ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

ইসরায়েলে তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন নেতানিয়াহু

ডয়চে ভেলে

প্রকাশ : ২২ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:৫৩ পিএম
ফাইল ছবি

ইসরায়েলে ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৯ এবং ২০০৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নেতানিয়াহু। তিনি তৃতীবারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন।

ইসরায়েলের ৭৪ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে কট্টর দক্ষিণপন্থি সরকার গঠিত হতে চলেছে। এই জোট সরকারের নেতৃত্ব দেবেন নেতানিয়াহু। তার দলই পার্লামেন্টে সবচেয়ে বড় দল। কিন্তু সরকার গঠনের জন্য নেতানিয়াহুকে হাত মেলাতে হয়েছে অতি-দক্ষিণপন্থি রিলিজিয়াস জিওনিজম পার্টির প্রধান ইতামার বেন গভিরের সঙ্গে। গভিরকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ছেড়ে দিতে হয়েছে তাকে।

নেতানিয়াহুর জোটে আরও দুই শরিক আছে, তারাও কট্টর ডানপন্থি। ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট নেতানিয়াহুকে একটা সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন। তার মধ্যে নেতানিয়াহুকে জানাতে হতো, তিনি সরকার গঠন করছেন এবং কাদের সঙ্গে জোটে যাচ্ছেন। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার আধঘণ্টা আগে নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টির পক্ষ থেকে জানানো হয়, নেতানিয়াহু সরকার গঠনের জন্য আলোচনা শেষ করেছেন। তিনিই তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন।

দীর্ঘ আলোচনার পর গত কয়েক সপ্তাহ ধরে নেতানিয়াহু অতি-দক্ষিণপন্থি দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেছেন। শেষ পর্যন্ত তিনি সময়সীমার মধ্যে আলোচনা শেষ করতে পেরেছেন। তবে ইসরায়েলের সবচেয়ে বেশি দিন ধরে প্রধানমন্ত্রী থাকা নেতানিয়াহুর সামনের পথ যথেষ্ট কঠিন বলে মনে করা হচ্ছে।

নেতানিয়াহুর জোটসঙ্গীরা কিছু ক্ষেত্রে কড়া নীতি নিয়ে চলার পক্ষে। সেই নীতি নিলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের বিরোধ দেখা দিতে পারে। সেই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে উত্তেজনাও বাড়বে। আলোচনার সময় জোটসঙ্গীরা দুইটি বিষয়ের ওপর খুবই জোর দিয়েছিল। পুলিশের ওপর নিয়ন্ত্রণ যাতে তাদের হাতে থাকে এবং পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের কর্তৃত্ব বাড়ানো।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন শি জিনপিং
নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এক বার্তায় তিনি সবার প্রতি এ শুভেচ্ছা জানান। নিম্নে বার্তাটি হুবহু তুলে ধরা হলো। কমরেড, বন্ধুগণ, ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন। ২০২৩ সাল আসন্ন। আমি বেইজিং থেকে সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাই। ২০২২ সালে আমরা সফলভাবে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) বিংশ জাতীয় কংগ্রেস আয়োজন করেছি, সার্বিক সমাজতান্ত্রিক আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। আমরা চীনা বৈশিষ্ট্যময় আধুনিক চীনা জাতির মহান পুনরুজ্জীবন জোরদার করবো। এখন নতুন যুগে পরিশ্রমের নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে। চীন বিশ্বের দ্বিতীয় অর্থনৈতিক সত্তা। চীনের অর্থনীতি স্থিতিশীলভাবে উন্নত হচ্ছে। এ বছর চীনের জিডিপি ১২০ ট্রিলিয়ন ইউয়ান ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা যায়। বৈশ্বিক খাদ্য সংকটের মুখে চীনের খাদ্যশস্য উত্পাদনের পরিমাণ টানা ১৯ বছর ধরে অটুট রয়েছে। চীনা মানুষের খাদ্যের নিশ্চয়তা রয়েছে। আমরা দারিদ্র্যমোচনের সাফল্য জোরদার করেছি এবং সার্বিকভাবে গ্রামীণ পুনরুত্থান পরিকল্পনা চালু করেছি। আমরা কর হ্রাসসহ ধারাবাহিক নানান ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা সমাধান করছি। বিশেষ করে, জনগণের জরুরি ও প্রত্যাশিত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি।   কোভিড-১৯ মহামারি ছড়িয়ে পড়লে চীন বরাবরই জনগণ ও জীবনের ওপর সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়েছে। আমরা বিজ্ঞানসম্মত ও মহামারি প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়েছি এবং বাস্তব অবস্থা অনুযায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সমন্বয় করে সর্বাধিক মাত্রায় জনজীবন ও স্বাস্থ্য রক্ষা করেছি। অসংখ্য ক্যাডার ও নাগরিক, বিশেষ করে চিকিত্সক ও তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীরা সাহসের সঙ্গে অভূতপূর্ব কঠিন পরিস্থিতি ও চ্যালেঞ্জ প্রতিরোধ করেছে। যা সহজ কাজ ছিল না। বর্তমানে মহামারি প্রতিরোধের নতুন পর্যায়ে এসেছে। তবে আরও কঠিনতা দেখা যাচ্ছে। সবাইকে দৃঢ় পরিশ্রম করতে হবে। ভোর আমাদের সামনে। সবাই আরো পরিশ্রম করে, জোর দিয়ে সাফল্য অর্জন করবে। একতাই হলো সাফল্য। ২০২২ সালে কমরেড চিয়াং চ্য মিন আমাদের ছেড়ে গেছেন। আমরা গভীরভাবে তাঁর মহা সাফল্য ও মহান চেতনা স্মরণ করি। আমাদেরকে তাঁর অন্তিম ইচ্ছা লালন করতে হবে এবং নতুন যুগে চীনা বৈশিষ্ট্যময় সমাজতান্ত্রিক চেতনা সামনে এগিয়ে নিতে হবে। ইতিহাসের দীর্ঘ নদীর ঢেউ প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধরে চীনা মানুষের অব্যাহত পরিশ্রমের হাত ধরে বর্তমান চীন গড়ে উঠেছে।   আজকের চীন ধারাবাহিক স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছে। বেইজিং শীতকালীন অলিম্পিক গেমস ও প্রতিবন্ধী অলিম্পিক গেমস সফলভাবে আয়োজন করা হয়েছে। খেলোয়াড়রা গর্বিত সাফল্য অর্জন করেছে। শেনচৌ ১৩, ১৪, ১৫ নং মহাকাশযান মহাকাশে পৌঁছে গেছে। বিরাট চীনা মহাকাশ স্টেশন তৈরি হয়েছে। আমাদের মহাকাশের বাসস্থান গঠন করা হয়েছে। এ বছর চীনা মুক্তি ফৌজের ৯৫তম জন্মবার্ষিকী। ব্যাপক সেনারা শক্তিশালী বাহিনী গঠনের জন্য পরিশ্রম করছেন। তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী চালু হয়েছে, প্রথম সি৯১৯ বড় বিমান হস্তান্তর হয়েছে, পাই হ্য থান জলবিদ্যুত কেন্দ্র সর্বোচ্চ উত্পাদন শুরু করেছে। এসব সাফল্য অসংখ্য চীনা মানুষের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে গড়ে উঠেছে। আর, কিছু কিছু অগ্নিস্ফুলিঙ্গ দিয়েই মশাল জ্বালানো যায়। এটাই হলো চীনা শক্তি।   