ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

কুরআন শরিফ হাতে লিখলেন ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৪:৪২ পিএম

ছেলেবেলা থেকেই ইচ্ছে ছিল নিজ হাতে লিখবেন পুরো কুরআন শরিফ। সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পরই সে স্বপ্ন পূরণ করলেন। পুরো কুরআন শরিফ নিজ হাতে লিখলেন বাষট্টি বছর বয়সী মুহাম্মদ আবদুল মকসুদ মুহাম্মদ।

মিশরের মানফালুত শহরের একটি মক্তবে কুরআনের হাফেজ হন। মক্তবের শিক্ষক রোজ ছাত্রদেরকে প্রতিদিনের মুখস্ত করা অংশ স্লেটে লিখতে বলতেন। কুরআন শরিফের মান, নকশা ও লিখনপদ্ধতির হুবহু অনুকরণে লেখার তাগিদ দিতেন। এতে তিনি মুগ্ধ হন। হৃদয়ে অঙ্কিত হয়ে যায় এ পদ্ধতি। সিদ্ধান্ত নেন হিফজ শেষ করে এভাবে পুরো কুরআন শরিফ লিখবেন নিজ হাতে।

সৌদি আরবভিত্তিক জনপ্রিয় গণমাধ্যম আল আরাবিয়ার আরবি ওয়েবসাইটকে আবদুল মকসুদ বলেন, মানফালুত শহরে তিনি মানি চেঞ্জার হিসেবে কাজ করতেন। অবসর গ্রহণের কয়েক মাস আগে সিদ্ধান্ত নেন পবিত্র কুরআন লেখার আজীবন লালিত স্বপ্ন এবার বাস্তবায়ন করবেন। মুখস্ত যাতে ভুলে না যান সে জন্য তিনি রোজ সময় বেঁধে কুরআন তেলাওয়াত করতেন। তারপর আড়াই বছরের নিমগ্ন সাধনায় জীবনের সবচেয়ে অমূল্য স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে সক্ষম হন।

দৈনিক এশার নামাজের পর তিনি কুরআন লিখতে বসতেন। টানা এক থেকে দেড়ঘণ্টা লিখতেন। সাধারণ কলম এবং মিশরীয় বাজারে সহজলভ্য উপকরণ দিয়েই লিখতেন। দুই-তিন পৃষ্ঠা লিখতেন। যখন অবসাদ লাগত, অনুলিপি করা পৃষ্ঠাগুলো ভাঁজ করে রেখে দিতেন। মার্জিনের নকশা হিসেবে তিনি ব্যবহার করেছেন সবুজ কালির কলম। আয়াত নাম্বার লিখেছেন কালো কালিতে। আর আরবি হস্তলিপির উসমানি রীতিতে। তারপর পূর্ণ তিন খণ্ডে একত্রিত করেছেন লিখিত পৃষ্ঠাগুলো। বিশ্বখ্যাত আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ আলেমগণ তার লেখা পুরো কুরআন রিভিউ করেছেন। তারা কোনো ত্রুটি খুঁজে পাননি।

আবদুল মকসুদ জানিয়েছেন, লেখার সময় তিনি বিরাট সৌভাগ্য অনুভব করতেন। অনুভব করতেন তার ওপর শান্তি, প্রশান্তি ও মানসিক সুখ অবতীর্ণ হচ্ছে। লেখার সময়গুলোই তার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান ও সৌভাগ্যমণ্ডিত মুহূর্ত। কুরআন লেখার বিনিময়ে তিনি কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করেন।

পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আফগানিস্তানে বোমা হামলায় নিহত ১৫
আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় জালালাবাদ শহরে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরো ১৪ জন। খবর রয়টার্স।  আফগান সরকারের মুখপাত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, রোববার ওই এলাকার সাবেক সিটি গভর্নরের জানাজার সময় আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটালে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। এখনো কোনো গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার করেনি। স্থানীয় প্রদেশের গভর্নরের মুখপাত্র আহমদ জিয়া আবদুজজাই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। নানগারহর প্রদেশের গভর্নরের আরেক মুখপাত্র নুর আহমদ হাবিবি জানান, রোববার প্রদেশের এক জেলার সাবেক চেয়ারম্যানের জানাজায় এ হামলা চালানো হয়। তাৎক্ষণিক কেউ এ হামলায় দায়-দায়িত্ব স্বীকার করেনি। তবে সম্প্রতি আফগানিস্তানে তালেবান ও আইএসের হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় তোলো নিউজ চ্যানেল এক নিরাপত্তা কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, প্রথমে হামলায় ১০ জন নিহত হয়েছে। পরবর্তীতে এ সংখ্যা বেড়ে ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য, গেলো বৃহস্পতিবার রাজধানী কাবুলে শিয়া সম্প্রদায়ের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে ও সংবাদ সংস্থার কার্যালয়ে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে অন্তত ৪০ জন নিহত ও ৮৪ জন আহত হন। পরে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস ওই হামলার দায় স্বীকার করে। ভয়াবহ ওই হামলার শোক কাটিয়ে না উঠতেই ফের হামলা চালালো সন্ত্রাসীরা। এপি/এসএস
আফগানিস্তানে বোমা হামলায় নিহত ১৫
স্ত্রী-সন্তানের পর চলে গেলেন নিজেও
বউ এবং দুই সন্তানকে নিয়ে ওমরাহ করতে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন ইতালি প্রবাসী কামরুল ইসলাম নিলয়। মক্কায় সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী ও দুই ছেলের পর নিজেও চলে গেলেন না ফেরার দেশে। বৃহস্পতিবার সড়ক দুর্ঘটনার পর নিলয় গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার পর স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় মারা যান। এর আগে দুর্ঘটনার দিনই ঘটনাস্থলে নিহত হন নিলয়ের স্ত্রী তানিয়া হোসেন(৩০) এবং তাদের ছেলে ইউসা হোসাইন(৮) ও আযান হোসেন(৩)। তারা ওমরাহ করতে ইতালি থেকে গত শনিবার সৌদি আরবে গিয়েছিলেন বলে জেদ্দা কনস্যুলেটের লেবার কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন। তিনি আরো জানান, নিলয়ের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের পৌর এলাকার মুন্সেফপাড়ায়। নিহতদের মরদেহ মক্কার আল-হেরা ও আল-নূর হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হয়েছে। মক্কা প্রবাসী নয়ন শেখ জানান, বৃহস্পতিবার ওমরাহ পালন শেষে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মদিনা যাচ্ছিলেন নিলয়। পাহাড়ি পথে তাদের প্রাইভেট কারের চাকা পাংচার হয়ে পাশের খাদে পড়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে। জুয়েল নামে নিলয়ের এক স্বজন ওই গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তিনিও আহত হয়েছেন। নিলয়ের চাচাতো ভাই সরকার আমিন জানান, দুর্ঘটনার পর মারাত্মক আহত অবস্থায় নিলয়কে উদ্ধার করে মক্কা কিং আব্দুল আজিজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়। এপি/কে
স্ত্রী-সন্তানের পর চলে গেলেন নিজেও
যৌন নির্যাতন থেকে ৫১ মাদ্রাসা ছাত্রী উদ্ধার
ভারতের উত্তরপ্রদেশে এক মাদ্রাসায় যৌন নির্যাতনের কবল থেকে ৫১ ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার  উদ্ধার হওয়া ওই ছাত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে লক্ষ্ণৌয়ের সাহাদতগঞ্জের জামিয়া খাদিজাতুল লিলানওয়াত মাদ্রাসার ডিরেক্টর কাজি মোহাম্মদ তৈয়ব জিয়াকে। তার বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অত্যাচার, যৌন হেনস্থা, ধর্ষণের চেষ্টার মতো অভিযোগ জানিয়েছে ছাত্রীরা। খবর দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। জানা গেছে, মাঝেমধ্যেই কাগজের টুকরো পড়ে থাকতে দেখা যেত মাদ্রাসার পাশের রাস্তায়। তবে তাতে কেউ তেমন সাড়া দেননি। হয়তো ভেবেছিলেন, আবাসিক মাদ্রাসার বাচ্চা মেয়েগুলোর কাজ। কিন্তু একদিন এক পথচারীর সামনে একটি কাগজের টুকরো এসে পড়লে, তিনি তা খুলে দেখেন যে সেখানে লেখা রয়েছে, ‘আমাদের বাঁচান’। দেরি না করে তিনি খবর দেন মাদ্রাসার মালিককে। তারপর তিনি যোগাযোগ করেন পুলিশের সঙ্গে। শুক্রবার রাত ন’টা নাগাদ প্রশাসন ও পুলিশের একটি যৌথ বাহিনী হানা দেয় ওই মাদ্রাসায়। পরে সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় ৫১ জন নাবালিকাকে। উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চল, তা ছাড়া অন্যান্য রাজ্য থেকেও ওই মাদ্রাসায় ভর্তি হতে আসত ছাত্রীরা। মোট ছাত্রীসংখ্যা ছিল ১২৬। তার মধ্যে শুক্রবার ওই সময়ে মাদ্রাসায় ৫১ জন ছাত্রী ছিল। এসএসপি দীপক কুমারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বড় দল মাদ্রাসায় হানা দিলে হইচই পড়ে যায়। পালাতে পারেনি কাজি। তাকে ধরে ফেলে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশ জানিয়েছে, মাদ্রাসার ভিতরে যে এই কাজ চলছে, তার কিছুই জানতেন না বলে দাবি করেছেন মাদ্রাসার মালিক। তিনি ওই মাদ্রাসা থেকে বেশ কিছুটা দূরে অন্যত্র থাকতেন। দীপক কুমার বলেন, ‘গোমতী নগরের বাসিন্দা ১৫ বছরের এক কিশোরী লিখিত অভিযোগে জানিয়েছে, তাদের উপর যৌন নির্যাতন চালাতো ওই কাজি। আরো ৭ ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ জানিয়েছে সে।’ উদ্ধার হওয়া আর এক ছাত্রী জানিয়েছে, কাজির সঙ্গে যৌন সম্পর্কে রাজি না হলেই মারধর করা হতো তাদের। উদ্ধার হওয়া ছাত্রীদের আপাতত সেফ হোমে পাঠানো হয়েছে। এপি/এএ
