ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

১৬ বছরে সিসিমপুর

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২০, ০২:২০ পিএম
সিসিমপুর

হালুম, টুকটুকি, ইকরি কিংবা শিকু। আমাদের দেশের শিশুদের কাছে নামগুলো অতি পরিচিত এবং একইসঙ্গে অতি প্রিয়। বলা হচ্ছে জনপ্রিয় শিশুতোষ সিরিজ সিসিমপুরের কথা। দেশের শিশুদের শেখাকে আনন্দদায়ক ও উপভোগ্য করার লক্ষ্য নিয়ে ‘সিসিমপুর’ নামে যে টেলিভিশন অনুষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০৫ সালে, তা ১৫ পেরিয়ে পা রাখল ১৬তম বছরে (১৫ এপ্রিল)।

১৫ বছর ধরে শিশুতোষ এই অনুষ্ঠানটি নির্মিত হচ্ছে তিন থেকে আট বছর বয়সী শিশুর প্রারম্ভিক শিক্ষার চাহিদা পূরণের লক্ষ্যকে সামনে রেখে। সেইসঙ্গে সিসিমপুরের লক্ষ্য শিশুর পিতা-মাতা এবং শিক্ষকরাও। আনন্দ আর খেলার ছলে সিসিমপুর ভূমিকা রেখে চলেছে শিশুর সামগ্রিক বিকাশে। ভাষা-বর্ণ; গণিত; পরিবেশ; জেন্ডার সমতা; সামাজিক মূল্যবোধ ও আচার-আচরণ; ভিন্নতা ও বৈচিত্রের প্রতি সহনশীলতা ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে শেখায় সিসিমপুরের পাঠক্রম। আছে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার; স্বাস্থ্যকর অভ্যাসচর্চা; ভূমিকম্প; রাস্তা পারাপার ও পানিডুবি-বিষয়ক নিরাপত্তা; বিভিন্ন আঘাত প্রতিরোধে সচেতনতা; শিশুদের জমা-খরচ ও সঞ্চয় সম্পর্কে ধারণা দেওয়া এবং বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যসহ আরও অনেক কিছু।

সিসিমপুর তার টেলিভিশন অনুষ্ঠান ও মুদ্রিত বিভিন্ন উপকরণের মাধ্যমে শিশুকে বর্ণ চেনা, শব্দ থেকে বর্ণ চিহ্নিত করা, বর্ণ দিয়ে শব্দ মেলানো, শব্দ দিয়ে বাক্য তৈরি করতে সাহায্য করে। চারপাশের পরিবেশ থেকে উপকরণ খুঁজে নিয়ে সেগুলোর মাধ্যমে বর্ণ ও শব্দ চিনতে সাহায্য করে। যেমন : ঘর, কলা, আম, টেবিল, ঘড়ি, গরু, গাছ, পাতা, কলম, বই ইত্যাদি শিশুর পরিচিতি বিভিন্ন শব্দ কোন বর্ণ দিয়ে শুরু হয় তা খেলার ছলে শেখানো হয়। সিসিমপুরের চরিত্রগুলোর মাধ্যমে পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান থেকে বিভিন্ন রকম আকার-আকৃতির নাম, রঙের নাম ইত্যাদি শেখানো হয়। বাংলা ভাষার শুদ্ধ উচ্চারণের বিষয়টিকে সিসিমপুর সবসময়ই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে থাকে। আর তাই সিসিমপুরের মাপেট, মানবচরিত্র, এমনকি অ্যানিমেশন সব ধরনের টেলিভিশন পর্বে চরিত্র অনুযায়ী প্রত্যেকের শুদ্ধ উচ্চারণকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়, যাতে শিশুরা এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রমিত বাংলা শোনার ও চর্চা করার সুযোগ পায়। আবার একইসাথে বিভিন্ন অঞ্চলের ভাষা, ঐতিহ্য আর জীবনযাপনকেও তুলে ধরা হয়। যেন শিশুরা সমানভাবে আঞ্চলিক ভাষা-সংস্কৃতির প্রতিও শ্রদ্ধাশীল হয়। সিসিমপুরের নানাবিধ শিক্ষা উপকরণ ব্যবহারের ফলে শিশুদের শিক্ষাগ্রহণ যেমন আনন্দদায়ক হয়ে উঠেছে, অন্যদিকে শিক্ষকদের শিক্ষাদানও হয়েছে আনন্দদায়ক।

বর্তমানে সিসিমপুরের ১২তম সিজনের প্রচার চলছে। শুরু থেকে প্রতি সপ্তাহে বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাধ্যমে সারা দেশের প্রায় এক কোটি দর্শক অনুষ্ঠানটি উপভোগ করছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল, যেমন – আরটিভি, চ্যানেল আই, দেশ টিভি ও চ্যানেল নাইনে প্রচারিত হয়েছে। বর্তমানে জনপ্রিয় এই অনুষ্ঠানটি দুরন্ত আর এবং বিটিভিতে প্রচারিত হচ্ছে।

২০১০ সালে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস ট্রাস্ট পরিচালিত একটি জরিপে সিসিমপুর শিশুতোষ অনুষ্ঠান হিসেবে শীর্ষস্থানীয় এবং সামগ্রিকভাবে তৃতীয় জনপ্রিয় অনুষ্ঠান হয়েছে। ২০০৭ সালে পরিচালিত এসিপিআরের একটি দীর্ঘমেয়াদি গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশু সিসিমপুর অনুষ্ঠানটি নিয়মিত দেখে, তারা তাদের চাইতে এক বছরের বড় শিশু, যারা সিসিমপুর দেখে না, তাদের চেয়ে ভাষা ও বর্ণ, গণিত এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক বিষয়ে বেশি দক্ষতা প্রদর্শন করেছে।

প্রতি বছর অমর একুশে গ্রন্থমেলায় শিশুদের কাছে অন্যতম আকর্ষণের বিষয়ে পরিণত হয়েছে সিসিমপুর। মেলার প্রতি শুক্র-শনি আর ছুটির দিনগুলোতে ইকরি, হালুম, টুকটুকি আর শিকুর সঙ্গে মজার সময় কাটাতে শিশুদের ঢল নামে। যা ইতোমধ্যেই অমর একুশে গ্রন্থমেলার অন্যতম অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে।

সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশ তার সব কার্যক্রমই সরকারি, বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে যৌথভাবে পরিচালনা করে থাকে। গত ১৫ বছরে সিসিমপুর বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছে। ইউএসএআইডির অর্থায়নে সিসিমপুরের পথচলা শুরু। নিউইয়র্কভিত্তিক সিসেমি স্ট্রিট নামক শিক্ষামূলক টেলিভিশন-ধারাবাহিকের যৌথ প্রযোজনা সিসিমপুরের কার্যক্রম বাংলাদেশে পরিচালনা করছে সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ সরকার এবং ইউএসএআইডি বাংলাদেশের যৌথ অর্থায়নে, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্ববাবধানে ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সহযোগিতায় ২০১০ সাল থেকে সিসিমপুর আউটরিচ প্রকল্পটি দেশের ৬৪টি জেলায় ৩৩৪০টি স্কুলে সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হয়েছে। এ ছাড়া সিসিমপুর প্রতিনিয়ত নানা ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রচারণা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখে যাচ্ছে।

সিসিমপুরের মূলমন্ত্র : পৃথিবীটা দেখছি, প্রতিদিন শিখছি। আর তাই তো, ১৫ পেরিয়ে ২০, ৫০, ১০০ বছর... একদিন সূর্যের সমান প্রাচীন হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে চলছে সিসিমপুর, বাংলাদেশের প্রতিটি শিশুর প্রাক-শৈশবকে পূর্ণাঙ্গ ও বিকশিত করবে বলে।

সিসিমপুর সম্প্রচারের ১৫ বছর পূর্তি এবং ১৬তম বছরে পদার্পন উপলক্ষে অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বটি, যা প্রচারিত হয়েছিল ২০০৫ সালের ১৫ এপ্রিল, আবার প্রচারিত হবে সিসিমপুর ইউটিউব চ্যানেলে বুধবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে এবং বিটিভিতে বৃহষ্পতিবার বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে।

