ঢাকা সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

দ্য গ্রেট সাধন রায়

সৌমিক হাসান

প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি ২০১৯, ১২:০৩ পিএম

বিপ্লবী সাধন রায়ের সাধন-ভজন কতটা সিদ্ধ হয়েছে তার জীবদ্দশায় তা কেবল ইতিহাসই বলে দেবে। বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্য সেনের সহযোগী হিসেবে কৈশোর থেকে চট্টগ্রামে তার সংগ্রামী চেতনার সূচনা ঘটে। কলকাতায় প্রমথেশ বড়ুয়ার সংস্পর্শে এসে সেখানকার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির একজন হয়ে ওঠা এবং পঞ্চাশ দশকের শেষের দিকে ঢাকা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে এসে যোগ দেন। সাধন রায়ের জন্ম চট্টগ্রাম শহরের নালাপাড়ায় ১৯১৪ সালের ৫ নভেম্বর।

১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিল সূর্য সেনের নেতৃত্বে অস্ত্রাগার লুণ্ঠন, টেলিফোন অফিস ধ্বংস, পুলিশ লাইন দখল, ব্রিটিশ প্রশাসন অচল করা, ব্রিটিশ সৈন্যদের সম্মুখযুদ্ধে ৭০-৮০ জন সৈন্যকে আহত ও নিহত হওয়ার ঘটনায় ব্রিটিশ পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। কাকা ক্ষিরোদ চন্দ্র চট্টগ্রামের এমএলএ থাকায় জামিনে ছাড়িয়ে এনে তাকে কলকাতায় পাঠিয়ে দেন। সেখানে বিশ টাকা বেতনে ফিল্ম করপোরেশন অব ইন্ডিয়ায় পরিচালক রণজিৎ সেনের আশা ছবির মাধ্যমে বিপ্লবী সাধন রায়ের ক্যামেরায় প্রথম হাতেখড়ি।

১৯৪০ সালে প্রমথেশ বড়ুয়ার সহকারী ক্যামেরাম্যান হিসেবে শাপমুক্তি ছবিতে কাজে যোগ দেন। তার সাথে ‘শেষ উত্তর’, ‘জবাব’, ‘মায়ের প্রাণ’, ‘উত্তরায়ণ’সহ বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য ছবিতে কাজ করেন।

১৯৪৭ সালে মে মাসে বকুল রায়কে বিয়ে করেন এবং ১৯৪৯ সালের ৭ নভেম্বর প্রথম সন্তান শুক্লা ও ১৯৫২ সালের ১৮ মে ছোট সন্তান কৃষ্ণার জন্ম হয়। প্রমথেশ বড়ুয়ার ইউনিটের বাইরেও সুশীল মজুমদারের ‘রিক্তা’, ‘তটিনীর বিচার’, ‘প্রতিশোধ’, ‘হাসপাতাল’, ঋত্বিক ঘটকের ‘অযান্ত্রিক’ ছবির একক ক্যামেরাম্যান ও কোনোটির সহকারী ক্যামেরাম্যান হিসেবে কাজ করেন।

১৯৫২ সালে ঢাকায় কো-অপারেটিভ ফিল্ম মেকার্সের সংগঠক সারোয়ারের অনুরোধে ‘আপ্যায়ন’ নামে একটি প্রামাণ্যচিত্রের কাজে ঢাকায় এলে কাজ না হওয়ায় কলকাতায় ফিরে যান। ১৯৫৭ সালে পুনরায় ঢাকা এসে লন্ডনের ফটোগ্রাফার ওয়ান্টার ল্যাসালির সহযোগী ফটোগ্রাফার হিসেবে এ.জে. কারদারের ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ ছবির কাজ শুরু করেন। এরপর ‘যে নদী মরু পথে’, ‘তোমার আমার’, ‘বিষকন্যা’, ‘পঁয়সে’, ‘গোধুলীর প্রেম’, ‘সাতরং’, ‘পুনম কি রাত’, ‘নায়িকা’, ‘ইয়ে ভি এক কাহানী’, ‘জলছবি’, ‘রাজা এলো শহরে’, ‘অপরাজেয়’, ‘জিনা ভি মুশকিল’, ‘জংলী ফুল’, ‘পরশমনি’, ‘অপরিচিতা’, ‘আলোর পিপাসা’, ‘অন্তরঙ্গ’সহ বেশকিছু ছবিতে মুক্তিযুদ্ধের পূর্ব পর্যন্ত কাজ করেন।

