ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

রাজধানীতে ডায়াবেটিস-হরমোন বিশেষজ্ঞদের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর ২০১৯, ০৭:৫৯ পিএম

হরমোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে দুইদিনব্যাপী দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও বার্ষিক সাধারণ সভা শুরু হয়েছে। রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁ হোটেলের বলরুমে শুক্রবার দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও সাধারণ সভার আয়োজন করে বাংলাদেশে হরমোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ অ্যান্ডোক্রাইন (অন্তঃস্রাব) সোসাইটি’(বিইএস)।

সারাদেশের সব ডায়াবেটিস ও হরমোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ ৫০০ এর বেশি চিকিৎসক এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন। সম্মেলনে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভারতসহ দেশের বাইরের ২০ জন এবং দেশের ৪২ জন ডায়াবেটিস ও হরমোন বিশেষজ্ঞ গবেষক তাদের বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন। তারা দেশে প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতির সঙ্গে আধুনিক চিকিৎসা-ব্যবস্থাপনার সমন্বয় স্থাপনের চেষ্টা করেছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশীয় গবেষণার সঙ্গে আন্তর্জাতিক গবেষণালব্ধ ফলগুলোর উপস্থাপনায় বাংলাদেশের চিকিৎসকদের আধুনিকতম চিকিৎসা দেওয়ার পথ সুগম করবে।

তরুণ চিকিৎসকদের মেধা ও মননসম্পন্ন চিকিৎসা সেবায় ব্রতী হতে বিশ্বব্যাপী এ ধরনের সম্মেলনগুলোকেই সবচেয়ে বড় মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করা হয়। বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক ডায়াবেটিস রোগী, থাইরয়েডের সমস্যায় আক্রান্ত মানুষ, দৈহিক স্থূলতায় ভোগা লোকজন, হাড়ক্ষয় ও রজঃনিবৃত নারীদের সুচিকিৎসা, সর্বোপরি অসংক্রামক রোগসমূহের প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করতে এ সম্মেলনলব্ধ জ্ঞান ব্যাপকভাবে কাজে লাগতে পারে বলে সম্মেলনে জানানো হয়। তবে এবারের সম্মেলনে থাইরয়েড সমস্যা নিয়ে আলোচনা গুরুত্ব পায়। কারণ বাংলাদেশে দিন দিন থাইরয়েড আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

বাংলাদেশ অ্যান্ডোক্রাইন সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফারুক পাঠানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আন্তর্জাতিক অ্যান্ডোক্রাইন সোসাইটির সভাপতি প্রফেসর ডা. আন্দ্রে লেখ্রো। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান, বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব হেল্থ সায়েন্সের ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. হাজেরা মাহতাব, বারডেম জেনারেল হাসপাতালের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাফর আহমেদ লতিফ, বাংলাদেশ অ্যান্ডোক্রাইন সোসাইটির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. হাফিজুর রহমান, সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. এসএম আশরাফুজ্জামান, সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. ফরিদ উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. শাহজাদা সেলিম, অধ্যাপক ডা. দিনা শ্রেষ্ঠা প্রমুখ।