এম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শিগগিরই অভিনয়ে ফিরছেন রিয়া
শিগগিরই অভিনয়ে ফিরছেন সাম্প্রতিক আলোচিত বলিউড অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তী। নানা আলোচনা-সমালোচনার পর নতুন বছরেই পর্দায় ফিরতে যাচ্ছেন এই নায়িকা। তার অভিনয়ে ফেরার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন তারই বন্ধু ও পরিচালক রুমি জাফেরি। রুমি জাফেরি জানিয়েছেন, অতীতের সময় যেমনই হোক না কেন নতুন বছরই অভিনয়ে ফিরছেন রিয়া। সম্প্রতি ওর সাথে দেখা করেছি আমি। তবে সে এখন বেশ চুপচাপ। খুব বেশি কথা বলেনি। সুশান্ত সিংয়ের মৃত্যুর ঘটনায় অনেক ঝড় বয়েছে রিয়ার ওপর। আশা করছি শিগগিরিই স্বাভাবিক হবে রিয়া। তিনি আরও বলেন, চলতি বছরটা সবার কাছে একটা দুঃসময়ের মতো। রিয়ার কাছেও এমনটা ছিল। নীতিগতভাবে অনেকটাই ভেঙে পড়েছে সে। আশা করছি কাজে ফিরলে সব ঠিক হয়ে যাবে। প্রসঙ্গত, গত ১৪ জুন সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর ঘটনায় রিয়ার নাম প্রকাশ্যে আসে। পরে ০৮ সেপ্টেম্বর তাকে গ্রেপ্তার করে এনসিবি। সেই সময় প্রায় একমাসের মতো মুম্বাইয়ের বাইকুল্লা জেলে বন্দী থেকে ০৪ অক্টোবর জামিনে মুক্তি পান সুশান্ত সিংয়ের সাবেক প্রেমিকা রিয়া। এসআর/ এমকে
শিগগিরই অভিনয়ে ফিরছেন রিয়া
অনুদানের ছবি পেতে ছুটছেন তারকারা!  
২০২০-২১ অর্থ বছরের জন্য চলচ্চিত্রে সরকারি অনুদানের জন্য রেকর্ড সংখ্যক চিত্রনাট্য জমা  পড়েছে। একই সঙ্গে তারকা শিল্পীদের চিত্রনাট্য জমা দেওয়ারও যেন উৎসব হয়েছে। চিত্রনাট্য জমা দেওয়ার সবশেষ সময় ছিল বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৪টা পর্যন্ত। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, এবার অনুদানের জন্য চিত্রনাট্য জমাদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান, অপু বিশ্বাস ও শাহনূর, অভিনেতা আলমগীর ও শাকিব খান, প্রযোজক নেতা খোরশেদ আলম খসরু, পরিচালক অপূর্ব রানা, গাজী মাহবুব, মোস্তাফিজুর রহমান মানিক, সাজ্জাদ খান, বন্ধন বিশ্বাস, সানী সানোয়ার, কাজী হায়াত ও দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। তবে চিত্রনাট্য বাছাইয়ের জন্য এখনো জুরি বোর্ড গঠিত হয়নি। শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। চলতি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পূর্ণদৈর্ঘ্যে ১০টি এবং স্বল্পদৈর্ঘ্যে ১০টি চলচ্চিত্র অনুদান দেওয়া হবে। এম
অনুদানের ছবি পেতে ছুটছেন তারকারা!  
নতুন বছরে আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মে ডেডলাইন রেকডর্স