যৌন নির্যাতন থেকে ৫১ মাদ্রাসা ছাত্রী উদ্ধার
ইরানে বিক্ষোভ চলতে থাকলে শক্ত হাতে দমনের হুমকি সরকারের
ইরানে সরকার বিরোধী বিক্ষোভকারীদের আন্দোলন চলতে থাকলে তা শক্ত হাতে দমন করা হবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছে দেশটির বিপ্লবী বাহিনী। খবর বিবিসি। দেশটিতে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে জীবনমান নিম্নমুখী হয়েছে। এমন অভিযোগে তৃতীয় দিনের মতো ইরানের বিভিন্ন বড় শহরে বিক্ষোভ চলছে। বিপ্লবী বাহিনীর কমান্ডার অভিযোগ করেছেন, বিক্ষোভকারীরা দ্রব্যমূল্যের বাইরে রাজনৈতিক ইস্যুতে স্লোগান দিচ্ছে এবং তারা সরকারি সম্পত্তিতে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। ইরানের এক সংবাদ সংস্থাকে ব্রিগেডিয়ার ইসমাইল কাওসারি বলেছেন, বিক্ষোভকারীরা যদি দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদেই রাস্তায় নামত, তাহলে তারা সরকার বিরোধী স্লোগান দিত না। ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হুশিয়ারি দিয়েছেন, আইন ভঙ্গকারী এবং সরকারি সম্পদ ধ্বংসকারীদের পরে জবাবদিহি করতে হবে এবং আজকের বিক্ষোভের জন্য কঠিন মূল্য দিতে হবে। ২০০৯ সালে সংস্কারের দাবীতে ব্যাপক বিক্ষোভের পর এই প্রথম দেশটিতে এরকম বড় প্রতিবাদ হচ্ছে। শুক্রবার দেশটির উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ পরে অন্য শহরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। তেহরানে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও বিক্ষোভ হচ্ছে। রোববার খোরামাবাদ, যানজান ও আহভাজ শহরে মিছিল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির পদত্যাগ ও তার নিপাত যাওয়ার দাবীতে স্লোগান দেয়া হয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলিউশনস গার্ড বা বিপ্লবী বাহিনীর সঙ্গে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সম্পর্ক বেশ ঘনিষ্ঠ এবং এই বাহিনী দেশে ইসলামি শাসন ব্যবস্থা চালু রাখতে বদ্ধ পরিকর। মূলত দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ শুরু হলেও তা এখন সরকার বিরোধী বিক্ষোভে রূপ নিয়েছে। শনিবার  ইরানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক নির্দেশে কোন বিক্ষোভে অংশ না নিতে জনগণকে সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু শনিবার সামাজিক মাধ্যমে অজ্ঞাতপরিচয় পোস্ট থেকে ইরান জুড়ে আরো বিক্ষোভের ডাক দেয়া হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে হাজার হাজার মানুষ বিভিন্ন শহরের বিক্ষোভে অংশ নেয়। শনিবার রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যম দাবি করে, সরকারের সমর্থনে হাজার হাজার মানুষ মিছিল করছে। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ব্যাপক বিক্ষোভও ইরানের সরকার কঠোরভাবে দমন করেছিল। এপি/এএ
ইরানে বিক্ষোভ চলতে থাকলে শক্ত হাতে দমনের হুমকি সরকারের
বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে কেনিয়ায় নিহত ৩০
কেনিয়ার মধ্যাঞ্চলের একটি সড়কে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। রোববার ভোরের দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনায় আরো কমপক্ষে ১৬ জন আহত হয়েছেন। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া। রিফট উপত্যকা পুলিশের প্রধান জিরো অ্যারোমি হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ৩০ জন মারা গেছে। নাকুরু শহরের কাছে ভোর তিনটার দিকে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে। ধ্বংসাবশেষের ভেতর থেকে সব মরদেহ উদ্ধার ও আহতদের হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। নাকুরু-এলদোরেত মহাসড়কে কেনিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের বুসিয়া থেকে নাকুরুগামী একটি বাসের সঙ্গে নাকুরু থেকে আসা একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পুলিশ জানায়, চলতি মাসে এ মহাসড়কে নিহতের সংখ্যা একশ’তে পৌঁছেছে। জিরো অ্যারোমি বলেন, সংঘর্ষে দুই গাড়ির চালকও মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে তিন বছরের এক শিশুও রয়েছে। আহতদের উদ্ধারের পর নাকুরু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া এক যাত্রী হাসপাতালের বিছানা থেকে বলেন, দুর্ঘটনার সময় বাসের পেছনের আসনে ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি। কেনিয়ার সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, দেশটিতে প্রত্যেক বছর দুর্ঘটনায় প্রায় ৩ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে। এপি/এএ
বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে কেনিয়ায় নিহত ৩০