ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ভাষাদিবসের ভাষণে বাংলাদেশ নিয়ে যা বলেছিলেন সত্যজিৎ রায়

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ০২ মে ২০২০, ০৪:৩৮ পিএম
বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সত্যজিৎ রায়। চিত্রগ্রাহক-টুলু দাশ।

(১৯৭২ সালে ঢাকার পল্টন ময়দানে ভাষাদিবসের প্রধান অতিথি ছিলেন সত্যজিৎ রায়। বাংলাদেশের কথা বলতে গিয়ে গলা কেঁপেছিল বরেণ্য এই পরিচালকের। মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, আজকের যে সম্মান তার কাছে আগের সমস্ত সম্মান হার মেনে যায়। পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো সেই বিরল বক্তৃতা। ভারতীয় গণমাধ্যম থেকে সংগৃহীত )

'বহুদিন থেকে শহিদ দিবসের কথা শুনে আসছি। ২১ ফেব্রুয়ারির কথা শুনে আসছি। কিন্তু এখানে এসে নিজের চোখে না দেখলে আমি বিশ্বাস করতে পারতাম না, আমি বুঝতে পারতাম না যে, আপনারা বাংলা ভাষাকে কতখানি ভালোবাসেন। বাংলা ভাষা যখন বিপন্ন তাকে বাঁচানোর জন্য যে সংগ্রাম হয়েছিল তাতে যারা আত্মোৎসর্গ করেছিলেন, তাদের যে কত শ্রদ্ধা করেন আপনারা, তা আমি এখানে এসে বুঝতে পারছি। আমরা, যারা পশ্চিমবঙ্গে থাকি, আমরাও বাংলা ভাষাকে ভালোবাসি। এটা ঠিক যে, পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতির মধ্যে আরও পাঁচ রকম সংস্কৃতির প্রভাব এসে পড়ে সেটাকে একটা পাঁচমিশালি ভাব এনে দিয়েছে। ইংরেজির প্রভাব আমরা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারিনি। তার একটা কারণ এই বোধহয় পশ্চিমবাংলা হলো ভারতবর্ষের একটা প্রাদেশিক অংশমাত্র। কিন্তু তাই বলে এই নয়, আমরা বাংলা ভাষাকে ভালোবাসি না। বাংলা সাহিত্য, বাংলা গান, বাংলা চলচ্চিত্র, বাংলা থিয়েটার- এ সবই পশ্চিমবঙ্গে এখনও বেঁচে আছে, টিঁকে আছে। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, বঙ্কিমচন্দ্র, শরৎচন্দ্র এদের আমরা এখনও ভালোবাসি।

আমি ব্যক্তিগতভাবে বলতে পারি, আমি আজ বিশ বছর ধরে বাংলা ছবি করছি। এর মধ্যে বহুবার বহু জায়গা থেকে অনুরোধ এসেছে যে আমি বাংলা দেশ, বাংলা ভাষা পরিত্যাগ করে অন্য দেশে অন্য ভাষায় চিত্ররচনা করি। কিন্তু আমি সেই অনুরোধ বারবার প্রত্যাখ্যান করেছি। কারণ আমি জানি, আমার রক্তে যে ভাষা বইছে তা হলো বাংলা ভাষা। আমি জানি সেই ভাষাকে বাদ দিয়ে অন্য ভাষায় কিছু করতে গেলে আমার পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যাবে। আমি কূলকিনারা পাব না। শিল্পী হিসেবে আমি মনের জোর হারাব।

আমি ছেলেবেলা থেকে শুনে আসছি যে, পূর্ববঙ্গে নাকি আমার দেশ। আমার ঠাকুরদাদা উপেন্দ্রকিশোর রায়ের নাম হয়তো আপনারা কেউ কেউ শুনেছেন। আমার তাকে দেখার সৌভাগ্য হয়নি। কিন্তু শিশুকাল থেকে আমি তার রচিত 'ছেলেভোলানো পূর্ববঙ্গের কাহিনী', 'টুনটুনির বই' পড়ে এসেছি। ভালোবেসে এসেছি। তার রচিত গানে আমি পূর্ববঙ্গের লোকসঙ্গীতের আমেজ পেয়েছি।

যদিও এদেশে আমি কখনও আসিনি, আমার দেশে আমি কখনও আসিনি বা স্থায়ীভাবে আসিনি, এইসব গান, এইসব রূপ কথা শুনলে আমার মনে হত এই দেশের সঙ্গে আমার নাড়ির যোগ রয়েছে। যখন আমার পাঁচ কি ছয় বছর বয়স, তখন আমি একবার ঢাকা শহরে এসেছিলাম। দু'তিনদিন মাত্র ছিলাম। আমার মামাবাড়ি ছিল ওয়ারিতে, রঙ্কেন স্ট্রিটে। সে বাড়ি এখনও আছে কিনা জানি না। সে রাস্তা এখনও আছে কিনা জানি না। বাড়ির কথা কিছু মনে নেই। মনে আছে শুধু প্রচণ্ড বাঁদরের উপদ্রব, সে বাঁদরও এখনও আছে কিনা তাও আমি জানি না। তারপর মনে আছে, পদ্মায় স্টিমারে আসছি, ভোরবেলা ঘুম ভেঙে গিয়েছে, মা আমায় বাইরে ডেকে এনে দেখাচ্ছেন পদ্মায় সূর্যোদয় হচ্ছে। আর দেখাচ্ছেন, পদ্মায় যেখানে শীতলক্ষ্যা এসে মিশেছে সেখানে এক নদীর জলের সঙ্গে অন্য নদীর জলের কত তফাৎ। সেই থেকে বারবার মনে হয়েছে, একবার নিজের দেশটা গিয়ে দেখে আসতে পারলে ভালো হত। কিন্তু সেই আসাটা, বিশেষত দেশবিভাগের পর, ক্রমেই দুরাশায় পরিণত হতে চলছিল।

হঠাৎ কিছুদিন আগে ইতিহাসের চাকা ঘুরে গেল। আমার কাছে আমার দেশের দরজা খুলে গেল। এবং আজ শহিদ দিবসে এসে, আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে, ঢাকা শহরে এসে, আমার স্বপ্ন অন্তত কিছুটা অংশে সফল হলো। এবার আমি অনেক জরুরি কাজ ফেলে চলে এসেছি। এবার আর বেশিদিন থাকা সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু আমার ইচ্ছে আছে, আমার আশা আছে, অদূর ভবিষ্যতে আমি আবার এদেশে ফিরে আসব, এই দেশটাকে ভালো করে দেখব। এদেশের মানুষের সঙ্গে এমনভাবে জনসভায় নয় সামনাসামনি মুখোমুখি বসে তাদের সঙ্গে পরিচয় করবো।

আমি আর বিশেষ কিছু বলতে চাই না। আপনারা যে আমার কাজের সঙ্গে পরিচিত,আমার কাজ সম্বন্ধে আপনাদের কৌতূহল রয়েছে সে খবর আমি আগেই পেয়েছি। কয়েক বছর আগে যখন মহানগর ছবিটি দেখানো হয়েছিল তাতে এখানকার জনসাধারণ কী ধরনের আগ্রহ, কৌতূহল প্রকাশ করেছিল, তার ফলে কী ঘটনা উদ্ভব হয়েছিল, সে খবর যখন আমার কানে পৌঁছয় সে কথা আমি বিশ্বাস করিনি। কিন্তু তারপর এখান থেকে বহু পরিচিত-অপরিচিত ব্যক্তি, বন্ধু আমাকে চিঠি লিখে খবরের কাগজের খবর কেটে পাঠিয়ে ছবি কেটে পাঠিয়ে আমাকে জানিয়েছিলেন সেই ঘটনার কথা, তখন বিশ্বাস হয়েছিল, আর বিশ্বাস হয়ে আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। আমি ভাবতে পারিনি এটা হতে পারে। একজন শিল্পী হিসেবে এর চেয়ে বড় গর্বের বিষয়, এর চেয়ে বড় সম্মান আর কিছু হতে পারে না।

গত বিশ বছরে অনেক জায়গায় অনেক দেশে অনেকবার নানা ভাবে সম্মানিত হওয়ার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। কিন্তু আমি জোর গলায় আজকে এখানে দাঁড়িয়ে এই শহিদ দিবসের পুণ্যতিথিতেই আমি বলতে পারি, আজকে যে সম্মান সেই সম্মানের কাছে আগের সমস্ত সম্মান হার মেনে যায়। এর চেয়ে বড় সম্মান আমি কখনও পাইনি। আর আমার মনে হয় না আর কখনও পাব। জয় বাংলা।'

জিএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শিগগিরই অভিনয়ে ফিরছেন রিয়া
শিগগিরই অভিনয়ে ফিরছেন সাম্প্রতিক আলোচিত বলিউড অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তী। নানা আলোচনা-সমালোচনার পর নতুন বছরেই পর্দায় ফিরতে যাচ্ছেন এই নায়িকা। তার অভিনয়ে ফেরার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন তারই বন্ধু ও পরিচালক রুমি জাফেরি। রুমি জাফেরি জানিয়েছেন, অতীতের সময় যেমনই হোক না কেন নতুন বছরই অভিনয়ে ফিরছেন রিয়া। সম্প্রতি ওর সাথে দেখা করেছি আমি। তবে সে এখন বেশ চুপচাপ। খুব বেশি কথা বলেনি। সুশান্ত সিংয়ের মৃত্যুর ঘটনায় অনেক ঝড় বয়েছে রিয়ার ওপর। আশা করছি শিগগিরিই স্বাভাবিক হবে রিয়া। তিনি আরও বলেন, চলতি বছরটা সবার কাছে একটা দুঃসময়ের মতো। রিয়ার কাছেও এমনটা ছিল। নীতিগতভাবে অনেকটাই ভেঙে পড়েছে সে। আশা করছি কাজে ফিরলে সব ঠিক হয়ে যাবে। প্রসঙ্গত, গত ১৪ জুন সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর ঘটনায় রিয়ার নাম প্রকাশ্যে আসে। পরে ০৮ সেপ্টেম্বর তাকে গ্রেপ্তার করে এনসিবি। সেই সময় প্রায় একমাসের মতো মুম্বাইয়ের বাইকুল্লা জেলে বন্দী থেকে ০৪ অক্টোবর জামিনে মুক্তি পান সুশান্ত সিংয়ের সাবেক প্রেমিকা রিয়া। এসআর/ এমকে
শিগগিরই অভিনয়ে ফিরছেন রিয়া
অনুদানের ছবি পেতে ছুটছেন তারকারা!  
২০২০-২১ অর্থ বছরের জন্য চলচ্চিত্রে সরকারি অনুদানের জন্য রেকর্ড সংখ্যক চিত্রনাট্য জমা  পড়েছে। একই সঙ্গে তারকা শিল্পীদের চিত্রনাট্য জমা দেওয়ারও যেন উৎসব হয়েছে। চিত্রনাট্য জমা দেওয়ার সবশেষ সময় ছিল বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৪টা পর্যন্ত। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, এবার অনুদানের জন্য চিত্রনাট্য জমাদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান, অপু বিশ্বাস ও শাহনূর, অভিনেতা আলমগীর ও শাকিব খান, প্রযোজক নেতা খোরশেদ আলম খসরু, পরিচালক অপূর্ব রানা, গাজী মাহবুব, মোস্তাফিজুর রহমান মানিক, সাজ্জাদ খান, বন্ধন বিশ্বাস, সানী সানোয়ার, কাজী হায়াত ও দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। তবে চিত্রনাট্য বাছাইয়ের জন্য এখনো জুরি বোর্ড গঠিত হয়নি। শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। চলতি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পূর্ণদৈর্ঘ্যে ১০টি এবং স্বল্পদৈর্ঘ্যে ১০টি চলচ্চিত্র অনুদান দেওয়া হবে। এম
অনুদানের ছবি পেতে ছুটছেন তারকারা!  
নতুন বছরে আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মে ডেডলাইন রেকডর্স
