ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ইউনিসেফ-আইটিইউ রিপোর্ট

বিশ্বে ১৩০ কোটি স্কুলশিক্ষার্থীর বাড়িতে ইন্টারনেট সংযোগ নেই

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:৪২ পিএম
ফাইল ছবি

বিশ্বে করোনার প্রকোপে ডিজিটাল বিভাজন ও বৈষম্যের কারণে দূরশিক্ষণের মাধ্যমগুলো ব্যবহারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বেশির ভাগ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে বিশ্বের শুধু স্কুলবয়সী দুই-তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থীর বাড়িতে ইন্টারনেট নেই বলে জানানো হয়েছে জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফ এবং আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) নতুন এক প্রতিবেদনে। আজ মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) ইউনিসেফের ওয়েবসাইটে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিবেদনটি প্রকাশের তথ্য জানানো হয়েছে।

‘কতসংখ্যক শিশু ও তরুণের ঘরে ইন্টারনেট সুবিধা আছে?’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী স্কুলবয়সী ৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী ১৩০ কোটি শিশুর বাড়িতে ইন্টারনেট সংযোগ নেই। একই অবস্থা ১৫-২৪ বছর বয়সী তরুণদেরও। তরুণ জনগোষ্ঠীর ৬৩ শতাংশের (৭৫ কোটি ৯০ লাখ) ঘরে ইন্টারনেট সংযোগ নেই।

৮৫টির বেশি দেশের তথ্য নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

ইউনিসেফ-আইটিইউয়ের নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দরিদ্র পরিবার, গ্রামাঞ্চল ও স্বল্প আয়ের পরিবারের শিশু ও তরুণ জনগোষ্ঠী সমবয়সী বা সহপাঠীদের চেয়ে আরও পিছিয়ে পড়ছে। সহপাঠীদের সঙ্গে আবার একই কাতারে পৌঁছানোর সুযোগও তাদের খুব কম।
নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে স্কুলবয়সী প্রতি ২০ জন শিশুর মধ্যে ১ জনের কম শিশুর বাড়িতে ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে প্রতি ১০ জন শিশুর ৯ জনের বাড়িতেই ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে।

ইন্টারনেট ব্যবহারে দেশ ও অঞ্চলজুড়ে ভৌগোলিক বৈষম্যও রয়েছে। বাড়িতে ইন্টারনেট না থাকা ৩ থেকে ১৭ বছরের স্কুলবয়সী শিশুর সংখ্যা দক্ষিণ এশিয়ায় ৮৮ শতাংশ (৪৪ কোটি ৯০ লাখ), পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ৩২ শতাংশ (১৮ কোটি ৩০ লাখ), পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকায় ৯৫ শতাংশ (১৯ কোটি ৪০ লাখ), পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলীয় আফ্রিকায় ৮৮ শতাংশ (১৯ কোটি ১০ লাখ), মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় ৭৫ শতাংশ (৮ কোটি ৯০ লাখ), লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে ৪৯ শতাংশ (৭ কোটি ৪০ লাখ) এবং পূর্ব ইউরোপ ও মধ্য এশিয়ায় ৪২ শতাংশ (৩ কোটি ৬০ লাখ)। সাব-সাহারা আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার স্কুলবয়সী শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। সেখানে প্রতি ১০ জন শিশুর মধ্যে প্রায় ৯ জনই ইন্টারনেট সুবিধার বাইরে।

ইউনিসেফ-আইটিইউয়ের প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়েছে, ক্রয়ক্ষমতার বৈষম্য, সন্তানদের অনলাইনে নিরাপদ রাখতে মা–বাবার যথাযথ প্রস্তুতি না থাকা ও মেয়েদের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ব্যবহারের অনুমতি না থাকা এবং নিম্নপর্যায়ের ডিজিটাল দক্ষতার কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

এদিকে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউনিসেফ পরিচালিত মাল্টি ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভের তথ্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরে জানানো হয়, বাংলাদেশের ৬২ শতাংশ পরিবারের বাড়িতে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ নেই।

বাংলাদেশে সবচেয়ে দরিদ্র ২০ শতাংশ পরিবারের মাত্র ৮ দশমিক ৭ শতাংশের বাড়িতে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। সবচেয়ে ধনী ২০ শতাংশ পরিবারের ক্ষেত্রে এ হার ৭৫ দশমিক ৩ শতাংশ।