এ সময় ডা. এ কে আজাদ বলেন, সময়ের পরিক্রমায় বাংলাদেশ অ্যান্ডোক্রাইন সোসাইটি বৃহৎ একটি সংগঠনে রূপ নিয়েছে, যা দেখেই আনন্দ হচ্ছে। তবে এখানেই থেমে নেই। অ্যান্ডোক্রাইন সমস্যার প্রতি বর্তমানে পৃথিবীব্যাপী ফোকাসের মধ্যে রয়েছে। এ সমস্যা বর্তমানে খুবই কমন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ অ্যান্ডোক্রাইন সোসাইটি সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রাজবাড়ীতে ৫০ জন ডায়রিয়া রোগী ভর্তি
লাগাতার শৈত্যপ্রবাহ ও প্রচণ্ড শীতের কারণে রাজবাড়ীতে ডায়রিয়াসহ শীতজনিত রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। গেল তিন দিনে রাজবাড়ী সদর আধুনিক হাসপাতালে ৫০ জন ডায়রিয়া রোগী ভর্তি হয়েছে। কনকনে হিমেল হাওয়া ও শীতে শিশু ও বৃদ্ধরা শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। শিশু ওয়ার্ডে শ্বাসকষ্ট রোগে ২৫ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে অনেক রোগী হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে শুধু চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে গেছে। আবার অনেক রোগী বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে ডাক্তার ও নার্সরা জানান,ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্টের রোগী আসার প্রবাহ কমছে না। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে স্যালাইন ও অক্সিজেনের কোনও সংকট নেই। জেবি
রাজবাড়ীতে ৫০ জন ডায়রিয়া রোগী ভর্তি
কেরাণীগঞ্জের আগুনে মারা গেলেন সোহানও
কেরাণীগঞ্জের আগুনের ঘটনায় সোহান (১৯) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ জনে। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে তার মৃত্যু হয়। মৃত আবু বক্কর সিদ্দিক সোহান জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার গোপিন্দি গ্রামের আবদুল জব্বারের ছেলে। তার মায়ের নাম আহেজা বেগম। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. পার্থশঙ্কর পাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বড় ভাই আলমাছ জানান, তার ভাই সাত দিন আগে ওই কারখানায় কাজে যোগ দিয়েছিল। তিন ভাই এক বোনের মধ্যে সোহান ছিল ছোট। বাবা গ্রামে কৃষিকাজ করেন। পি
কেরাণীগঞ্জের আগুনে মারা গেলেন সোহানও
এতো ভয়াবহ দগ্ধ মানুষ কখনও দেখিনি: ডা. সামন্ত লাল
দেশে এ যাবৎকালে আগুনে দগ্ধ অনেক মানুষ দেখেছি। তবে  ৪০ বছরের অভিজ্ঞতায় এত ভয়াবহ দগ্ধ কখনও দেখিনি। একজন রোগী মারা গেছেন, যাকে তার স্ত্রী পর্যন্ত চিনতে পারেনি। মুখমণ্ডল এমনভাবে বিকৃত হয়েছিল। পরে তার হাতের কাটা দেখে তাকে শনাক্ত করতে হয়েছে। বললেন  শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন। আজ শুক্রবার সকালে কেরানীগঞ্জের প্লাস্টিক কারখানার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ রোগীদের বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. সামন্ত লাল বলেন, বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে এখন পর্যন্ত  আগুনে দগ্ধ যত রোগী এসেছে তার মধ্যে সর্বোচ্চ বা বেশি মাত্রায় পোড়া রোগী এসেছে কেরানীগঞ্জের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা থেকে।  এখানে অনেক রোগী আছেন যাদের মুখ চেনা যাচ্ছে না। শ্বাসনালী খুব খারাপভাবে পুড়ে গেছে এবং যে ১০ জন রোগী এখনও রয়েছে তাদের সবার শরীরের ৬০ থেকে ৮০ ভাগ পোড়া এবং আব্দুর রাজ্জাক নামের একজনের শতভাগ পোড়া। --------------------------------------------------------------- আরো পড়ুন: চিকিৎসকরা কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী --------------------------------------------------------------- তিনি বলেন, ঢামেকের বার্ন ইউনিটে ৮ জন ভর্তি রয়েছে, তারা সম্পূর্ণ শঙ্কামুক্ত। তাদের শরীরে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পোড়া। আর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি  ইনস্টিটিউটে এখন ১০ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এদের কেউই শঙ্কামুক্ত নয়। প্রত্যেকেই লাইফসাপোর্টে। তিনি বলেন, বিশ্বের কোথাও শতভাগ বার্ন হওয়া রোগী বাঁচানো সাধারণত সম্ভব হয় না। আমরা চেষ্টা করছি বাকিটা সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা। বাকি যারা রয়েছে তাদেরও শরীরের ৬০ থেকে ৮০ ভাগ পোড়া রয়েছে। প্রত্যেকেরই শ্বাসনালী পুড়ে গেছে এবং মুখমণ্ডল ও শ্বাসনালী এমনভাবে পুড়েছে যে সেটা রিকভার করা অত্যন্ত দুরূহ ব্যাপার। এমকে
এতো ভয়াবহ দগ্ধ মানুষ কখনও দেখিনি: ডা. সামন্ত লাল
