ঢাকা শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ইরানের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পাশে থাকবে চীন: শি জিনপিং

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ অক্টোবর ২০২৪, ০২:১৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মাঝেও ইরানকে তার নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় চীন সমর্থন দিয়ে যাবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

বৃহস্পতিবার (২৫ অক্টোবর) চীনা সংবাদমাধ্যম দ্য সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বুধবার (২৪ অক্টোবর) ব্রিকস সম্মেলনের সাইডলাইনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সেখানে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অস্থিরতার মাঝেও ইরানের প্রতি চীনের সমর্থন অটল থাকবে বলে জানান জিনপিং।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানায়, বৈঠকে জিনপিং বলেছেন, ইরানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায়, দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে অগ্রগতি ধরে রাখতে এবং প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত ও গভীর করতে সমর্থন দিয়ে যাবে চীন।

বৈঠকে পেজেশকিয়ান বলেন, অবকাঠামো ও ক্লিন এনার্জির মতো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাতগুলোতে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে ইচ্ছুক তেহরান।

‘বৈশ্বিক আধিপত্য ও বল প্রয়োগের বিরোধিতায়’ ইরান চীনের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নেবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি। জুলাইয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথম চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠক করলেন পেজেশকিয়ান।

এই বৈঠক এমন এক সময়ে হয়েছে, যখন ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে ইরান। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ইরান-সমর্থিত হামাস ও হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার পর সম্প্রতি ইরানে আক্রমণের হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল।

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষাবিষয়ক মন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট ঘোষণা দিয়েছেন, ১ অক্টোবর ইরানের করা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্র প্রতিশোধ নেবে ইসরায়েল। সেই হামলা পুরো বিশ্বকে ইসরায়েলের সামরিক সামর্থ্য জানান দেবে বলেও হুমকি দেন তিনি।

বৈঠকে জিনপিংও মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেন। গাজায় ‘যত দ্রুত সম্ভব’ যুদ্ধবিরতি শুরু করা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আরটিভি/একে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দেশটির সিউল ওয়েস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। উচ্চ-পদস্থ কর্মকর্তাদের দুর্নীতি তদন্তের দায়িত্বে থাকা দ্য করাপশন ইনভেস্টিগেশন অফিস ফর দ্য হাই-র‌্যাঙ্কিং অফিশিয়ালস (সিআইও) নিশ্চিত করেছে, সামরিক আইন জারিকে কেন্দ্র করে তদন্তকারীদের অনুরোধে প্রেসিডেন্ট ইউনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে সিউল ওয়েস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট।   স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার সাংবিধানিক ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলো।   প্রসঙ্গত, ৩ ডিসেম্বর দেশে সামরিক আইন জারি করেছিলেন ইউন। কিন্তু জনগণ এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানালে সামরিক আইন জারির ছয় ঘণ্টার মাথায় তা প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। এর জেরে ১৪ ডিসেম্বর পার্লামেন্টে তিনি অভিশংসিত হন। তাকে বরখাস্ত করা হয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
ভারতীয় ভিসা বন্ধে ভ্রমণ খাতে বিরূপ প্রভাব 
বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা বন্ধের জেরে যশোরের বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে দুই দেশের মধ্যে একেবারে কমেছে পাসপোর্টধারী যাত্রীর চলাচল। এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে উভয় দেশের ভ্রমণ খাতে। বাংলাদেশের ক্ষতির পাশাপাশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন শিল্পে অচলাবস্থা নেমে এসেছে।   সংশিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) বেনাপোল-পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন ব্যবহার করে ভারতে গেছেন ১৪৭১ জন পাসপোর্টধারী যাত্রী। এর মধ্যে বাংলাদেশি ছিলেন ১ হাজার ১৯৪ জন, ভারতীয় ২৭৪, জাপানের ২ ও একজন নেপালের পাসপোর্টধারী ছিলেন। এছাড়া খুলনা-কলকাতা রুটে ‘বন্ধন’ রেলে যাত্রীসেবা এখনও বন্ধ থাকায় নিরাপদ যাতায়াতে বেড়েছে ভোগান্তি। তবে জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভিসা সীমিত ও দু’দেশের মধ্যে রেলপথে যাত্রী সেবা বন্ধ করে দেয় ভারত।   সূত্রমতে, যশোরের বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে যাওয়া বাংলাদেশিদের একটি বড় অংশ যান চিকিৎসা ও দর্শনীয় স্থান ভ্রমণে। অন্যদিকে, যেসব ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশে আসেন, তাদের একটি বড় অংশ আসেন কম খরচে মেডিকেল শিক্ষার জন্য। বর্তমানে দেশের ১০৮টি মেডিকেল কলেজে ১০ হাজারের বেশি বিদেশি অধ্যয়নরত, যাদের বেশিরভাগ ভারতীয়। এছাড়া ট্যুরিস্ট ও ওয়ার্ক ভিসায় দেশে প্রায় ১০ লাখের মতো ভারতীয় চাকরি করছেন।  বাংলাদেশ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরলেও নানান অজুহাত দেখিয়ে এখনও স্বাভাবিক ভিসা প্রদান ও রেল পথে বেনাপোল-পেট্রাপোল হয়ে যাত্রী সেবা বন্ধ রেখেছে ভারত সরকার। এতে একদিকে ভিসা না পেয়ে যাত্রী যাতায়াত যেমন কমে এসেছে, তেমনি স্বাভাবিক সময়ে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর ব্যবহার করে দুদেশের মধ্যে ৮ থেকে ১০ হাজার পাসপোর্টধারী যাতায়াত করলেও এখন তা কমে দেড় হাজারের ঘরে নেমেছে।  সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জানান, ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্রে দুই দেশেই ক্ষতির শিকার হচ্ছে। কেবল বেনাপোল রুটে ভ্রমণ খাতে ভিসা ফি বাবদ বাংলাদেশিদের কাছ থেকে বছরে প্রায় ২০০ কোটি টাকা আয় করে থাকে ভারতীয় দূতাবাস। তবে এখনও ‘বন্ধন’ রেল পরিষেবা বন্ধ থাকায় এ পথে যাতায়াতকারী পাসপোর্টধারীদের ভোগান্তি বেড়েছে।  বিষয়টি নিশ্চিত করে বেনাপোল স্থলবন্দর প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের ইনচার্জ আব্দুল হাফিজ জানিয়েছেন, ভিসা স্বাভাবিক না থাকায় যাত্রী একেবারে কমে এসেছে। আরটিভি/কেএইচ
ভারতীয় ভিসা বন্ধে ভ্রমণ খাতে বিরূপ প্রভাব 
হাসপাতালে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় সময় রোববার (২৯ ডিসেম্বর) তার প্রস্টেট অপসারণের অস্ত্রপচার হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার অস্ত্রপচার সফল হয়েছে এবং তিনি ভালো আছেন। এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের হাদাসাহ মেডিক্যাল সেন্টার জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর জ্ঞান ফিরেছে, তিনি ভালো আছেন। শনিবার নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক ঘোষণায় জানিয়েছে যে, তিনি মূত্রনালীর সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন। গত মার্চে নেতানিয়াহুর হার্নিয়ার অস্ত্রপচার হয়েছিল। এর আগে, গত ২৩ ডিসেম্বর দুর্নীতি মামলায় নিজের বক্তব্য পেশ করতে আদালতে হাজির হয়েছিলেন নেতানিয়াহু। ইসরায়েলের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালন অবস্থায় ফৌজদারি অপরাধের মুখোমুখি হয়েছেন। তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করছেন তিনি। এদিকে গাজায় গত ২৪ ঘণ্টায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর হামলায় আরও ৩০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে গত বছরের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৫ হাজার ৫১৪ জনে পৌঁছেছে বলে রোববার অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। চলমান এই হামলায় আরও অন্তত এক লাখ ৮ হাজার ১৮৯ জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন। গাজা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত আগ্রাসনে ৩০ জন নিহত এবং আরও ৯৯ জন আহত হয়েছেন।   আরটিভি/এস
হাসপাতালে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু
ইসরায়েলি বর্বর হামলায় আরও ৩০ ফিলিস্তিনি নিহত
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর হামলায় আরও ৩০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। বার্তাসংস্থা আনাদোলু এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত আগ্রাসনে ৩০ জন নিহত এবং আরও ৯৯ জন আহত হয়েছেন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন। গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর থেকে গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ৪৫ হাজার ৫০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত এক লাখ ৮ হাজার ১৮৯ জন। এ ছাড়া দখলদারদের হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। ইসরায়েলি আগ্রাসনে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। উল্লেখ্য, ইসরায়েল ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে। আরটিভি/আরএ
ইসরায়েলি বর্বর হামলায় আরও ৩০ ফিলিস্তিনি নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার মারা গেছেন
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১০০ বছর। স্থানীয় সময় রোববার (২৯ ডিসেম্বর) জিমি কার্টার সেন্টার এক বিবৃতি এই তথ্য জানিয়েছে। খবর এনবিসি নিউজের। যুক্তরাষ্ট্রের ৩৯তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন কার্টার। কার্টার এক মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জর্জিয়ায় নিজ শহর প্লেইনসে জীবনের শেষ সময়ের সেবাযত্নে ছিলেন। এনবিসি নিউজের তথ্যমতে, জিমি কার্টারই প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি তার ১০০তম জন্মদিনে পৌঁছেছিলেন।  যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশিদিন বাঁচা প্রেসিডেন্ট কার্টার। ২০০২ সালে মানবাধিকার নিয়ে কাজ করার জন্য শান্তিতে নোবেল পেয়েছিলেন তিনি। কার্টারের যাত্রা শুরু হয়েছিল জর্জিয়ার প্লেইন্সের ছোট্ট শহরে। তিনি সেখানে ১ অক্টোবর, ১৯২৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীতে একজন অফিসার হিসেবে তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরের পারমাণবিক সাবমেরিন বহরের উন্নয়নে সহায়তা করেছিলেন। নৌবাহিনীতে একজন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পরকার্টার পারিবারিক চিনাবাদাম চাষের ব্যবসা চালানোর জন্য ১৯৫৩ সালে তার নিজ শহরে ফিরে আসেন। তিনি ১৯৬০-এর দশকে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন, ১৯৭১ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত রাজ্যের ৭৬তম গভর্নর হওয়ার আগে জর্জিয়ার বিধায়ক হিসাবে দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কার্টার, একজন ডেমোক্র্যাট, রিপাবলিকান ক্ষমতাসীন জেরাল্ড ফোর্ডের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, যিনি ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির পরিপ্রেক্ষিতে রিচার্ড নিক্সন পদত্যাগ করার পরে রাষ্ট্রপতির পদে অভিষিক্ত হন। কার্টার ফোর্ডকে পরাজিত করে প্রেসিডেন্ট হন। আরটিভি/একে
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার মারা গেছেন
আরও পড়ুন
ঢেলে সাজানোর আগে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ অনুমোদন গ্রহণযোগ্য নয়: টিআইবি
সচিবালয়ের নিরাপত্তার স্বার্থে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার সীমিত
প্রথম আলোর সম্পাদকসহ ৩ জনকে অব্যাহতি
রোহিঙ্গা সংকট আঞ্চলিক নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা