ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

দেশের হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে জ্বর, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া রোগী 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে শিশুর জ্বর, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া রোগীর চাপ বেড়েছে।

চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, মাগুরাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা গেছে- জ্বর, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা উপচে পড়ছে। শয্যা সংকটের কারণে নির্ধারিত ওয়ার্ড ছাড়িয়ে বারান্দা ও মেঝেতে বিছানা পেতে শিশুদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। গরমের পাশাপাশি ঘন ঘন লোডশেডিং ও চিকিৎসকদের ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

এদিকে চিকিৎসকরা অভিভাবকদের শিশুদের স্বাস্থ্যের বিষয়ে সতর্ক থাকা ও আক্রান্ত হলে দ্রুত পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের শিশুস্বাস্থ্য ওয়ার্ডে ১০৫টি শয্যা রয়েছে। তবে সেখানে তিন শতাধিক শিশু জ্বর, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি আছে। এদের মধ্যে অন্তত দেড়শ জন শুধু জ্বর নিয়ে ভর্তি। এছাড়া গড়ে প্রতিদিন নতুন আরও দেড় শতাধিক শিশু চিকিৎসা নিতে আসছে।

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের ৫৬ শয্যার বিপরীতে ৬৬ জন শিশু ভর্তি আছে, যার একটি বড় অংশ জ্বরে আক্রান্ত। মা ও শিশু হাসপাতালেও ৬০ শতাংশ শিশু জ্বর নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। সরকারি বিআইটিআইডি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ নগরীর বেসরকারি পার্কভিউ, সিএসসিআর, শেভরন, মেট্রোপলিটন, মেডিকেল সেন্টার, ল্যাবএইড, সাজিনা, সার্জিস্কোপ ও একুশে হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা শিশুদের অর্ধেকই জ্বরে আক্রান্ত বলে জানা গেছে।

শিশুদের ভর্তি সংখ্যা নিয়ে চমেক হাসপাতালের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুসা মিয়া বলেন, ওয়ার্ডগুলোতে শিশুদের ভর্তি সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন। আবহাওয়ার কারণে শিশুরা জ্বরে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। মোট ভর্তি হওয়া শিশুদের ৫০ শতাংশের বেশি শিশু কোনো না কোনোভাবে জ্বরে আক্রান্ত।

তিনি বলেন, অনেক অভিভাবক ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খাওয়াচ্ছেন। এ রকম করা যাবে না। যদি শিশুর শরীরে তাপমাত্রা বেশি অনুভূত হয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বহির্বিভাগে যারা চিকিৎসার জন্য আসছে, তাদের পরিস্থিতি বুঝে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. একরাম হোসেন জানান, জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে শয্যার তুলনায় শিশু রোগী ভর্তি বেশি। তবে যারা ভর্তি তাদের বেশির ভাগ জ্বরে আক্রান্ত। জ্বরের কারণে সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিচ্ছে।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. সাজেদুর রহমান জানান, শিশুরা এখন নানাবিধ সংক্রমণ জাতীয় রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। হাম, ডেঙ্গুর পাশাপাশি জ্বরের প্রকোপ বেশি দেখতে পাচ্ছি আমরা। ঋতু পরিবর্তনে ভাইরাস জ্বরের প্রকোপ বাড়ায় মানুষের মধ্যে আতঙ্কও বেড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে শিশুদের চিকিৎসাসেবা দিতে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালেও ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়েছে। তাপপ্রবাহ ও পানিশূন্যতার কারণে শিশু ও প্রবীণরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। হাসপাতালটিতে ৪০০-৪৫০ রোগী ভর্তি রয়েছে, যা ধারণক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি। বহির্বিভাগে প্রতিদিন ১,০০০-১,২০০ রোগী সেবা নিচ্ছে।

শয্যা না পেয়ে রোগীরা ওয়ার্ডের মেঝে, বারান্দা ও হাঁটার গলিতে তোশক বিছিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। ডায়রিয়া ওয়ার্ডে প্রতিদিন গড়ে ১৩০-১৫০ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত প্রায় ৭০-৮০ জন শিশু ভর্তি আছে। এছাড়া ডেঙ্গু ও হামের প্রকোপও দেখা গেছে। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ও চিকিৎসকরা বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন পানের পরামর্শ দিয়েছেন। শিশুদের ঘাম মুছে দেওয়া ও সরাসরি অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানি বা আইসক্রিম খাওয়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে। সেই সঙ্গে বাসি বা খোলা খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