কুষ্ঠ নির্মূলে গবেষণার প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কুষ্ঠরোগ কোনো অভিশাপ নয়। জীবাণুর সংক্রমণে এ রোগের বিস্তার। কুষ্ঠ নির্মূলে গবেষণার প্রয়োজন। তাই কুষ্ঠ নির্মূলে দেশীয় গবেষকদের ‍প্রয়োজনীয় গবেষণায় আত্মনিয়োগ করা দরকার। সবাই এগিয়ে এলে ২০৩০ সাল নয়, এর আগেই কুষ্ঠরোগকে শূন্যমাত্রায় নামিয়ে আনা সম্ভব। হোটেল সোনারগাঁওয়ে বুধবার ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে কুষ্ঠরোগ মুক্ত করার বিষয়ে আয়োজিত জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কুষ্ঠরোগীদের দেখে দূর-দূর করবেন না। তাদের আলাদা করে রাখবেন না। এটা অভিশাপ নয়, চিকিৎসা দিলে এরাও ভালো হয় এবং সুস্থ জীবনে ফিরে যায়; এটা আমি প্রমাণ করেছি। কুষ্ঠরোগীদের সেবা দেয়া, সহায়তা করা এবং সহানুভূতির সঙ্গে তাদের দেখার জন্য অনুরোধ করছি। শেখ হাসিনা আরও বলেন, আমার স্বামীর চাকরির সুবাদে আমি যখন মহাখালী কোয়ার্টারে থাকতাম তখন সেখানে বেশ কিছু কুষ্ঠরোগী আসতো। আমি তাদের খেতে দিতাম এবং টাকা-পয়সা দিয়ে সাহায্য করতাম। আবার যখন বিরোধীদলীয় নেতা ছিলাম এবং মিন্টো রোডে বসবাস করতাম তখনও সেখানে কুষ্ঠরোগী যেত। তাদেরও সাহায্য করতাম। প্রথম প্রথম অনেকে তাদের কাছে যেত না, তারপর আমি যখন যাওয়া শুরু করলাম তখন সবাই যাওয়া শুরু করল। তিনি আরও বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার পর আমরা কুষ্ঠরোগীদের জন্য গাজীপুরে আশ্রয়ণ প্রকল্প চালু করেছি। ৭০টি পরিবারকে সেখানে আশ্রয় দেয়া হলো। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারিভাবেও অনেকে এগিয়ে এলো। সেখানে বসবাস করা অনেকেই এখন রোগমুক্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কুষ্ঠরোগীদের জন্য ওষুধ উৎপাদন ও বিনামূল্যে তা সরবরাহ করতে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহ করলে কুষ্ঠরোগের চিকিৎসা অনেক সহজ হবে এবং মানুষের স্বাভাবিক জীবন নিশ্চিত হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ১০ বেডের হাসপাতাল গড়ে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে ও দেশের প্রতিটি মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের পদক্ষেপ হিসেবে কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের গ্রামগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। পি আরো পড়ুন হাসপাতালে প্রতিদিনই বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী  
কুষ্ঠ নির্মূলে গবেষণার প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী
হাসপাতালে প্রতিদিনই বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী
মৌসুম শেষ হলেও হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিনই ভর্তি হচ্ছেন নতুন নতুন ডেঙ্গু রোগী। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুমের প্রধান আয়েশা আক্তার বলেন, ৪ ও ৫ ডিসেম্বর দেশের হাসপাতালগুলোতে ১৩১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত ভর্তি হয়েছেন। কিট তত্ত্ববিদ ড. মঞ্জুর চৌধুরী জানান, এডিস প্রজননের গুপ্ত স্থান ধ্বংস না করতে পারলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বছর জুড়েই থাকবে। এবছর এক লাখ ছাড়িয়েছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। গেলো বছর এ সংখ্যা ছিল মাত্র ৯ হাজার ১৬০ জন। তাই এই বড় ব্যবধানের কারণে বছর জুড়েই ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হয়েছে হাসপাতালগুলোকে। শীত মৌসুম হওয়া সত্ত্বেও হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন নতুন রোগী। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জানান, এখনো প্রতিদিন নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হচ্ছেন। তবে এ সংখ্যা একশ’র নিচে। এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বলছেন, শীত মৌসুম হওয়া সত্ত্বেও যেহেতু নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হচ্ছেন বুঝতে হবে এডিস মশা চারপাশেই আছে। তাই রোগীর বিশেষ পরিচর্যাসহ সবার সচেতনতা জরুরি।  আর কিট তত্ত্ববিদের মতে, যেহেতু এডিস মশার অধিকাংশ দৃশ্যমান প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস করা হয়েছে, তাই এখন গুপ্তস্থানগুলো ধ্বংসে নজর দেওয়া উচিত। মশা নিধনে প্রতিটি ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্টসংস্থাগুলোর এখনো জোরালো উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।   আরো পড়ুন চিকিৎসকরা কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পি
হাসপাতালে প্রতিদিনই বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী
আরও পড়ুন
রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে শীতের সঙ্গে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি
শুক্র ও শনিবার খোলা থাকবে রাজধানীর সব ব্যাংক
রাজধানীর বাড্ডায় ফোম কারখানায় আগুন
বেঙ্গল উইন্ডসর থার্মোপ্লাস্টিকস লিমিটেডের ৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা (ভিডিও)