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আগরতলায় জহির রায়হানের সাথে যোগাযোগ হয়। বড় মেয়ের বাড়িতে থেকে জহির রায়হানের সাথে ছবি তোলার কাজে লেগে যান। স্বাধীনতার পর দেশে ফিরে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছবি ‘রক্তাক্ত বাংলা’র কাজ করেন। তারপর ‘এতিম’, ‘নদের চাঁদ’, ‘কে তুমি’, ‘যন্তর-মন্তর’, ‘দূর থেকে কাছে’, ‘পুরস্কার’, ‘মীমাংসা’, ‘ছুটির ঘণ্টা’, ‘উজান ভাটি’, ‘বসুন্ধরা’, ‘তরুলতা’, ‘সাহেব’, ‘জীবন এলো ফিরে’, ‘শুভরাত্রি’, ‘আমি কার’, ‘চন্দ্রনাথ’, ‘শুভদা’, ‘রঙিন রূপবান’-এ কাজ করেন।

প্রিয় বন্ধু ফজলে হোসেনের সাথে হোসেন এন্ড রায় নামে যুগ্মভাবে কাজ করেন ‘দি রেইন’, ‘আদালত’, ‘বেদ্বীন’, ‘হাসি’, ‘রাজা বাদশা’, ‘স্মৃতি তুমি বেদনা’, ‘কংকর’, ‘অভিযোগ’, ‘ডার্লিং’, ‘বড় মা’, ‘লাল মেম সাহেব’সহ বেশ কিছু ছবি। পরিচালক চাষী নজরুল ইসলামকে ছেলের মতো স্নেহ করতেন বলে সাধন রায়ের মৃত্যুর পর তার ইচ্ছানুযায়ী চাষী নজরুল ইসলাম অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পাদন করেন।

নিজের কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বাচসাস, পরিচালক সমিতি, সিকোয়েন্স, হীরালাল সেন স্মৃতি সংসদ পদক ও ১৯৮৬ সালে ‘শুভদা’ ছবির শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। ১৯৮৮ সালের ২১ জানুয়ারি সাধন রায় মারা যান। সাধন রায়ের দেহবসান হলেও এ দেশের মানুষ তাকে মনে রাখবে বহুকাল, শতাব্দীর পর শতাব্দী।

(লেখক: শিক্ষক ও চলচ্চিত্র গবেষক)

