ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

চলচ্চিত্রে শাবনূরের রজতজয়ন্তী

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর ২০১৮, ১২:০৬ পিএম

ঢালিউডের এক ইতিহাস সৃষ্টিকারী নায়িকা শাবনূর। নায়ক নির্ভর ইন্ডাস্ট্রিতে দাপটের সঙ্গে তিনি নিয়মিতভাবে কাজ করেছেন। সালমান শাহ পরবর্তী সময়ে শুধু শাবনূরের সঙ্গে জুটি বাঁধার কারণেই অনেক নায়কই পায়ের তলায় মাটি পেয়েছিলেন ধরা যায়।

বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা এহতেশামের হাত ধরে ১৯৯৩ সালের ১৫ অক্টোবর অর্থাৎ আজকের এই দিনে বড় পর্দায় আবির্ভাব ঘটে শাবনূরের। সেই হিসেবে এরইমধ্যে কেটে গেছে ২৫টি বছর। চলচ্চিত্রে আজ শাবনূরের রজতজয়ন্তী।

প্রথম অভিনীত ছবির নাম ‘চাঁদনী রাতে’। শাবনূরের নায়ক ছিলেন সাব্বির। ছবিটি ব্যবসায়িকভাবে সফলতা না পেলেও হাল ছাড়েননি নায়িকা।

এরপর সালমান শাহের সঙ্গে জুটি বেঁধে যেন বদলে যায় এই দুই তারকার জীবন। চিত্রনায়ক সালমান শাহের সঙ্গে ১৪টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন শাবনূর। যার সবগুলোই ছিল ব্যবসা সফল। এ জুটির প্রথম ছবি ‘তুমি আমার’ ১৯৯৪ সালে মুক্তি পায়। পরিচালনা করেন জহিরুল হক। একই বছর শাহ আলম কিরণ তাদের নিয়ে ফারুক-কবরী জুটির ‘সুজন সখী’ চলচ্চিত্রের রঙিন পুনঃনির্মাণ ‘সুজন সখী’ নির্মাণ করেন। ১৯৯৫ সালে ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ১৯৯৬ সালে ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘তোমাকে চাই’, ১৯৯৭ সালে শিবলি সাদিক পরিচালিত ‘আনন্দ অশ্রু’ ছবিগুলো দারুণ সাড়া ফেলে।

সালমানের পর নায়ক রিয়াজের সঙ্গে জুটি বেঁধেও অসংখ্য ছবি উপহার দেন শাবনূর। এই নায়কের বিপরীতে ১৯৯৭ সালে ‘মন মানে না’ ও ‘তুমি শুধু তুমি’ মুক্তি পায়। এরপর ১৯৯৯ সালে রিয়াজ-শাবনূর জুটির ‘ভালোবাসি তোমাকে’ ও ‘বিয়ের ফুল’ ব্যাপক ব্যবসা সফল হয়। সালমান শাহের পর রিয়াজ-শাবনূর জুটি দর্শকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

২০০০ সালে শাবনূর-রিয়াজ জুটির ‘নারীর মন’ ও ‘এ মন চায় যে’ মুক্তি পায়। পরিচালনা করেন মতিন রহমান। এছাড়া এফ আই মানিক পরিচালিত ‘এ বাঁধন যাবে না ছিঁড়ে’, জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘নিঃশ্বাসে তুমি বিশ্বাসে তুমি’, সাঈদুর রহমান সাঈদ পরিচালিত ‘এরই নাম দোস্তি’, এফ আই মানিক পরিচালিত ‘ফুল নেবে না অশ্রু নেবে’ নায়ক ছিলেন শাকিব খান ও ইস্পাহানি আরিফ জাহান পরিচালিত ‘গোলাম’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

পরবর্তীতে ২০০১ সালে আবারও দেখা মেলে রিয়াজ-শাবনূর জুটির। এসময় তারা দর্শকদের উপহার দেন ‘শ্বশুরবাড়ী জিন্দাবাদ’। যেটি পরিচালনা করেন দেবাশীষ বিশ্বাস। একই বছর গাজী মাহবুব পরিচালিত ‘প্রেমের তাজমহল’ ও এফ আই মানিক পরিচালিত ‘স্বপ্নের বাসর’ ছবিগুলো তুমুল ব্যবসা করে। ২০০২ সালে গুণী নির্মাতা আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘সুন্দরী বধূ’, এফ আই মানিক পরিচালিত ‘হৃদয়ের বন্ধন’ ও ‘স্বামী স্ত্রীর যুদ্ধ’, জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘মিলন হবে কত দিনে’ ও ‘ভালোবাসা কারে কয়’, শাহাদৎ হোসেন লিটন পরিচালিত ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ এবং আজাদী হাসনাত ফিরোজ পরিচালিত ‘সবার উপরে প্রেম’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন শাবনূর।

২০০৩ সালে অভিনয় করেন মতিন রহমান পরিচালিত ‘মাটির ফুল’, এফ আই মানিকের ‘দুই বধূ এক স্বামী’, আমজাদ হোসেনের ‘প্রাণের মানুষ’, আজাদী হাসনাত ফিরোজের ‘বউ শাশুড়ীর যুদ্ধ’, জিল্লুর রহমানের ‘স্বপ্নের ভালোবাসা’, মহম্মদ হান্নানের ‘নয়ন ভরা জল’ ছবিতে। ২০০৪ সালে এই নায়িকা কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘অন্য মানুষ’, আজাদী হাসনাত ফিরোজের ‘ফুলের মতো বউ’, মিজানুর রহমান খান দীপুর ‘যত প্রেম তত জ্বালা’, শিল্পী চক্রবর্তীর ‘তোমার জন্য পাগল’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

২০০৫ সালে শাবনূর অভিনীত সিনেমার মধ্যে আমজাদ হোসেনের ‘কাল সকালে’, সালাউদ্দিন লাভলুর ‘মোল্লা বাড়ীর বউ’, মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের ‘দুই নয়নের আলো’ এবং ‘আমার স্বপ্ন তুমি’। ‘দুই নয়নের আলো’ ছবিতে অসাধারণ অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ক্যারিয়ারের প্রথম ও একমাত্র জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান শাবনূর।

২০০৬ সালে শাবনূর কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস ‘জনম জনম’ অবলম্বনে নির্মিত ‘নিরন্তর’ ছবিতে অভিনয় করেন। পরিচালনা করেন আবু সাইয়ীদ। ২০০৭ সালের মুক্তি পায় মালেক বিশ্বাস পরিচালিত ‘মেয়ে সাক্ষী’, মহম্মদ হান্নান পরিচালিত ‘ভালোবাসা ভালোবাসা’ এবং পি এ কাজল পরিচালিত ‘আমার প্রাণের স্বামী’।

এরপর ২০০৮ সালে পি এ কাজলের ‘১ টাকার বউ’ ছবিতে শাকিব খানের সঙ্গে জুটিবদ্ধ হন শাবনূর। এই ছবিটিও ব্যবসা সফল হয়েছিল। ২০০৯ সালে রিয়াজের বিপরীতে মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘তুমি আমার স্বামী’, এটিএম শামসুজ্জামান পরিচালিত ‘এবাদত’ ও আব্দুল মান্নান পরিচালিত ‘মন বসে না পড়ার টেবিলে’ এবং শাকিব খানের বিপরীতে পি এ কাজল পরিচালিত ‘স্বামী স্ত্রীর ওয়াদা’ ও শাহ মোঃ সংগ্রাম পরিচালিত ‘বলবো কথা বাসর ঘরে’ ছবিতে অভিনয় করেন এই নায়িকা।

২০১০ সালে শাবনূর অভিনয় করেন মনতাজুর রহমান আকবরের ‘এভাবেই ভালোবাসা হয়’, মোহাম্মদ হোসেনের ‘চাঁদের মত বউ’, মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের ‘মন ছুঁয়েছে মন’, চন্দন চৌধুরীর ‘ভালোবেসে বউ আনব’ এবং বি আর চৌধুরীর ‘বধূ তুমি কার’ ছবিতে।

জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকাবস্থায় ২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর ব্যবসায়ী অনিক মাহমুদের সঙ্গে আংটি বদল হয় শাবনূরের। ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর বিয়ে করেন তারা। এরপর মিডিয়াকে আড়াল করে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস শুরু করেন শাবনূর। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর ছেলে সন্তানের মা হন তিনি। তার ছেলের নাম আইজান নিহান।

২০১৩ সালে শাবনূর অভিনীত ‘কিছু আশা কিছু ভালোবাসা’ ছবিটি মুক্তি পায়। ওই ছবিতে তার সহশিল্পী ছিলেন ফেরদৌস ও মৌসুমী। পরিচালনা করেন মোস্তাফিজুর রহমান মানিক।

শাবনূরের পারিবারিক নাম কাজী শারমিন নাহিদ নুপুর। গুণী চলচ্চিত্র নির্মাতা এহতেশাম তার নাম বদলে রাখেন শাবনূর।

দীর্ঘদিন ধরে নতুন কোনও সিনেমায় কাজ না করলেও শাবনূরের জনপ্রিয়তার কোনও ভাটা পড়েনি। আজো নির্মাতারা শাবনূরকে নায়িকা করে সিনেমা বানাতে চান। যতদিন দেশীয় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি থাকবে, বেঁচে থাকবেন শাবনূর তার কর্মের গুণে। কারণ চলচ্চিত্র ইতিহাসে শাবনূর এক ইতিহাসের নাম।

আরও পড়ুন :