ডেডলাইন মিউজিক কোম্পানী কাজ শুরু করে ২০০৩ সাল থেকে। এই লেবেল কোম্পানী থেকে নিয়মিত সংগীত শিল্পী, আবৃত্তি শিল্পী, সিনেমার গান, নাটক এবং পুরো সিনেমার অডিও ভিডিও ক্যাসেট, সিডি এবং ডিভিডি প্রকাশ হয়েছে। দেড় যুগ মানে ১৮ বছরে পর্দার জনপ্রিয় তারকা মোশাররফ করিম, অপূর্ব, নিশো, মেহজাবিন, তানজিন তিশা থেকে শুরু করে অনেকের নাটক, টেলিছবি এখান থেকে প্রকাশ হয়েছে। এছাড়া সংগীত তারকা আসিফ আকবর, হাবিব, তাহসান, বালামসহ অনেক তারকা শিল্পীদের গান ডেডলাইনের ব্যানারে প্রকাশ হয়েছে। তবে নতুন বছরে নতুন খবর দিলেন এই ডেডলাইন মিউজিকের কর্ণধার ফাহিম ইসলাম। তিনি জানান, নতুন বছরে আর্ন্তজাতিক প্ল্যাটফর্ম নিয়ে আসছে ডেডলাইন। যার নাম থাকছে ডেডলাইন রেকর্ডস। শুধু দেশিয় মিডিয়া না, আর্ন্তজাতিক শিল্পীরাও এই প্লাটফর্ম-এ কাজ করবে। এমনকি দেশিয় শিল্পীদের সঙ্গে আর্ন্তজাতিক শিল্পীরা মিলিত হয়ে একসঙ্গে এই প্লাটফর্মে কাজ করবে।  আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, ২০২১ সালের জানুয়ারির প্রথম দিকে প্রকাশ হচ্ছে ডেডলাইন রেকর্ডস। এম
নতুন বছরে আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মে ডেডলাইন রেকডর্স
পর্ন তারকার সঙ্গে সালমানের সম্পর্ক কী?
সালমান খান। বলিউডের সুপারস্টার তিনি। তাকে নিয়ে ভক্তদের উন্মাদনার কমতি নেই। কদিন আগেই নিজের ৫৫তম পালন করলেন এই মহাতারকা। এই বয়সে এসেও একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তার জন্মদিনে যেন পুরো শহরবাসী এসে জড়ো হয় সালমানের বাড়ি গ্যালাক্সির সামনে।  কিন্তু এবার তেমন কিছুই ঘটেনি। বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে  জন্মদিনের একদিন আগেই নিজের পানভেলের বাংলোতে চলে গিয়েছেন। আর ওই বাড়িতে নিভৃতিতে কাটিয়েছেন নিজের ৫৫তম জন্মদিন। এমন অবস্থায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইজানকে নিয়ে বহু শুভেচ্ছা এসেছে। আর এরই মাঝে নজর কাড়ল বিশেষ একটি বার্তা। কী সেই ঘটনা জানেন?  পর্ন তারকা কেন্ড্রা লাস্টের পোস্ট দেখে মাথায় হাত সালমান ভক্তদের।  ভাইজানের জন্মদিনে কেন্ড্রা  শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ছবি পোস্ট করেন। সালমানের সঙ্গে নিজের একটি ছবি এডিট করে পাশাপাশি বসিয়ে পোস্ট করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর ওই ছবিটি শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, জন্মদিনের অসংখ্য শুভেচ্ছা আপানাকে সালমান খান। আশা করি আপনার জন্মদিন আনন্দে কাটবে। এদিকে ওই পোস্টের পর থেকে নেটিজিনদের একাংশ  হাসি-তামাশায় মেতে উঠেন। সালমান এখনো বিয়ে করেননি। আরও পড়ুন... একাকীত্বে ভুগছেন শ্রাবন্তীর স্বামী! অ্যাকশন অবতারে সানি লিওন হিন্দি গান গাইলেন হিরো আলম (ভিডিও) আমি যাই করি মানুষের সহ্য হয় না: হিরো আলম (ভিডিও) কেউ মন্তব্য করেছেন, ভাই মনে হচ্ছে এ তারকা আপনার প্রেমে পড়ে গেছে। অতীতে অবশ্য শাহরুখ খানকে নিজের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন কেন্ড্রা। এম