ডেডলাইন মিউজিক কোম্পানী কাজ শুরু করে ২০০৩ সাল থেকে। এই লেবেল কোম্পানী থেকে নিয়মিত সংগীত শিল্পী, আবৃত্তি শিল্পী, সিনেমার গান, নাটক এবং পুরো সিনেমার অডিও ভিডিও ক্যাসেট, সিডি এবং ডিভিডি প্রকাশ হয়েছে। দেড় যুগ মানে ১৮ বছরে পর্দার জনপ্রিয় তারকা মোশাররফ করিম, অপূর্ব, নিশো, মেহজাবিন, তানজিন তিশা থেকে শুরু করে অনেকের নাটক, টেলিছবি এখান থেকে প্রকাশ হয়েছে। এছাড়া সংগীত তারকা আসিফ আকবর, হাবিব, তাহসান, বালামসহ অনেক তারকা শিল্পীদের গান ডেডলাইনের ব্যানারে প্রকাশ হয়েছে। তবে নতুন বছরে নতুন খবর দিলেন এই ডেডলাইন মিউজিকের কর্ণধার ফাহিম ইসলাম। তিনি জানান, নতুন বছরে আর্ন্তজাতিক প্ল্যাটফর্ম নিয়ে আসছে ডেডলাইন। যার নাম থাকছে ডেডলাইন রেকর্ডস। শুধু দেশিয় মিডিয়া না, আর্ন্তজাতিক শিল্পীরাও এই প্লাটফর্ম-এ কাজ করবে। এমনকি দেশিয় শিল্পীদের সঙ্গে আর্ন্তজাতিক শিল্পীরা মিলিত হয়ে একসঙ্গে এই প্লাটফর্মে কাজ করবে।  আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, ২০২১ সালের জানুয়ারির প্রথম দিকে প্রকাশ হচ্ছে ডেডলাইন রেকর্ডস। এম
নতুন বছরে আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মে ডেডলাইন রেকডর্স
পর্ন তারকার সঙ্গে সালমানের সম্পর্ক কী?
সালমান খান। বলিউডের সুপারস্টার তিনি। তাকে নিয়ে ভক্তদের উন্মাদনার কমতি নেই। কদিন আগেই নিজের ৫৫তম পালন করলেন এই মহাতারকা। এই বয়সে এসেও একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তার জন্মদিনে যেন পুরো শহরবাসী এসে জড়ো হয় সালমানের বাড়ি গ্যালাক্সির সামনে।  কিন্তু এবার তেমন কিছুই ঘটেনি। বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে  জন্মদিনের একদিন আগেই নিজের পানভেলের বাংলোতে চলে গিয়েছেন। আর ওই বাড়িতে নিভৃতিতে কাটিয়েছেন নিজের ৫৫তম জন্মদিন। এমন অবস্থায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইজানকে নিয়ে বহু শুভেচ্ছা এসেছে। আর এরই মাঝে নজর কাড়ল বিশেষ একটি বার্তা। কী সেই ঘটনা জানেন?  পর্ন তারকা কেন্ড্রা লাস্টের পোস্ট দেখে মাথায় হাত সালমান ভক্তদের।  ভাইজানের জন্মদিনে কেন্ড্রা  শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ছবি পোস্ট করেন। সালমানের সঙ্গে নিজের একটি ছবি এডিট করে পাশাপাশি বসিয়ে পোস্ট করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর ওই ছবিটি শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, জন্মদিনের অসংখ্য শুভেচ্ছা আপানাকে সালমান খান। আশা করি আপনার জন্মদিন আনন্দে কাটবে। এদিকে ওই পোস্টের পর থেকে নেটিজিনদের একাংশ  হাসি-তামাশায় মেতে উঠেন। সালমান এখনো বিয়ে করেননি। আরও পড়ুন... একাকীত্বে ভুগছেন শ্রাবন্তীর স্বামী! অ্যাকশন অবতারে সানি লিওন হিন্দি গান গাইলেন হিরো আলম (ভিডিও) আমি যাই করি মানুষের সহ্য হয় না: হিরো আলম (ভিডিও) কেউ মন্তব্য করেছেন, ভাই মনে হচ্ছে এ তারকা আপনার প্রেমে পড়ে গেছে। অতীতে অবশ্য শাহরুখ খানকে নিজের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন কেন্ড্রা। এম
