ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

স্বাস্থ্য সচিব ও মহাপরিচালককে ফের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৫৭ এএম
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবু জাফর। ছবি: সংগৃহীত

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবু জাফরকে দুই মাসের জন্য চুক্তিভিত্তিতে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন ২০১৮-এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী মো. সাইদুর রহমানকে তার অবসরোত্তর ছুটি ও তৎসংশ্লিষ্ট সুবিধাদি স্থগিত এবং অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে ২০২৬ সালের ১১ জানুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো।

একই আইনের সম ধরায় দুই মাসের জন্য চুক্তিভিত্তিতে নিয়োগ পেয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফরও। চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাকে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া, অধ্যাপক ডা. মো. শাদরুল আলমকে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। এর আগে তিনি সেন্টার ফর মেডিকেল এডুকেশনের (সিএমই) পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছিলেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যশিক্ষা বিভাগের উপসচিব দূর-রে শাহ্ওয়াজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। আগামী ১ জানুয়ারি থেকে তাকে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়েছে।

আরটিভি/কেএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রোগ তালিকার শীর্ষে উচ্চ রক্তচাপ 
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ‘হেলথ অ্যান্ড মরবিডিটি স্ট্যাটাস সার্ভে-২০২৫’–এর তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে শীর্ষ ১০টি রোগের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে উচ্চ রক্তচাপ। ওষুধের উৎপাদন ও সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে দেশের সকল কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে।  মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর বিএমএ ভবনে “উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: অগ্রগতি, বাধা এবং করণীয়” শীর্ষক সাংবাদিক কর্মশালায় এই আহবান জানানো হয়। গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর (জিএইচএআই) এর সহযোগিতায় প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এই কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় প্রিন্ট, টেলিভিশন এবং অনলাইন মিডিয়ায় কর্মরত ২৮ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।  কর্মশালায় জানানো হয়, দেশে অসংক্রামক রোগ মোট মৃত্যুর ৭১ শতাংশের জন্য দায়ী হলেও, এই খাতে বাজেট বরাদ্দ খুবই সামান্য।  বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্বাস্থ্য খাতে সরকারের মোট অর্থায়নের মধ্যে ৫ শতাংশেরও কম ব্যয় হয় অসংক্রামক রোগ সংক্রান্ত বাজেটে। এই সীমিত বরাদ্দ কার্যকরভাবে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। অন্যদিকে, বরাদ্দকৃত অর্থও যথাযথভাবে ব্যবহার হয় না বলে জানানো হয় কর্মশালায়। বক্তারা বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সকল কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ প্রদান নিশ্চিত করা গেলে দেশে উচ্চ রক্তচাপজনিত অসুস্থতা ও মৃত্যু উল্লেখযোগ্যভাবে  কমবে। একইসঙ্গে, সরকারের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ব্যয়ও হ্রাস পাবে। উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সরকারের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে আহ্বান জানানো হয় কর্মশালায়। কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট-এর ডা. গীতা রানী দেবী বলেন, “প্রান্তিক পর্যায়ে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে। পর্যায়ক্রমে আমরা সকল কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে পারবো।” এসেনসিয়াল ড্রাগস্ কোম্পানি লিমিটেড-এর উপ-মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয় ও বিপণন) মো. রিয়াদ আরেফিন বলেন, “উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ উত্পাদন ও সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন রাখা আমাদের অন্যতম প্রধান একটি অগ্রাধিকার। আশা করি দ্রুতই আমরা সব কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারবো।” কর্মশালায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চ্যানেল টুয়েন্টিফোর-এর হেড অব নিউজ অ্যান্ড কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স জহিরুল আলম; জিএইচএআই বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মুহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুস এবং প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের। কর্মশালায় বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রজ্ঞা’র প্রোগ্রাম অফিসার সামিহা বিনতে কামাল। আরটিভি/কেএইচ