পর্ন তারকার সঙ্গে সালমানের সম্পর্ক কী?
গায়িকার মামলা, আসিফ বললেন আমি বিরক্ত এবং বিব্রত
বছরের শেষ দিন অর্থাৎ আজ ৩১ ডিসেম্বর নিজের বিরুদ্ধে মামলা হওয়া নিয়ে ফেসবুক ওয়ালে স্ট্যাটাস দিয়েছেন বাংলা গানের যুবরাজ খ্যাত আসিফ আকবর। স্বনামধন্য একজন গায়িকা তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন ও প্রিয়া খ্যাত এই তারকা শিল্পী। আসিফ মামলার বিষয়টি প্রকাশ করলেও কে এই মামলা করেছেন তা গোপন রেখেছেন। পাঠকদের জন্য আসিফ আকবরের স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো। বছরের শেষ দিনে আদালতের সমন পেলাম। কোন একজন স্বনামধন্য গায়িকা মামলা করেছেন। এখনো মামলার কপি উত্তোলন করিনি তাই সঠিকভাবে কোন তথ্য দিতে পারছিনা। এতোটুকু জানি ময়মনসিংহ গিয়ে মামলা ফেস করতে হবে। হাতে কিছু সময় আছে। এদিকে কপিরাইট অফিসের যাদুতে মুগ্ধ আমি। তাদের ভুলভাল দিকনির্দেশনা এখন গলার ফাঁস হয়ে গেছে। ওখানেও অযাচিত ঝামেলায় জড়াতে হচ্ছে। এসব ঝামেলা কখনো আমি চাইনি, চাইও না। আপাতত ভূক্তভোগী তবে জয় নিশ্চিত ইনশাআল্লাহ। মামলা আমার ভাল লাগেনা। আবার রাশি গ্ন্ডগোলে মুক্তির উপায়ও একমাত্র যুদ্ধ। যতই লুকিয়ে বেড়াতে চাই ততোই আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে অযাচিত ঝামেলাগুলো। আমার বিরুদ্ধে কোনরকম অপরাধ প্রমাণ করার কিছু আছে তা আপাতদৃষ্টিতে দেখিনা। কোর্টকাচারী লম্বাচওড়া প্রক্রিয়া। রসদ আছে প্রচুর, মামলা আমিও করতে পারি, কারো বিরুদ্ধে এসব প্ল্যান নিয়ে ভাবার সময়ও নাই। সেক্ষেত্রে আরেক পক্ষের দাবড়ানী সহ্য করাটাই শ্রেয় মনে করেছি। আমি মামলা দিলে মানুষ বলবে- এগুলো আসিফের সাথে যায়না। অসহনীয় অত্যাচার সহ্য করে যাচ্ছি সহজাত অভ্যাসের বাইরে গিয়ে। এখন আমার অনেক ধৈর্য, তবে এটা দুর্বলতা নয়। এতো ঝামেলা আমার সাথেই কেন হয় ? এই প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক। আমি নিজেও বিরক্ত এবং বিব্রত। সত্য কথা বলার সাহস রাখুন, ঝামেলা হবে আপনার নিশ্চিত বন্ধু। সব সুবিধা নিয়ে মুখ বন্ধ রাখুন, কাপুরুষের মত মৃত্যুস্বাদ গ্রহণ করুন। আরো একদিন আমি জিতবো, বারবার জিতেই যাবো পুরোনো অভ্যাসে। একটু লম্বা সময় নিতে হবে এই যা, ধৈর্য তো ধরতেই হবে... মাঝেমাঝে মনে হয়ে সুলতান বাদশাহ সম্রাটদের আমলে থাকলে এতো সময় নষ্টই হতো না। ভালোবাসা অবিরাম... এদিকে মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে আসিফের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছেন সঙ্গীত শিল্পী ন্যান্সি। এম  
গায়িকার মামলা, আসিফ বললেন আমি বিরক্ত এবং বিব্রত
আরও পড়ুন
শিশুদের জন্য এবার ‘সিসিমপুর অ্যাপ’
এবার মাছরাঙা টেলিভিশনে দেখা যাবে সিসিমপুর
ঈদে বিশেষ সিসিমপুর ‘হৈ-হুল্লোড় ঈদে, থাকি নিরাপদে’
ঈদে ৩ পর্বের বিশেষ সিসিমপুর