পর্ন তারকার সঙ্গে সালমানের সম্পর্ক কী?
গায়িকার মামলা, আসিফ বললেন আমি বিরক্ত এবং বিব্রত
বছরের শেষ দিন অর্থাৎ আজ ৩১ ডিসেম্বর নিজের বিরুদ্ধে মামলা হওয়া নিয়ে ফেসবুক ওয়ালে স্ট্যাটাস দিয়েছেন বাংলা গানের যুবরাজ খ্যাত আসিফ আকবর। স্বনামধন্য একজন গায়িকা তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন ও প্রিয়া খ্যাত এই তারকা শিল্পী। আসিফ মামলার বিষয়টি প্রকাশ করলেও কে এই মামলা করেছেন তা গোপন রেখেছেন। পাঠকদের জন্য আসিফ আকবরের স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো। বছরের শেষ দিনে আদালতের সমন পেলাম। কোন একজন স্বনামধন্য গায়িকা মামলা করেছেন। এখনো মামলার কপি উত্তোলন করিনি তাই সঠিকভাবে কোন তথ্য দিতে পারছিনা। এতোটুকু জানি ময়মনসিংহ গিয়ে মামলা ফেস করতে হবে। হাতে কিছু সময় আছে। এদিকে কপিরাইট অফিসের যাদুতে মুগ্ধ আমি। তাদের ভুলভাল দিকনির্দেশনা এখন গলার ফাঁস হয়ে গেছে। ওখানেও অযাচিত ঝামেলায় জড়াতে হচ্ছে। এসব ঝামেলা কখনো আমি চাইনি, চাইও না। আপাতত ভূক্তভোগী তবে জয় নিশ্চিত ইনশাআল্লাহ। মামলা আমার ভাল লাগেনা। আবার রাশি গ্ন্ডগোলে মুক্তির উপায়ও একমাত্র যুদ্ধ। যতই লুকিয়ে বেড়াতে চাই ততোই আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে অযাচিত ঝামেলাগুলো। আমার বিরুদ্ধে কোনরকম অপরাধ প্রমাণ করার কিছু আছে তা আপাতদৃষ্টিতে দেখিনা। কোর্টকাচারী লম্বাচওড়া প্রক্রিয়া। রসদ আছে প্রচুর, মামলা আমিও করতে পারি, কারো বিরুদ্ধে এসব প্ল্যান নিয়ে ভাবার সময়ও নাই। সেক্ষেত্রে আরেক পক্ষের দাবড়ানী সহ্য করাটাই শ্রেয় মনে করেছি। আমি মামলা দিলে মানুষ বলবে- এগুলো আসিফের সাথে যায়না। অসহনীয় অত্যাচার সহ্য করে যাচ্ছি সহজাত অভ্যাসের বাইরে গিয়ে। এখন আমার অনেক ধৈর্য, তবে এটা দুর্বলতা নয়। এতো ঝামেলা আমার সাথেই কেন হয় ? এই প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক। আমি নিজেও বিরক্ত এবং বিব্রত। সত্য কথা বলার সাহস রাখুন, ঝামেলা হবে আপনার নিশ্চিত বন্ধু। সব সুবিধা নিয়ে মুখ বন্ধ রাখুন, কাপুরুষের মত মৃত্যুস্বাদ গ্রহণ করুন। আরো একদিন আমি জিতবো, বারবার জিতেই যাবো পুরোনো অভ্যাসে। একটু লম্বা সময় নিতে হবে এই যা, ধৈর্য তো ধরতেই হবে... মাঝেমাঝে মনে হয়ে সুলতান বাদশাহ সম্রাটদের আমলে থাকলে এতো সময় নষ্টই হতো না। ভালোবাসা অবিরাম... এদিকে মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে আসিফের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছেন সঙ্গীত শিল্পী ন্যান্সি। এম  
গায়িকার মামলা, আসিফ বললেন আমি বিরক্ত এবং বিব্রত
আরও পড়ুন
টানা ১০ দিন বন্ধ মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের পাসপোর্ট সেবা
স্বল্প মেয়াদে ব্যাটিং কোচ নিয়োগ দিতে চায় বিসিবি
ব্যর্থতা গ্লানিকে ঝেড়ে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে: ফখরুল
স্বামী বিদেশ, দেবরের দিনের পর দিন ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