রোগ তালিকার শীর্ষে উচ্চ রক্তচাপ 
কিডনি ডায়ালাইসিস যে কারণে দরকার হয়
কিডনি বিকল হওয়ার সর্বশেষ ধাপ বা এন্ড স্টেজ রেনাল ডিজিজ আক্রান্ত রোগীদের জন্য ডায়ালাইসিস একটি জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসাপদ্ধতি। যখন একজন মানুষের কিডনি তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতার ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ হারিয়ে ফেলে, তখন শরীর থেকে বর্জ্য এবং অতিরিক্ত তরল বের করে দেওয়ার জন্য কৃত্রিম এই উপায়ের প্রয়োজন হয়। মূলত রক্ত থেকে বিষাক্ত ইউরিয়া, ক্রিয়েটিনিন এবং বাড়তি লবণ সরিয়ে রক্ত পরিষ্কার রাখাই এর মূল কাজ। কিডনি যখন এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তখন রক্তে বিষাক্ত পদার্থ জমে শরীর ফুলে যাওয়া, প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট, বমি বমি ভাব এবং দীর্ঘমেয়াদী দুর্বলতার মতো মারাত্মক উপসর্গ দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া বা রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেড়ে হৃৎস্পন্দনে সমস্যা তৈরি হলে ডায়ালাইসিস ছাড়া আর কোনো বিকল্প থাকে না। চিকিৎসাবিজ্ঞানে ডায়ালাইসিস প্রধানত দুইভাবে সম্পন্ন করা হয়। হেমোডায়ালাইসিস এবং পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস। হেমোডায়ালাইসিসে একটি বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে শরীরের বাইরের রক্ত পরিষ্কার করা হয়, যার জন্য সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার হাসপাতালে যেতে হয় এবং প্রতিবার প্রায় ৪ ঘণ্টা সময়ের প্রয়োজন হয়। আরও পড়ুন আয়রন ঘাটতি: সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের বিষয়ে ভিন্নমত বিজ্ঞানীদের অন্যদিকে, পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস পেটের ভেতরের প্রাকৃতিক পর্দা ব্যবহার করে করা হয়, যা রোগী চাইলে চিকিৎসকের পরামর্শে নিজ বাসাতেই সম্পন্ন করতে পারেন। তবে ডায়ালাইসিস শুরু করার আগে রোগীর শারীরিক প্রস্তুতির পাশাপাশি মানসিক ও পারিবারিক প্রস্তুতিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে হাতে ‘এভি ফিস্টুলা’ বা ক্যাথেটার তৈরির ছোট অস্ত্রোপচার এবং দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার মানসিক ধকল সামলাতে পরিবারের সক্রিয় সমর্থন প্রয়োজন। ডায়ালাইসিস একটি চলমান ও ব্যয়বহুল চিকিৎসা পদ্ধতি হওয়ায় অর্থনৈতিক পরিকল্পনার বিষয়টিও মাথায় রাখা জরুরি। দীর্ঘ মেয়াদে সুস্থ থাকতে ডায়ালাইসিসের পাশাপাশি নিয়মিত ওষুধ সেবন, পরিমিত ঘুম এবং হালকা ব্যায়ামের পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। শুরুতে কিছুটা দুর্বলতা বা বমি ভাব থাকলেও সময়ের সাথে শরীর এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে মানিয়ে নেয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, সঠিক সময়ে ডায়ালাইসিস শুরু করলে এবং খাদ্যতালিকায় পটাশিয়াম ও পানির ভারসাম্য বজায় রাখলে একজন কিডনি রোগী দীর্ঘ সময় স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন। তাই আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়াই জীবন রক্ষার প্রধান উপায়। আরটিভি/এএইচ
কিডনি ডায়ালাইসিস যে কারণে দরকার হয়
ডেঙ্গুতে আজও দুই জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯৪
দেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুর প্রকোপ থামছেই না। সারাদেশে সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দুইজন মারা গেছেন। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৯৪ জন ডেঙ্গুরোগী। রোববার (২১ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আরও পড়ুন শিশুর সর্দি-কাশি নিউমোনিয়া নয় তো ২০২৪ সালে দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। এর আগের বছর ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে মারা যান সর্বোচ্চ এক হাজার ৭০৫ জন এবং আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। আরটিভি/এমএ
ডেঙ্গুতে আজও দুই জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯৪
ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২৪০
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৪০ জন। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৯০ জন এবং বাকিরা ঢাকা সিটির বাইরের। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ১ হাজার ২৯৩ জন। এর মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৭৭২ জন। মারা গেছেন ৪১০ জন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান জানান, ডেঙ্গু এখন সারা বছরই হচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হলে এটা বাড়ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিরোধক ওষুধ ব্যবহারের পাশাপাশি সব জায়গায় প্রচার চালাতে হবে। একইসঙ্গে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। কীটতত্ত্ববিদ ড. মনজুর চৌধুরী বলছেন, মশানিধনে শুধু জেল-জরিমানা আর জনসচেতনতা বাড়িয়ে কাজ হবে না। সঠিকভাবে জরিপ চালিয়ে দক্ষ জনবল দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে দেশের ইতিহাসে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী আক্রান্ত এবং ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়। আরটিভি/আরএ
ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২৪০
শীতে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করলে ঝুঁকি বাড়ে
শীতের দিনেও রোজ ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করা নিয়ে অনেকেই গর্ব করেন। হয়তো আপনিও এমনটা করেন। কিন্তু চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটিকে বাহাদুরি মনে না করে বরং আপনার স্বাস্থ্যের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে এমন একটি অভ্যাস হিসেবে দেখা উচিত। শীতকালে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করার তিনটি প্রধান স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিচে তুলে ধরা হলো। ঠান্ডা পানি শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা দ্রুত কমিয়ে দেয়। শরীরের তাপমাত্রা হঠাৎ কমলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সাময়িকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ এবং শারীরিকভাবে দুর্বল ব্যক্তিরা খুব সহজে সর্দি, কাশি, জ্বর বা ঠাণ্ডাজনিত সংক্রমণে আক্রান্ত হতে পারেন। তাই শীতকালে গোসল করার সময় উষ্ণ বা হালকা গরম পানি ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ। শীতকালে শুষ্কতা ত্বকের একটি বড় সমস্যা। ঠান্ডা পানি ত্বকের প্রাকৃতিক তেল বা সিবাম কমিয়ে দেয়। এর ফলস্বরূপ ত্বক আরও শুষ্ক ও চুলকানির মতো সমস্যার শিকার হয়। যদি গোসলের পর ত্বককে আর্দ্রতা দেওয়া না হয়, তাহলে হাত, মুখ ও পায়ের ত্বক কাঁপা বা ফেটে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা এই ঝুঁকি কমাতে গোসলের পর মোইশ্চারাইজার ব্যবহারের পরামর্শ দেন। আরও পড়ুন যানবাহন নাকি পথচারী, জেব্রা ক্রসিংয়ে অগ্রাধিকার কার ঠান্ডা পানি হঠাৎ শরীরে পড়লে রক্তনালী দ্রুত সংকুচিত হয়। এটিকে ‘ভাসোকনস্ট্রিকশন’ বলা হয়। এটি রক্ত সঞ্চালনকে ব্যাহত করতে পারে এবং কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা বা উচ্চ রক্তচাপ থাকা ব্যক্তির জন্য এটি খুবই গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে মাথা ঘোরা, ক্লান্তি বা হৃৎস্পন্দন অস্বাভাবিক হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এসব কারণে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন যে, শীতকালে গোসলের জন্য উষ্ণ বা হালকা গরম পানি ব্যবহার করা উচিত। যদি রিফ্রেশ হওয়ার জন্য একান্তই ঠান্ডা পানি ব্যবহার করতে চান, তবে তা খুব সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য করুন। গোসলের পর ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে মোইশ্চারাইজার বা হ্যান্ড ক্রিম ব্যবহার করুন। শিশু বা বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে গোসলের সময় পানির তাপমাত্রা সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করে করানো উত্তম। সূত্র: বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরটিভি/এএইচ
শীতে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করলে ঝুঁকি বাড়ে
আরও পড়ুন
বিবিসির মহাপরিচালক ও বার্তাপ্রধানের পদত্যাগ
শিল্পকলার নতুন মহাপরিচালক কবি রেজাউদ্দিন স্টাল
শিল্পকলা একাডেমির নতুন মহাপরিচালক আবুল ফয়েজ
মিটফোর্ডের ঘটনার ছায়া তদন্ত চলছে: র‍্যাব মহাপরিচালক