দূরশিক্ষণের আরেকটি প্রধান মাধ্যম টেলিভিশনের বেলায় বলা হচ্ছে, জাতীয়ভাবে ৫১ শতাংশ পরিবারে টেলিভিশন রয়েছে। সবচেয়ে দরিদ্র ২০ শতাংশ পরিবারের মধ্যে মাত্র ৪ দশমিক ৮ শতাংশ পরিবারে টেলিভিশন রয়েছে। সবচেয়ে ধনী ২০ শতাংশ পরিবারের মধ্যে এ হার ৯০ দশমিক ২ শতাংশ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি টোমো হোযুমি বলেছেন, দূরশিক্ষণের এই মাধ্যমগুলো ব্যবহারের সুযোগ না পাওয়া শিশুরা ডিজিটাল বিভাজন ও বৈষম্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মহামারি চলাকালে তারা শিক্ষা গ্রহণের কম সুযোগ পেয়েছে। এটা তাদের শিক্ষাজীবন ও ভবিষ্যৎকে এলোমেলো করে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ বিভাজন আগে থেকে বিদ্যমান বৈষম্যকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এটি দারিদ্র্য ও বৈষম্যের দুষ্টু চক্রকে এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে দীর্ঘস্থায়ী রূপ দিতে পারে, যেখানে শিশুরা পরিণত হচ্ছে এর বাহকে।

কেএফ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দেশে করোনায় আরও ২৮ জনের মৃত্যু
গেল ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আরও ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে করোনায় মোট মৃত্যু হলো সাত হাজার ৫৫৯ জন।  স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে এ তথ্য জানানো হয়।   বিস্তারিত আসছে... 
দেশে করোনায় আরও ২৮ জনের মৃত্যু
মানিকগঞ্জে পথচারীদের ২০ হাজার মাস্ক বিতরণ
করোনা ভাইরাস সংক্রমণরোধে মানিকগঞ্জে পথচারীদের মধ্যে ২০ হাজার মাস্ক বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় জেলা শহরের শহীদ রফিক মঞ্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌস। জেলা এনজিও সম্বয় কমিটির উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী মাস্ক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দুর-রে শাহওয়াজ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মনিরুজ্জামান, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন এবং জেলা এনজিও সমন্বয় কমিটির কর্মকর্তাসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের তত্ত্বাবধানে আজ এবং আগামীকাল জেলা শহরের আটটি স্পট থেকে ২০ হাজার মাস্ক বিতরণ করা হবে। জেবি
মানিকগঞ্জে পথচারীদের ২০ হাজার মাস্ক বিতরণ
করোনা শনাক্তের এক বছরের দিনে মৃত্যুর রেকর্ড
করোনাভাইরাস প্রার্দুভাবের এক বছর হলো আজ। ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চীনের উহানে প্রথমবারের মতো প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের অস্তিস্ত টের পাওয়া যায়। কোভিড-নাইনটিন শনাক্তের বর্ষপূর্তির দিনে বিশ্বে রেকর্ড প্রায় ১৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গেল এক বছরে যা সবচেয়ে বেশি।  বুধবার প্রথমবারের মতো একদিনে প্রায় ৪ হাজার মানুষ মারা গেছে শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ, ১ হাজার দুইশ’র বেশি মৃত্যু হয়েছে ব্রাজিলে।  এদিন এপ্রিলের পর প্রথম হাজারের কাছাকাছি মৃত্যু রেকর্ড করেছে যুক্তরাজ্য। জার্মানিতে এ সংখ্যা সাড়ে ৭০০। প্রায় ৬০০ করে প্রাণহানি ছিল রাশিয়া, ইতালি আর পোল্যান্ডে। পাঁচ শতাধিক মতো দক্ষিণ আফ্রিকায়।  দৈনিক প্রাণহানি কিছুটা কমেছে ফ্রান্স ও ভারতে। যদিও মহামারিতে ভারতে মোট প্রাণহানি দেড় লাখ ছুঁতে যাচ্ছে। করোনার উৎপত্তিস্থল চীনের উহানে প্রায় ৫ শতাংশ মানুষ করোনা সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন। এমন তথ্য জানালো দেশটির সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশনের গবেষকরা।  প্রাণঘাতী কোভিডে বিশ্বজুড়ে প্রাণ গেছে ১৮ লাখের বেশি মানুষের। আর শনাক্তের সংখ্যা ৮ কোটি ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে। ওয়াই
করোনা শনাক্তের এক বছরের দিনে মৃত্যুর রেকর্ড
বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ১৮ লাখ ছাড়িয়েছে
বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। সর্বশেষ করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ৩০ লাখ ৬০ হাজার ২৭৬ জন। আর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ১২ হাজার ৪৬ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছে ৫ কোটি ৮৮ লাখ ৬১ হাজার ৮০০ জন। করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার থেকে এই তথ্য জানা যায়। ওয়ার্ল্ডওমিটারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ৩ লাখ ৫০ হাজার ৭৭৮ জন এখন পর্যন্ত মারা গেছেন। বিশ্বে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যাও এই দেশটিতে। এই পর্যন্ত ২ কোটি ২ লাখ ১৬ হাজার ৯৯১ জন এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পর মৃত্যু বিবেচনায় করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হচ্ছে ব্রাজিল। আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে থাকলেও মৃত্যু বিবেচনায় দেশটির অবস্থান দ্বিতীয়। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৭৬ লাখ ১৯ হাজার ৯৭০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৯৪০ জনের। আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা ভারত মৃত্যু বিবেচনায় আছে তৃতীয় স্থানে। এ পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ২ লাখ ৬৭ হাজার ২৮৩ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ জনের। দেশে করোনাভাইরাসের আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ হাজার ৫৩১ জনে। এছাড়াও এখন পর্যন্ত দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা ৫ লাখ ১২ হাজার ৪৯৬ জন।  গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত ১৮৮টি দেশে ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। জিএম/এসএস
বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ১৮ লাখ ছাড়িয়েছে
‘জানুয়ারিতে করোনার ভ্যাকসিন পেতে পারে বাংলাদেশ’
যুক্তরাজ্যে অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রেজেনেকা ভ্যাকসিনের নীতিগত অনুমোদনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন আনতে গত ৫ নভেম্বর সরকার চুক্তি করছিল। আজ যুক্তরাজ্য সরকার সেই অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুমোদন দিয়েছে। এটি অবশ্যই বাংলাদেশের জন্য সুখবর। এরপর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন হওয়া মাত্রই ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশও করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পাবে। সব মিলে আগামী বছরের জানুয়ারির মাঝামাঝিই করোনা প্রতিরোধী ভ্যাকসিন পেতে পারি।’ আজ বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) মহাখালী বিসিপিএস অডিটরিয়াম হলে ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত ডাটা মিডিয়া ব্লুমবার্গ কর্তৃক বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাপি ২০-তম ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম স্থানের স্বীকৃতি উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠানে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী জুন মাসের মধ্যেই গ্যাভী ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক আরো ৫-৬ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেশে চলে আসবে। ভ্যাকসিন ট্রায়ালে অংশ না নেয়ায় ১৮ বছরের নিচে দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ এবং গর্ভবতী প্রায় ৩৫ লাখ নারীর ভ্যাকসিন দেয়া না লাগলে ৫-৬ কোটি ভ্যাকসিন প্রয়োগেই দেশ অনেকটা নিরাপদ হবে বলে আশা করেন। ব্লুমবার্গের স্বীকৃতিকে ছোট করে দেখার কোন সুযোগ নেই উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো জানান, ‘ব্লুমবার্গ কেবল দেশের অর্থনৈতিক সফলতা দেখেই রিপোর্টটি করেনি। প্রতিষ্ঠানটি করোনা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় জনবল, অবকাঠামো, টিকাদান সক্ষমতা, চলাফেরা নিয়ন্ত্রণের মতো গুরুত্বপূর্ণ অন্তত ১০টি মেট্রিক্স বিবেচনা করে এই ফলাফল ঘোষণা করেছে। কাজেই এই ফলাফল আমাদের জন্য এক বিরাট অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।’  স্বাস্থ্যমন্ত্রী এই ফলাফলে আত্মতুষ্টিতে না ভুগে আরো গতিশীলভাবে কাজে নেমে পড়তে হবে বলে উপস্থিত চিকিৎসকদের জানান। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন- স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, বিএমএ সভাপতি ডাঃ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাচিপ-এর মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম এনায়েত হোসেন, বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুবিন খানসহ অন্যান্য ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ। 
‘জানুয়ারিতে করোনার ভ্যাকসিন পেতে পারে বাংলাদেশ’
আরও পড়ুন
দেশে করোনায় আরও ২৮ জনের মৃত্যু
মানিকগঞ্জে পথচারীদের ২০ হাজার মাস্ক বিতরণ
সিনোফার্মের করোনা টিকা অনুমোদন দিলো চীন
করোনা শনাক্তের এক বছরের দিনে মৃত্যুর রেকর্ড