ভোটার। বিকেলে রিকশায় চড়ে তার মাকে নিয়ে গুলশানের মডেল স্কুলের ভোট কেন্দ্রে যান তিনি। ভোট প্রদান শেষ করে হাসিমুখে বেরিয়ে আসেন তিনি। জানা গেছে, শাকিব এবং তার মা বিকেলে ভোট দিতে গেলেও শাকিবের বাবা ভোট দিয়েছেন দুপুরের আগেই। রিকশা চড়ে ভোট দেয়া প্রসঙ্গে বাংলা সিনেমায় এই সুপারস্টার বলেন, আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। ছোটবেলা থেকে রিকশা, বাইক এসব চড়ে বড় হয়েছি। বাসার পাশেই ভোট কেন্দ্র। সেজন্য মাকে নিয়ে রিকশায় চড়ে ভোট কেন্দ্রে এলাম।   তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ। অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রদান হচ্ছে। আমি প্রথমে মনে করেছিলাম কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি কম থাকবে। কিন্তু গিয়ে দেখলাম ভিন্ন চিত্র। নারী-পুরুষ আলাদাভাবে সারিবদ্ধভাবে লাইনে ভোট দিতে যাচ্ছে। আরও একটা জিনিস ভালো লেগেছে, ভোট কেন্দ্রে গিয়ে আমার অনেক পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়েছে, আলাপ হয়েছে। এখন ফলাফলের জন্য অপেক্ষা। শাকিব খানের আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়েছেন চিত্রনায়ক ফারুক। ধানের শীষ প্রতীকে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন আন্দালিব রহমান পার্থ। দুপুরের পরেই ওই আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ এনে পার্থ নির্বাচন বর্জন করেন। ডি/জেএইচ
মাকে নিয়ে ভোট দিলেন নায়ক শাকিব
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রীকে চীনের নৌকা উপহার
রাজশাহীতে নির্বাচনী সহিংসতায় ঝরে গেল আরেক প্রাণ
রাজশাহীতে বইছে শৈত্যপ্রবাহ
রাজশাহীতে বিএনপির এক হাজার নেতাকর্মীর আ.লীগে যোগদান