এম/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দীপিকার ভালো বন্ধু কে?
মেয়েটি দীপিকা পাড়ুকোনের মতই প্রতিভাবান। ভারতের প্রথম দশ জন নারী গল্ফারের মধ্যে তার নাম আছে। বলা যায় দীপিকার ভালো ভক্ত এবং একই সঙ্গে বন্ধু। নাম আনিশা পাড়ুকোন। দীপিকা পাডুকোনের ছোট বোন। প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দীপিকার সঙ্গে ছবি দেখে ভক্তদের মাঝে কৌতূহল জাগে, আলোচনা হয়। মাঝে মাঝে সংবাদের শিরোনামও হন তিনি। তবে সব সময় দীপিকার বোন হিসেবে নয়। নিজের গুণের জন্যই তিনি শিরোনামে আসেন। এই তরুণী একজন পেশাদার গল্ফার। তিনি রাজ্য স্তরে বাস্কেটবল ও জাতীয় স্তরে ক্রিকেটও খেলেন। মাত্র দশ বছর বয়স থেকে খেলাধূলাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন আনিশা। এছাড়া একটি সংস্থার অধীনে দিদি দীপিকার সঙ্গে মানসিক অবসাদগ্রস্ততায় ভোগা রোগীদের নিয়ে কাজ করেন তিনি। তিনি মনে করেন, সবটাই সম্ভব হয়েছে বাবা প্রকাশ পাড়ুকোন, মা উজ্জ্বলা পাড়ুকোন ও দিদি দীপিকা পাডুকোনের জন্য।   জিএ/পি
দীপিকার ভালো বন্ধু কে?
কাদের খান সুস্থ, থেমেছে মৃত্যুর গুজব
কানাডার হাসপাতালে কাদের খান সুস্থ আছেন৷ অভিনেতার ছেলে সরফরাজ খান বাবার মৃত্যুর গুজব থামিয়েছেন৷ সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে রোববার রাতে সরফরাজ খান বলেন, ‘সব মিথ্যা৷ গুজব৷ আমার বাবা হাসপাতালে আছেন। এখন সাড়া দিচ্ছেন এবং আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন৷ তাকে স্পেশাল ভেন্টিলেশন থেকে রেগুলার ভেন্টিলেটরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে৷ রোববার বর্ষীয়ান অভিনেতা কাদের খানের মৃত্যুর গুজব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ছিলেন সুতরাং ভক্তরা ভুয়া তথ্যকে সহজে বিশ্বাস করেছিলেন। অনেকেই শোক প্রকাশ করে পোস্ট করেন। তবে গণমাধ্যমকে দেওয়া বার্তায় সরফরাজ খান সব ধোঁয়াশা পরিষ্কার করেন।  কাদের খানের অসুস্থতার পর থেকে তাকে নিয়ে শুভাকাঙ্ক্ষীরা চিন্তিত ছিলেন। গত শুক্রবার টুইট করে কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন লেখেন, ‘কাদের খান...এক অনবদ্য প্রতিভা…হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি…তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি৷’ বেশ কয়েকবছর আগে অভিনয় জগত থেকে ছুটি নিয়েছেন কাদের খান৷ বার্ধক্যের সময়টা ছেলে সরফরাজ ও ছেলের বউ সহিস্তার সঙ্গে কানাডায় পার করছিলেন তিনি৷ এর আগেও ২০১৭ সালে একবার অসুস্থ হয়ে পড়েন কাদের খান। সে সময় থেকে অন্যের সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে চলাফেরা করতেন তিনি। এরই মধ্যে আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। কাদের খান ১৯৭০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৪৫০টিরও বেশি হিন্দি এবং উর্দু সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ২৫০টিরও অধিক ভারতীয় সিনেমার সংলাপ লিখেছেন তিনি। অভিনেতা, কমেডিয়ান ও সংলাপ রচয়িতা হিসেবে অর্জন করেছেন উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পুরস্কার।   জিএ/পি
কাদের খান সুস্থ, থেমেছে মৃত্যুর গুজব
থার্টি ফার্স্ট নাইটে আরটিভিতে গাইবেন অনুপম-তাহসান
ইংরেজি নতুন বছরের আগমন উদযাপন করতে আরটিভির বিশেষ আয়োজন ‘ক্লাব এশিয়া মনের মানুষ’ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী অনুপম রায়। একই অনুষ্ঠানে গান গাইবেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। আজ ৩১ ডিসেম্বর, সোমবার রাত ১১টা ২৫ মিনিটে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে আরটিভি। গানে-গানে নতুন বছরের প্রথম প্রহর মাতিয়ে তোলার জন্য পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী অনুপম রায় এবং তার ব্যান্ড 'দ্যা অনুপম রায় ব্যান্ড' ঢাকায় আসছেন। অনুষ্ঠানটিতে অনুপম রায়ের সঙ্গে মঞ্চে থাকবেন এপার বাংলার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। থার্টি ফার্স্ট রাতে অনুপম রায়ের সঙ্গে অনুষ্ঠান এবং মঞ্চ ভাগাভাগির বিষয়ে তাহসান জানান, আমি ১০টির মতো গানে অংশ নেবো। যেহেতু সরাসরি অনুষ্ঠান, জনপ্রিয় গানের পাশাপাশি অনুরোধের গানও থাকতে পারে। অনুপম রায়ও একই সংখ্যক গান করবেন বলেও জানান তিনি। সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান হওয়ায় দর্শকদের মতামত ও অনুরোধের সুযোগও থাকবে বলে জানান তাহসান। অন্যদিকে আরটিভির পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুরো অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছে বেশ কিছু চমক দিয়ে। অনুপম রায় এন্ড ব্যান্ড ও তাহসান খান দুই বাংলায় সমান ভাবে জনপ্রিয়। প্রত্যাশা করা যাচ্ছে অনুষ্ঠানটি ব্যাপক দর্শক জনপ্রিয়তা পাবে।   আরএস/জিএ/এসআর  