এম/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইউটিউব ক্রিয়েটর হিসেবে আরটিভির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন ওয়াসিম সিতার
ছোট পর্দার পরিচালক ও অভিনেতা  ওয়াসিম সিতার ইউটিউব ক্রিয়েটর হিসেবে আরটিভির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বিকেলে ওয়াসিমের সঙ্গে আরটিভির পক্ষ থেকে চুক্তিপত্র করেন চ্যানেলটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আরটিভির প্রধান কার্যালয়ে চুক্তিপত্র স্বাক্ষরের সময় উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান দেওয়ান শামসুর রকিব ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।  এ ব্যাপারে ওয়াসিম সিতার আরটিভি অনলাইনকে বলেন, আমার চ্যানেল 'ককটেল এন্টারটেইনমেন্ট' ইউটিউব চ্যানেলটি আরটিভি ডিজিটালের তত্ত্বাবধানে থাকবে। ইতোমধ্যে এর মাধ্যমে আমি বেশকিছু কন্টেন্ট দর্শকদের উপহার দিয়েছি। এখন থেকে নিয়মিত দর্শকদের ওয়েবসিরিজ ও শটফিল্ম উপহার দেব। এছাড়া তরুণদের নিয়েও কাজ করব। বিশেষ করে যারা মেধাবী শিল্পী কিন্তু কোনো প্লাটফর্ম খুঁজে পাচ্ছেন না তাদের সুযোগ দেব। আমার পক্ষ থেকে জুনাইদ ইরফান তত্ত্বাবধানে থাকবেন।  ধন্যবাদ আরটিভিকে আমাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য। ওয়াসিম সিতার বেশকিছু টেলিভিশন নাটক পরিচালনা করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে আছে সেলফিবাজ, দ্য ডেসটিনেশন ওয়েডিং, রোলিং ইন দ্য ডে, আনমেরিড, আই অ্যাম স্যরি ইত্যাদি। অভিনয়েও বেশ পাকাপোক্ত অবস্থান তার। সবশেষ বাংলা চলচ্চিত্র 'ন ডড়াই'তে লিয়াকত চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন। জিএ 
ইউটিউব ক্রিয়েটর হিসেবে আরটিভির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন ওয়াসিম সিতার
নতুন বছর নিয়ে কী ভাবছেন তারকারা
রাত পোহালেই নতুন বছরের আগমন। বিদায় ২০১৯। স্বাগত ২০২০ সাল। পুরোনো বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছর নিয়ে কী ভাবছেন তারকা। ভক্তদের এ নিয়ে জানার কৌতূহল তো থেকেই যায়। আরটিভি অনলাইন পাঠকদের জন্য তেমনি কয়েকজন জনপ্রিয় তারকার পরিকল্পনার কথা জানাচ্ছে। চলুন পাঠক জেনে নেয়া যাক আপনার প্রিয় তারকার ভাবনা।        আব্দুন নূর সজল গেল বছর কম কাজ করেছি। সব পছন্দনীয় কাজ ছিল। ১২ বছর পর মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছি। এটা ভালো লাগার। বঙ্গবন্ধু বিপিএল টুর্নামেন্টকে ঘিরে ঢাকা প্লাটুনের থিম সং করেছি। এছাড়া জীন মুভিতে কাজ করেছি। ফেব্রুয়ারির কোনও এক সময় মুক্তি পাবে ছবিটি। বছরের শেষে বিগ বাজেটের একটা ওয়েব সিরিজে কাজ করেছি। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বেশ ভালো ছিলাম।  ভক্তদের জন্য বলবো নতুন বছরে কম কাজ করব। বাছাই করে কাজ করব। আসলে বছরের সংখ্যাটা বড় কথা না কাজ, চিন্তাভাবনাটাই আসল।   ব্যক্তিগত জীবন ও বিয়ে নিয়ে তিনি বলেন, জীবনের সঙ্গে এখনও কেউ জড়ায়নি। হুট করে কিছু করব না। কিছু ঘটলে সবাইকে জানিয়ে ঘটাবো। সাদিকা পারভিন পপি গতকাল ফিল্ম ক্লাবের নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছি। ৩৯০ ভোটের মধ্যে প্রায় ৩৫০ পেয়েছি। গেল বছর ফিল্ম-অভিনয় নিয়ে ভালোই কেটেছে। নতুন বছরের ভাবনা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে নিয়ে। হলের সংখ্যা কমে গেছে। এছাড়া অনেক ছবি চলছে না কোন্দল ও নোংরা পলিটিক্সের কারণে। গণ্ডগোল না করে চলচ্চিত্র কীভাবে বাঁচবে এদিকে সবাই খেয়াল করব। কাজ নিয়ে তিনি বলেন, ভালো কাজ আসবে, ভালো কাজ করব। আমি আমার ক্যারিয়ারে কম টাকার কাজ ও নিম্ন কাজ করিনি। আশা করি সুস্থ ও সুন্দর বছর পার করব।   সাজু খাদেম গত বছর ২০১৯ সালের মতো কাটল, নতুন বছর ২০২০ সালের মতো কাটবে। ২০১৯ সালে অনেক কাজ করেছি। ২০২০ সালে কিছু চমক নিয়ে আসব। ভক্তদের অপেক্ষা করতে বলবো। আসলে বছর কাউন্ট করে তো কিছু হয় না। আমার মনে হয় প্রতিটা দিন মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ সেটা যদি আমি কাজে লাগাতে পারি তাহলে দর্শকরা আমাকে আরও ভালোবাসবেন। আর দর্শকরা সময়টা কাজে লাগালে জীবন সমৃদ্ধির দিকে যাবে। সাঈদ বাবু ২০১৯ সালে আমার জন্য সুখের ছিল। নাটক করেছি বেশ কিছু।  ‘ন ডরাই’ সিনেমা ছিল আমার চমক। এই সিনেমায় অনেক পরিশ্রম করেছি। ২০২০ সালে আরও ভালো কাজ উপহার দেবো। ইতোমধ্যে কয়েকটা সিনেমার প্রস্তাব পেয়েছি। সপ্তাহ খানেকের মধ্যে বসবো। তারপর ফলাফল জানাবো। আশা করছি ভক্তরা সুখবর পাবেন। জিএ/এম   
নতুন বছর নিয়ে কী ভাবছেন তারকারা
সৃজিতকে বিয়ের কারণ জানালেন মিথিলা
২০১৯ সালের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা কলকাতার সৃজিত ও ঢাকার মিথিলার বিয়ে। তাদের বিয়ে নিয়ে গণমাধ্যমে তুমুল আলোচনা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াও সরব ছিল। বিয়ের পর সুইজারল্যান্ডে হানিমুন সেরেছেন তারা। এবার সৃজিতকে বিয়ের দুটি কারণ জানালেন মিথিলা। ইনস্টাগ্রামে দুজনের ছবি পোস্ট করে এই এক হওয়া প্রসঙ্গে মিথিলা লিখেছেন, প্রথম কারণ আমরা দুজনই একই রকম পাগলাটে। দ্বিতীয় কারণ হিসেবে লেখেন, আমরা অলস হয়েও সব সময় ব্যস্ত। গেল ৬ ডিসেম্বর কলকাতায় রেজিস্ট্রি বিয়ে করেন সৃজিত-মিথিলা। তাদের পরিচয় গায়ক অর্ণবের একটি মিউজিক ভিডিওতে কাজের মাধ্যমে। সেখানে থেকেই বন্ধুত্ব তারপর প্রেম।   এম
সৃজিতকে বিয়ের কারণ জানালেন মিথিলা
নতুন ছবি ‘সিগন্যাল’
নতুন ছবি ‘সিগন্যাল’র মহরত অনুষ্ঠিত হলো। ৩০ ডিসেম্বর এফডিসির জহির রায়হান কালার ল্যাবে সায়মন তারিক পরিচালিত ছবিটির ঘোষণা দেয়া হয়। এতে প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধলেন চিত্রনায়িকা তানিন সুবাহ ও চিত্রনায়ক আসিফ ইমরোজ। মহরতে উপস্থিত ছিলেন- পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন, নির্মাতা মুশফিকুর রহমান, নির্মাতা ছটকু আহমেদ, হেলেনা জাহাঙ্গীর, বড় দা মিঠু, তারিক আনাম খান, গাজী মাজারুল ইসলাম, মুনিরা মিঠুসহ চলচ্চিত্রের অনেকেই। এ সময় গুনী নির্মাতা ছটকু আহমেদ বলেন, আমাদের চলচ্চিত্র এখন একটা খারাপ সময় যাচ্ছে। তবে আমার বিশ্বাস আমরা সবাই মিলে কাজ করলে আবার চলচ্চিত্র ঘুরে দাঁড়াবে। তানিন সুবহা বলেন, চমৎকার একটি গল্প নিয়ে ছবিটি নির্মিত হতে যাচ্ছে। এমন চরিত্রে প্রথম অভিনয় করব। আমার জন্য একটু কষ্টের হবে। তবুও গল্পের প্রয়োজনে এটা আমি করব। নতুন বছরের শুরুতে অর্থাৎ জানুয়ারি মাসে ছবিটির শুটিং শুরু হবে জানান পরিচালক। এম
নতুন ছবি ‘সিগন্যাল’
কাজলের মন ভেঙেছে
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল। নতুন ছবি তানাজি নিয়ে আসছে ১০ জানুয়ারি দর্শকের সামনে হাজির হচ্ছেন তিনি। সঙ্গে আছেন স্বামী অজয় দেবগণ ও সাইফ আলী খান। এরই মধ্যে মন ভেঙেছে কাজলের। কারণ হিসেবে সাইফকেই দায়ী করলেন তিনি। ধোকাবাজ বলে বসলেন কাজল। টুইটারে যত রাগ প্রকাশ করলেন। কাজল লিখেছেন, তুমি আমার সঙ্গে 'ওমকারা'র সময়ও ধোকাবাজি করেছিলে। আবার করলে। আশা করবো তুমি আমার এই পোস্ট সুইজারল্যান্ড থেকে পড়বে। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, সাইফের ছবির প্রোমোশনে না আসাই কাজলের রাগের কারণ। ছবির প্রোমোশন না করে সাইফ গিয়েছেন সুইজারল্যান্ডে তৈমুর ও কারিনার সঙ্গে ছুটি কাটাতে। মাথা গরমের কারণেই নাকি কাজল এমন পোস্ট করেছেন। বিষয়টি বন্ধুত্বেরও। তা নিমিষেই ঠিক হয়ে যাবে। তানাজি ছবিতে মারাটা যোদ্ধা হয়েছেন অজয়। কাজল তার স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করছেন। আর ভিলেনের চরিত্রে দেখা যাবে সাইফকে। এম
কাজলের মন ভেঙেছে