একই রকম চিত্র দেখা গেছে মাগুরা জেলা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে। ঠাণ্ডা, জ্বর, কাশি, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশুর চাপে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। গত তিনদিনে প্রায় তিনশ শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। শিশু ওয়ার্ডের ধারণক্ষমতা ৪৫ জন হলেও সেখানে সবসময় দুই শতাধিক রোগী ভর্তি থাকছে বলে জানা গেছে। ওয়ার্ডে জায়গা না পেয়ে মেঝেতে বিছানা পেতে শিশুদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ঘন ঘন লোডশেডিং। বিদ্যুৎ চলে গেলে গরমে অসুস্থ শিশুরা অতিরিক্ত ঘেমে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। রোগীর স্বজনরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন।

হাসপাতালের আরএমও মো. মামুন উর রশীদ বলেন, লোডশেডিংয়ের কারণে হাসপাতালে চিকিৎসক, রোগী ও স্বজন সবাইকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। শিশু ওয়ার্ডে রোগীর ধারণক্ষমতা ৪৫ জন হলেও বর্তমানে সবসময় ২০০ জনের বেশি ভর্তি থাকছে।

এছাড়া ঝিনাইদহ, ফরিদপুর, সাতক্ষীরা, কুমিল্লা, নরসিংদী, বরিশাল, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও রাজশাহীর হাসপাতালগুলোতেও জ্বর-ঠাণ্ডায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ডেঙ্গুতে এবার একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৯২৯
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯২৯ জন।
ডেঙ্গুতে এবার একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৯২৯
হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩৫৩
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে আরও এক হাজার ৩৫০ জন শিশুর শরীরে সন্দেহজনক হাম শনাক্ত হয়েছে।
হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩৫৩
পচা দই-মিষ্টির সিরায় তৈরি হচ্ছে শিশুদের চকলেট-সন্দেশ!
ভেজাল শিশুখাদ্যে সয়লাব দেশের বাজার। পচা মিষ্টির সিরা ও নষ্ট দই দিয়ে তৈরি হচ্ছে শিশুদের চকলেট-সন্দেশ। সম্প্রতি রূপগঞ্জের একটি কারখানায় এই চিত্র দেখা গেছে। পুরো কারখানায় নেই কোনো ফলের অস্তিত্ব। অথচ এখানেই তৈরি হয় আম, লিচু, আনারসসহ বিভিন্ন ফলের জেলি, জুস ও আইস ললি। ক্যামেরায় ধরা পড়ে এসব খাবার তৈরিতে রাসায়নিক উপাদান ও ক্ষতিকর রং ব্যবহারের চিত্র।  কারখানার দায়িত্বে থাকা এক ব্যক্তি জানান, এসব উপাদান দিয়ে আসল ফলের পরিবর্তে কৃত্রিমভাবে শিশুখাদ্য তৈরি করেন তারা। কারখানার ভেতরের আরেকটি কক্ষে গিয়ে দেখা যায় আরও ভয়াবহ চিত্র। সেখানে স্তূপ করে রাখা হয়েছে পচা পণ্য ও ময়লা-আবর্জনা। সেখান থেকেই জেলি বের করছেন কয়েকজন। পরে এসব জেলি আবার প্যাকেটজাত করে বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি চলছে। সাভারের আরেকটি কারখানায় তৈরি হচ্ছে শিশুদের চকলেট ও সন্দেশ। সেখানে অসংখ্য ড্রামে জমিয়ে রাখা হয়েছে পাঁচ থেকে ছয় দিন আগের পচা মিষ্টির সিরা। সেই সিরা দিয়েই তৈরি হচ্ছে শিশুদের জন্য সন্দেশ, যা কয়েক দিনের মধ্যেই বাজারে ছড়িয়ে দেয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। প্যাকেটের গায়ে দুধ, চিনি ও বিভিন্ন উপাদানের কথা উল্লেখ থাকলেও ড্রামগুলোতে রয়েছে শুধু মিষ্টির সিরা ও পচা দই। এর মধ্যে মরে পচে আছে মাছি ও বিভিন্ন পোকামাকড়।  