আজকের চীন প্রাণশক্তিতে পরিপূর্ণ চীন। বিভিন্ন অবাধ বাণিজ্যিক পরীক্ষামূলক এলাকা এবং হাইনান অবাধ বাণিজ্য বন্দর নির্মিত হয়েছে। উপকূলীয় এলাকা আলাদাভাবে উন্নত হচ্ছে। পশ্চিম-মধ্যাঞ্চলে উন্নয়ন দ্রুততর হয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পুনরুজ্জীবন শুরু হয়েছে। সীমান্ত অঞ্চলের বাসিন্দাদের জীবন আরো সমৃদ্ধ হয়েছে। চীনা অর্থনীতি অস্থিতিশীল, সুপ্তশক্তি বিরাট, চালিকাশক্তি প্রচুর, স্থায়ী উন্নয়নের পরিস্থিতি এখনো পরিবর্তন হয় নি। আমাদের আস্থা জোরদার করে স্থিতিশীলভাবে উন্নত হতে হবে, এতে অবশ্যই নির্দিষ্ট লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা যাবে। এ বছর আমি হংকংয়ে গিয়েছিলাম। হংকংয়ের প্রশাসন থেকে সমৃদ্ধ পরিবর্তন দেখে আমি গভীর আনন্দিত। দৃঢ়ভাবে ‘এক দেশ, দুই সামাজিক ব্যবস্থা’ বাস্তবায়ন করলে হংকং ও ম্যাকাওয়ে অবশ্যই স্থায়ী সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা আসবে।   বর্তমান চীন জাতীয় চেতনা বজায় রাখা একটি দেশ। এ বছর সংঘটিত ভূমিকম্প, বন্যা, খরা, পাহাড়ে আগুনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও কিছু দুর্ঘটনা আমাদের কষ্ট দিয়েছে। তবে, অন্যকে বাঁচানোর জন্য নিজের জীবন বিসর্জন দেওয়ার বিষয় আমাদেরকে মুগ্ধ করেছে। বীরদেরকে আমরা আজীবন মনে রাখব। যখন নতুন বছর আসে, তখনই চীনা জাতির হাজার বছরের উত্তরাধিকারের চেতনা মনে পড়ে। যা আমাদেরকে সামনে অগ্রসরের সাহস দেয়।   আজকের চীন ঘনিষ্ঠভাবে বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগের চীন। এ বছর আমার বেইজিংয়ে অনেক নতুন ও পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা করেছি এবং বিদেশ সফর করেছি। আমি নানা দেশে চীনা প্রস্তাব ব্যাখ্যা করেছি। শত বছরে পরিবর্তনের গতি দ্রুত হয়ে উঠছে। বিশ্ব এখন অশান্ত। আমরা বরাবরই শান্তি ও উন্নয়নকে মূল্যায়ন করি। আমরা বন্ধু ও অংশীদারদের মূল্যায়ন করি এবং দৃঢ়ভাবে ইতিহাসের সঠিক পথে ও মানবসভ্যতার অগ্রগতির দিকে থাকি। আমরা মানবজাতির শান্তি ও উন্নয়নের জন্য চীনা বুদ্ধি ও চীনা পরিকল্পনার যোগান দেই।   সিপিসি’র বিংশ জাতীয় কংগ্রেসের পর আমি বয়স্ক কমরেডদের সঙ্গে ইয়ান’আনে গিয়েছিলাম। সেখানে সিপিসি’র কেন্দ্রীয় কমিটি মানবজাতির দুর্লভ কঠিনতাকে পরাজিত করার ইতিহাস পুনরায় অনুভব করেছি এবং আগের প্রজন্মের সিপিসি’র সদস্যদের আত্মার শক্তি অনুভব করেছি। আমি সবসময় বলি, কঠিন ও চ্যালেঞ্জ আমাদেরকে গড়ে তুলেছে। সিপিসি শত বছরের সাহস দিয়ে পরিশ্রম করে চীনের আরো সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলেছে। আগামীকাল চীন পরিশ্রমের মাধ্যমে অবশ্যই বিস্ময় সৃষ্টি করবে। চীনের প্রাচীন বিখ্যাত কবি সু শি বলেছিলেন, সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ সমাধান করতে হবে এবং সবচেয়ে মহান লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে হবে। কেবলমাত্র দীর্ঘ পথেই গন্তব্যে পৌঁছানো যায়। কেবলমাত্র কঠিন বিষয়েই সফলতা থাকে। আমাদেরকে সাহস ও ধৈর্যের সঙ্গে পরিশ্রম করতে হবে। এক ধাপ এক ধাপ করে হাজার কিলোমিটার যাওয়া যায়। অবশ্যই মহান লক্ষ্য সুন্দর বাস্তবে পরিণত হবে।   আগামীকাল চীনের শক্তি একতা থেকে আসবে। বিশাল চীনে বিভিন্ন মানুষের বিভিন্ন চাহিদা আছে। একই ইস্যুতে বিভিন্ন মত রয়েছে, এটাই স্বাভাবিক। যোগাযোগ ও পরামর্শের মাধ্যমে একমত হতে হবে। ১৪০ কোটি চীনা মানুষ একই লক্ষ্যে একসঙ্গে পরিশ্রম করলে অবশ্যই কঠিন পথ পার হওয়া যাবে। দু’তীরের বাসিন্দারা একই পরিবারের সদস্য। আমি আন্তরিকভাবে আশা করি, দু’তীরের স্বদেশীরা একসঙ্গে চীনা জাতির স্থায়ী সুখ গড়ে তুলবেন।   যুবকরা আগামী চীনের আশা। যুবকদের উত্থান হলে দেশ সমৃদ্ধ হবে। চীনের উন্নয়ন যুবকদের ওপর নির্ভর করে। যুবকরা প্রাণপ্রাচুর্যে পূর্ণ। যুবকদের বুক ভরা আশা আছে। অসংখ্য যুবকের প্রণয়বন্ধন ও পরিশ্রম যুগ ও সময়কে সফল করে তুলবে।   এখন আরো বেশি মানুষ তাদের কাজে ব্যস্ত। নতুন বছরের ঘণ্টা বাজাবে। চলুন, আমরা ভবিষ্যতের সুন্দর আশা দিয়ে একসঙ্গে ২০২৩ সালের প্রথম সূর্যকে স্বাগত জানাই। মাতৃভূমির সমৃদ্ধি ও স্বাচ্ছন্দ্য, দেশ ও জনগণের নিরাপত্তা এবং বিশ্বের শান্তি, সৌন্দর্য, ও সুখ কামনা করি। সবাইকে আবারও নববর্ষের শুভেচ্ছা। সবার আশা পূরণ হোক। ধন্যবাদ।
নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন শি জিনপিং
সাবেক পোপ বেনেডিক্ট মারা গেছেন
খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ধর্মগুরু ভ্যাটিকান সিটির সাবেক পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট মারা গেছেন। ৯৫ বছর বয়সী এই ধর্মযাজক কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। খবর বিবিসির। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) নিজ বাসভবনে মারা যান ষোড়শ বেনেডিক্ট। ভ্যাটিকান কর্তৃপক্ষ এক ঘোষণায় তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছে।  এর আগে, তার অসুস্থতার খবর জানিয়ে প্রার্থনার আহ্বান জানান বর্তমান পোপ ফ্রান্সিস। পোপ অ্যামিরেটাস ষোড়শ বেনেডিক্ট ২০০৫ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। পোপ দ্বিতীয় জন পল-এর মৃত্যুর পর ২০০৫ সালের তিনি পোপ নির্বাচিত হন। ২০১৩ সালে ক্যাথলিক চার্চের প্রধান ও একইসঙ্গে ভ্যাটিকান প্রধানের পদ থেকে বয়সের কারণে বেনেডিক্ট  স্বেচ্ছায় ইস্তফা দেন। তার পরে পোপ হিসেবে আসেন ফ্রান্সিস।  ষোড়শ বেনেডিক্ট ভ্যাটিকানের ৬০০ বছরের ইতিহাসে একমাত্র পোপ যিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণে ক্ষমতা ছেড়েছিলেন। তার পদত্যাগের ঘটনা ওই সময় পুরো বিশ্বে সাড়া ফেলে ছিল।
সাবেক পোপ বেনেডিক্ট মারা গেছেন
জাপান সাগরে উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ
বছরের শেষ দিন জাপান সাগরে উত্তর কোরিয়া তিনটি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিক্ষেপ করা হয় বলে জানিয়েছে জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। খবর আলজাজিরার।   এ বিষয়ে  জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, সকাল ৮টার দিকে প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। এরপর সোয়া ৮টার দিকে একটি এবং এর কয়েক মিনিট পর আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। আগেই আশপাশে বিমান এবং জাহাজগুলোকে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। যে কারণে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।   উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ের শহরতলী থেকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিক্ষেপ করা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। ৬২ মাইল উচ্চতায় উঠে এগুলো ২১৭ মাইল উড়ে পড়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো জাপান সাগরে পড়লেও এর অবস্থান ছিল দেশটির অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরে।  
জাপান সাগরে উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ
নারী সাংবাদিকতার পথিকৃৎ বারবারা ওয়াল্টারস আর নেই
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত টিভি সাংবাদিক ও উপস্থাপক বারবারা ওয়াল্টারস (৯৩) মারা গেছেন। বারবারা ওয়াল্টারসের মাধ্যমেই টিভি সাংবাদিকতায় নারীদের পদার্পণ ঘটে। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ তার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে।   বারবারা ওয়াল্টারসকে টেলিভিশনে নারী সাংবাদিকতার পথিকৃৎ বলা হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদভিত্তিক টিভি নেটওয়ার্ক এবিসি নিউজে সংবাদ উপস্থাপক হিসেবে কাজ করেন তিনি। প্রাইমটাইম শো ২০/২০ উপস্থাপনাও করেন তিনি।  এ ছাড়া ১৯৯৭ সালে তিনি নারীদের নিয়ে ‘দ্য ভিউ’ নামে একটি শো শুরু করেন। এটিও ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। সাংবাদিকতা ক্যারিয়ারে ১২ বার অ্যামি অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছিলেন বারবারা ওয়াল্টারস।
নারী সাংবাদিকতার পথিকৃৎ বারবারা ওয়াল্টারস আর নেই
গুজরাটে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৯
ভারতের গুজরাটে যাত্রীবোঝাই একটি বাসের সঙ্গে টয়োটা ফরচুন গাড়ির সংঘর্ষে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোরে গুজরাটের নবসারী জেলায় ৪৮ নম্বর জাতীয় সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির তথ্যমতে, বাসটি একটি অনুষ্ঠান শেষে যাত্রী নিয়ে ফিরছিল। পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি টয়োটা ফরচুন গাড়িকে ধাক্কা দিলে এ ঘটনা ঘটে। আহত ২৮ জনের মধ্যে ১১ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে পুলিশ বলছে, বাসের চালক দুর্ঘটনার আগ মুহূর্তে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় বাসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। ফলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি শোক এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
গুজরাটে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৯
আরও পড়ুন
নতুন বছরে সব সংকট দূরীভূত হোক : প্রধানমন্ত্রী
অতীতের কোনো সরকার শিক্ষার জন্য তেমন কিছুই করেনি : প্রধানমন্ত্রী
লাওসের নতুন প্রধানমন্ত্রী সোনেক্সে সিফানডোন
নরেন্দ্র মোদির মায়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক