
দখলদার ইসরায়েলকে সহায়তা করা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস গাজা সিটিতে প্রকাশ্যে আটজন ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। সংবাদমাধ্যম সাফাক জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) একটি ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে এই আটজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
গাজার অভ্যন্তরীণ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কিছু গোষ্ঠী যুদ্ধের বিশৃঙ্খলাকে কাজে লাগিয়ে মানবিক সহায়তা লুটপাট এবং বেসামরিক সম্পত্তি আক্রমণের মতো বেআইনি কাজ করেছে। মন্ত্রণালয় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের গুপ্তচর এবং আইনবহির্ভূত হিসেবে বর্ণনা করেছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, মুখ ঢাকা হামাসের যোদ্ধারা চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় আটজন ব্যক্তিকে নিয়ে এসেছে। হামাস জানিয়েছে, এই ব্যক্তিরা গত দুই বছরের যুদ্ধে ইসরায়েলকে সহায়তা করেছে এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল।
এছাড়াও, হামাসের যোদ্ধারা গাজার অন্যতম শক্তিশালী সশস্ত্র দল দোঘমুস গোষ্ঠীর সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষে জড়িয়েছে। ইসরায়েলি বার্তাসংস্থা ইয়েনেত জানিয়েছে, হামাসের যোদ্ধারা দোঘমুস গোষ্ঠীর ৫২ জন সদস্যকে হত্যা করেছে। একই সময় হামাসের ১২ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে হামাসের সিনিয়র নেতা বাসিম নাঈমের ছেলেও রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, হামাস যোদ্ধারা অ্যাম্বুলেন্সে করে দোঘমুস গোষ্ঠীর এলাকায় প্রবেশ করে, এরপর সেখানে গোলাগুলি শুরু হয়।
জানা যায়, দোঘমুস গোষ্ঠীর কাছে ভারী অস্ত্রসস্ত্র রয়েছে এবং তারা এর আগেও হামাসের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়েছিল। এই গোষ্ঠীটি ইসরায়েলের সহযোগী হিসেবেও কাজ করেছে। ইসরায়েল স্বীকার করেছে যে তারা হামাসবিরোধী কিছু গোষ্ঠীকে সীমিত অস্ত্র সহায়তা দিয়েছে।
উল্লেখ্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামাসকে অস্থায়ী সময়ের জন্য গাজার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিয়েছিলেন।
আরটিভি/এআর