এসব উপাদান গরম করেই তৈরি করা হচ্ছে সন্দেশ ও চকলেট। কারখানার পরিবেশও অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর। চারদিকে দুর্গন্ধে টেকা দায়। মিষ্টির সিরা ও ফ্লেভার ব্যবহারের বিষয়ে জানতে চাইলে কারখানার এক কর্মচারী জানান, মিষ্টির দোকান থেকে ফেলে দেওয়া মিষ্টির সিরা সংগ্রহ করে আটা দিয়ে জ্বাল দেওয়া হয়। এতে মিষ্টির স্বাদ ও ফ্লেভার পাওয়া যায়। শুধু একটি বা দুটি কারখানা নয়, রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর, কেরানীগঞ্জ, রূপগঞ্জ, সাভার ও আশুলিয়ায় তৈরি হচ্ছে এমন ক্ষতিকর শিশুখাদ্য। এসব কারখানায় তৈরি পণ্যের গন্তব্য পুরান ঢাকার চকবাজার। সেখান থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে এসব খাবার। এ বিষয়ে মুদি দোকানিরা বলছেন, তারা বিক্রি বন্ধ করলেও অন্য দোকানে এসব পণ্য বিক্রি হবে। একজন দোকানি বলেন, আমি যদি না বিক্রি করি, দেখা যাবে আমার পরিবর্তে আরেকটা দোকান বিক্রি করবে। বাংলাদেশে জন্মলগ্ন থেকেই এসব চলছে, এর কী হবে? এসব জিনিস বিক্রি করলেও আমি আমার বাচ্চাকে খাওয়াই না। দেশের শিশুখাদ্যের এমন পরিস্থিতিতে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কী করছে, তা জানতে সংস্থাটির কর্মকর্তাদের মুখোমুখি হয় সময় সংবাদ। তবে তাদের বক্তব্যে উঠে আসে হতাশার চিত্র। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য (খাদ্যশিল্প ও উৎপাদন) অধ্যাপক মোহাম্মদ শোয়েব বলেন, ভেজালবিরোধী বিভিন্ন ধরনের অভিযান পরিচালনা করছি। তারপরও এসব কমছে না। এর মূল কারণ তাদের অসততা। সরকারি প্রতিষ্ঠানে যারা কাজ করি, তাদের পক্ষে এককভাবে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে এসব নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আরটিভি/এসআর
পচা দই-মিষ্টির সিরায় তৈরি হচ্ছে শিশুদের চকলেট-সন্দেশ!
ডেঙ্গুতে চলতি বছরে সর্বোচ্চ মৃত্যু অক্টোবরে
ডেঙ্গুতে চলতি বছরের মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী মাস হয়ে উঠেছে অক্টোবর।  শুধু অক্টোবরেই ডেঙ্গুতে ১৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা এ বছর যেকোনও মাসের চেয়ে সর্বোচ্চ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, চলতি বছর এ নিয়ে ডেঙ্গুতে মোট ৪১৯ জনের প্রাণ গেল। এর মধ্যে অক্টোবর মাসেই প্রাণ গেছে ১৭৪ জনের; যা চলতি বছরে এক মাসের হিসাবে সর্বোচ্চ। এর আগে সেপ্টেম্বরে ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়। ডেঙ্গুর বুলেটিনের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে একজন খুলনা বিভাগে মারা গেছেন। শনিবারের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৬৩৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। যার মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৬০৪ জন ভর্তি হয়েছে। অন্য বিভাগের মধ্যে বরিশালে ২৩৪ জন, চট্টগ্রামে ২৮১ জন, খুলনায় ২২৮ জন, ময়মনসিংহে ৭০, রাজশাহী ১৪৯ ও রংপুরে ৬৭ জন ভর্তি হয়েছে। বুলেটিন অনুসারে, চলতি বছর এ পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৩৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যার মধ্যে ১ লাখ ২৮ হাজার ৩৪৫ জন হাসপাতাল ছেড়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর তথ্য রাখে ২০০০ সাল থেকে। এর মধ্যে ২০২৩ সালে এ রোগ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যুও হয় ওই বছর। ২০২৫ সালে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয় ৪ শতাধিক মানুষের, শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২ হাজারের বেশি। আরটিভি/এসআর  
ডেঙ্গুতে চলতি বছরে সর্বোচ্চ মৃত্যু অক্টোবরে
ইনস্টিটিউট অব হেলথ ম্যানেজমেন্ট চালু হচ্ছে কবে, জানালেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, দীর্ঘদিন অবহেলিত ও পড়ে থাকা সাভারের ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হেলথ ম্যানেজমেন্ট’ আগামী পহেলা জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে।
ইনস্টিটিউট অব হেলথ ম্যানেজমেন্ট চালু হচ্ছে কবে, জানালেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
আরও পড়ুন
সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় আরও ২ শিশুর মৃত্যু
হাম ও নিউমোনিয়ায় ৬৯ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৯৭