থার্টি ফার্স্ট নাইটে আরটিভিতে গাইবেন অনুপম-তাহসান
পদ্মাবতের পর রণবীরকে বিয়ের কথা ভাবি: দীপিকা পাড়ুকোন
ইতালির লেক কোমোতে নভেম্বরে রনবীর সিংয়ের সঙ্গে মাত্র ৪৫ জন শুভাকাঙ্ক্ষী নিয়ে গিঁট বেঁধেছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। এক সঙ্গে পথ চলার এই সিদ্ধান্ত কবে নিয়েছিলেন, ইন্ডিয়ার একটি ম্যাগাজিনকে এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, পদ্মাবত মুক্তি পাওয়ার পর পরিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং ২০১৮ সালের ১৪ ও ১৫ নভেম্বর ইতালির লেক কোমোর ডেল বাল্বিনেলো ভিলায় বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন। চুপিসারে বিয়ের কাজ শেষ হয়।  নব দম্পতি বিয়ের ছবি সহজলভ্যভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করতে চাননি। এজন্য অনেক বিষয় ভক্তদের অজানা থেকে যায়। তবে চলচ্চিত্র শিল্পের দুই বৃহত্তম তারকা লেক কমোর সুদৃশ্য স্থানে যখন বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন, ভক্তদের কৌতূহল আরও বেড়ে যায়। যদিও দুজনের প্রেম বিষয়ে ভক্তরা টুকিটাকি জানতেন, তবে কবে বিয়ে করবেন কারা কারা সে অনুষ্ঠানে থাকবে, এই বিষয়টি একদম অজানা ছিল। দীপিকা অবশ্য সব ধোঁয়াশা মুক্ত করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি পদ্মাবতের পরে তাকে (রণবীর) বিয়ে করার কথা ভাবতাম। আমরা জানতাম যে এটি ঘটতে যাচ্ছে, এটি ছিল সময়ের ব্যাপার। যখন চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় তখনই মনে হয় সময়টি এসে গেছে।' দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত পদ্মাবত মুক্তি পায় এ বছরের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে। অর্থাৎ সেই সময়েই তিনি ৬ বছর ধরে ঝুলে থাকা প্রেমের শেষ পরিণতির কথা ভাবেন। অবশেষে নভেম্বরে ডেটিং জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটান দীপিকা-রণবীর।   জিএ/এসআর  
পদ্মাবতের পর রণবীরকে বিয়ের কথা ভাবি: দীপিকা পাড়ুকোন
মাকে নিয়ে ভোট দিলেন নায়ক শাকিব
নির্বাচনের আমেজ থেকে বাদ যাননি নায়ক শাকিব খান। আজ (রোববার) বিকেলে মা রেজেয়া বেগমকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে যান তিনি। বিকেল পৌনে চারটার দিকে শাকিব ভোট কেন্দ্রে যান। শাকিব খান ঢাকা-১৭ আসনের (গুলশান, বনানী, ক্যান্ট. ভাষানটেক এলাকা) ভোটার। বিকেলে রিকশায় চড়ে তার মাকে নিয়ে গুলশানের মডেল স্কুলের ভোট কেন্দ্রে যান তিনি। ভোট প্রদান শেষ করে হাসিমুখে বেরিয়ে আসেন তিনি। জানা গেছে, শাকিব এবং তার মা বিকেলে ভোট দিতে গেলেও শাকিবের বাবা ভোট দিয়েছেন দুপুরের আগেই। রিকশা চড়ে ভোট দেয়া প্রসঙ্গে বাংলা সিনেমায় এই সুপারস্টার বলেন, আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। ছোটবেলা থেকে রিকশা, বাইক এসব চড়ে বড় হয়েছি। বাসার পাশেই ভোট কেন্দ্র। সেজন্য মাকে নিয়ে রিকশায় চড়ে ভোট কেন্দ্রে এলাম।   তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ। অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রদান হচ্ছে। আমি প্রথমে মনে করেছিলাম কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি কম থাকবে। কিন্তু গিয়ে দেখলাম ভিন্ন চিত্র। নারী-পুরুষ আলাদাভাবে সারিবদ্ধভাবে লাইনে ভোট দিতে যাচ্ছে। আরও একটা জিনিস ভালো লেগেছে, ভোট কেন্দ্রে গিয়ে আমার অনেক পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়েছে, আলাপ হয়েছে। এখন ফলাফলের জন্য অপেক্ষা। শাকিব খানের আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়েছেন চিত্রনায়ক ফারুক। ধানের শীষ প্রতীকে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন আন্দালিব রহমান পার্থ। দুপুরের পরেই ওই আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ এনে পার্থ নির্বাচন বর্জন করেন। ডি/জেএইচ
মাকে নিয়ে ভোট দিলেন নায়ক শাকিব
আরও পড়ুন
তারকারা কে কোন আসনের ভোটার?
গাইবেন শাকিব খান?
আনোয়ার হোসেনের ‘বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ’ রক্ষায় নতুন উদ্যোগ
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেয়া হবে আনোয়ার হোসেনের মরদেহ